Techpower 3.0

Techpower 3.0 Computer Hardware Servicing Shop

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয় এমন কাজের কুফলকার্পল টানেল সিনড্রোম: প্রতিনিয়ত মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি মাত্র ২০ বছর ব...
09/12/2018

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয় এমন কাজের কুফল

কার্পল টানেল সিনড্রোম: প্রতিনিয়ত মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি মাত্র ২০ বছর বয়সেই। এর উপসর্গগুলো হচ্ছে- হাতে ব্যথা, অসাড় অনুভূতি, ঝিনঝিনি করা এবং দূর্বল অনুভব করা। কারণ হচ্ছে ‘মিডিয়ান নার্ভ’ বা হাতের মধবর্তী স্নায়ূতে বেকায়দায় চাপ পড়া।

প্রতিরোধ: একটানা করতে হয় এমন হাত কিংবা কব্জির কাজ করার ক্ষেত্রে ঘন ঘন বিরতি নিতে হবে। সেই সঙ্গে হাতের তালু ও আঙুল টানটান করতে হবে প্রতিদিন একধিকবার। কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এমন মাউস বেছে নিতে হবে যা ব্যবহার করা আরামদায়ক এবং কব্জির উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে না।

দূর্বল পেশি: মানুষের শরীর তৈরি করা হয়েছে প্রচুর নড়াচড়ার উপযোগী করে, আছে ৩৬০টি জোড় এবং প্রায় সাতশ অস্থি-পেশি। তবে কর্মক্ষেত্রে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ারে বসে থাকতে হয়, ফলে নিতম্ব ও উরুর পেছনের অংশের ‘হ্যামস্ট্রিং’ নামক পেশি শক্ত হয়ে যায়। সেখানে থেকে পিঠের নিচের অংশ ও পেটের পেশি দূর্বল হয়ে যেতে থাকে।

প্রতিরোধ: কয়েক মিনিট পরপর বসার ধরন পরিবর্তন করতে হবে, প্রতি ঘণ্টায় একবার হলেও উঠে হাঁটাহাঁটি করতে হবে। মাঝে মধ্যে লিফ্টের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে।

স্থূলতা: বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রেই খেতে হয় উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার, যাতে প্রোটিন নেই বললেই চলে। কাজের প্রয়োজনে সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা নিয়মিত বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে না হলে এত বেশি কার্বোহাইড্রেট আপনার প্রয়োজন নেই।

প্রতিরোধ: বাসা থেকে খাবার নিয়ে যান যাতে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। সেই সঙ্গে খাবারে পর্যাপ্ত চর্বি ও সবজি থাকাও নিশ্চিত করতে হবে।

কুঁজো হয়ে যাওয়া: এখানেও দায়ি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা। অভ্যন্তরীনভাবে ঘুরে যাওয়া ঘাড়, তা থেকে পিঠ কুঁজো হয়ে যাওয়া, এগুলো দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে হওয়া সমস্যা।

প্রতিরোধ: কম্পিউটারে কাজ করার সময় সামনে ঝুঁকে থাকা যাবে না। বসতে হবে আয়েশ করে, ঘাড় থাকবে নিতম্ব বরাবর।

ঘুমের মান নষ্ট হওয়ার একটি বড় কারণ হল আমরা মোবাইল ফোন সারাক্ষণ ব্যবহার করতে থাকি, গান শোনা কিংবা অন্য যে কোনো কাজে। ফলে ...
09/12/2018

ঘুমের মান নষ্ট হওয়ার একটি বড় কারণ হল আমরা মোবাইল ফোন সারাক্ষণ ব্যবহার করতে থাকি, গান শোনা কিংবা অন্য যে কোনো কাজে। ফলে এই যন্ত্র সবসময় আমাদের হাতে থাকে, এমনকি বিশ্রামের সময়ও। ফলে আমাদের মস্তিষ্ক সবসময় সচল থাকে, পায় না পর্যাপ্ত বিশ্রাম।

গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়লে মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিশ্রাম পায় না। মস্তিষ্কের যে অংশটুকু সাড়া দেওয়া ও শব্দ গ্রহণ করার জন্য কাজ করে তা অচেতন হয় তবে পুরোপুরি বন্ধ হয়না। ফলে রাতে ঘুম ভেঙে যায় কিংবা ঘুমের মধ্যে নিজেও হয়ত গুনগুন করে গান গাইতে থাকেন।

একটানা ৮ ঘণ্টা নির্ভেজাল ঘুমের পরিবর্তে এক বা একাধিকবার ঘুম ভেঙে যাওয়া হৃদস্পন্দনের গতি বাড়ায় যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আরেকটি সম্ভাব্য সমস্যা হল- পরদিন সকালে অনবরত কানে ভোঁ ভোঁ বাজতে পারে; যা স্বাভাবিক হতে দীর্ঘসময় নেয়। সমস্যাটা তেমন গুরুতর মনে না হলেও আসলে এটা হল কানে হেডফোন গুঁজে ঘুমানোর কারণে কানের পর্দায় ব্যথা হওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

বেশি আওয়াজে গান শোনাও কানের জন্য ক্ষতিকর। এই ক্ষতির মাত্রা হয়ত নগন্য, তবে অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

আবার হেডফোনের ইয়ারবাড কানে ঠিকমতো নাও বসতে পারে, যার ফলাফল হতে পারে কানের আশপাশের ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। সেই সঙ্গে কানের ভেতরে ময়লা বাড়তে পারে, যা একাধারে অস্বাস্থ্যকর এবং শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

02/12/2018

একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে কম্পিউটার এর প্রতি কিছু নির্দেশনা মাত্র, যেখানে সে কিভাবে ইনপুট নিবে, কিভাবে প্রসেস করবে এবং কিভাবে আউটপুট দিবে সেটা বিস্তারিত বলা থাকে।

ইনপুট নেওয়া তথ্য বিভিন্ন উপায়ে কম্পিউটার প্রসেস করে থাকে। সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) নামক অংশটি এই কাজ করে থাকে। প্র...
02/12/2018

ইনপুট নেওয়া তথ্য বিভিন্ন উপায়ে কম্পিউটার প্রসেস করে থাকে। সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) নামক অংশটি এই কাজ করে থাকে। প্রসেসিং মূলত বিভিন্ন ধরনের হিসাব নিকাশ।

এরপর হচ্ছে আউটপুট। প্রসেসিং এর ফলাফলটি ব্যবহারকারী কে ফেরত দেওয়ার নাম আউটপুট। স্ট্যান্ডার্ড আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে কম্পিউটার মনিটর এর স্ক্রিন। এছাড়াও প্রিন্টার, স্পিকার, ডিস্ক ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইসেও কম্পিউটার আউটপুট দিয়ে থাকে।

এখন প্রশ্ন হল, কম্পিউটার কিভাবে বোঝে যে কখন কোন কাজটি করতে হবে?

এর উত্তর খুব সহজ। প্রোগ্রামার দের কাজই হচ্ছে কম্পিউটার কিভাবে কাজ করবে সেটা কম্পিউটার কে বলে দেওয়া।

02/12/2018

কম্পিউটার কি কি কাজ করতে পারে সেটা নিয়ে কথা না বাড়িয়ে, আসুন দেখি সে কিভাবে কাজ করে। যে কাজই সে করুক না কেন, তিনিটি পর্যায়ে সে সকল কাজ সম্পাদন করে।

১. ব্যবহার কারীর থেকে সে কিছু তথ্য নিবে (ইনপুট)
২. তথ্যগুলো সে প্রসেস করবে
৩. প্রসেস করার পরে ফলাফল সে আবার ব্যবহারকারীকে ফেরত দিবে (আউটপুট)

যত জটিল কাজই আপনি কম্পিউটার কে করতে দেখেন না কেন সে আসলে এই তিনটি কাজই করে।

Address

Road 12 # Niktan # Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Techpower 3.0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Techpower 3.0:

Share