Graphic Web versity

Graphic Web versity ভাল গাইডলাইন, বিশ্বাসস্থতা, সময় আর আর্থিক কিছু সমস্যার কারণে ইচ্ছা থাকা

13/07/2019
সাময়িক সময়ের জন্য ফ্রি নিবন্ধনের সুযোগ । ক্যারিয়ার হিসাবে  ফ্রিল্যান্সিং কেমন হবে, কি ভাবে প্রস্তুতি নিলে সফল হওয়ার সম্ভ...
10/07/2019

সাময়িক সময়ের জন্য ফ্রি নিবন্ধনের সুযোগ ।

ক্যারিয়ার হিসাবে ফ্রিল্যান্সিং কেমন হবে, কি ভাবে প্রস্তুতি নিলে সফল হওয়ার সম্ভবনাকে শতভাগে নেয়া যাবে, কি ভাবে ক্যারিয়ার প্লান করতে হবে এই সব বিষয়ে পরিস্কার ধারনা দেয়ার পাশাপাশি এসইও তে স্পেশালাইজশনে সাহায্য করাই এই কোর্সের লক্ষ্য।

*) ৪০ টি ক্লাস
*) ডেলিভারি ফরম্যাট - অনলাইন
*) যে কোন জায়গা থেকে যে কোন সময়ে করার সুযোগ
*) ফেসবুক গ্রুপে প্রশ্নো করে কনফিউশন দূর করার সুযোগ

ইমেইলঃ [email protected]

ফোনঃ ০১৮২১০১৩৯৭৫

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করতে গেলে প্রয়োজন হয় অনেক রকমের ওয়েবসাইট। ডেভেলপারদের কাছে এসব সাইট টুল হিসেবে পরিচিত। এসব সাই...
08/07/2019

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করতে গেলে প্রয়োজন হয় অনেক রকমের ওয়েবসাইট। ডেভেলপারদের কাছে এসব সাইট টুল হিসেবে পরিচিত। এসব সাইট থেকে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট সংগ্রহ কাজকে সহজ করে দেয়। নিজে থেকে অনেক জিনিস তৈরির করার প্রয়োজন হয় না।

ডেভেলপারদের জন্য তেমনি পাঁচটি অতি প্রয়োজনীয় টুল নিয়ে এ টিউটোরিয়াল। এগুলোর বহুল ব্যবহার করে থাকেন ডেভেলপাররা। সম্পূর্ণ বিনামূল্যের এসব সাইটের কথা নতুনদের অনেকেরই অজানা।

নিনজা মক (NinjaMock)
অ্যাপ তৈরির আগে প্রয়োজন হয় ডিজাইন ও মক আপ তৈরি করা। নিনজা মক হচ্ছে সেই প্ল্যান বা মক তৈরি করে দেওয়ার চমৎকার একটি ফ্রি সাইট।

অ্যাপের কাজ শুরু করার আগে নিনজা মকে যদি আপনার অ্যাপের স্কেচ তৈরি করে নেন তাহলে খুব সহজেই কাজটি করা যাবে। মাত্র কয়েক মিনিটে নিনজা মকে সানআপ করে তৈরি করে ফেলতে পারেন আপনার অ্যাপের প্ল্যান।

শুধু অ্যান্ড্রয়েড নয়, আইওএস, উইন্ডোজসহ আরও কিছু প্ল্যাটফর্মের জন্য নিনজা মকে কাজ করা যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন টুল রয়েছে এখানে, যেমন- লিস্টভিউ, ইমেজভিউ, টেক্সটভিউ, বাটন ইত্যাদি। যুক্ত করতে পারবেন আপনার নিজের ছবিও। মক তৈরির জন্য নিনজা মক অন্যতম সেরা একটি টুল।

NinjaMock-techshohor

অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও অ্যাসেট (Android Asset Studio)
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করতে গেলে অনেক ধরনের অ্যাসেট দরকার হয়। সেসব অ্যাসেট জেনারেট করতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও অ্যাসেট সাইটটি।

লাঞ্চার আইকন, টুলবার আইকন, নোটিফিকেশন আইকন ইত্যাদি জেনারেট করা যাবে এ টুল দিয়ে। এ ছাড়া জেনেরেট করা যাবে নাইন প্যাচ ইমেজও। ফরগ্রাউন্ড, কালার, শেপ, ব্যাকগ্রাউন্ড, ইফেক্ট ইত্যাদি ঠিক করেই আইকন জেনেরেট করা যাবে।

এসব আইকন বা অ্যাসেট সাপোর্ট করবে সব ধরনের ডিভাইসে। সব ধরনের ডিভাইসের জন্যই আইকন বা অ্যাসেট জেনারেট হবে।

Ando-techshohor

গুগল ম্যাটেরিয়াল আইকন (Google Material Icons)
ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। গুগলের প্রায় সব অ্যাপে এখন ম্যাটেরিয়াল ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। এর জন্য দরকার হয় ম্যাটেরিয়াল আইকনগুলো। এসব আইকন পাওয়া যাবে গুগলের সাইটেই।

লিঙ্কে গিয়ে আপনার দরকারি আইকন পছন্দ হলে তা সিলেক্ট করলে আসবে নতুন অপশন। সেখানে দেখা যাবে আইকনের সাইজ কি হবে, সাদা নাকি কালো আইকন, কোন ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে চান ইত্যাদি।

সব ডিভাইসের জন্য সাপোর্টেড আইকন ডাউনলোড হয়ে যাবে নিমিষেই। চমৎকার এসব আইকন পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

অ্যান্ড্রয়েড আর্সেনাল (Android-Arsenal)
অ্যান্ড্রয়েড আর্সেনাল হলো অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপারদের জন্য বিশাল লাইব্রেরির সংগ্রহশালা। যেমন অ্যাপে ছবি দেখার জন্য আপনি চাচ্ছেন ভালো কিছু ব্যবহার করতে। সেক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড আর্সেনালে রয়েছে চমৎকার সব ছবি দেখানোর জন্য ইমেজ ভিউয়ার লাইব্রেরি। এগুলো থেকে পছন্দেরটি ব্যবহার করতে পারবেন নিজের মতো করে।

এ ওয়েবসাইটের সবচেয়ে ভালো ব্যপার হচ্ছে এটা প্রতি নিয়ত আপডেট হচ্ছে, প্রতিদিন চমৎকার কিছু, দারুণ কিছু আসছে। সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করা আছে লাইব্রেগুলো।

GenyMotion-techshohor

জেনিমোশন (GenyMotion Emulator)
জেনিমোশন ব্যবহার করা হয় ইম্যাল্যুয়েটর হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিওয়ের সঙ্গে।সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিওয়ের সঙ্গে অ্যাম্বেডেড যে ভার্চুয়াল ডিভাইস থাকে তা বুট হতে বেশ সময় নেয়। সে ক্ষেত্রে জেনিমোশন অনেক দ্রুত কাজ করে।

জেনিমোশন সেট আপ দেয়া বেশ সহজ ও সিম্পল। সম্পূর্ণ বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবেন

প্রেজেন্টেশান আগে প্রচুর ভয় লাগতো। CELF নামে আমাদের একটা কোর্স ছিলো। ঐ কোর্সে প্রতিদিন কিছু না কিছু নিয়ে বলতে হত সবার সা...
08/07/2019

প্রেজেন্টেশান আগে প্রচুর ভয় লাগতো। CELF নামে আমাদের একটা কোর্স ছিলো। ঐ কোর্সে প্রতিদিন কিছু না কিছু নিয়ে বলতে হত সবার সামনে। ভয়টা ওখান থেকেই কাটতে শুরু করে। কিছুদিন একটা কল সেন্টারে কাজ করেছি। কানাডিয়ানদের পটাতে হত ওভার ফোন। ওটাও বড় একটা পার্ট প্লে করেছে প্রব্লেমগুলা কাটাতে।

সামনে যারা বসে আছে আগে ওদের দেখলে সব শুকায়ে যেত ভেতরে। এখন ভালোই লাগে। আমি সবার চোখের দিকে তাকাই। এরপর যখন ক্লাস নিতে শুরু করি তখন বাই অটো চয়েসে প্রেজেন্ট করায় ঢুকে পড়ি।

প্রেজেন্টেশান তৈরী করার সময় একটা ছোট্ট জিনিস মাথায় রাখলেই হয়, সামনের অডিয়েন্স তোমার রোল, সেকশন এগুলা জানতে আসেনা, ফোন নাম্বার, ইমেইল নাম্বার জানতে আসেনা। প্রথমে টপিকের নাম বল্লেই অটোমেটিক তার মাথায় প্রশ্ন আসে এটা কি? এটা কি কাজ করে? পরের স্পীচে সেটার উত্তর থাকা উচিত। এরপর হচ্ছে, যে অডিয়েন্সে আছে সে ভাব্বে এটা থেকে আমার লাভ কি? বা আমি জেনেই বা কি করবো? সো, তার মনের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ট্রাস্ট মি, এরপর অডিয়েন্সে যে আছে সে বিরক্ত হবেনা, আপনিও মজা পাবেন, কনফিডেন্স বাড়বে।

ক্লাস নেয়া বা প্রেজেন্টেশানের সময় মজার/ফানি কিছু জিনিস পত্র থাকা ভালো। এতে সামনে বসা লোকজন মজা পায়। তবে এগুলা বলে নিজে হাসা যাবেনা। হাসলেও কম, ওদের হাসতে দিতে হবে। কিছু লোক আছে হাহাহাহহাহা… করে নিজেই হাসতে থাকে, ওদের মত না করলেই ভালো আর কি 😛

আই কন্টাক্ট বড় ব্যপার 😉 সুন্দরী রমনী থাকলে বুকের ভেতর ধড়ফড় করে উঠতে পারে, কিন্ত হার্টরে বুঝাতে হবে বাবা এটা কিছুনা, ফোকাস রাখ, চোখের দিকে তাকা তাহলে সহজেই অডিয়েন্স কানেক্টেড থাকবে হার্টের সাথেই 😉

নির্ভয়, আই কন্টাক্ট, ইনফরমেটিভ স্পীচ, অডিয়েন্সের মনের সম্ভাব্য প্রশ্নের উত্তর সময় মত দেয়া – এগুলাই ভালো প্রেজেন্টার হতে সাহায্য করে 🙂

ব্লগ লেখা আর অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের কোর্স করানোর সুবাদে অনলাইনে-অফলাইনে প্রায়ই এই কমন প্রশ্নটার উত্তর দিতে হয় “ভাই অ্যান্ড্...
08/07/2019

ব্লগ লেখা আর অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের কোর্স করানোর সুবাদে অনলাইনে-অফলাইনে প্রায়ই এই কমন প্রশ্নটার উত্তর দিতে হয় “ভাই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখতে চাই। কিভাবে শুরু করব?” বারবার একই উত্তরের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর জন্য এই পোস্টটা আমার ব্যক্তিগত ব্লগে প্রথম পোস্ট করি। আমি এখানে আমার অ্যান্ড্রয়েড শেখা শুরু যেভাবে তার আলোকে কিছু এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করব। আর চেষ্টা করব কিছু পরামর্শ দেবার। এতে করে যারা সত্যিকারার্থেই অ্যান্ড্রয়েড শুরু করতে আগ্রহী তারা হয়ত কিছুটা উপকৃত হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের সেশন জটের সুবাদে আমার অনার্স লাইফ ছিল প্রায় পাঁচ বছরের। প্রথম আড়াই থেকে তিন বছর শুধুমাত্র ACM করতাম। অনলাইন জাজে প্রবলেম সলভ করতাম। কিছু ডেটা-অ্যালগোর প্র্যাকটিস তখন হত। এরপর অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট শেখার দিকে ঝুকলাম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে জাভা নাই। OOP কোর্সে সি++ পড়ানো হয়েছিল। Android যেহেতু জাভা দিয়ে করতে হয় তাই প্রথমত শুরু করলাম জাভা শেখা। সি/সি++ আর অবজেক্ট ওরিয়েন্টেডের কিছু আইডিয়া থাকায় জাভার শুরুটা খুব একটা কঠিন হয় নাই। শুরু করেছিলাম জুলকারনাইন মাহমুদ ভাইয়ার শিক্ষক ডট কমের ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে। এরপর Eclipse দিয়ে অ্যান্ড্রয়েডের হাতেখড়ি। পরে Android Studio দিয়ে শেখা শুরু করা।
কখন অ্যান্ড্রয়েড শুরু করবে না, আর কখন শুরু করবে
যারা অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখতে চায় তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হচ্ছে থার্ড ইয়ারের আগে এটা শুরু করো না। থার্ড ইয়ারের শেষের দিকে শুরু করতে পার। এর আগ পর্যন্ত প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন ট্রিক্সগুলো শিখো। প্রবলেম সলভিং শিখো। এই সময়টায় তোমার ডেটা স্ট্রাকচার, অ্যালগরিদম, ডেটাবেজ, ওওপি, নাম্বার থিওরি ইত্যাদি শেখার সময়। পাস করে বের হবার পর এগুলো শিখা কঠিন। কারণ এগুলো এক রাত পড়ে পাশ করার মত কোনো টপিক না। একেকটা ডেটা স্ট্রাকচার বা অ্যালগরিদমের কনসেপ্টটা বুঝতে তোমার হয়ত কয়েক ঘন্টা লাগবে। কিন্তু সেটা কাজে লাগানো বা ফিল করার মত লেভেলে যেতে অনেক প্র্যাকটিস আর এগুলো নিয়ে নিয়মিত ঘাটাঘাটি দরকার। পাস করার পর ৩ মাসে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারবে, কিন্তু ৩ মাসে ডেটা স্ট্রাকচার-অ্যালগরিদম শিখতে পারবে না। তোমার যদি ডেটা স্ট্রাকচার, অ্যালগরিদম, ওওপি, ডেটাবেজের আইডিয়া ক্লিয়ার না থাকে তাহলে অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে গিয়ে হোঁচট খাবা। আমার ডেটাবেজে দূর্বলতা আছে। কোর্সটা হেলাফেলা করেছিলাম। সে জন্য এখন কষ্ট করতে হচ্ছে। তোমার যদি মনে হয় প্রোগ্রামিং শেখা, কনটেস্ট করার পাশাপাশি অবসর সময়ে অ্যান্ড্রয়েড শিখবো, তাহলে বুঝবে তোমার প্রবলেম সলভিং ঠিকঠাক মত হচ্ছে না। কারণ ভার্সিটির পড়াশোনার সাথে প্রবলেম সলভিং চালিয়ে গেলে পাশাপাশি অবসর সময় পাওয়া যাবার কথা না। তাই যখন সময় হবে তখন শুরু করো। অকালপক্ক ফল কিন্তু খুব একটা স্বাদের হয় না!
Android Development শুরু করব কিভাবে?
বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্টের জন্য Java ও Kotlin উভয়েই অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ। দুইটা দিয়েই কাজ করা যাবে। কিন্তু যারা একদম নতুন করে শুরু করবে তাদের জন্য সিনিয়ররা জাভা দিয়েই শুরু করতে বলেন। এতে স্ট্রং আর স্ট্রিক্ট ল্যাঙ্গুয়েজ জাভা জানা হলো এবং অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের কনসেপ্টগুলো বেশ ভালো করে জানা হবে। যেহেতু আমার এই পোস্টটা যারা একদম গোড়া থেকে অ্যান্ড্রয়েড শুরু করবে তাদের জন্য, তাই আমি জাভার দৃষ্টিকোণ থেকেই লিখছি।
Prerequisites of Learning Android Development
তোমার প্রোগ্রামিংয়ের ব্যাসিকটা পাকাপোক্ত হবার পর তুমি যখন অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট শুরু করতে ইচ্ছা করবা তখন প্রিরিকুইজিট হিসাবে জাভায় তোমার দখল কতটা সেটা চিন্তা করবে। যদি আগে জাভা করে না থাকো তাহলে মাস ২-৩ সময় নাও জাভা আর ব্যাসিক ওওপি ঝালিয়ে নেয়ার জন্য। নিচে কিছু টপিকের নাম দিচ্ছি যেগুলো মোটামুটি জানার পর তুমি অ্যান্ড্রয়েড শুরু করতে পারো।
Java input and output from console
Simple arithmetic and bitwise operation
IF-Else
Loop
Array
ArrayList
List
HashMap
Stack class
Queue class
StringBuffer class
String class
Date and time related classes
File input and output
Linear Search
Binary Search
Bubble Sort
Quick Sort
Sieve of Eratosthenes
DFS
BFS
Inheritance
Interface
Abstraction
Polymorphism
Method overloading
Method overriding
মাস তিনেকের মধ্যে এই টপিকগুলো নিয়ে ভাল রকমের প্র্যাকটিস করা সম্ভব। খুব ভাল হয় নিজের মত করে কনসোলেই একটা ছোটখাটো প্রজেক্ট করে ফেল। হতে পারে সেটা একটা টেক্সট ফাইলে কিছু স্টুডেন্ট ইনফরমেশন read-write-search-delete-update করার মত সিম্পল প্রোজেক্ট। এটার মধ্যে তোমার জানা OOP knowledge-গুলো implement করার চেষ্টা করো। এগুলো হচ্ছে মিনিমাম কিছু জিনিস যেগুলো জানা না থাকলে পদে পদে ধাক্কা খেতে হবে। আরো অনেক অনেক কিছু শেখা লাগবে। সেগুলো পরে কাজ করতে করতে নিজে নিজেই শিখে নিতে পারবা।
শেখার জন্য ব্লগ বা ভিডিও টিউটোরিয়াল নয়, বই সর্বশ্রেষ্ঠ। জাভা শেখার জন্য এই বইগুলো আমি ফলো করিঃ
How to program Java by Deitel
Head First Java
Effective Java
জাভা প্রোগ্রামিং — আ ন ম বজলুর রহমান
Start Learning of Android App Development
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী IDE হচ্ছে Android Studio. এটা ডাউনলোড করে তোমার পিসিতে ইন্সটল করে নাও। ইন্সটল করার সময় কোনো ঝামেলা হলে ইউটিউবের ভিডিও দেখে ঠিক করে নাও। তুমি যেহেতু অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখতে চাচ্ছ তার মানে আমি ধরেই নিচ্ছি তোমার পর্যাপ্ত ধৈর্য আর গুগলে সার্চ করার অভ্যাস আছে। কোনো একটা টপিকে আটকে গেলেই তুমি বোকার মত কাউকে নক দিবা না, তার আগে অবশ্যই কয়েক ঘন্টা গুগলে ঘাটাঘাটি করবে; এই বিশ্বাস তোমার উপর আমার আছে।
নিজে নিজে শেখার জন্য আমার মতে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে শুরু করা ভালো। এতে দ্রুত কিছু আউটপুট চোখের সামনে ধরা দেয়। নিজের ইন্সপায়রেশনের জন্য এটার দরকার আছে। ইউটিউবে অনেক বিগিনার লেভেলের ভিডিও টিউটোরিয়াল সিরিজ আছে। সেগুলো দেখে নিয়মিত প্র্যাকটিস করা যেতে পারে। আমি কয়েকটা লিংক নিচে দিচ্ছিঃ
Slidenerd
Udacity
The New Boston
আরো কিছু রিসোর্স দিচ্ছি যেগুলো অনেক হেল্পফুলঃ
Android Official Documentation
Awesome Android Complete Reference
Developers Blog
Android Hive
CodePath
Tutorials Point
Vogella
Java Point
The Busy Coder’s Guide to Android Development (Book)
Head First Android Development — 2nd Edition (Book)
খুঁজলে আরো অসংখ্য রিসোর্স পাবা। যেটা দেখে তোমার ভাল লাগে সেটা দিয়ে শুরু করো। প্রথম লিংকের ভিডিওগুলো আমার কাছে ভাল লাগে। কারণ অনেক দ্রুত আর অল্প সময়ের একেকটা ভিডিও। এই ভিডিও দেখে ঘুম আসার চান্স নাই। এখানে ছোট ছোট ভিডিওতে একটা করে টপিক দেখানো হয়েছে। এরকম কয়েকটা টপিক শেখার পর তুমি এগুলো দিয়ে একটা প্রোজেক্ট করে ফেলবা। এখন আবার জিজ্ঞেস করো না “ভাই কী প্রোজেক্ট করব? আইডিয়া পাই না। আইডিয়া দেন!”। আইডিয়া একে বারেই না পেলে ক্যালকুলেটর বানাও। সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর বানাও। বা কিছুই মাথায় না আসলে একটা অ্যাপ বানাও যার একেকটা অ্যাক্টিভিটিতে অ্যান্ড্রয়েডের একেকটা টপিক ইমপ্লিমেন্ট করে দেখাবা। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে “কী কী শিখলা?” তাকে অ্যাপ ধরায় দিয়া বলবা “এইগুলা শিখছি!” :P
ভিডিও দেখার পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাস করো। ভিডিও দেখে কখনোই কোনো টপিকের ফুল কনসেপ্ট বুঝতে পারবা না। কারণ ভিডিওতে সব তথ্য দেয়া হয় না। ভিডিওর চেয়ে ব্লগে একটু বেশি থাকে। বইয়ে থাকে আরো বিস্তারিত তথ্য। আর শেখার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আর অথেন্টিক সোর্স হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডের অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন। শুরুর দিকে হয়ত এটার লেখা দেখে খুব একটা সুবিধা করতে পারবা না। কিন্তু দিন বাড়ার সাথে সাথে এই ডকুমেন্টেশনগুলো বোঝার পরিমান বাড়তে থাকবে। আমি যেই কাজটা করি তা হচ্ছে, কোনো টিউটোরিয়াল ব্লগ বা ভিডিও দেখে প্রথমে আইডিয়া নিই। এরপর আস্তে ধিরে অফিসিয়াল ডক পড়া শুরু করি। এতে আমার বুঝতে সহজ হয়। তোমার ক্ষেত্রে হয়ত এই সিসটেম কাজ নাও করতে পারে। নিজের পদ্ধতিটা কিছুদিন গেলেই ধরে ফেলতে পারবে।
Some topics about Android Development
নিচের টপিকগুলো তুমি পর্যায়ক্রমে শিখতে পারো। এই সিরিয়াল্যি শিখতে হবে তা না। দরকার অনুযায়ী আগে-পরে করে নিতে পারো।
TextView (To show “Hello World!”)
Button
Toast
EditText (to get text input)
ImageView
LinearLayout
RelativeLayout
ConstraintLayout
CoordinatorLayout
WebView
Snackbar
ProgressBar
Pop up Dialog
Radio Button
CheckBox
Activity (start an activity from another activity)
Data transfer between two ‘Activity’
Activity Life Cycle (very very important!)***
Phone call, email, SMS
SharedPreferences
Fragment
Fragment Lifecycle
Navigation Drawer
Floating Action Button
SQLite database
ListView
Learn to use third party libraries
Learn Logger Library
Learn Picasso and Glide Library for image loading
Network call (REST API) with Retrofit (very very important!)***
ButterKnife Library
EventBus Library
BroadCastReceiver
RecyclerView and CardView
Run time permission
Default Camera
Image or file upload to server
Service
Play Audio and Video
Firebase Push Notification
GPS
Fabric Crashlytics
ProGuard for Source Code Security
Use Youtube API, Map API
Use Social Login
Android Development best practices (Important)***
Git for version control
Learn MORE and MORE and MORE…
উপরের টপিকগুলো শেখা হলে বা কনফিডেন্টলি ইউজ করা শিখে গেলে আস্তে আস্তে নিচের টপিকগুলো দেখা শুরু করতে পারোঃ
Data binding
RxJava
Kotlin
Learn about basic design pattern like: Singleton, Builder patter, Factory pattern etc
Learn MVP architectural pattern (important)***
Learn MVVP architectural pattern
HTTP response caching
Different types of Service
Audio-video streaming
Use of ORM instead of raw SQLite query
Java Threading
Exception
Use of Generics
Firebase Realtime Database
Learn to make RESTful web API and implement all HTTP methods
Android এর প্রাইমারি টপিকগুলো মোটামুটি কভার করার পর নিজেকে কোনো মতে ব্যাসিক লেভেল জানা অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার বলা যেতে পারে। পাশাপাশি নতুন যে কোনো টপিক সামনে আসলে তা শিখে ফেলার তৃষ্ণা থাকতে হবে সমুদ্রসম! তোমার ধৈর্য থাকতে হবে ঢাকার বিখ্যাত ‘বাহন বাস’ বা ‘৭ নাম্বার’ বাসের ড্রাইভারের মত। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় কোনো কিছুই যেন তোমাকে স্পর্শ না করে। তোমার অ্যাপ একবার রান করলে দশ বার ক্র্যাশ করবে। এটাই নিয়ম। নাল পয়েন্টার এক্সেপশন খেতে খেতে তোমার মাথা নাল হয়ে যাবার উপক্রম হবে। উপরের টপিকগুলো শেখার সময় তুমি যেই ঝামেলাগুলোতে পড়বা, বিশ্বাস করো! তোমার আগে যারাই শেখা শুরু করেছে তারাই সে ঝামেলায় পড়েছে! তাই অ্যাপ কাজ না করলেই অমুক তমুক ভাইদেরকে ইনবক্স না করে গুগলে ছোট্ট করে সার্চ দাও। দেখ তোমার আগে ঐ বেলতলা অনেকেই পার হয়ে এসেছে। তুমি একলাই হতভাগা ন্যাড়া নও!
সম্ভব হলে ৩-৪ জনের টিম করে শেখা প্লাস কাজ করা শুরু করো। এমন মানুষদেরকে সাথে নাও যারা টাকা কামানোর চেয়ে কোড করতে বেশি ভালোবাসে। এমন কাউকে টিমে না নেয়াই উত্তম যে কাজ শেখার আগেই রেভিনিউ ভাগাভাগি নিয়ে চিন্তিত হবে। প্রথম দিকে কমন টাইপের কাজ করে হাত পাকাও। এরপর হুট করে কোনো একটা আইডিয়া মাথায় আসলে প্লেস্টোরে একাউন্ট খুলে আপ করো। ইনকাম নিয়ে বেশি টেনশন করো না। নিয়ত রাখো যে, নতুন যা যা শিখবা সেগুলো তোমার অ্যাপে ইমপ্লিমেন্ট করবা। কাজ শেখার জন্য হলে নিউজ পেপার লোড করার অ্যাপ বানাতেই পারো। তাই বলে এটা প্লে স্টোরে আপ করে হাজার হাজার ডলার কামানোর চিন্তা না করাই ভাল। যদি তোমার নিউজ পেপার অ্যাপে ইউনিক কিছু থাকে, যেটা অন্য অ্যাপে নাই তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। ‘সকালে রান্নার টিপস, বিকালে সাজুগুজুর টিপস’ এই টাইপের অ্যাপ ডেভেলপ করে টাইম নষ্ট করো না।
মাইন্ড সেট করো প্রবলেম সলভার হবার জন্য, জাস্ট অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার নয়! গড়ে তোলো নিজেকে কোর প্রোগ্রামার হিসাবে। আবারো বলছি, তুমি যদি মনে করো “আমি প্রোগ্রামিং তেমন একটা পারি না… তাই চিন্তা করতেছি অ্যাপ ডেভেলপার হবো!” তাহলে এটা তোমার দুঃস্বপ্ন! চিন্তা এই লাইনে হলে আগে ভাগেই সতর্ক হও। এই রাস্তা ছেড়ে ভাগো! হয় রিয়েল প্রোগ্রামিং শিখে আসো, নইলে এই দিকে পা বাড়ানোর দরকার নাই। টাকার দুঃখে তখন সকাল বিকাল ‘বাসর রাতের অ্যাপ’ বানানো ছাড়া উপায় থাকবে না। প্রোগ্রামিং, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ছাড়াও সিএসই পড়ে অনেক কিছু করার আছে!
আজ অ্যান্ড্রয়েড আছে। কাল যদি না থাকে তাহলেও যেন তোমার দুশ্চিন্তা না করতে হয়। নতুন যেই টেকনোলজি আসবে সেটাতে যেন সুইচ করতে পারো! সে জন্য প্রোগ্রামিংয়ের ব্যাসিক স্ট্রং করার কোনো বিকল্প নাই।
শেষ করছি একটা ইথিক্সের কথা দিয়ে। টাকার জন্য কখনো এমন কাজ করো না, এমন অ্যাপ বানিয়ো না যা তোমার ধর্ম সাপোর্ট করে না, যা তোমার দেশের মানুষের জন্য ক্ষতিকর, যা সমাজ ও মানব সভ্যতার জন্য ক্ষতিকর। এমন অ্যাপ তুমি বানিয়ো না যা গর্ব করে তোমার মাকে দেখাতে পারবে না। তুমি চটি অ্যাপ বানালে ঘটনা চক্রে হয়ত দেখবে তোমার ছোট ভাইবোনেরা সেগুলো ইউজ করছে। তোমার ছেলেমেয়েরা হয়ত কোন একদিন এই অ্যাপ ইউজ করবে। এই অ্যাপ থেকে ইনকাম হওয়া টাকাটা হারাম হবে না? তুমি মারা যাবে, এই অ্যাপের সকল ইউজারদের পাপের অংশ তোমার কবরেও পৌঁছে যাবে! কবরের আজাব সহ্য করতে পারবে তো?
অ্যাপ ডেভেলপার হবার চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া বেশি জরুরি!

বাণিজ্যিক এডিটিং জগতের অনেক বড় একটি জায়গা দখল করে আছে বিভিন্ন পোস্টার ডিজাইন। যেকোনো ফটো ডিজাইনের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে ভ...
06/07/2019

বাণিজ্যিক এডিটিং জগতের অনেক বড় একটি জায়গা দখল করে আছে বিভিন্ন পোস্টার ডিজাইন। যেকোনো ফটো ডিজাইনের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে ভালো এবং জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো ফটোশপ। কিন্তু এডিটিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজস্ব আইডিয়া বা পরিকল্পনা। একটি ছবির মূল বিষয় কী, তার সাথে সম্পর্কিত আশপাশের পরিবেশ কেমন হবে ইত্যাদি।


বাণিজ্যিক লেভেলে পোস্টার ডিজাইন করার কাজ আজকাল অনেক বেশি দেখা যায়। একটি পোস্টার ডিজাইনের জন্য সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি খেয়াল করা উচিত তা হলো ব্যাকগ্রাউন্ড। একটি পোস্টারের ব্যাকগ্রাউন্ডই প্রথম ইম্প্রেশন তৈরি করে।

এই আর্টিকেলে ভিন্টেজ কারের একটি পোস্টার কিভাবে বানানো যায় তা দেখানো হয়েছে। পোস্টারটির সব ছবিই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা। ভিন্টেজ কার বলতে সাধারণত ১৯৩০-এর দিকের মডেলগুলোকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ যে পোস্টারটি ডিজাইন করা হবে তাতে একই সাথে একটি ক্লাসিক এবং পুরনো ভাব থাকবে।

এ লেখায় পোস্টারের ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রাথমিক পদ্ধতি হবে ভিন্টেজ এবং কিছুটা ডার্টি বা গ্রাঞ্জ স্টাইল। বিভিন্ন উপাদানের মিশ্রণের মাধ্যমে এ স্টাইল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রথমে পোস্টারের বেস ঠিক করতে হবে। সুতরাং প্রথমে একটি নতুন ডকুমেন্ট ওপেন করুন এবং ডাইমেনশন দিন ১১×১৭ ইঞ্চি। খেয়াল রাখুন রেজ্যুলেশন যেন কমপক্ষে 300 ppi (pixels per inch) থাকে। তাহলে পোস্টারটি মানসম্মত হবে। গ্রাঞ্জ পেপার ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করার জন্য তিনটি উপাদান যুক্ত করা হবে। প্রথমে একটি পুরনো পদ্ধতির টেক্সচার দরকার, বাকি দুটো হলো গ্রাঞ্জ ওয়াল ফিনিশিং টেক্সচার। প্রথমে ডাউনলোড করা ইমেজটি নতুন ডকুমেন্টে পেস্ট করুন। স্যাম্পল ইমেজ ডাউনলোড করার জন্য Flickr, Deviantart বা Morguefile ভিজিট করতে পারেন। এবার একটি আনফিনিশড ওয়ালের গ্রাঞ্জ টেক্সচার পেস্ট করুন। কেননা এই টেক্সচারে অনেক ক্র্যাচ ইফেক্ট আছে যা বেস টেক্সচারকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলবে। ব্লেন্ড মোড পরিবর্তন করে মাল্টিপ্লাই সিলেক্ট করুন। একই সাথে অপাসিটি প্রয়োজনমতো কমিয়ে নিন। এবার শেষ গ্রাঞ্জ এলিমেন্ট পেস্ট করা হবে। এটি একটি কংক্রিট টেক্সচার যাতে অনেক ডিসকালারড স্পট আছে। এর স্পটগুলো গ্রাঞ্জ স্টাইলকে আরও ফুটিয়ে তুলবে। ইমেজটিকে ডিস্যাচুরেট করুন, শর্টকাট কি হলো CNTRL+SHIFT+U। এই লেয়ারের ব্লেন্ড মোডও পরিবর্তন করুন এবং তা ওভারলেতে সেট করুন। অপাসিটি কমিয়ে ৭২%-এ আনুন। এবার তিনটি ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ার একসাথে সিলেক্ট করলে পোস্টারের জন্য ফাইনাল ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি হবে। এবার এই ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারকে এডিট করে আরও কালারফুল করার পালা, অর্থাৎ কন্ট্রাস্ট বাড়িয়ে দিলে যেমন ইমেজ একটু ডার্ক হয়ে যায় তেমন। কিন্তু সেটি করার জন্য কোনো বাড়তি কষ্ট করার প্রয়োজন নেই। মূল ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজকে মাল্টিপ্লাই করলেই তা আরও কালারফুল দেখাবে। এ জন্য মার্জ করা লেয়ারের ডুপ্লিকেট তৈরি করুন। এই নতুন ডুপ্লিকেটের ব্লেন্ডিং অপশন মাল্টিপ্লাই হিসেবে সিলেক্ট করুন এবং অপাসিটি ৮০%-এ নিয়ে আসুন। এবার ডুপ্লিকেট করা ব্যাকগ্রাউন্ডটিকে আবার ডুপ্লিকেট করুন এবং তা সিলেক্ট করে ইমেজ>অ্যাডজাস্টমেন্ট>ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট অপশনে যান। এর মাধ্যমে আরও হাইলাইটেড ইফেক্ট পাওয়া যাবে। এবার ওপেন হওয়া উইন্ডোতে সেটিংসগুলো এভাবে দিন-রেড : -৯০%, ইয়েলো : ১০০%, সায়ান : ৬০%, ব্লু : ৬০% এবং বাকিগুলো ডিফল্ট থাকবে। ফলে ব্যাকগ্রাউন্ডটিকে অনেক ডার্ক লাগবে, এর অপাসিটি ৯০%-এ নিয়ে আসুন।

হাইলাইট অ্যাড করার জন্য একটি নতুন লেয়ার মাস্ক তৈরি করুন হাইলাইট নামে। এরপর একটি সফট লার্জ ব্রাশ ব্যবহার করে ক্যানভাসের ডায়াগোনালি পেইন্ট করলে দেখা যাবে ক্যানভাসের ডার্ক অংশটুকু মুছে গেছে এবং পেছনের লাইট লেয়ার দেখা যাচ্ছে। এভাবে পোস্টারে একটি ডায়াগোনাল হাইলাইট দেয়া সম্ভব, তবে এটি অবশ্য ইউজার তার নিজের ইচ্ছেমতো দিতে পারেন।

ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ শেষ। এবার ভিন্টেজ কার এডিট এবং অ্যাড করার পালা। পোস্টারটিতে তিনটি কার অ্যাড করতে হবে। ইউজার চাইলে আরও বেশি বা কম কার অ্যাড করতে পারেন, তবে পদ্ধতি অবশ্যই সঠিক হতে হবে। প্রথমে কার ইমেজ ওপেন করুন। ম্যাগনেটিক ল্যাসো টুল এবং পলিগোনাল ল্যাসো টুলের সম্মিলনে পুরো কারটিকে সিলেক্ট করুন। কারের সম্পূর্ণ আকার সিলেক্ট করে তা কপি করুন এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে পেস্ট করুন। কাজটি করা একটু কঠিন, তাই যদি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডসহ কোনো কারের ইমেজ পেয়ে যান তাহলে কাজটি করা আরও সহজ হয়ে যাবে। তখন শুধু ম্যাগনেটিক ওয়ান্ড টুল ব্যবহার করেই সিলেকশনের কাজ করা যাবে। ইমেজ যেমনই হোক না কেন, মূল কাজ হলো কারের ব্যাকগ্রাউন্ডকে রিমুভ করা। এবার একেক করে কারের ইমেজগুলো মূল ব্যাকগ্রাউন্ডে পেস্ট করুন। CNTRL+T চেপে প্রয়োজনমতো স্কেল ঠিক করে নিন। কারের মূল ইমেজে লক্ষ করুন এবং খেয়াল করুন কারের বডিতে এমন কোনো অংশ আছে কি না যা রিফাইন করা হয়নি। যদি আগের ব্যাকগ্রাউন্ডের কোনো অংশ কারের ইমেজের সাথে চলে আসে তাহলে শুধু ইরেজার দিয়ে রিমুভ করলেই হবে। বাকি কার ইমেজগুলোর জন্যও একইভাবে এডিট করুন। এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল করতে হবে, কারগুলো যেন আলাদা লেয়ারে পেস্ট করা হয়। এখানে তিনটি কার ইমেজ অ্যাড করা হয়েছে। লেয়ার আলাদা করা থাকলে কোন কারের অপর কোন কারের ইমেজ থাকবে তা খুব সহজেই ঠিক করা যাবে। অথবা কার ইমেজগুলোকে ব্লেন্ড করে অন্যরকম স্টাইলও করতে পারেন। যাই হোক, কার ইমেজগুলো ঠিকভাবে অ্যাড করার পর ঠিকমতো রিসাইজ এবং পজিশনিংয়ের পর লেয়ারগুলো মার্জ করে দিন। তিনটি লেয়ার সিলেক্ট করে রাইট বাটন ক্লিক করে মার্জ লেয়ারস অপশনটি সিলেক্ট করলেই লেয়ারগুলো মার্জ হয়ে যাবে। এবার মার্জ করা লেয়ারটির ব্লেন্ডিং মোড পরিবর্তন করে মাল্টিপ্লাই সিলেক্ট করলে কারগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডের কালারের সাথে ব্লেন্ড হবে। প্রথমে এটি দেখতে খুব একটা ভালো না হলেও পরে এডিট করে ঠিক করা যাবে। এবার কার লেয়ার সিলেক্ট করে দুইবার ডুপ্লিকেট করুন। ফলে কারগুলোর ইমেজ আরও স্পষ্ট হবে। প্রথম ডুপ্লিকেট লেয়ারটি সিলেক্ট করে ফিল্টার>ব্লার>গশিয়ান ব্লার অপশনে যান। এখানে ২.৫ পিক্সেল রেডিয়াস সিলেক্ট করুন। এরপর দ্বিতীয় ডুপ্লিকেট লেয়ার সিলেক্ট করুন। এবার ফিল্টার>আরটিস্টিক>ওয়াটারকালার অপশনে যান। এখানে ব্রাশ ডিটেইল ভ্যালু সর্বোচ্চ ১৪ সিলেক্ট করুন। শ্যাডো ইন্টেনসিটির ভ্যালু ৩ এবং টেক্সচারের ভ্যালু ২ সিলেক্ট করে অ্যাপ্লাই করুন। এবার এই দ্বিতীয় লেয়ারের ব্লেন্ডিং মোড পরিবর্তন করে স্ক্রিন সিলেক্ট করুন। এটিই ফাইনাল কার ইমেজ।

এখন কাজ হলো কিছু গ্রাঞ্জ ইফেক্ট অ্যাড করা। এ জন্য একটি নতুন লেয়ার তৈরি করুন। লেয়ারটি কারস লেয়ারের নিচে রাখুন। এবার গ্রাঞ্জ ব্রাশ ব্যাবহার করে কিছু সাদা স্পট অ্যাড করতে হবে। ফ্রি অনেক গ্রাঞ্জ ব্রাশ পাওয়া যায়, শুধু খেয়াল রাখতে হবে ব্রাশগুলো যেন হাই রেজ্যুলেশনের হয়, তাহলে প্রিন্ট করতে কোনো সমস্যা হবে না, তা ছাড়া পেইন্ট করার সময় অনেক ডিটেইল্ড মনে হবে।

এবার গ্রাঞ্জ ব্রাশ ব্যবহার করে কার লেয়ারের ওপরের দিকে কিছু সাদা স্ট্রিম পেইন্ট করতে হবে। সুতরাং কার লেয়ারের ওপরে আরেকটি লেয়ার তৈরি করুন। এবার একটু পেন টুল ব্যবহার করে গাড়িগুলো থেকে ওপরের দিকে একটি পাথে আকুঁন। খেয়াল রাখুন পেন টুল ব্যবহার করার সময় যেন পাথ অপশন সিলেক্ট করা থাকে। আকুঁন হলে পাথটি সিলেক্ট করুন এবং রাইট বাটন ক্লিক করে স্ট্রোক পাথ অপশনটি সিলেক্ট করুন। যদি অপশনটি গ্রে হয়ে থাকে তার মানে হলো নতুন লেয়ারটি সিলেক্ট করা নেই। এক্ষেত্রে শুধু লেয়ারটি সিলেক্ট করলেই এই অপশনটি ব্যবহার করা যাবে। সাথে এটিও খেয়াল রাখুন, পছন্দের গ্রাঞ্জ ব্রাশটি যেন সাদা কালারসহ সিলেক্ট করা থাকে। এবার যে উইন্ডো আসবে তাতে ব্রাশ সিলেক্ট করে ওকে করলে স্ট্রিম পেইন্ট হয়ে যাবে। এবার স্ট্রিমটি রিসাইজ করুন যাতে দেখে মনে হয় যে তা ওপর থেকে নিচের দিকে পড়ছে। ট্রান্সফর্ম বক্সে রাইট বাটনে ক্লিক করুন এবং ওয়ার্প এবং স্কেল অপশন সিলেক্ট করে এমন ইমেজ পাওয়া যাবে। এবার যদি ইউজার ইচ্ছে করেন তাহলে স্ট্রিম লেয়ারের ডুপ্লিকেট করে আরও নতুন স্ট্রিম ফ্লো অ্যাড করতে পারেন। এবার টাইপ টুল ব্যবহার করে পোস্টার টাইটেল দিন। পছন্দমতো একটি ফন্ট সিলেক্ট করুন এবং টাইটেলটি পছন্দমতো রিসাইজ করে পজিশন ঠিক করুন। এবার টেক্সট লেয়ারে ডাবল ক্লিক করে ব্লেন্ডিং অপশনে যান। মেইন ব্লেন্ডিং অপশন সিলেক্ট করে অপাসিট ২০%-এ রাখুন। এবার ড্রপ শ্যাড অপশনে ক্লিক করে অ্যাঙ্গেল ৪৫ ডিগ্রি এবং ডিসটেন্স ১৫ সিলেক্ট করুন। এরপর কিছু ইনার শ্যাড ব্যবহার করুন। এ জন্য ইনার শ্যাডো অপশন সিলেক্ট করে নিম্নে বর্ণিত সেটিংগুলো দিন- অপাসিটি ৩০%, অ্যাঙ্গেল ৪৫ ডিগ্রি, ডিসটেন্স ৪ পিক্সেল, সাইজ ৫ পিক্সেল। এবার আউটার গ্লো অপশনটি সিলেক্ট করুন এবং এই ভ্যালুগুলো দিন- অপাসিটি ১০০%, কালার ডিপ রেড, সাইজ ২১। এবার ইনার গ্লো সিলেক্ট করুন এবং কালার লাইট রেড, সাইজ ২৫ পিক্সেলে রাখুন। সবশেষে কালার ওভারলে অপশন সিলেক্ট করে রেড কালার অ্যাপ্লাই করুন। এডিটিংয়ের সব কাজই প্রায় শেষ। পোস্টারটিকে এভাবেও রাখা যায় অথবা আরও কিছু অ্যাড করে আরও সুন্দর করা যায়। ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারের ওপর আরেকটি লেয়ার অ্যাড করতে পারে যেখানে আকাশ এবং মেঘের ইমেজ থাকবে। অথবা পছন্দমতো অন্য কোনো ইমেজও অ্যাড করতে পারেন।

ফটোশপে এডিটিংয়ের জন্য আরও অসংখ্য টুল এবং অপশন আছে। এসব টুল দিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্টার ডিজাইন করা সম্ভব।

যেকোনো ছবি এডিটিংয়ের জন্য সবসময়ই ফটোশপ প্রশংসিত হয়ে এসেছে। এর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য একজন ইমেজ এডিটরকে অনেক স্বাচ্ছন...
06/07/2019

যেকোনো ছবি এডিটিংয়ের জন্য সবসময়ই ফটোশপ প্রশংসিত হয়ে এসেছে। এর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য একজন ইমেজ এডিটরকে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে। ছবির গুণগত মান বজায় রেখে ফটোশপের বহুমুখী ব্যবহার ছবিকে ভিন্নমাত্রা এনে দিতে পারে। ফটোশপের Polygon Tool ছবি এডিট করার কাজকে অনেক সহজ করেছে বলেই বিশ্বে ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার বলতে সবাই এডোবি ফটোশপকেই বোঝে। কিন্তু এই সফটওয়্যারটির পরিপূর্ণ ব্যবহার না জানার কারণে অনেক ইমেজ এডিটরকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে এসব ভুল চোখে ধরা না পড়লেও প্রফেশনাল ইমেজ এডিটরদের কাছে এগুলো ক্ষমার অযোগ্য।


এই ব্লগটিতে এডোবি ফটোশপে ইমেজ এডিট করার সময় সংঘটিত কিছু ভুল সম্পর্কে জানবো, যেগুলো আমরা প্রতিনিয়তই ছবি এডিট করতে গিয়ে করে থাকি। তাহলে আসুন জেনে নিই।

সিলেকশনকে দিন মসৃণতাঃ বেশ কিছুদিন আগে একটি Billboard-এ একটি সাবানের বিজ্ঞাপনে ভেজা চুলে মডেলিং করেছেন একজন মডেল। মূল ছবি থেকে মডেলকে Extract করে অন্য Background এ বসানো হয়েছিল সেই Billboard-এর ছবিতে। কিন্তু ভেজা চুল Background-এর সাথে না মেলাতে বোঝা যাচ্ছিল ছবিটি এডিট করা হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা আমাদের প্রায়ই মোকাবেলা করতে হয়। দুটি উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রথমটি সিলেকশনের সময় feathering করা। আমরা Polygonal Lasso Tool বা Pen Tool যেটা দিয়েই সিলেকশন করি না কেন, সিলেকশন পুরোপুরি মসৃণ হয় না। কোনো কোনো অংশে কোণা থেকে যায়। এর জন্য সিলেকশন শেষ হলে feathering করুন। এটি করতে Tab থেকে Select >Feather-এ ক্লিক করে এটি ২ বা ৩ পিক্সেলে করলে সিলেকশনে কোনো ভাঁজ নজরে আসবে না। Feather করার পরিমাণ নির্ভর করবে ছবিটি কত রেজ্যুলেশনের তার ওপর। এটি ৪ পিক্সেলের বেশি করার প্রয়োজন নেই। বেশি দিলে কিছু বাইরের অংশ সিলেকশনের মধ্যে চলে আসতে পারে। তাই পরিমিত করুন।

দ্বিতীয় ধাপ হলো ছবিকে Extract করে যেই Backgroun-এ বসাবেন সেই Backgroun-এর সাথে এই সিলেক্টেড অংশটুকুকে মিলিয়ে দেয়া। এর জন্য Toolbox থেকে Blur করার Tool দিয়ে Paste করা অংশটির Edge গুলো মসৃণ করুন। লক্ষ রাখবেন, যেনো সঠিক Layer সিলেক্টেড অবস্থায় থাকে।

Pen সিলেকশনকে প্রাধান্য দিনঃ প্রায় সবাই সিলেকশনের জন্য Pen সিলেকশনকে এড়িয়ে চলেন। Lasso Tool-এর সাহায্যে সিলেকশন তুলনামূলক সহজ, কিন্তু এর সাহায্যে সিলেকশন কখনোই ততটা মসৃণ করা সম্ভব নয় যতটা Pen সিলেকশনের মাধ্যমে করা সম্ভব। Pen সিলেকশনে অত্যন্তে বিজ্ঞানসম্মতভাবে Vector ব্যবহার করা হয়েছে। জ্যামিতিকভাবে সিলেকশনটি জটিল হলেও একটু চর্চার মাধ্যমে অনেক সহজভাবে নিয়ে আসা সম্ভব। পেন সিলেকশনের সময় লক্ষ রাখতে হয় এই সিলেকশনের দূরত্ব। পেন টুলের মাধ্যমে দুটি বিন্দু নির্দিষ্ট করতে হয়, যাতে একটি সরলরেখার মতো তৈরি হয়। এরপর তৃতীয় আরেকটি বিন্দু নিয়ে সেটিকে প্রয়োজনমতো Curve করালে প্রথম দুটি বিন্দুর মাঝের সরলরেখাটি বাঁক নেবে। এভাবে পরবর্তী অংশগুলো একইভাবে বিন্দু দিয়ে তৈরি করে সিলেকশন পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে কষ্টসাধ্য হলেও এর উপকারিতা অনেক তা ব্যবহার করলেই বুঝা যাবে।

দৃষ্টিকোণ সম্পর্কিত সমস্যা : একটি ছবি এডিট করার আগে কিছু বিষয় লক্ষ করতে হবে। যিনি ছবিটি তুলেছেন, তার Camera Position ও View Angle কেমন ছিল, এককথায় একে Perspective বলা হয়। ছবি এডিট করার সময় Perspective look-কে প্রাধান্য দিতে হবে। কোনো ছবিতে আলাদা কোনো Object যোগ করতে চাইলে সেই Object টি যেন একই Perspective-এ ছবি তোলা হয়ে থাকে, তার দিকে লক্ষ রাখতে হবে। ধরুন, একটি ছবি 28 mm লেন্সের সাহায্যে তোলা হয়েছে। এর সাথে যদি 300mm লেন্সের তোলা কোনো ছবি Adjust করতে দেয়া হয়, তাহলে সেটি কখনই মানানসই হবে না। ঠিক একইভাবে কোনো একটি Landscape ছবি যে Angle এ তোলা হয়ে থাকে, সেটিতে অন্য কোনো Object যোগ করতে চাইলে প্রায় একই Angle এ তোলা ছবি যোগ করতে পারেন, অন্যথায় দৃষ্টিকোণ সম্পর্কিত সমস্যায় পড়বেন। এ ধরনের কাজের ক্ষেত্রে এডিট করার সময় Object এর আকৃতির ওপরও লক্ষ রাখা উচিত, যাতে অসামঞ্জস্যতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

রংয়ের সঠিক ব্যবহার : এডোবি ফটোশপের কালার Effect অনেক সুন্দরভাবে করা সম্ভব। এর জন্য RGB কালার Mode ব্যবহার না করে CMYK ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। বিশ্বের যত রং আছে, তা এই চারটি রংয়ের বিভিন্ন কম্বিনেশনে পাওয়া সম্ভব। এখানে C-Cyan, M-Magenda, Y-Yellow, K-Black বোঝানো হয়। এখনকার প্রিন্টিং জগতে এই CMYK ব্যবহার হয়ে আসছে। এখন কোনো পারফেক্ট কালার পেতে হলে পারফেক্ট কম্বিনেশন করে নিতে হবে। তা না হলে প্রকৃত রং পাওয়া যাবে না। ধরুন আপনি পরিপূর্ণ কালো রং নিয়ে কাজ করতে চাইছেন, কিন্তু এর জন্য CMYK-তে শুধু K-এর মান বাড়ালে চলবে না। বাকিগুলোর মান একটি নির্দিষ্ট পর্যায় নিয়ে গেলে গাঢ় কালো রং পেতে পারেন। আপনি পরিক্ষা করে দেখলে স্পষ্ট বুঝতে পারবেন K-100 দেবার পরও পুরো কালো রং আসবেনা। এটি ধূসর একটি রং প্রদর্শন করছে। প্রকৃত কালো রংয়ের জন্য Cyan = 90, Magenda = 60 এবং Yellow-এর মান 30 রাখতে হবে। তবেই K100-এর সাথে মিশ্রিত হয়ে একটি পরিপূর্ণ কালো রং দেখাতে সক্ষম হবে। ঠিক একইভাবে বাকি রংও শুধু একটির অংশের ওপর নির্ভর করে না।
এবার আসা যাক রংধনু প্রসঙ্গে। অনেকেই Gradient Tool ব্যবহার করে বিভিন্ন কালারের সুন্দর Background তৈরি করেন। তবে অনেক চেষ্টা করেও রংধনুর মতো রংয়ের Gradient তৈরি করতে পারেন না। এটি একটু কৌশলী ব্যাপার। শুধু রং পছন্দ করলেই হবে না। এর কম্বিনেশন জানতে হবে। Gradient সবসময় হালকা রং থেকে গাঢ় রংয়ের তৈরি করুন। তবে যেখানে Gradient প্রয়োগ করবেন, তার Subject এবং Background এর ওপর নির্ভর করবে কী ধরনের Gradient প্রয়োগ করা হবে। Gradient এর রং পছন্দ করার সময় একই রংয়ের গাঢ় অংশ এবং হালকা অংশ নির্বাচন করুন। অতিরিক্ত রংয়ের ভিন্নতা দৃষ্টিকটু হয়। তাই রং নির্বাচনে Contrastive রং একত্রে না দেয়াই ভালো।

শর্টকাট কী ব্যবহারঃ এডোবি ফটোশপে কাজ করার সময় শর্টকাট কী অনেকভাবে সহায়তা করে। প্রতিটি কাজের কিছু শর্টকাট কী থাকে, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে সে Tool ব্যবহার করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন Tool বা Polygon ব্যবহারের সময় শর্টকাট কী অনেক সহায়তা করে। যেমন ছবি বড় করে কাজ করার সময় তা Hand Tool এর মাধ্যমে সরাতে হয়। স্পেস বার চেপে এই কাজটি সহজেই করা সম্ভব, যা অন্য উপায়ে ঝামেলা অনেক বেশি।

ছবিতে লেখার ব্যবহারঃ বরাবরই এডোবি ফটোশপে বিভিন্ন ফন্ট ও স্টাইল রয়েছে, যা লেখার স্টাইল ও সৌন্দর্য বাড়াতে সহায়তা করে। বিভিন্ন Text Effect ব্যবহার করার জন্য ফটোশপে অনেক Polygon ব্যবহার হয়। তবে ডিজাইনিং এবং লেখার জন্য Vector ভিত্তিক প্রোগ্রাম এডোবি ফটোশপ থেকে অনেক উন্নত সেবা দিতে পারে। যেমন- Cork Express, Adobe Illustrator এসব প্রোগ্রামে Text ছবির Body তে অনেক স্পষ্টতা নিয়ে আসে, যা ফটোশপ পারে না। এর মূল কারণ Vector ভিত্তিক টাইপিং। ফটোশপ সাধারণত Restore ভিত্তিক প্রোগ্রাম। এর জন্য যদি ছবির বডিতে স্পষ্ট নিখুঁত লেখার প্রয়োজন পড়ে তাহলে তা Restore ভিত্তিক প্রোগ্রামে না করে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামে তৈরি করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন Button বা Logo তৈরি করতে প্রথমে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামের সহায়তা নিতে হবে। লোগো বা আইকন তৈরি করতে হলে অনেক ক্ষুদ্র জায়গায় স্পষ্ট অক্ষর দিয়ে তৈরি করতে হবে। যাতে আইকন ছোট হলেও তার ভেতরের প্রতিটি অংশ স্পষ্ট হয়। আর এ কারণেই মুদ্রণ শিল্পে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামের চাহিদা অনেক।

আলোর উৎসর প্রতি নজর দেয়া : কোনো ছবিতে আলাদা কোনো Object যোগ করার সময় লক্ষ করতে হবে মূল ছবির আলোর উৎস কোথা থেকে আসছে। সেই অনুযায়ী Object নির্বাচন করতে হবে। Background এর সাথে মিলতে হলে আলোর উৎস প্রায় একইরকম হতে হবে। ব্যাকগ্রাউন্ড Background এর সাথে না মেলাতে পারলে Filter Tab থেকে Lighing Filter প্রয়োগ করেও মিলিয়ে নিতে পারেন। যদি আলোর উৎস Object এর পেছন থেকে এসে থাকে, তবে Object এর Light Control করে নিতে হবে। এটি Level Control এর মাধ্যমে করা সম্ভব। Object এর Control ও Contrast Controlএর মাধ্যমে এর Lighting নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

Layer ও Masking এর ব্যবহারঃ

একটি ছবি এডিট করার জন্য অনেক ধাপ পেরোতে হয়। প্রতিটি সুনির্দিষ্ট ধাপের জন্য আলাদা আলাদা Layer ও Folder তৈরি করতে পারেন। যাতে করে ওই অংশটুকুসহ এবং ছাড়া এডিট করা ছবি দেখতে পারে এবং এর সাথে Masking এর সাহায্য নিতে পারেন। Masking এমন একটি সুবিধা, যার মাধ্যমে খুব সহজেই কোনো নির্দিষ্ট Layer এ এডিট করার মুহূর্তগুলো Unmask করে দেখা সম্ভব। বিশেষত কোনো নির্দিষ্ট অংশ এডিট করা হলে এডিটের সময়ই Unmask করা সম্ভব, যা Undo Option থেকে অনেক উন্নত।

সাদা-কালো করার প্রক্রিইয়াঃ একটি কালার ছবিকে সাদা-কালো করে দেবার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। প্রায় সবাই Desaturate-এর সাহায্যে রঙিন ছবিকে সাদা-কালোতে রূপান্তের করে থাকেন। কিন্তু একটি রঙিন ছবিকে Desaturate করলে তা ঠিকই সাদা-কালো হয়, কিন্তু এর Contrast ঠিকমতো থাকে না। একটু ফিকে হয়ে যায়। বিভিন্ন কালারের Depth সঠিকভাবে ছবিতে ফুটে ওঠে না। এর জন্য প্রয়োজন Moocromic Conversion. এখনে অনেক Photographer সাদা-কালোতে কাজ করেন। কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরা আসাতে রঙিন ছবির বদলে সাদা-কালোর পরিমাণ কমে গেছে। তারা প্রায়ই ছবি রঙিন তুলে সাদা-কালো করে নিতে চান। কারণ সাদা-কালো ছবিতে যে Contrastive ব্যাপার তুলে ধরা যায়, তা অন্য কিছুতে পারা যায় না। তারা Monocromic করে দেখতে পারেন এবং সেই সাদা-কালো Film এর মতোই Contrastive ছবি পাবেন। Monocromic করতে Image >Adjustments >Channel mixer-এ ক্লিক করুন। এরপর Monocrome Checkbox এ টিক চিহ্ন দিয়ে নিন। স্পষ্টতই বুঝতে পারবেন Desaturate-এর তুলনায় মনোক্রম কতটা Contrastive Black & White Conversion করতে পারে।

গ্রিডলাইনের পরিপূর্ণ ব্যবহারঃ আমাদের চোখ অনেক সময় পুরোপুরি Horizontal এবং Verticale অবস্থান নির্ণয় করতে পারে না। তাই কখনো কখনো ছবিতে কোনো Object বা Gradient বসানোর সময় সঠিক অবস্থানে তা বসানো সম্ভব হয় না। এই সমস্যার চমৎকার সমাধান হলো Greed Line এর ব্যবহার। এই সহজ Option ব্যবহারে কোনো Perspective লুক বাদ যাবে না। ছবিতে অন্যান্য বস্তুর অবস্থান অনুযায়ী Object বসানোর জন্য Geed Line এর সাহায্য নিতে পারেন। Geed Line সাধারণত একটি Graph Paper এর মতো অসংখ্য Greed দেখাবে, যার X এবং Y অক্ষ থাকবে। বড় ঘরের পাশাপাশি অনেক হালকা Greed থাকে, যা ছোট ছোট চতুর্ভূজ তৈরি করে। এতে অনেক সহজে Element স্থাপন করা সম্ভব হয়। ছবি বাঁকা থাকলেও এর মাধ্যমে সহজেই চোখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে Free transform-এর মাধ্যমে ছবিটিকে সঠিক শেপে নিয়ে আসতে পারেন। কোনো ছবিতে Greed Line প্রদর্শনের জন্য View Tab থেকে Show >Grid-এ ক্লিক করুন। এটি অনেক সময় অনেক কাজে লাগে, যা অন্য কোনো Option এর সাহায্যে করা যায় না। কাজ শেষে Greed Invisible করে দিলে পুরো ছবিটি আগের মতো দেখা যাবে।

ছবি প্রিন্টিংয়ে Dpi এর ব্যবহারঃ আমরা সাধারণত মনিটরের স্ক্রিনে যে ছবি দেখি তা হয়ে থাকে ৭২ Dpi এর। একটি ছবি দেখার সময় এর থেকে বেশি Dpi এর প্রয়োজন হয় না। তাই ছবি এডিট করার সময় সাধারণত ৭২ Dpi ব্যবহার করা হয়। Dpi বলতে Dot Per Inch বোঝায়। অর্থাৎ একটি ছবিতে কতটুকু ঘনত্বে পিক্সেল থাকবে তা Dpi থেকে বোঝা যায়। ছবি যখন প্রিন্ট করা হয়, তখন প্রিন্টার তার ক্ষমতা অনুযায়ী Dpi তে প্রিন্ট করে। তাই সূক্ষ্ম প্রিন্ট পাবার জন্য অন্তত ৩০০ Dpi এর ছবি হওয়া বাঞ্ছনীয়। মনিটরে সাধারণত ৭২ Dpi এবং ৩০০ Dpi ছবির মাঝে পার্থক্য বোঝা যায় না। কিন্তু প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে ৭২ Dpi অনেক খারাপ মানের আউটপুট দেয়।

এডোবি ফটোশপ এমন একটি সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে অনেক গ্রাফিক এডিট করা সম্ভব। এটি প্রফেশনালদের হাতে অনেক সূক্ষ্ম কাজের আউটপুট দেয় আর এর ব্যবহার না জানলে তা আশানুরূপ আউটপুট দেয় না। তাই এসব ছোটখাটো ট্রিকস খাটালে ফটোশপে আরো সহজে নির্ভুলভাবে ছবি এডিট করা সম্ভব হবে।

আশা করি আপনাদের কাছে আমার আজকের আর্টিকেলটি অনেক ভালো লেগেছে। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আসসালামু আলাইকুম।

Address

Gulshan Sales Office. SA Tower
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Graphic Web versity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share