MD ACHOR UDDIN

MD ACHOR UDDIN বাংলাদেশের ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ

বিয়ের পর পুরুষের সবচেয়ে বড় ভুলটা কী জানেন?সে ভাবে—মা আর স্ত্রী দুজনকেই খুশি রাখা সম্ভব! 😅মায়ের মন রাখতে গেলে—“বউকে বেশি ...
19/08/2026

বিয়ের পর পুরুষের সবচেয়ে বড় ভুলটা কী জানেন?
সে ভাবে—মা আর স্ত্রী দুজনকেই খুশি রাখা সম্ভব! 😅

মায়ের মন রাখতে গেলে—“বউকে বেশি প্রশ্রয় দিচ্ছ।”
বউয়ের মন রাখতে গেলে—“মা তোকে মানুষ করেছে, সেটা ভুলে গেছিস!”

অর্থাৎ পুরুষটি যতই নিরপেক্ষ থাকতে চায়, দুই পক্ষের আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রস্তুতই থাকে! 😂

মজার বিষয় হলো, দুজনেই তাকে ভালোবাসেন—কিন্তু দুজনের ভালোবাসার শর্তও আলাদা!

মা চান ছেলে আগের মতোই থাকুক।
স্ত্রী চান স্বামী যেন পুরোপুরি তাঁর পক্ষের মানুষ হয়।
আর বেচারা স্বামী?
সে দাঁড়িয়ে থাকে মাঝখানে—এক হাতে মায়ের অভিমান, অন্য হাতে স্ত্রীর অভিযোগ! 😐

শেষ পর্যন্ত যদি সংসারে শান্তি না থাকে, তখন সবাই প্রশ্ন করে—
“পুরুষটা কী করছে?”

কেউ একবারও প্রশ্ন করে না—
“আমরা কি একটু ছাড় দিতে পারতাম?”

সংসার কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়, যেখানে একজনকে জিততেই হবে আর অন্যজনকে হারতেই হবে।
কারণ মা ও স্ত্রী—দুজনের জায়গা আলাদা, ভালোবাসার ধরনও আলাদা।

তাই পুরুষকে টানাটানি না করে,
একটু বোঝাপড়া করুন।

নইলে একদিন দেখা যাবে—
মা বলছেন, “ছেলে বউয়ের কথায় চলে।”
বউ বলছেন, “স্বামী মায়ের কথায় চলে।”
আর স্বামী মনে মনে বলছে—
“আমি আসলে কার কথায় চলি, সেটা আমিই জানি না!” 🤣

#দাম্পত্যজীবন #সংসার #মা_ও_স্ত্রী #বাস্তবতা #সম্পর্ক #ভাইরাল_পোস্ট
Md Achor Uddin

শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিডিসেম্বরে দেশে আসেন, রাজপথে দেখা হবেক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কা...
08/08/2026

শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ডিসেম্বরে দেশে আসেন, রাজপথে দেখা হবে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ্যে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, আওয়ামী লীগের তো কোনো অনুশোচনা নেই। এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, অর্থ পাচার, নির্যাতন ও আয়নাঘরের পরও তাদের কোনো লজ্জাবোধ নেই। তারা আবার বলে, ডিসেম্বরে দেশে এসে পদার্পণ করবে। আমরা অপেক্ষা করে আছি, আসেন দেশে। দেশে আসেন, ইনশাআল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।
তিনি বলেন, ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখন ৮২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি লড়াই করব। বাংলাদেশে জনগণের শাসন ও গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব আমরা। এই দেশের জন্য রক্ত দিয়েছি, ১৯৭১ সালে যুদ্ধে আহত হয়েছিলাম এই ধরনের বাংলাদেশ দেখার জন্য তো নয়।

রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন সাহেবকে নির্বাচিত করা সমীচীন হবে না বলেই আমি মনে করি। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রা...
07/08/2026

রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন সাহেবকে নির্বাচিত করা সমীচীন হবে না বলেই আমি মনে করি। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি পদে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়ে হাফিজ উদ্দিন সাহেবকে স্পিকারের পদে বহাল রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি।

স্পিকার হিসেবে হাফিজ উদ্দিন সাহেব যেভাবে সংসদকে প্রাণবন্ত ও কার্যকর করে তুলেছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে খুব কমই দেখা গেছে। তিনি বিএনপির একজন সংসদ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও যথাসম্ভব নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে সরকারি দলের প্রতি তুলনামূলকভাবে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে মনে হলেও সামগ্রিকভাবে তিনি সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার নীতি অনুসরণ করেছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য এ ধরনের মানসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের দেশের বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির পদটি অনেকাংশেই আনুষ্ঠানিক দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে এই পদে কে দায়িত্ব পালন করছেন, তা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলে না।

অন্যদিকে, স্পিকারের পদটি সংসদের কার্যকারিতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাফিজ উদ্দিন সাহেবের মতো অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ ও নীতিবান একজন ব্যক্তির জন্য এই পদটি অধিক উপযোগী বলেই মনে করি। তিনি যদি এই দায়িত্ব থেকে সরে যান, তাহলে সংসদের কার্যক্রম ও পরিবেশে তার প্রভাব পড়তে পারে।

তাই জনগণের প্রত্যাশা, সংসদের শৃঙ্খলা এবং কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির স্বার্থে হাফিজ উদ্দিন সাহেবকে স্পিকারের পদেই বহাল রাখা উচিত। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের জন্য অন্য কাউকে নির্বাচন করা যেতে পারে। তবে সংসদের নেতৃত্বে তাঁর উপস্থিতি দেশের জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

07/08/2026

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বিষয় নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

প্রথমত, বসুন্ধরা গ্রুপকে সারা দেশে জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের আপত্তি এবং পরবর্তী সময়ে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জনগণের মনে প্রশ্ন উঠছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থ জড়িত আছে কি না।

দ্বিতীয়ত, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২৯৫টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কোম্পানিগুলো ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে না পারে। এখন সেই নীতিতে পরিবর্তন আনার আলোচনা শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জনগণ জানতে চায়, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কী যুক্তি রয়েছে এবং এতে কারা লাভবান হবে।

তৃতীয়ত, একশটি বাস নামানোর উদ্যোগ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। যদি এ ধরনের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত হবে বিষয়টি জনগণের সামনে পরিষ্কার করা।

চতুর্থত, একটি জাপানি প্রকল্পে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বজনদের সম্পৃক্ততা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। জনগণ মনে করে, রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

সব মিলিয়ে জনগণের প্রত্যাশা একটাই—রাষ্ট্রীয় প্রতিটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হোক।

22/07/2026

Turkey's Home Minister, oh if only Bangladesh's Home Minister were like this

ইন্ডিয়ার পরিস্থিতি দেখে মোটেও ভালো মনে হচ্ছে না। ঠিক যেমন বাংলাদেশের ছাত্রদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল, বিরোধীদের ধর...
22/07/2026

ইন্ডিয়ার পরিস্থিতি দেখে মোটেও ভালো মনে হচ্ছে না। ঠিক যেমন বাংলাদেশের ছাত্রদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল, বিরোধীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—ভারতেও যেন তেমনটাই হচ্ছে।

কাল ছাত্র নিপীড়নের পর আজ তার প্রতিবাদে মোদির বাসভবন ঘেরাও করতে গেলে এবার প্রধান বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীকেও আটক করল পুলিশ।

গতকাল ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে ব্যাপক আন্দোলন করেছে ছাএরা। দিল্লির রাস্তায় নামা হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। রাহুল গান্ধী একে "ইতিহাসের সবচেয়ে যুব-বিরোধী" পদক্ষেপ বলে তীব্র নিন্দা জানান।

আজ আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার পর বিকেলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখানে রাস্তার ওপর বসে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ ও RAF তাদের আটক করে অজ্ঞাত একটি থানায় নিয়ে যায়।

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও রাহুল গান্ধীকে এখনো মুক্তি দেওয়া হয়নি। রাহুল গান্ধীর স্পষ্ট বার্তা—"ভারতের তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে এই সরকারকে শান্তিতে ঘুমাতে দেওয়া হবে না।"

পরিস্থিতি ভালো মনে হচ্ছে না। আস্তে আস্তে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে।

মনে হচ্ছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের পর দক্ষিণ এশিয়ায় আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান লোডিং হচ্ছে। কারণ আগের ঘটনাগুলো থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট দেখা গেছে—পুলিশ যত বেশি ছাত্র ও বিরোধীদের ওপর নির্যাতন চালায়, আন্দোলন তত কমে না; বরং আরও বাড়তে থাকে।

#ইনকিলাব
#জিন্দাবাদ

বলুন তো দেশটির নাম কী? বিঃদ্রঃ শুধু ভুল উত্তর গ্রহণযোগ্য!
11/07/2026

বলুন তো দেশটির নাম কী?

বিঃদ্রঃ শুধু ভুল উত্তর গ্রহণযোগ্য!

সত্যিই, দিনকাল কোন দিকে যাচ্ছে ভাবলে অবাক হতে হয়! পঞ্চম শ্রেণীর বাচ্চা, যাদের এখনো ঠিকঠাকমতো নিজের জামাকাপড় গোছানোর বয়স ...
10/07/2026

সত্যিই, দিনকাল কোন দিকে যাচ্ছে ভাবলে অবাক হতে হয়! পঞ্চম শ্রেণীর বাচ্চা, যাদের এখনো ঠিকঠাকমতো নিজের জামাকাপড় গোছানোর বয়স হয়নি, তারা ঘর ছাড়ছে আর আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে—এটা যেমন শকিং, তেমনই একটা অ্যালার্মিং সিচুয়েশন।
তবে এই মুহূর্তে আবেগপ্রবণ বা অতিরিক্ত রাগান্বিত না হয়ে ঠান্ডা মাথায় কৌশলগতভাবে এগোতে হবে। ওদের "বাঁচানোর" এবং সঠিক ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:
১. ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মুখে শান্ত থাকা
বাচ্চারা যখন "মরে যাওয়ার" হুমকি দেয়, তখন পরিবারের ওপর এক ধরণের প্রচণ্ড মানসিক চাপ তৈরি হয়। তবে মনে রাখবেন, এই বয়সে তারা মৃত্যুর গভীরতা বা ভয়াবহতা বোঝে না। তারা সিনেমা, নাটক বা সোশ্যাল মিডিয়া দেখে এটাকে একটা 'টুল' বা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে নিজেদের জিদ পূরণ করতে।
হৈচৈ বা মারধর না করা: এই মুহূর্তে মারধর বা অতিরিক্ত শাসন করলে তারা আরও বেশি জেদি হয়ে কোনো চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে বসতে পারে।
ভয় না পাওয়া: তাদের সামনে অতিরিক্ত আতঙ্কিত হবেন না। তাহলে তারা বুঝবে যে এই হুমকি কাজ করছে।
২. উদ্ধার ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
ওরা যদি এখনো ঘরের বাইরে থাকে, তবে যেকোনো উপায়ে (প্রয়োজনে আইনি সাহায্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে) আগে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনুন। আর যদি ঘরে ফিরে এসে থাকে:
তাদের ঘরের বিষাক্ত জিনিসপত্র, ধারালো বস্তু বা ওষুধপত্র আড়ালে রাখুন।
তাদের ওপর কড়া নজরদারি রাখুন, তবে সেটা যেন গোয়েন্দাগিরির মতো না শোনায়।
৩. কঠোরতা নয়, মনোযোগের কৌশল (Validation & Distraction)
তাদেরকে সরাসরি বলা "তোরা তো বাচ্চা, তোরা কি বুঝিস!"—এই কথাগুলো তাদের আরও ক্ষ্যাপিয়ে তুলবে।
শুনুন: তাদের বসিয়ে বলতে দিন তারা কী চায়। শুধু শুনুন, কোনো জাজমেন্ট বা গালিগালাজ ছাড়া।
সময় নেওয়া: তাদের বলুন, "ঠিক আছে, আমরা তোমাদের ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছি। কিন্তু সবকিছুর তো একটা নিয়ম আছে, হুট করে তো আর বিয়ে হয় না। আমাদের কিছুটা সময় দাও।" এই 'সময় নেওয়া'র কৌশল তাদের উত্তেজনার পারদ কিছুটা কমিয়ে আনবে।
৪. প্রফেশনাল কাউন্সেলিং (সবচেয়ে জরুরি)
এই বয়সের বাচ্চাদের মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য একজন চাইল্ড সাইকোলজিস্ট বা অভিজ্ঞ কাউন্সেলরের সাহায্য নেওয়া বাধ্যতামূলক।
অনেক সময় ঘরের ভেতরের একাকীত্ব, ইন্টারনেটের অবাধ অ্যাক্সেস বা মনোযোগের অভাব থেকে বাচ্চারা এসব অবাস্তব ফ্যান্টাসিতে জড়িয়ে পড়ে।
একজন পেশাদার কাউন্সেলর তাদের বোঝাতে পারবেন যে, তাদের এই অনুভূতিটা কোনো "অমর প্রেম" নয়, বরং বয়সের একটা সাময়িক হরমোনাল ও মানসিক পরিবর্তন (Infatuation)।
৫. ডিজিটাল ডিটক্স ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন
ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ: তাদের হাত থেকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সাময়িকভাবে কেড়ে না নিয়ে বরং সীমিত করুন। কারণ ইন্টারনেটের সস্তা রোমান্টিক কনটেন্টই তাদের এই বয়সে এসব শেখাচ্ছে।
ব্যস্ত রাখা: তাদের খেলাধুলা, ছবি আঁকা, বা পরিবারের সাথে কোনো ট্যুরে নিয়ে যান। পরিবেশ পরিবর্তন হলে এবং নতুন কোনো কাজে মন ব্যস্ত থাকলে এই ভূত মাথা থেকে দ্রুত নামবে।
সংক্ষিপ্ত কথা: বিয়ে দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না (এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং তাদের জীবন ধ্বংসের নামান্তর)। আবার মারধর করে সোজা করার চেষ্টাও এখন ব্যাকফায়ার করতে পারে। একমাত্র উপায় হলো—ধৈর্য, নজরদারি, এবং একজন ভালো সাইকোলজিস্টের কাউন্সিলিং।

জুলাইয়ের কুইজ #জুলাই
04/07/2026

জুলাইয়ের কুইজ

#জুলাই

Address

Lalmonirhat

Telephone

+8801771802627

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD ACHOR UDDIN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share