29/08/2024
গতকাল ২৭ আগস্ট আমি আর আমার আঙ্কেল ঢাকা থেকে লক্ষীপুরের উদ্দেশ্যে বাসে রওনা হই।
কুমিল্লা বিশ্বরোড এ থাকা অবস্থায় একটা কালো প্রাইভেট কার চলন্ত গাড়ির সামনে হটাৎ হটাৎ পরপর ২ বার ব্রেক করে লুকিঙ্গ গ্লাসে দেখা যাচ্ছিলো সে এসব করতেছে আর হাসতেছে তৃতীয় বারের ব্রেকটি ড্রাইভার সামলাতে না পেরে বামে চেপে যায়। বামে একটা মাইক্রো ছিল সেটার উপর অনেক প্রেসার পরে কিন্তু কোনো ক্ষতি হয়নি। কিছুটা সামনে বাগমারা বাজার লালমাই সেখানে গিয়ে প্রাইভেট কারটি একটা ব্রেকেডে থামে আমাদের বাসের হেল্পার নেমে সেই ড্রাইভার এর সাথে কথা বলতে যায় অন্যদিকে মাইক্রোর থেকে কিছু লোক এসে ড্রাইভার কে জানালা দিয়ে উড়া ধুরা মারতে শুরু করে। ড্রাইভার অনেক বুঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনে না। শেষে ড্রাইভার এবং হেল্পার তারা ৪ জন ছিলো তারা বাইরে যায় বুঝানোর জন্য কিন্তু তাদের মধ্যে অনেক হাতাহাতি হয় তারা ৪ জন না পেরে গাড়িতে উঠে যায় গেট লক করে দেয় আর যাত্রীদেরকে বলে আপনারা যাত্রী আপনারা দেখছেন আপনারা বুঝান আমাদের কথা শুনতেছে না শুধু মারতেছে এই কথা বলে ড্রাইভার তার সিটে বসে পড়ে বাকিরা পিছনে চলে যায়। যাত্রীরা বুঝাতে গেলে তারা যাত্রীদের উপর ও চড়াও হয়। একটা লোক এসে জানালা দিয়ে ড্রাইভারকে বাশ দিয়ে মারতে থাকে গাড়ি ভাঙ্গচুর করে আমি ভিডিও করতেছিলাম দেখে লোকটা আমার মুখ বরাবর বাঁশ দিয়ে বাড়ি দিতে নেয় ড্রাইভার হাত দিয়ে বাঁধা দেয়ায় আমার গায়ে আর লাগে না পরবর্তীতে তারা দরজা ভাঙ্গা চেষ্টা করে তারা ভিতরে আসবে ড্রাইভার আর আমাকে মারবে তাদের ৩ জন আমাকে থ্রেট দেয় আমাকে মেরে ফেলবে আমার মোবাইল নিয়ে যাবে আমি যাতে ভিডিও ডিলিট করি। অবাক করার বিষয় হচ্ছে যেই প্রাইভেটকারের ড্রাইভার এর জন্য এত কিছু সেও তাদের সাথে এসে বাসের ড্রাইভারকে মারতেছে আমাকে থ্রেট দিতেছে। এক পর্যায়ে ভিডিওতে থাকা লাস্টের ছেলেটা হটাৎ কোথা থেকে উদয় হয় গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে পরে জানালা দিয়ে উপরে উঠে গাড়ির চাবি নিয়ে যায় আমার দিকে তেড়ে আসে আমার মোবাইল নিয়ে নেয়ার জন্য। কিন্তু আর ভিতরে আসতে পারে না (এই ক্লিপটি আমি নিতে পারিনি)। আমার আঙ্কেল অনেক হাতজোড় করে বুঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনে না তাদের একটাই আমার মোবাইল দিতে তারা ভিডিও ডিলিট করবে। শেষমেষ বন্যার উদ্ধার কাজের জন্য কিছু স্টুডেন্ট পিকআপ এ করে যাচ্ছিলো সেখানের কিছু স্টুডেন্ট এসে বাসকে চলে যাওয়ার জন্য জায়গা
Source: Collected.