Teletalk 3G Fan Club

Teletalk 3G Fan Club Stay with Teletalk and be part of developed BAngladesh.

শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, দ্রুত গতির ইন্টারনেট, সবচেয়ে সাশ্রয়ী ডাটা প্যাক ও সাশ্রয়ী কলরেট নিয়ে আপনাদের পাশে . . .

নূরানী পদ্ধতিতে ২৭ ঘন্টায় কুরআন শিক্ষা
24/12/2023

নূরানী পদ্ধতিতে ২৭ ঘন্টায় কুরআন শিক্ষা

লেখকঃ মওলানা জহুরুল হক,প্রকৌশলী মইনুল হোসেন, ক্যাটাগরিঃ কুরআন শিক্ষা, মূল্যঃ 260.0, লিংকঃ www.rokomari.com/book/69112 , সার সংক্ষেপঃ “ন....

07/01/2023

একজন মেয়ে হিসেবে এই গল্পটা পড়া উচিত🙏🙂

সকাল সকাল শাশুড়ির রুমে এসে দাঁড়িয়ে আছি🧍‍♀️ আমার ঠিক দুইপাশে তিনজন জা দাঁড়িয়ে আছেন🧍‍♀️🧍‍♀️🧍‍♀️

বিয়ে হয়ে শ্বশুর বাড়ি আসলাম মাত্র একদিন হলো। একদিন যেতে না যেতেই সকাল সকাল এমন করে শাশুড়ির তলব পেয়ে আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম। জা’দের কাছে জিজ্ঞেস করব তার সুযোগই পেলাম না। সবাই হন্তদন্ত হয়ে শাশুড়ির রুমে এসে হাজির🙂🙃

শাশুড়ি খুব গম্ভীর হয়ে বললেন, ভয় পাওয়ার কারণ নাই ছোট বউ। বাড়ি উত্তরে একখান জামরুল আর কতবেল গাছ আছে। এই দুই গাছের মাঝামাঝি একটা নারিকেল গাছ লাগানোর দায়িত্ব তোমার। শুধু লাগালেই হবে না, মাঝে মাঝে যত্নআত্তিও নিবা🙂

বিয়ে হয়ে শ্বশুরবাড়ি আসলাম মাত্র একদিন হল। এর মধ্যে নারিকেল গাছ লাগানোর কথা শুনে আমার ভয় যেন যেমন বাড়ল তেমনি রাগও হলো। এই কোথায় এসে আমি পড়লাম! আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি দেখে শাশুড়ি একটু কঠিন করে বলল, কথা বুঝো নাই বউ?🙄

আমি বললাম, বুঝেছি আম্মা😒

বুঝলে ভালো। বড় বউ তোমারে সব দেখায়ে দিব। এই বাড়ির বউ হইয়া আইছো। কাজকর্ম মন দিয়া করা লাগব ছোট বউ☺️

জ্বী আম্মা😟

আমার শাশুড়ি এবার একটু রাগী চোখে মেজ জা’য়ের দিকে তাকাল। মেজ জা আমতা আমতা করতে করতে বলল, আম্মা দোষ টা আমার। আমাকে আপনি ক্ষমা করে দেন। এমন ঘটনা আর হবে না🙏

কথাটা শেষ করে মেজ ভাবি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল। মেজ ভাবির কান্না দেখে শাশুড়ি খুব রেগে গিয়ে বললেন, দোষ যে তোমার সেটা তো আমি আগেই জানতাম। তোমার তো কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত বউ। তোমার বাপের বাড়ি খবর দেওয়া উচিত। কিন্তু আমি চাই না এই বাড়ির খারাপ কোনো সংবাদ বাইরের মানুষের কানে যাক। এই বিচার আমি একা করব। এই সংসার আমার। এখানে অন্যায় কিছু আমি বরদাসত করব না🤫

কথা শেষ করে শাশুড়ি বিড়বিড় করে কী সব পড়লেন। আমরা দাঁড়িয়ে আছি। আমি কী করব বুঝতে পারছি না। হঠাৎ করে শাশুড়ি বললেন, তোমরা যাও😒

শাশুড়ির রুম থেকে বের হয়ে আসার পর আমার কাছে সবকিছু কেমন উল্টাপাল্টা লাগছে। মেজ ভাবির কান্না দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছে। যদিও আমি বুঝতে পারছি না বিষয়টা কী। তারপরও এখন শাশুড়ির উপর খুব রাগ হচ্ছে। একজন শাশুড়ি যদি এমন করে বাড়ির বউদের শাসন করে তবে তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যাবে না। আমিও খান বাড়ির ছোট মেয়ে। আমার উপর এসব খবরদারি চলবে না🤐

আমি মনে মনে ঠিক করলাম গাছ আমি লাগাবো না। ইচ্ছে করেই লাগাবো না। দেখি শাশুড়ি আমার কী করে। আজ কয়েকবার বড় ভাবি গাছ লাগনোর জন্য তাগিদ দিয়েছে কিন্তু আমি এড়িয়ে গিয়েছি। ইচ্ছে করে এড়িয়ে গিয়েছি। সকাল থেকে কয়েকবার বলার পর দেখি বড় ভাবি এই নিয়ে আর কিছু বলছে না। ভালোই হলো। শাশুড়ি বুঝুক আমার উপর অত সহজে খবরদারি করা যাবে না🤔

একান্নবর্তী পরিবার। বহরপুর বাজারে আড়তের ব্যবসা। বিশাল ব্যবসা। চার ভাই এই আড়তেই বসে। তাছাড়া এলাকায় ব্যবসা এবং জমিজমা নিয়ে এই পরিবারের বেশ নাম-ডাক আছে। শুনেছি আমার শ্বশুর গত হয়েছেন প্রায় সাত বছর হতে চলল। এই বাড়ির চার ছেলেই মায়ের ভীষণ ভক্ত। মা যা বলেন বিনা বাক্যে ছেলেরা তা মেনে নেয়। ছেলেদের কথা হলো মা যতদিন আছে আমরা সব ভাই একসাথে। আলাদা হওয়া, আলাদা চিন্তা করার সুযোগ নেই। এই নিয়ে বাড়ির বউদের কোনো অভিযোগ কাজে লাগবে না। বাড়ির বেশির ভাগ বিষয়ে এই শাশুড়ি সিদ্ধান্ত দেন। আর সেই সিদ্ধান্তে বাড়ির ছেলেদের খুব একটা দ্বিমত নেই এবং থাকেও না🙂

মেজ ভাবির কাছে এসব শুনে আমার রাগ আরো বাড়ল। এটা অন্যায়। একজন মানুষ এমন করে সবার উপর কর্তৃত্ব করবেন তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। মনে মনে রাগ পুষে রাখলেও কাউকে কিছু বললাম না😑

প্রায় সাতদিন হতে চলল। শাশুড়ির সাথে বেশ কয়েকবার দেখা হলেও গাছ লাগানোর বিষয়ে কিছু বললেন না। আমিও মনে মনে ভাবলাম ভালোই হলো। শাশুড়িকে এই একটা শিক্ষা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছি আমিও খান বাড়ির মেয়ে। আমার উপর এমন করে খবরদারি চলবে না। অন্যায় ভাবে বাড়ির অন্য বউদের শাসন করলেও আমাকে পারবে না😐

খুব অল্প সময়ে এই বাড়িতে আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ হয়ে উঠলেন বড় ভাবি। চুপচাপ আপন মনে কাজ করে চলেন। কোনো বিষয়ে বিচলিত হতে দেখি না। বাড়ির অন্য বউয়েরাও দেখি বড় ভাবিকে বেশ পছন্দ করেন। তবে এই বাড়িতে এসে একটা বিষয় শুনে বেশ কষ্ট পেয়েছি। বড় ভাবি নিঃসন্তান। ঢাকায় গিয়েও অনেক বড় ডাক্তার দেখিয়েও কোনো কাজ হয়নি। তবে এই বাড়ির বাচ্চা-কাচ্চারা বড় ভাবির ভীষণ ভক্ত। মনে হয় তাদের সব আবদার এই বড় মায়ের কাছে। বাড়ির সব ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা খাবার-দাবার সবকিছুর খবর যেন বড় ভাবির কাছে। এই নিয়ে কারো কোন অভিযোগও নেই। এসব দেখে বড় ভাবির প্রতি আমার শ্রদ্ধা এবং মায়া যেন আরো বেড়ে গেল😘

সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। একদিন দেখি বড় ভাবি চোখ মুছতে মুছতে আমার শাশুড়ির রুম থেকে বের হচ্ছে। ভাবিকে এমন করে দেখতে আমার খুব কষ্ট হলো। ভেতরের রুম থেকে শাশুড়ি কী সব বলে চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। বড় ভাবির মতো এমন একটা মানুষকে বকতে পারে তা আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। কী এমন করল যে ভাবিকে এভাবে বকতে হবে! এটা দেখার পর শাশুড়ির উপর আমার রাগটা যেন আরো বাড়ল😠

সন্ধ্যার দিকে শাশুড়ি আমাকে ডাকলেন😒

কেমন আছো ছোট বউ?🙂

ভালো আম্মা😘

ইসমাইলের সাথে তুমি নাকি খুব রাগারাগি করছ?😕

এই সংবাদ আপনার কানে আসল কেমন করে?😯

সংবাদের বিষয়ে তুমি কি আমার কাছে কৈফিয়ত চাও বউমা?🧐

কৈফিয়ত কেন আম্মা? আমাদের স্বামী স্ত্রীর মাঝে একটু মান-অভিমান হতে পারে তাই বলে সেই সংবাদ আপনার কাছে আসবে, আপনি সেটা নিয়ে আমার বিচার করবেন সেটা তো ঠিক না আম্মা🙄

কোন টা ঠিক, কোন টা বেঠিক সেটা বোঝার ক্ষমতা তুমি এখনো অর্জন কর নাই ছোট বউ। এই বাড়িতে তোমার বড় ভাইরে আমি আসতে না করছি। এখানে ইসমাইলের কোনো দোষ নাই। এই নিয়ে তুমি আর কোনো আওয়াজ তুলবে না😐

আম্মা কাজটা কি আপনি ঠিক করলেন?😒

বলেছি তো কোন টা ঠিক আর কোনটা বেঠিক সেই জিনিস বোঝার ক্ষমতা তোমার হয় নাই। তুমি এখন যাও ছোট বউ😐

আমার রাগ যেন বাড়ছিল। ইচ্ছে করছিল শাশুড়িকে আরো কিছু কথা শুনিয়ে আসি। কিন্তু রাগটা এতো বেড়ে গিয়েছিল যে আমার মুখ দিয়ে শব্দ বের হচ্ছিল না। শাশুড়ির রুম থেকে বের হয়ে নিজের রুমে এসে দরজা বন্ধ করে একা একা কিছুক্ষণ কাঁদলাম। আমার স্বামী ইসমাইলের উপর ভীষণ রাগ হচ্ছে। গতকাল এই বাড়িতে আমার বড় ভাই আসার কথা ছিল জিনিসপত্র নিয়ে। আমি শুনেছি ইসমাইল বারণ করেছে। এই নিয়ে ইসমাইলের সাথে আমার বেশ কথা কাটাকাটিও হয়েছে। আজ যখন বিষয়টা শাশুড়ির মুখে শুনলাম তখন রাগটা আরো বাড়ল। সবকিছুতে শাশুড়ির এমন খবরদারি মেনে নিতে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার বাড়ি থেকে কিছু জিনিসপত্র দিতেই পারে। কিন্তু তা আনতে এভাবে বারণ করা অন্যায়। মনে মনে ভাবলাম, আমিও খান বাড়ির মেয়ে। এই নিয়ে একটা বিহিত আমি করব☹️

রাতে ভাবিরা একে একে সবাই এসে খেতে ডাকল। আমি জানিয়ে দিলাম খাব না। ইসমাইলও অনেক জোরাজুরি করল। আমি বেশ শক্ত। কিছুতেই আজ খাব না। শেষে সবাই বুঝে নিয়েছে আমি বেশ কঠিন ধাঁচের মেয়ে। আমাকে খাওয়ানোর আশা ছেড়ে দিয়ে সবাই ডাকাডাকি বন্ধ করল। আমিও মনে মনে ভেবে রেখেছি, এবার শাশুড়িকে একটা উচিৎ শিক্ষা দিয়ে তবে আমি শান্ত হব😑

রাত এগারো টার দিকে বড় ভাবি এসে বলল, হেনা আম্মা তোমায় ডাকছে‼️


আমি কিছু না বলে শাশুড়ির রুমের দিকে রওনা দিলাম। মনে মনে ভাবলাম এই সুযোগ। অতো সহজে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। রুমে ঢুকে দেখি শাশুড়ি কোরআন তেলওয়াত করছেন। আমাকে ইশারা করলেন বসার জন্য। আমি বসলাম ছোট টুলে✅

আমি চুপচাপ বসে আছি। শাশুড়ি একটা হালকা আওয়াজে তিলওয়াত করছেন। তিলওয়াত খুব মিষ্টি লাগছে। যদিও আমার ভেতরটা রাগে ফুসছে কিন্তু কেনজানি এই তিলওয়াত আমার খুব ভালো লাগছে শুনতে। রুমটা বেশ গোছানো। এই রুমে আরো কয়েকবার আসা হলেও এমন মনোযোগ দিয়ে দেখা হয়নি কখনো। সবকিছু বেশ সুন্দর করে সাজানো আছে। যেটা যেখানে থাকা প্রয়োজন ঠিক সেখানে আছে। একটুও এদিক ওদিক নেই😇

বেশি কিছুক্ষণ হয়ে গেল। আমার শাশুড়ির তেলাওয়াতের শেষ হয়নি। আমার এই তিলাওয়াত শুনতে বেশ ভালো লাগছে। এতো সময় পেরুলেও আমার একটুও বিরক্ত লাগছে না। কেন জানি মনটা শান্ত হয়ে এসেছে। শাশুড়িকে আজ কিছু একটা বলে শায়েস্তা করার সাহসটাও যেন মিইয়ে গেল। আমি কী সব ভাবছিলাম। এমন সময় শাশুড়ি বলল, এসেছো বউমা?🙂

জ্বী আম্মা😒

ইসমাইল ঘুমিয়েছে?🙂

শুয়ে পড়েছে এতক্ষণে হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে🛌

যাক ভালো হলো। তোমার সাথে এখন কিছুক্ষণ গল্প করা যাবে🤗

আমার ভেতর রাগ এখনো আছে কিন্তু কিছু একটা বলতে গিয়েও বলতে পারলাম না। তখন শাশুড়ি বলা শুরু করল, এই বাড়ি তে আমি বউ হয়ে আসি মাত্র ষোল বছর বয়সে। কলেজে উঠতেই বিয়ে হয়ে গেল। নিজের ভেতর কত রকম স্বপ্ন ছিল। বিয়ের পর ভাবলাম সব শেষ। রান্না-বান্না, স্বামী-সন্তান এই নিয়েই যেন জীবন। আস্তে আস্তে সংসার বড় হতে লাগল। ঘরবাড়ি, জমিজমা, সম্পত্তি সব যেন আস্তে আস্তে বাড়তে লাগল। কিন্তু এই বাড়ির বউ হয়ে আসা এই আমি ঠিক আগের মতই আছি। বাবার বাড়ি থেকে সবকিছু ছেড়ে বসতি করলাম এই শ্বশুরবাড়ি। নিজের জীবনের বিশাল একটা সময় এই সংসারের পেছনে দিয়েও মনে হতে থাকে আমি শুধু এই বাড়ির বউ। সবাই আমাকে অমুক বাড়ির বউ বলে চিনে। এত কিছু করেও আমি এখনো অমুক বাড়ির বউ। রাশেদের মা, ইসমাইলের মা তো খুব কদাচিৎ😌

শাশুড়ি একটা দীর্ঘশ্বাস দিয়ে বললেন, আমাকে দেখে তোমার মনে হতে পারে এই বাড়ির সবকিছুর হর্তাকর্তা বুঝি আমিই। চাইলেই অনেক কিছু করতে পারি। হ্যাঁ পারি, এখন চাইলে অনেক কিছু করতে পারি মা । তবে নিজের জন্য কিছুই তো করতে পারি না। আমার বিয়ের বছর খানেক পর ছোট ভাইটা মারা গেল টাইফয়েডে। টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেনি। আব্বা তো সামান্য স্কুল মাষ্টার। আব্বাকে কত কিছু খাওয়াতে ইচ্ছে করত। অথচ এই সংসারের কোনো কিছুই আমার হাতে নেই। স্বামীর কাছে বলে কোনো লাভ ছিল না। দূর থেকে বড় বাড়ির বউ হয়ে আমি শুধু চোখের পানিই ফেলেছি। ছোট বোনটার বিয়েতে একটা স্বর্ণের জিনিস দেওয়ার কথা ছিল। শেষে আমার শ্বশুর না করলেন। সে যে কী কষ্ট আমার। বোনের বিয়েতেও গেলাম না। আমি শুধু এই বাড়ির বউ হয়ে রইলাম🙃

শাশুড়ি এবার একটু থামলেন। আমি একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি আমার শাশুড়ির দিকে। আমার কিছুই বলতে ইচ্ছে করছে না। আমার শাশুড়ি আবার বলা শুরু করলেন🙂

এখন আমার হাতে অনেক কিছু আছে। ছেলেদের বললে অনেক কিছু হয়ে যাবে। কিন্তু আমার তো আর কেউ নেই মা। বাবা-মা মারা গেছেন সেই কবে। ভাইটা তো মরেই গেল। বোনেরাও এখন বেশ ভালো আছে। আমার নিজের জন্য যে কিছুই করার নেই🥺


শাশুড়ি একটু চঞ্চল হয়ে উঠে বলল, তুমি বোধহয় রাগ করেছ এই বাড়িতে আসতে না আসতে তোমাকে আমি গাছ লাগানোর কথা কেন বললাম?🌴

আমি আমতা আমতা করতে করতে শাশুড়ি বলল, আমি তো জানি তুমি রাগ করে সেই গাছ লাগাও নি। আমিই বড় বউকে বারণ করেছি এই নিয়ে তোমাকে যেন কিছু না বলে। মা, আমি চাই এই বাড়ি তোমাদের হোক। বাড়ির উত্তর পাশে বড় নারিকেল গাছটা লাগিয়েছে এই বাড়ির বড় বউ। তার পাশের নারিকেল গাছটা সেজ বউ। পুব দিকের লকলকিয়ে বড় হওয়া নারিকেল গাছটা মেজ বউ লাগিয়েছে। এই গাছগুলো এই বাড়ির বউদের লাগানো বুঝতে পেরেছ। গাছ গুলো দিন দিন বড় হবে। এই বাড়ি ছায়া দিবে, ফল দিবে। তার চেয়ে বড় কথা, এই গাছ গুলো এই বাড়ির চারপাশ ঘিরে রাখবে তা শুধু না, এই গাছ গুলো দেখলে তোমাদের ভেতর একটা সাহস আসবে। লম্বা হয়ে এই গাছ গুলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে এই গাছ। দূর থেকে দেখলে মনে হবে এই বাড়িটা তোমরা আগলে রেখেছ। তাছাড়া বাড়ির পুরুষ মানুষগুলো এসব গাছ দেখলে বুঝতে পারবে এই বাড়ির বউয়েরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের অসম্মান করা অতো সহজ নয়। তোমাদের শেকড় এই বাড়ির মাটির সাথে শক্ত হয়ে আছে। এই বাড়ি যে তোমাদের। এটা আমাদের বাড়ি। আমার এই বউদের বাড়ি🏠

রাগ, ক্ষোভ নিয়ে যেই আমি এই শাশুড়ির রুমে বসে প্রতীক্ষা করছিলাম শাশুড়িকে আজ হেনস্তা করে ছাড়ব, সেই আমি চোখের জল আটকে রাখতে পারছি না কিছুতেই। আমি কাঁদছি বাচ্চাদের মতো করে। আমার কান্না মনে হয় না শাশুড়ি খুব একটা দেখছেন। তিনি আপন মনে গল্প করে চলেছেন। আম্মা এবার একটু রাগ দেখিয়ে বলল, বড় বউয়ের উপর আমার খুব রাগ। রোজ দিন আমার কাছে এসে কান্নাকাটি করে। আমি বললাম, কেন আম্মা?😕

কেন আবার, নিজের কপালে নিজে কুড়াল মারতে চায় মেয়েটা। এমন বোকা হলে চলে! আমার বড় ছেলের আবার বিয়ে দিতে চায়। সেতো সন্তান দিতে পারল না। আবার বিয়ে করালে নাকি নতুন বউয়ের সন্তান হবে। আমি বলে দিয়েছি আমি জীবিত থাকতে এবং আমি মারা গেলেও এই কাজ হতে পারবে না। আল্লাহ তাদের কপালে সন্তান রাখে নাই। বাড়িতে আরো ছেলে মেয়ে আছে। আমার ছেলের বংশ নিয়ে নিয়ে বড় বউয়ের চিন্তা করার দরকার নাই। কত বড় বেআক্কেল মেয়ে দেখছ। খুব ভালো করে বকেছি মেয়েটারে। আমার খুব খারাপ লাগে এমন করে বকতে। কিন্তু এসব শুনলে মাথা কি আর ঠিক থাকে😨

আমার শাশুড়ি এবার একটু শান্ত হয়ে বলল, আমারে একটু পানি দাও মা। অনেক কথা বলে ফেলেছি। গলাটা শুকিয়ে গেল কাঠ হয়ে গেল🙁

পানি খেয়ে গ্লাস টা হাতে রেখেই তিনি বললেন, কিছু জিনিসপত্র মানে ফার্ণিচার নিয়ে তোমার ভাই আসতে চেয়েছিল। আমি না করেছি। আমি জানি এই নিয়ে তুমি খুব রাগ করেছ মা। কিন্তু আমি যে তোমার বাপের বাড়ি থেকে এসব নিতে পারব না। আমি বেঁচে থাকতে এসব জিনিস এই বাড়িতে ঢুকবে না। এটা অন্যায় মা। আমি জানি তোমার বাপের অনেক সহায় সম্পত্তি। এসব তোমার বাপে খুশি হয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এসব আমার বাড়িতে ঢুকলে আমার অন্য বউদের মনটা ছোট হয়ে থাকবে। আমার সব বউদের বাপের বাড়ির অবস্থা তো তোমাদের মতো না মা। তারা চাইলেও কিছু দিতে পারবে না। তাছাড়া ছেলেদের বিয়ে দিয়ে কোনো জিনিস আমি এই বাড়িতে আনব না এটা আমার আগে থেকেই শপথ করা। এই নিয়ে তুমি আর কিছু মনে করো না মা। আমি বলে দিয়েছি, তোমার বাড়ির লোকজন যেন যখন তখন আমার বাড়ি বেড়াতে আসে। তারা বেড়াতে আসলে আমার খুব খুশি লাগবে☺️

একটু দূরে বসা ছিলাম আমি। উঠে গিয়ে আমার শাশুড়ির কাছে গিয়ে বসলাম। কাছে যেতেই আমার মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিলেন। তিনি দেখছেন আমি কাঁদছি। অথচ তিনি একটিবার কাঁদতে বারণ করল না😔

আমার শাশুড়ির কোলে মাথা গুজে আমি শুয়ে আছি। তিনি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলছেন, আমি জানি মেজ বউয়ের শাস্তির কথা শুনে তুমি ভয় পেয়েছ। ভয়ের কিছু নাই মা। মেজ বউ অন্যায় করেছে। এই অন্যায় আমার মেয়ে করলেও আমি একই শাস্তি দিতাম😐

কী করেছে আম্মা?🙄

গত ঈদে আমি সব বউদের হাতে কিছু টাকা দিয়েছি তাদের বাপের বাড়ির লোকজনের জন্য কেনাকাটা করতে। মেয়েরা সবসময় তো বাপের বাড়ির জন্য কিছু করতে পারে না। ভাবলাম ঈদে মেয়েরা নিজের হাতে, নিজের মতো করে কিছু উপহার দিক। এতে তাদের মনটা বড় হবে। অথচ আমার মেজ বউ করল কী সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দিল। একটা টাকাও খরচ করল না। আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি ছোট বউ। টাকা লাগলে বলত। মানুষ এতটা ছোট মনের হয় কী করে! ঘটনা শুনে আমি নিজে লোক পাঠিয়ে কেনাকাটা করে বেয়াই বাড়ি পাঠালাম😇

শাশুড়ির কোলে মাথা গুঁজে আমি শুয়েছিলাম। আমি মাথা তুলে একবার শাশুড়ির মুখটা দেখলাম। আমার কেন জানি মুখটা দেখতে খুব ইচ্ছে করল। শাশুড়ি ছোটখাটো মানুষ। সেই ছোটখাটো মানুষের ছোটখাটো মুখটা দেখতে আমার কেন জানি আজ বিশাল মনে হচ্ছে। পৃথিবীতে এত সুন্দর মানুষ দেখতে চাইলেও দেখা যায় না। এমন মুখটা দেখার জন্য প্রতীক্ষা করতে হয়। আজ আমি সেই সুযোগ পেয়েছি। আমার ইচ্ছে করছে আজ সারাটা রাত এই মুখটার দিকে তাকিয়ে থাকি😊

চলো বউমা, রাত অনেক হয়েছে। এবার আমরা খাওয়া-দাওয়া করি। শাশুড়ি হুট করে বলে উঠলেন😟

আপনি খান নি আম্মা?😳

আমার বাড়ির ছোট মেয়েটা না খেয়ে আছে আর আমি মা হয়ে খেয়ে নিব তা হয় কেমন করে! এই বাড়িতে এমন নিয়ম কখনো ছিল না😔

এবার আমি ঠিক বাচ্চাদের মত হাউমাউ করে কেঁদে আম্মাকে জড়িয়ে ধরলাম। আম্মার বুকে মাথা গুঁজে আমি শুধু একটা কথায় বললাম, আমাকে ক্ষমা করে দেন আম্মা🙏😘🙏

‘আমাদের বাড়ি🏘️🏠🏡

✍️সালমা আক্তার😘🥀

01/10/2021

ফরয নামাযের পর পঠনীয় যিকর।
******************************
أَسْتَغْفِرُ الله আস্তাগফিরুল্লাহ্‌, (অর্থাৎ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি) ৩ বার ।

اَللّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَاذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ

উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা আন্তাস সালা-মু অমিন্‌কাস সালা-মু তাবা-রাকতা ইয়া যাল জালা-লি অল ইকরা-ম।

অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি শান্তি (সকল ত্রুটি থেকে পবিত্র) এবং তোমার নিকট থেকেই শান্তি। তুমি বরকতময় হে মহিমময়, মহানুভব! (মুসলিম ১/৪১৪)

لاَ إِلهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ:- “ লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু অহ্‌দাহু লা শারীকা লাহ্‌, লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থ:- আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তাঁরই সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।

اَللّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الَجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা লা মা-নিয়া লিমা আ’ত্বাইতা, অলা মু’তিয়া লিমা মানা’তা অলা য়্যানফাউযাল জাদ্দি মিনকাল জাউঊ।

অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি যা দান কর তা রোধ করার এবং যা রোধ কর তা দান করার সাধ্য কারো নেই। আর ধনবানের ধন তোমার আযাব থেকে মুক্তি পেতে কোন উপকারে আসবে না। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬২ নং)

لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله

উচ্চারণ:- লা-হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ্‌।

অর্থ:- আল্লাহর প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার শক্তি নেই।

لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অলা না’বুদু ইল্লা ইয়্যা-হু লাহুন্ন’মাতু অলাহুল ফায্বলু অলাহুস সানা-উল হাসান, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিস্বিনা লাহুদ্দ্বীনা অলাউকারিহাল কা-ফিরুন।

অর্থ- আল্লাহ ব্যতীত কেউসত্য উপাস্য নেই। তাঁর ছাড়া আমরা আর কারো ইবাদত করি না, তাঁরই যাবতীয় সম্পদ, তাঁরই যাবতীয় অনুগ্রহ, এবং তাঁরই যাবতীয় সুপ্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। আমরা বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁরই উপাসনা করি, যদিও কাফেরদল তা অপছন্দ করে। (মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)

سُبْحانَ الله সুবহা-নাল্লাহ্‌। অর্থাৎ, আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। ৩৩ বার। اَلْحَمْدُ لله আলহামদু লিল্লা-হ্‌। অর্থাৎ, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর নিমিত্তে। ৩৩ বার। اَللهَ أَكْبَر আল্লা-হু আকবার। অর্থাৎ আল্লাহ সর্বমহান। ৩৩ বার।

আর ১০০ পূরণ করার জন্য উপরোক্ত ৩নং দুআ একবার পঠনীয়। এগুলি পাঠ করলে সমুদেaর ফেনা বরাবর পাপ হলেও মাফ হয়ে যায়। (মুসলিম, সহীহ ১/৪১৮, আহমাদ, মুসনাদ ২/৩৭১)

‘আল্লাহু আকবার’ ৩৪ বারও বলা যায়। (মুসলিম, সহীহ ১৩৭৭নং)

প্রকাশ যে, তাসবীহ গণনায় বামহাত বা তাসবীহ মালা ব্যবহার না করে কেবল ডানহাত ব্যবহার করাই বিধেয়। (সহীহুল জামে’ ৪৮৬৫নং)

সুরা ইখলাস,ফালাক্ব ও নাস ১ বার করে। (আবু দাঊদ২/৮৬, সহীহ তিরমিযী ১/৮, নাসাঈ ৩/৬৮)

আয়াতুল কুরসী ১বার। প্রত্যেক নামাযের পর এই আয়াত পাঠ করলে মৃত্যু ছাড়া জান্নাত যাওয়ার পথে পাঠকারীর জন্য আর কোন বাধা থাকে না। (সহীহ জামে’ ৫/৩৩৯, সি: সহীহাহ্‌ ৯৭২)

لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু য়্যুহ্‌য়ী অ য়্যুমীতু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থ- আল্লাহ ছাড়া কেউ সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। সমস্ত রাজত্ব ও প্রশংসা তাঁরই, তিনি জীবিত করেন, তিনিই মরণ দান করেন এবং তিনি সর্বেfপরি শক্তিমান।

এটি ফজর ও মাগরিবের নামাযে সালাম ফিরার পর দশবার পড়লে দশটি নেকী লাভ হবে, দশটি গুনাহ ঝরবে, দশটি মর্যাদা বাড়বে, চারটি গোলাম আযাদ করার সওয়াব লাভ হবে এবং শয়তান থেকে নিরাপদে থাকবে। (সহীহ তারগীব ২৬২- ২৬৩ পৃ:)

اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْماً نَّافِعاً وَّرِزْقاً طَيِّباً وَّعَمَلاً مُّتَقَبَّلاً

উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান না-ফিআঁউঅ রিযক্বান ত্বাইয়িবাঁউঅ আমালাম মুতাক্বাব্বালা।

অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট ফলদায়ক শিক্ষা,হালাল জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।

ফজরের নামাযের পর এটি পঠনীয়। (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান১/১৫২, ত্বাবারানী সাগীর, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ১০/১১১)

اَللّهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ

উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবা-দাক।

অর্থ:- হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদেরকে পুনরুত্থিত করবে সেদিনকার আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করো। (মুসলিম)

لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الُحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু য়্যুহ্‌য়ী অ য়্যুমীতু বিয়্যাদিহিল খাইরু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থ:- আল্লাহ ভিন্ন কেউ সত্য মা’বুদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁরই জন্য সারা রাজত্ব এবং তাঁরই নিমিত্তে সকল প্রশংসা। তিনিই জীবন দান করেন ও তিনিই মরণ দেন। তাঁর হাতেই সকল মঙ্গল। আর তিনি সর্বোপরি ক্ষমতাবান।

এটি ফজরের নামাযের পর পা ঘুরিয়ে বসার পূর্বে ১০০ বার পড়লে পৃথিবীর মধ্যে ঐ দিনে সেই ব্যক্তিই অধিক উত্তম আমলকারী বলে গণ্য হবে। (সহীহ তারগীব ২৬২-২৬৩ পৃ:)

ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘ফরয নামাযের সালাম ফেরার পর সশব্দে যিক্‌র পাঠ আল্লাহর রসূল (সাঃ) এর যুগে প্রচলিত ছিল।’ (বুখারী ৮৪১নং, মুসলিম, সহীহ)

25/06/2021

Shotoborsho
মুজিব শতবর্ষের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে টেলিটক নিয়ে এলো "শতবর্ষ" প্যাকেজ।
Features
47 Paisa/ Minute
1 Second Pulse

Tarrif/Charges

Particulars Rate Usage
Voice Call (any local number) 47paisa/min 24 Hours
Pulse 1 Second 24 Hours
SMS (any local number) 25 Paisa 24 Hours
Pay-per-use 15KB / 1paisa 24 Hours
VAT, SD & Surcharge applicable on all tariffs

Package details

মুজিব শতবর্ষের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে টেলিটক নিয়ে এলো "শতবর্ষ" প্যাকেজ।

নতুন সংযোগে মাত্র ১০০ টাকা রিচার্জে ১০০ টাকা ব্যালেন্সসহ সিম ফ্রি !

সিমটি ফ্রি পাবার জন্য গ্রাহককে ১০০ টাকা রিচার্জ করতে হবে।

এই ১০০ টাকা রিচার্জে রয়েছে-

১০০ মিনিট টকটাইম,

১০০ এসএমএস ও

১৭ জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রি!

প্যাকেজ আরো থাকছে -

স্পেশাল কলরেট অফার
মাত্র ৩৪ টাকা রিচার্জে উপভোগ করুন ৪৫ পয়সা/মিনিট কলরেট; মেয়াদ ১০ দিন
মাত্র ৭৯ টাকা রিচার্জে উপভোগ করুন ৪৫ পয়সা/মিনিট কলরেট; মেয়াদ ৩০ দিন
স্পেশাল কলরেটের ক্ষেত্রে রিচার্জকৃত ৩৪ টাকা ও ৭৯ টাকা গ্রাহকের মূল ব্যালেন্সে যোগ হবে
স্পেশাল ইন্টারনেট অফার
২ জিবি ইন্টারনেট মাত্র ১৭ টাকা (সকল চার্জ অন্তর্ভুক্ত); মেয়াদ ১৫ দিন
অফারটি পেতে ১৭ টাকা রিচার্জ অথবা, ডায়াল করুন *১১১*১৭ #
স্পেশাল ইন্টারনেট অফারটি প্রতি ১৫ দিনে একবার, মাসে সর্বোচ্চ দুইবার নেওয়া যাবে
অন্যান্য তথ্যাবলীঃ

১) ফ্রি অফারটি সিম অ্যাক্টিভেশনের পর একবারই পাওয়া যাবে, যার মেয়াদ রিচার্জের দিন থেকে ৩০ দিন।

২) ফ্রি মিনিট ও এসএমএস যেকোনো লোকাল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।

৩) রিচার্জকৃত ১০০ টাকা গ্রাহকের মূল ব্যালেন্সে যোগ হবে।

৪) পে-পার ইউজ একদিনে সর্বোচ্চ ৫ টাকা।

৫) শতবর্ষ প্যাকেজে মাইগ্রেট করতে আপনার টেলিটক সংযোগ থেকে ‘S100’ লিখে পাঠিয়ে দিন ৮৮৮ নম্বরে। (চার্জ প্রযোজ্য)

গ্রাহক SMS প্রদানের ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্যাকেজ মাইগ্রেশন সংক্রান্ত নোটিফিকেশন SMS পাবেন। যদি কোন কারনে মাইগ্রেশন সফল না হয় তবে, উক্ত SMS টি নিয়ে নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে।

৬) টেলিটক-এর বিদ্যমান সকল গ্রাহক (১০০ টাকা রিচার্জ অফার ব্যাতীত) শতবর্ষ প্যাকেজের অন্যান্য সকল অফারসমূহ উপভোগ করতে পারবেন।

৭) স্পেশাল কলরেট ও স্পেশাল ইন্টারনেট অফার শতবর্ষ ও টেলিটক-এর সকল প্রিপেইড প্যাকেজের জন্যে প্রযোজ্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

স্পেশাল কলরেট এবং ইন্টারনেট অফার পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত চলবে।
সকল ট্যারিফে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও সারচার্জ প্রযোজ্য হবে।
ফ্রি টকটাইম এবং এসএমএস যেকোনো অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে, তবে শর্ট কোড যেমনঃ ১২১, ১৬২১৬ ইত্যাদি ছাড়া।

15/03/2021

Attractive Close SIM Offer
বন্ধ সিমের গ্রাহকরা যেকোনো পরিমাণ টাকা (১০ বা তার অধিক) রিচার্জ করে *১১১*২০২০ # ডায়াল করলেই পাচ্ছেন আকর্ষণীয় অফারঃ
২ জিবি ডাটা (মেয়াদ ৭ দিন) এবং
৪৫ পয়সা/ মিনিট কলরেট সুবিধা ( ৯০ দিনের জন্য)
স্পেশাল ডাটা অফার
১ জিবি @২১ টাকা (মেয়াদ ৩০দিন); যত খুশি ততবার।
অফার পেতে ডায়াল *১১১*২১ #
স্পেশাল কম্বো অফার
৪ জিবি ডাটা ও ৪০ মিনিট @৪৩ টাকা (মেয়াদ ৭ দিন); যত খুশি ততবার।
অফার পেতে ডায়াল *১১১*৪৩ #
৫ জিবি ডাটা ও ১০০ মিনিট @১০৯ টাকা (মেয়াদ ৩০ দিন) ); যত খুশি ততবার।
অফার পেতে ডায়াল *১১১*১০৯ #
স্পেশাল অফার
ফ্রি ২৩ মিনিট (অননেট), ২৩ এসএমএস (অননেট) এবং ৩০ এমবি ডাটা (মেয়াদ ৩ দিন)। অফার পেতে ২৩ টাকা রিচার্জ করে *১১১*২৩ # ডায়াল করতে হবে । ২৩ টাকা গ্রাহকের প্রমো ব্যালেন্সে যোগ হবে (যার মেয়াদ রিচার্জের তারিখ হতে ১০ দিন) ।

তথ্যাবলী
ফ্রি ২ জিবি ডাটা (৭ দিন মেয়াদ) অফারটি সিম চালু করার পর গ্রাহক শুধুমাত্র একবার উপভোগ করতে পারবেন।
৪৫ পয়সা/মিনিট কলরেট সুবিধা উপভোগ করতে চাইলে গ্রাহককে *১১১*৪৫ # ডায়াল করতে হবে ।
অফার চলাকালীন সময়ে গ্রাহক যতখুশি ততবার স্পেশাল ডাটা অফার, স্পেশাল কম্বো অফার ও স্পেশাল অফার উপভোগ করতে পারবেন।
মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা ব্যবহারযোগ্য নয়।
সকল ট্যারিফে এসডি, ভ্যাট ও সারচার্জ প্রযোজ্য।
সকল প্রিপেইড গ্রাহক, বিগত ৯০ দিনে যাদের কোন ব্যবহার নেই তারাই কেবল বন্ধ সিম অফারের আওতাভুক্ত হবেন। আপনার সিমটি বন্ধ সিম অফারের আওতাভুক্ত কিনা তা জানতে যেকোনো টেলিটক নাম্বার থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে কাঙ্খিত নম্বরটি লিখে ১১২-তে এসএমএস করতে হবে।
অফারটি পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত চলবে।

Address

Dhaka

Telephone

121

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Teletalk 3G Fan Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Teletalk 3G Fan Club:

Share