Web Development & software society

Web Development & software society Professionals Software & web development company
https://www.facebook.com/groups/websoftsociety
01622621935
01832074548

The Web Design Contest is about honoring excellence in the Web profession. The Web Design Contest is also about empowering the creative, technically proficient & future business-savvy Web professionals within the secondary (high school) and post secondary (college) communities.

বিলিয়ন ডলারের বাজারে গড়ুন আপনার ক্যারিয়ার ! #অনলাইনে উপার্জনের যত মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট ...
06/09/2015

বিলিয়ন ডলারের বাজারে গড়ুন আপনার ক্যারিয়ার !
#অনলাইনে উপার্জনের যত মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ক্ষেত্র। মূলত বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে প্রায় সবাই ক্রমেই ইন্টারনেটের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সবাই চাচ্ছে, তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক। ফলে এ সম্পর্কিত কাজের জন্য ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে যত ধরনের কাজ রয়েছে, তার মধ্যে ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের কাজই সর্বাধিক। ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছে আজকাল অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। আর ওয়েব ডেভেলপারদের মধ্যে রয়েছে অনেক ধরন। প্রতিটি ওয়েব ডেভেলপারেরই নির্দিষ্ট কিছু কারিগরি ও সৃজনশীল দক্ষতা থাকা দরকার। যদি ওয়েব গ্রাফিক্স, কমপিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইন কিংবা কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করা উপভোগ করে থাকেন, তাহলে একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তাভাবনা করতে পারেন। অনেক ওয়েব ডেভেলপারই পেশাগত জীবনে ইতিবাচক কিছু যোগ করার জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশন করে থাকেন। কিন্তু এসব সার্টিফিকেশন করার আগে আপনাকে জানতে হবে, কোন সার্টিফিকেশন কী কাজে লাগে এবং কোনটি আপনার জন্য দরকার। এ লেখায় একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার বিভিন্ন ধরন এবং ওয়েব সার্টিফিকেশনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
#উপার্জনের ক্ষেত্র: একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপারের কাজের ক্ষেত্র অনলাইনে এতটাই বিস্তৃত যে, তারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিশাল বাজেটের কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারে, ব্লগিং করে উপার্জন করতে পারে, বিভিন্ন অনলাইন শপিং মার্কেটে নিজের তৈরি করা ডিজাইন জমা দিয়ে উপার্জন করতে পারে। এ ধরনের বহুমুখী উপার্জনের রাস্তা খুলে যায় একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপারের জন্য।
www.ictxpress.com
#ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার :- ইন্টারনেট ক্যারিয়ার বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ারের অনেক দিকের মধ্যে কনটেন্ট রাইটার, ওয়েব ডিজাইনার, ওয়েব গ্রাফিক্স আর্টিস্ট, ওয়েব প্রোগ্রামার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
উল্লিখিত এসব ক্যারিয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে এখানে কিছু আলোচনা করা হলো :
#কনটেন্ট রাইটার :- ওয়েবসাইটগুলোর দরকার তথ্যসমৃদ্ধ টেক্সট। কনটেন্ট লেখকদের মূলত নিয়োগ দেয়া হয় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্য নিবন্ধ, মার্কেটিং টেক্সট বা অন্যান্য ধরনের তথ্য তৈরি করার জন্য। এই পদের জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয় ইন্টারনেট টুলস, ওয়েবসাইট, ব্রাউজার, টেম্পলেট ইত্যাদি নিয়ে কাজ করার সামর্থ্য এবং এইচটিএমএল সম্পর্কিত কিছু জ্ঞান। একই সাথে দরকার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) কৌশল সম্পর্কিত গভীর জ্ঞান। ওয়েবে তাজা তথ্যের উপযোগিতার কারণে একজন কনটেন্ট লেখকের এটা জানা জরুরি, কীভাবে তাড়াতাড়ি কনটেন্ট তৈরি করা যায়। একই সাথে তাকে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি এবং পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট টুল সম্পর্কে তার ধারণা থাকা দরকার। এ ধরনের কাজে ভালো বানান এবং ব্যাকরণের সাথে লেখালেখি করার যোগ্যতা থাকা জরুরি।
computer
#ওয়েব ডিজাইনার :- ওয়েব ডিজাইনাররা সব সময়ই একটি ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য নিয়ে সচেতন থাকেন। ওয়েব ডিজাইনারের চাকরির জন্য সাধারণত সৃজনশীল ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন লোকের প্রয়োজন হয়। তাদেরকে বুঝতে হয়, কী কী বিষয় একটি ওয়েবসাইটকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে এবং কী কী বিষয় একে ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তোলে। এইচটিএমএল এবং সিএসএসের গভীর জ্ঞান এবং এসইও কৌশল সম্পর্কিত ধারণা থাকা একজন ডিজাইনারের জন্য দরকার। কিছু কিছু ক্ষেত্রে জাভাস্ক্রিপ্ট এবং ফ্ল্যাশের অভিজ্ঞতা সাহায্যকারী হয়। ওয়েব ডিজাইনের প্রকারভেদ: ওয়েব ডিজাইনকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। স্ট্যাটিক ও ডায়নামিক। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে প্রয়োজন হয় Html, css, javascript, photoshop প্রভৃতি আর ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরিতে প্রয়োজন হয় Php/mysql প্রভৃতি। ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরিতে বর্তমানে Cms (Content Managment System) ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। Joomla I WordPress দুটি শক্তিশালী Cms, যার চাহিদা বর্তমানে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি। কারণ ওয়েবের ডায়নামিক ফিচারগুলো এতে বিল্ট-ইন থাকে, অনেকটা রেডিমেড। চাহিদার দিক থেকে এর পরের অবস্থানে রয়েছে Php/mysql, এর পরে রয়েছে Html, css, javascript, photoshop-এর অবস্থান। শুধু স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি করা জানলেই অনলাইনে মাসে ৫০০ থেকে ১ হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, আপনার সাইট তৈরির দক্ষতা যেন হয় প্রফেশনাল মানের।
ডায়নামিক ওয়েবসাইট, যেমন : Php/mysql, Joomla, WordPress ইত্যাদিতে দক্ষ হলে মাসে ১ হাজার, ২ হাজার, ৩ হাজার এমনকি ৫০ হাজার ডলার আয় করাও সম্ভব। অর্থাত্ যে পরিমাণ দক্ষ ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে যে পরিমাণ অভিজ্ঞতা হবে, আয় সে অনুযায়ী বাড়তে থাকবে। ওয়েব গ্রাফিক্স আর্টিস্ট : ওয়েব গ্রাফিক্স নিয়ে কাজ করার সময় ব্যবহার হওয়া ছবিগুলো সাধারণত সরাসরি মুক্তহসেত্ম অংকন প্রক্রিয়ায় কিংবা বিভিন্ন ফটো এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাওয়া যায়। ওয়েব গ্রাফিক্স আর্টিস্টরা ইউজার ইন্টারফেসের উপাদান যেমন- আইকন, লোগো, বাটন ইত্যাদিও ডিজাইন করে থাকেন। যেসব ব্যক্তি এ পেশায় আসেন তাদেরকে সাধারণত শিল্পীসুলভ, পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং সুবিন্যস্ত মনোভাবসম্পন্ন হতে হয়। কিভাবে ইমেজগুলো ওয়েবসাইটে দ্রুত লোড হতে পারে এ বিষয়টি তাদেরকে বুঝতে হয়। চাকরির অংশ হিসেবে ওয়েব গ্রাফিক্স আর্টিস্টের টেকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড এবং ওয়েব ডিজাইন ও এসইও কৌশলের ধারণা থাকা ভালো।
lebWebCustomProgramming
#ওয়েব প্রোগ্রামার :-একজন ওয়েব প্রোগ্রামার একটি ওয়েবসাইটের ফাংশনালিটি নিয়ে কাজ করে থাকেন। যেখানে একজন ওয়েব ডিজাইনার একটি সাইটের বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন, সেখানে একজন ওয়েব প্রোগ্রামার পরস্পর প্রতিক্রিয়াশীল (ইন্টারঅ্যাকটিভ) বিষয়বস্ত্ত যেমন- রিপোর্ট তৈরি, হিসেবনিকেশ, ই-কমার্স ট্রানজ্যাকশন, নিরাপত্তা কর্ম ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। যেসব ব্যক্তি এ পেশাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে চান তাদেরকে কমপিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন- জাভা, সি/সি++, পার্ল, পিএইচপি, ভিজ্যুয়াল বেসিক ইত্যাদি সম্পর্কে কারিগরি জ্ঞান রাখতে হয়। ওয়েব প্রোগ্রামারদের সব সময়ই যুক্তিগত (Logic) দক্ষতা থাকা উচিত। তাদেরকে বিশ্লেষণধর্মী হতে হয় এবং মৌখিক ও লিখিত উভয় দিক দিয়ে যোগাযোগের জন্য পারদর্শী হতে হয়।
#ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশন :- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ারে সফলতার অংশ হিসেবে আজকাল অনেকেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশন করে থাকেন। কিন্তু ক্যারিয়ারের জন্য কোন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশনটি সর্বোত্তম? এটা আসলে নির্ভর করে ওয়েব কনটেন্ট তৈরি বা ম্যানেজ করতে পছন্দ করেন কি না অথবা ডাটাবেজ এবং ওয়েব সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী কি না তার ওপর।
এখানে কিছু ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশন এবং সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো :
ওয়েব কনটেন্ট ডেভেলপার সার্টিফিকেশন : ওয়েব কনটেন্ট ডেভেলপার সার্টিফিকেশন সাধারণত গ্রাফিক্স ডিজাইন, পেশাগত লেখালেখি, এসইও, ইন্টারনেট বাজারজাতকরণ বা মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপমেন্টের ওপর বিশেষত্ব প্রদান করে থাকে। প্রোগ্রামটি এসব বিষয়ের কিছু একত্রিত করে বা কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষত্ব দেয়। এক্ষেত্রে ওয়েব স্ক্রিপ্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা ডাটাবেজ প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষতার দরকার হয় না।
#ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার সার্টিফিকেশন :- ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামিংয়ে বিশেষত্ব দেয়। এজন্য পিএইচপি, জাভা, ডট নেট, পার্ল বা অন্যান্য ওয়েব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জ্ঞান থাকা দরকার হয়। যেসব অ্যাপ্লিকেশন ডাটাবেজ বা ওয়েব সার্ভার নিয়ে কাজ করে সেসব অ্যাপ্লিকেশনে অর্থাৎ সার্ভার সাইড (ব্যাক এন্ড)-এ কাজ করতে এ সার্টিফিকেশন সাহায্য করবে। আবার অ্যাপ্লিকেশনের ক্লায়েন্ট সাইড (ফ্রন্ট এন্ড) যা এইচটিএমএল/এক্সএইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট এবং অন্যান্য ট্যাগ স্টাইল কোডিং ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়ায়, সেসব জায়গায় কাজ করার জন্যও এই সার্টিফিকেশন সাহায্য করবে।
ওয়েব সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম পছন্দে যেসব বিষয় বিবেচ্য : কোন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশন করবেন সে বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য খরচ হচ্ছে প্রথম বিবেচ্য বিষয়। কোনো সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম বাছাইয়ের সময় চাকরির সাইটগুলো ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখুন কোন চাকরির জন্য কোন সার্টিফিকেশন দরকার এবং কোন চাকরির বেতন কত? এ বিষয়টি আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। যে প্রোগ্রামটি করতে চান, সেটি কি বিখ্যাত? সেই প্রোগ্রামটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এবং দেখুন কোন কোন প্রতিষ্ঠান এসব সার্টিফিকেশনের লোক নেয়। এসব বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, কোন সার্টিফিকেশনটি আপনার দরকার।
#কেন ওয়েব সার্টিফিকেশন করবেন : বিশ্ব অর্থনীতির এ কঠিন সময়ে যদি কোথাও চাকরিতে ঢুকেন, তাহলে চাইবেন কিভাবে আপনার চাকরিটি টিকে থাকে। আপনার দক্ষতা যত বেশি হবে, আপনার প্রতিষ্ঠান আপনাকে তত বেশি ধরে রাখতে চাইবে। চাকরির পদমর্যাদার উন্নতির ক্ষেত্রেও ওয়েব সার্টিফিকেশন ভূমিকা রাখে।
#কোত্থেকে ওয়েব সার্টিফিকেশন করবেন : বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সার্টিফিকেশন দেয়ার জন্য বাংলাদেশে বেশ কিছু এজেন্ট আছে। এসব এজেন্টই আপনাকে ওয়েব সার্টিফিকেশন পাওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করবে। দৈনিক বা মাসিক পত্রিকায় এবং ইন্টারনেটে এসব এজেন্টের বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখবেন অথবা সরাসরি ইন্টারনেটে সার্চ করেও এসব এজেন্টের খোঁজ খবর নিতে পারবেন

ICTXPRESS LIMITED symbolizes the most reliable ICT Solution Company in the country provided by the IT Division of ICTXPRESS LIMITED was launched in 2009 with the sole aim of keeping our internet users in the information super highway with the fastest access to the Broadband. Our unparalleled dedicat…

20/07/2015

i love design

04/02/2015

৫টি কারণ যার জন্য আপনি হতে পারবেন না একজন সফল ফ্রীল্যান্সার

এখানে লেখা সব কিছু আমার একান্ত উপলব্ধি কারো মনে কষ্ট দেয়ার জন্য আমার এই লেখা না

আমাদের দেশে এখন ফ্রীল্যান্সিং এর বাতাস বইছে। সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছে ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করে ঘরে বসে বড়লোক হতে। ঘরে বসে বড়লোক হওয়া কি এতই সোজা ? বাইরে থেকে দেখলে ফ্রীল্যান্সিং কে মনে হতে পারে আরামের একটা পেশা, যেখানে কম্পিঊটারের সামনে বসলেই টাকা পাওয়া যায়। কম্পিউটার গুলো যেন ডলার ছাপানো মেশিন। অনেকে এইরকম হুজুগে পরেই ফ্রীল্যান্সিং এ আসেন। কিছু দিন পরেই বুঝতে পারেন এই পেশা তার জন্য না।

আসুন দেখি কি সেই ৫ টি কারণ যার জন্য আপনি হতে পারবেন না একজন সফল ফ্রীল্যান্সার

ধৈর্য : ফ্রীল্যান্সিং এ সফল হতে ১ম যে গুণ টি দরকার বলে আমি মনে করি তা হল ধৈর্য। ধৈর্য না থাকলে আপনি কখন ই এই ফ্রীল্যান্সিং জগতে ঠিকে থাকতে পারবেন না। আর নতুন ফ্রীল্যান্সারদের দিতে হয় সবচেয়ে বেশি ধৈয্য এর পরীক্ষা । কাজ পেতে ১ মাসের জায়গায় ৩ মাস লাগতে পারে তাই বলে ধৈয্য হারালে চলবে না।সফল ফ্রীল্যান্সার
দক্ষতা : আপনি কেন মনে করেন যে আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেট প্লেস এ কাজ করার যোগ্য ? আপনি কি আন্তর্জাতিক মানের কাজ ডেলেভারি দিতে পারবেন ? ফ্রীল্যান্সিং এ সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। abcd শিখে এখানে এসে লাভ নেই। যদি মনে করেন আপনার কাজ আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ড্রাডের কাজ তাহলে ই ফ্রীল্যান্সিং এ আসুন। নতুবা আরো প্র্যাকটিস করুন। কাজ না জেনে হয়ত বা কপালের জোরে কাজ পেতে পারেন, কিন্তু সেই কাজ আপনি কখন ই সফল ভাবে করতে পারবেন না। এর, ওর পিছনে দৌড় দিয়ে কাজ কমপ্লিট করতে পারবেন না। উল্টো আরো দেশের বদনাম করবেন। তাই আগে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের কাজের জন্য তৈরি করুন তারপর ফ্রীল্যান্সিং এ আসুন।
ইংরেজি : আমি এমন অনেককেই চিনি যারা কাজে যথেষ্ট দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও ফ্রীল্যান্সিং এ এসে কোন কাজ পায়না। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল ইংরেজিতে ভাল না হওয়া। একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভাল হতে হবে। আপনার ক্লায়েন্ট আপনার কাছে কী চাচ্ছে তা যদি আপনি বুঝতেই না পারেন তবে কাজ করবেন কিভাবে ? এ জন্য যে আপনাকে একদম ইংরেজির ডিকশোনারি মুখস্থ করতে হবে তা নয়। মোটামুটি সিম্পল ভাবে কথা বলা কিংবা চ্যাটিং যাতে করা যায় এমন ইংরেজী আপনাকে জানতে হবে। না হলে ফ্রীল্যান্সিং এ আপনি সুবিধা করতে পারবেন না। তাই কাজের দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠুন । অনেক কে দেখেছি শুধুমাত্র ইংরেজী ভাল জানার জন্য এপ্লায় করা মাত্রই কাজ পায়।
অলসতা : কাজ করে খাইতে ইচ্ছা করে না ? কম্পিউটারের সামনে বসলেই ঘুম আসে আপনার ? তাহলে ফ্রীল্যান্সিং আপনার জন্য না। আগেই বলেছি বাইরে থেকে ফ্রীল্যান্সিং দেখতে যতটা সহজ ও আরামের কাজ মনে হয় এতটা সহজ আসলে না। শাররীক চাপের সাথে মানসিক চাপও একসাথে নিতে ফ্রীল্যান্সিং এ। টানা ৮ – ১০ ঘণ্টা ও কাজ করা লাগতে পারে সময় বিশেষে । তাই যদি আপনি অলস ধরণের লোক হয়ে থাকেন তাহলে ফ্রীল্যান্সিং আপনার জন্য না।
কম রেটে কাজ :
উপরের সব গুলো তে আপনি পাশ করার পর ও নিজকে একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন না যদি, আপনি কম রেটে কাজ করে নিজেকে ফকিন্নি হিসেবে বিদেশী মানুষের কাছে পরিচয় দেন। ১০ -১৫ সেন্টে কাজ করে আপনি যা ইঙ্কাম করবেন তার চেয়ে ঢাকার জিগাতলা মোড়ের ফকির বেশি ইঙ্কাম করে। ফ্রীল্যান্সারতাই কম রেটে কাজ করে মার্কেট নষ্ট না করে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী এভারেজ রেটে কাজ করুন। কম রেটে কাজ করে আপনি যেমন নিজের ক্ষতি করেন সেই সাথে মার্কেটপ্লেস এর সব ফ্রীল্যান্সারদের ও ক্ষতি করেন। তাই ভাল রেটে কাজ করেন দেখবেন কয়েকদিন এর ভিতর আপনার ব্যাংক-ব্যালেন্স ভারী হয়ে গেছে।



লেখাটা যদি ভাল লেগে থাকে কিংবা আপনার উপকার হয়, তাহলে লেখাটি শেয়ার করুন । লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান নিচের কমেন্ট বক্স এ ।

গুগল পুরো পৃথিবীর শীর্ষ স্থানিয় রাস্তাগুলোকে একটা অনলাইন ডাটা বেইজের মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছে। এই লক্ষে তারা কিছুদিন আগে এ...
19/01/2015

গুগল পুরো পৃথিবীর শীর্ষ স্থানিয় রাস্তাগুলোকে একটা অনলাইন ডাটা বেইজের মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছে। এই লক্ষে তারা কিছুদিন আগে একটা ল্যান্ড বেইজ সার্ভেও করেছে। তাদের উদ্যেশ্য ছিল গুগল ম্যাপস নামক সেবাটাকে আরো ওয়াইড করা। যেখানে আপনি সার্চ দেয়ার সাথে সাথে আপনার বর্তমান ডেস্টিনেশন পেয়ে যাবেন। কিন্তু আর একটা জিনিষ তারা ভবিষ্যতের জন্য নির্মান করছে সেটা কি জানেন??
Autonomous car
প্রশ্ন হচ্ছে এইটা আবার কি?
মানুষ খুবই আনস্টাবল মাইন্ডের একটা প্রানি। কখন কার মনে কি লাফ দিয়া উঠে এক আল্লাহ ছারা কেউ জানে না। আর এইধরনের একটা আনস্টবল প্রানি অত্যান্ড স্টাবল এবং ভয়ানক একটা যন্ত্র দানব মানে গাড়ি চালাচ্ছে। ফলে প্রতি বছর ঘটছে ভয়ানক সব দুর্ঘটনা।
কিন্তু একবারও কি ভেবেছেন যদি গাড়িটা মানুষ না চালােয়ে অন্য কিছুতে চালায়। আর এখানেই গুগল এর পরিকল্পনা। গুগল বলছে তারা আগামি বিশ বছরের মধ্যে পুরোপৃথিবীতে পাবলিক এবং প্রাইভেট দুই ধরনের ট্রান্সপোর্টের জন্যই ড্রইভার এর ভুমিকায় অবতির্ন হবে। তার মনে গুগল ম্যাপসই আপনার ড্রাইভার হিসাবে গাড়িটাকে চালিয়ে নিয়ে যাবে। আপনি শুধু প্যাসেঞ্জার সিটে বসে আপনার নিত্য প্রয়োজনিয় কাজ করবেন যেটা আপনি নস্ট করতেন গাড়ি চালানোর সময়।
গুগল এমন একটা গাড়ি উদ্ভাবন করার চেস্টা করছে যেটা গাড়িতে সেন করে দিলেই হবে। গাড়িটি নিজেই গুগলের সেন্ট্রাল সার্ভার এর সাথে যোগাযোগ রেখে নিজেনিজেই চলে যাবে গন্তব্যে। এতে যে বিষয়গুলোর সুবিধা পাওয়া যাবে
১) ড্রাইভিং এর জন্য আলাদা ভাবে সময় ব্যায় করতে হবে না।
২) পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য আলাদা পয়সা খরচ হবে না।
৩) গাড়িগুলো ভয়ানক সব এক্সিডেন্টের হাত থেকে বেচে যাবে।
৪) অনেক দুরের গন্তব্য অত্যান্ত নিশ্চিন্তে টানা ভ্রমন করা যাবে কোনরকম ব্রেক ছারাই।
৫) সবচেয়ে মজার বিষয় হবে বড় শহর গুলোতে জ্যাম লাগার বিষয়টে অনেকাংশে কমে যাবে।
আরো অসাধারন বিষয় হচ্ছে গুগলের এই গাড়িটি চালাতে কোন তেল এর প্রয়োজন হবে না। এটি আনি একদিন চার্জ দেয়ার পরে সপ্তাহখানেক খুব শান্তির সাথে চালাতে পারবেন কোন রকম ঝামেলা ছারাই। তার মানে এটি ব্যাটারি চালিত ইলেকট্রিক গাড়ি। গুগল তার এই গাড়ির কারখানার তৈরি করবে আরো কিছুদনি পরে এবং ধারনা করা হচ্ছে তারা এটি শুরু করলে পৃথিবীর বর্তমান গাড়ির ব্যাবসাতে বিশাল ধ্বস নামবে। যেটা বর্তমান গাড়ি ব্যাবসায়িরা মোটেই পছন্দ করছেন না। যার কারনে বিষয়টা আস্তে আস্তে পিছিয়ে যাচ্ছে।

30/12/2014

আমরা যারা ফ্রীলাঞ্চিং করি তারা অনেকেই অনেক কথা শুনতে শুনতে বেশ অভস্থ । ফ্যামিলি এর প্রিয়জনরাও বলে এসব কথা।
# ফ্রীলাঞ্চিং এর কোনো ভবিষ্যৎ নাই। এসব করা বাদ দাও।
# কি কাজ করে ঘরে বসে মেয়েদের মত
# এই সব ছেড়ে দিয়ে কোনো জায়গায় জব এর জন্য ট্রাই কর।
হেন তেন আর কত কি......।
অনেকেই অনেক যুক্তি দেন তাদের এই কথার। এসব কথা যারা বলে তাদের উদ্দেশে আমি কিছু বলতে চাই। ফ্রীলাঞ্চিং এমন একটি পেশা যেখানে সবাই সফল হতে পারে না। যারা Skilled তারাই ফ্রীলাঞ্চিং করতে পারছে। আমরা Skilled ও আরও skilled হতে চাচ্ছি যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে না হয়। ভবিষ্যতে এমন একটি দিন আসছে যখন বাবা-মা তাদের সন্তানদের ভাল Freelancing Coaching Center এ ভর্তি করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে । আর বর্তমান এ রেমিটেন্স এর সিংহভাগ ফ্রীলাঞ্চিং থেকে আসে এবং ভবিষ্যৎ এ বাংলাদেশ এর সর্বাধিক রেমিটেন্স আসবে এই ফ্রীলাঞ্চিং থেকে ইনশাআল্লাহ। তাহলে বুঝে নিন এই ফ্রীলাঞ্চিং এর ভবিষ্যৎ আছে কি নাই।
আর যারা বলে "ঘরে বসে মেয়েদের মত কাজ কর কেন? " তাদের উদ্দেশে বলি, অন্য কোথাও official জব করতে হলেও তো এক জায়গায় বসে কাজ করতে হয়। সেখানে তো আপনারা কিছু বলেন না। আমাদের (ফ্রীলাঞ্চার-দের) কাছে ঘর ই অফিস। অফিস এ কাজ করতে তো কোনো সমস্যা নাই। (ফ্রীলাঞ্চারদের উদ্দেশে বলি) আর যদি তাদের এই কথার দাত ভাঙ্গা জবাব দিতে চান তবে নিজেকে দক্ষ ফ্রীলাঞ্চার হিসেবে গড়ে তুলুন যাতে আপনি একটি ভালো IT farm খুলতে পারেন। তখন অন্যরা আপনার সমালোচনা না করে উলটো বাহ-বা জানাবে।
আর যারা বলে "এই সব ছেড়ে দিয়ে কোনো জায়গায় জব এর জন্য ট্রাই কর" তাদের উদ্দেশে বলি, আমরা নিজেকে এমন ভাবে গড়ে তুলছি যাতে অন্য কোথাও গিয়ে জব করা না লাগে। আমরা জব করব না জব দিব।
আমার মনে হয় সব ফ্রীলাঞ্চারদের উত্তর এইরকমই হবে। আমার কোনো কথায় ভুল থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনাদের কোনো মতামত থাকলে কমেন্ট বক্স এ জানাবেন প্লিস। পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ।

25/12/2014

বলা হয় আপনি "যতবার প্রত্যাখ্যাত হবেন ঠিকই ততটাই সাফল্য লাভ করবেন।"

আপনি যদি আগে থেকেই ধরে রাখেন যে অন্যরা আপনাকে প্রত্যাখান করবেন, তাহলে আপনার ভয়ের কারণে আপনি কার্যক্ষমতা হারাবেন। এই ভয়কে প্রথমে জয় করতে হবে এবং তারপর যদি আপনি সফল হতে চান, আপনাকে জেনে নিতে হবে কিভাবে প্রত্যাখানকে আপনি ইতিবাচকভাবে আপনার লক্ষ্য পূরণের হাতিয়ার হিসেবে পরিণত করতে পারেন। আপনাকে যা করতে হবে তা হলঃ

১. কেন আপনি প্রত্যাখ্যাত অনুভব করেন তা বুঝতে হবে
---------------------------------------------------------
ধরুন আপনি ভালভাবে একজন সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীর কাছে আপনার ব্যবসা তুলে ধরলেন কিন্তু বিনিয়োগকারী বলল, “ঠিক আছে, আমরা আপনাকে পরে জানাব।“ বা খারাপ হলে “আপনার আইডিয়া আমাদের পছন্দ হয়নি, দুঃখিত”। বিনিয়োগটা হাতছাড়া হয়ে যাওয়া অবশ্যই দুঃখজনক। এই অবস্থায় আপনি হতাশ, দুঃখী বা রাগান্বিত হওয়ার পরিবর্তে কেন প্রত্যাখ্যাত অনুভব করবেন? এর কারণ হল আপনি বিনিয়োগকারীর মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন এবং তাতে মর্মাহত হয়েছেন। প্রত্যাখ্যাত অনুভব করার ৩টি কারণ আছেঃ

যখন এটি প্রায়ই হয়। ধরুন আপনি প্রতিটি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন বার বার। আপনি জানেন আপনার আইডিয়াটি ভাল, কিন্তু অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে আপনি ধরে নিলেন যে হয়ত আপনারই কোথাও ভুল হচ্ছে।

যখন আপনি আবেগপ্রবণ থাকেন। যখন আপনি মনে-প্রাণে একটি কিছু ধারণ করেন এবং অন্যরা তা গ্রাহ্য করে না, তখন আপনি মনে কষ্ট পান।

যখন আপনি ‘রিজেক্টর’ কে সম্মান দেখান। যখন আপনি অন্য পক্ষকে সম্মান করে থাকেন এবং সে আপনাকে প্রত্যাখান করে দেয়, তখন সেটি আপনার কাছে মেনে নেওয়া কষ্টকর হয়।

২. প্রত্যাখানের তিক্ততা কমিয়ে ফেলুন
--------------------------------------------
আপনার প্রত্যাখ্যাত অনুভব করার কারণগুলো জানলেন, এবার এই কারণগুলোকে দূর করতে হবে যাতে প্রত্যাখানের তিক্ততা আপনি কমিয়ে আনতে পারেন। যদি আপনি বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মত অন্য যারা আছে তাদের দিকে তাকান এবং ধৈর্য্য ধরুন। যেমন সেলসে যারা কাজ করে তাদেরকে হয়ত একশতেরও বেশি ফোন কল করতে হয় মাত্র একটি পণ্য বিক্রি করার জন্য। যদি আপনি অন্য পক্ষের সাথে আবেগীয়ভাবে যুক্ত থাকেন, তাহলে পরিস্থিতির পরিণাম যাই হোক না কেন সেটার সাথে খুব বেশি সম্পৃক্ত হতে যাবেন না। আপনার পরিচিত কেউ আপনার আইডিয়াতে অর্থায়ন করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে কিন্তু তার সাথে সম্পর্ক ছেঁদ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, হতে পারে ভবিষ্যতে এই ব্যক্তিই ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ দেখাবে। আর অন্য মানুষটি যদি আপনার শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে থাকে তাহলে বাস্তবতার নিরিখে পরিস্থিতিকে বিবেচনা করুন। অন্যদেরকে খুব বেশি সম্মান দেওয়ার কিছু নেই কারণ তারাও আপনার মত মানুষ, কোন দেবতা নন।

৩. অমূলক প্রত্যাখানগুলো দূরে সরিয়ে রাখুন

এবার প্রাসঙ্গিক ও অমূলক আপত্তি আলাদাকরণে বাস্তব-সম্মত যুক্তি প্রয়োগের পালা। প্রাসঙ্গিক আপত্তি হল আপনি যা করতে পারেন সেটা যখন অন্যকে করতে বলেন এবং সে আপনাকে না করে দেয়। অমূলক আপত্তি হল আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোন কিছুর ফলে আপনার সাফল্য বাধাগ্রস্ত হয়েছে। যেমন আপনি একটি সভায় আপনার ক্লায়েন্টকে আমন্ত্রণ জানালেন, কিন্তু আপনি তার নামে ভুল করলেন এবং সে আপনার সভা থেকে উঠে চলে গেল, এটি প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখান। আবার আপনি একটি সেলস কল করলেন এবং অপর পক্ষ আপনার কোম্পানিকে কয়েকটি গালি দিয়ে কল কেটে দিল। আপনার সেলস প্রত্যাখ্যাত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু অপর পক্ষের দেওয়া গালি কিন্তু আপনার সাথে মোটেও সম্পর্কযুক্ত নয় এবং এটি একটি প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখান নয়। তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখানের চেয়ে অমূলক প্রত্যাখানের ঘটনা ঘটে বেশি। আর অমূলক প্রত্যাখানের ব্যাপারে আপনার করার মত তেমন কিছুই নেই, তাই ওগুলো নিয়ে চিন্তা না করাই ভাল।

৪. প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখানগুলোকে এমনভাবে ব্যবহার করুন যেন তা আপনার সাফল্য নিয়ে আসে
---------------------------------------------------
ধরুন আপনি একটি বই প্রকাশ করতে চান, কিন্তু প্রকাশকরা আপনার বইকে প্রত্যাখান করে চিঠি দিল। এভাবে জমতে জমতে অনেকগুলো চিঠি হয়ে গেল। এমতাবস্থায় আপনার মন খারাপ করা উচিত হবে না। আপনি এই প্রত্যাখানের চিঠিগুলো আপনার ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখুন এবং প্রতিদিন সকালে উঠে এক এক করে চিঠিগুলোর উপর দিয়ে পার হয়ে যান আর মনে মনে ভাবুন, যত বেশি আপনি প্রত্যাখ্যাত হবেন, অবশেষে ততটাই ভাল অফার আপনি অর্জন করতে পারবেন। এভাবে দেখতে দেখতে হয়ত একটি ভাল প্রকাশক আপনার বই প্রকাশে আগ্রহ দেখাবে এবং আপনার ক্যারিয়ারে নতুন মোড় এনে দিতে পারে। সাফল্যের কোন সহজ পথ নেই, তাই নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দেবেন যে প্রত্যাখান মানেই হল অর্থযোগ ও সম্ভাবনা।

৫. উপযুক্ত বিজনেস দক্ষতা গড়ে তুলুন
---------------------------------------
প্রত্যাখানের ধরন সম্পর্কে জানলেন, অমূলক প্রত্যাখান ফিল্টার আউট করে দিন আর প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখানগুলো নিয়ে ভাবুন যে কী করলেপরিস্থিতির উন্নতি করে আপনি সাফল্য অর্জন করতে পারেন। যদি আপনি বিনিযোগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম না হন, তাহলে একজন বিশেষজ্ঞ দ্বারা আপনার বিজনেস প্ল্যান পুনরায় পর্যালোচনা করে নিন বা আরো উন্নত বিজনেস মডেল তাতে অন্তর্ভুক্ত করুন। যদি আপনার ফোন কলগুলো একঘেঁয়ে হয়ে যায়, তাহলে আপনার কথা বলার ধরনে পরিবর্তন আনুন।

এই নিয়মগুলো মেনে চললে প্রত্যাখানের ব্যাপারে আপনি আপনার আবেগকে ভালভাবে বশে এনে মর্মাহত হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন এবং প্রাসঙ্গিক প্রত্যাখানগুলো কমিয়ে আনার ব্যাপারে সাফল্য অর্জন করবেন।

contract us
17/12/2014

contract us

05/12/2014

গুগল পেঙ্গুইন আপডেট এর পর আমার কিছু কথাঃ
==============================
গুগল পেঙ্গুইন আপডেট এর পর অনেকে স্ট্রাটেজি পরিবর্তন করবেন এটা স্বাভাবিক। যাদের পেঙ্গুইন আপডেটে সাইট ড্রপ করেছে, তারা অনেকে বলছেন যে সাইট বাদ দিয়ে নতুন করে কাজ করার জন্য। বিভিন্ন ফোরামগুলোতে এ নিয়ে বেশ তোলপাড় চলছে। কেউ বলছে বাদ দিতে আবার কেউ বলছে ৩০১ রিডাইরেক্ট করে দিতে ফ্রেশ ডোমেইনে।
আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে একটা বিষয় এই মুহূর্তে শেয়ার করার প্রয়োজন বলে মনে করছি। কারন অনেকে হইত খোজাখজি করেও সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না।
আমরা সকলেই জানি যে, গুগল পান্ডা আপডেট হয় কনটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে এবং গুগল পেঙ্গুইন আপডেট হয় লিঙ্ক বিল্ডিং এর উপর ভিত্তি করে। আমার ট্রিকসটী ২ টা ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
প্রথমে আমি একটা ব্লগ নেটওয়ার্ক তৈরি করি ২০১১ দিকে। এটা সম্পূর্ণ পার্সোনাল ব্লগ নেটওয়ার্ক । পরবর্তীতে গুগল পান্ডা আপডেটে আমার সাইট ড্রপ হয়ে যায়। আমি ব্লগ সাইট এর কাজ বাদ দিয়ে দেয়। নতুন সাইট এর কাজে হাত দিই।
আর পুরান ডোমেইনটাতে (যেটা পান্ডা আপডেটে ক্ষতি হয়ে যায় ) ওনেক কনটেন্ট ছিল বিধায়, ডোমেইন টা ডিলিট করত কষ্ট হইত। তাই ওইটা রিনিউ করি।এইদিকে নতুন ব্লগের জন্য প্রায় ১ বছর কাজ করে আমি খুব ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারলাম না।
বেশ কিছুটা হতাশা গ্রস্থ ছিলাম। এরপর ডিজিটাল পয়েন্ট ফোরামের একজনের কাছ থেকে রিকভারি সার্ভিস কিনলাম ৩০০ ডলার দিয়ে। যখন রিকভারি সার্ভিস নিয়েছিলাম সেটা ড্রপ হওয়ার ১ বছরের বেশি সময়ের পরের কথা।
রিকভারি করার পর ওই পুরাতন সাইটে কাজ শুরু করলাম। পরবর্তী ৬ মাসে আমি গুগলের টপ ৭ চলে আসি। এবং সেটা বেশ একটা হাই কপিটিশনের কি-ওয়ার্ড দ্বারা। আর সেটা ছিল অবাক করার মত একটা ব্যাপার। কাজ করার ভিতর আমার পার্সোনাল ব্লগ নেটওয়ার্কে আমি কাজ করতাম।
এখান থেকে যেটা বোঝার বিষয়ঃ যদি গুগলের যেকোন ধরনের আপডেটে আপনার সাইট ড্রপ হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভেঙ্গে না পড়ে রিকভারি করুন। আর সম্ভব হলে পার্সোনাল ব্লগ নেটওয়ার্কটা রিফ্রেশ করুন। এবং লিঙ্কবিলন্ডিং করার সময় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যেন মেনুতে বা ফুটারে লিঙ্ক দিয়ে লিঙ্ক বিল্ডিং করবেন না। সর্বদা কনটেন্ট এর ভিতর ইন্টারনাল লিঙ্ক করার চেষ্টা করুন।
এত কষ্ট করে পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। যেকোনো আপডেট সমস্যাতে পড়লে রিকভারি করে পুনরায় কাজ চেষ্টা করুন। হতাশ হওয়ার কিছুই নাই।

05/12/2014

কনটেন্ট লেখাটা যেমন প্রয়োজন বোধ করছেন তখন কনটেন্টটা প্রমোশন করাটাও আপনার একটা দায়িত্বের মধ্যে। কিন্তু তার জন্য যদি আপনাকে হেল্প করে কিছু টুলস তাহলে তো আর কথায় নাই।

দেখে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট প্রোমোশন টুলসঃ

১.কনটেন্ট গেইনঃ http://www.contentgain.com/

২. ডিসকাসঃ http://disqus.com/

৩. অনস্পটঃ http://onespot.com/

৪. গ্রাভিটঃ http://www.gravity.com/

৫. আউটব্রেইনঃ http://www.outbrain.com/

৬. ভোকাসঃ http://www.vocus.com/home2/

৭. টাবোলাঃ https://www.taboola.com/

৮. এন রিলিটঃ http://nrelate.com/

৯. কনটেন্ট বিলিভডঃ https://www.contentblvd.com/

১০. ভাইবারেন্ট মিডিয়াঃ http://www.vibrantmedia.com/

১১. ইস্যুঃ http://issuu.com/

05/12/2014

গুগল এডসেন্স পাওয়াটা সোনার হরিনের মত ব্লগারদের কাছে। এটা পাওয়াটা যেমন কষ্টের একটা ব্যাপার ঠিক তেমনি ধরে রাখা আরও কঠিন একটা ব্যাপার।

কিন্তু তার মানে ব্লগারদের কি আয় বন্ধ থাকবে ? না, আপনি চাইলেও আরও অনেক অ্যাড নেট-ওয়ার্ক থেকে আয় করতে পারবেন। নিচে ২৫ টি লিস্ট থেকে আপনি পছন্দ মত অ্যাড নেট-ওয়ার্ক বেছে নিন আপনার সাইট এর জন্য ।

ডিসপ্লে অ্যাড ফর স্মল পাবলিশার

১. অ্যাডভার্টাইজিং - https://www.advertising.com/

২. বাইসেল অ্যাডস - https://buysellads.com/

৩. ছিটিকা - http://www.chitika.com/

৪. ইন্ডাস্ট্রি ব্রেইন্স - http://www.industrybrains.com/doc/publisher-solutions

৫. নটেরা- http://kontera.com/

৬. মিডিয়া - http://www.media.net/

৭. প্লাস পয়েন্ট - https://www.pulsepoint.com/our-solutions/adexchange/

৮. কনভারসেন্ট - http://www.conversantmedia.com/

ডিসপ্লে অ্যাড নেট-ওয়ার্ক ফর লার্জ পাবলিশার

৯. অ্যাডব্লেড - http://www.adblade.com/

১০. ট্রিবিউল ফিউশান - http://www.tribalfusion.com/publishers

১১. ভাইব্রান্ট - http://www.vibrantmedia.com/publishers/index.asp

কনটেন্ট মনিটাইজেশন নেট-ওয়ার্ক

১২. ডিসকাস - http://help.disqus.com/customer/portal/articles/666278

১৩. আউটব্রেইন - http://www.outbrain.com/

১৪. ট্যাবোলা - http://taboola.com/monetize-content

১৫. ভিজলিঙ্ক - http://www.viglink.com/publishers/blogs

ই-মেইল মোনিটাইজেশন নেট-ওয়ার্ক

১৬. লাইভ ইন্টেন্ট - http://www.liveintent.com/

১৭. নিউজলেটার ডিরেক্টরি - http://www.newsletterdirectory.co/

ভিডিও মোনিটাইজেশন নেট-ওয়ার্ক

১৮. অ্যাডাপ - http://adap.tv/solutions/publishers

১৯. ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম - http://www.youtube.com/yt/creators/creator-benefits.html

২০. ভিডিওলোজি- http://videologygroup.com/index.php/en/

অ্যাফিলিয়েট নেট-ওয়ার্ক

২১. অ্যামাজন এসোসিয়েটস - https://affiliate-program.amazon.com/

২২. ক্লিকব্যাঙ্ক - http://www.clickbank.com/become-an-affiliate/

২৩. সিজে অ্যাফিলিয়েট - https://www.cj.com/psa-us

২৪. লিঙ্ক শেয়ার - http://www.linkshare.com/

২৫. শেয়ার এ সেল - https://www.shareasale.com/out-programs.cfm

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন। সংগ্রহে রাখুন। অন্যকে জানান। এবং আমাদের সাথেই থাকুন।

05/12/2014

এসইও নিয়ে অনেকে ফ্রীল্যান্সিং করে থাকেন। তবে ফ্রীল্যান্সিং করার জন্য শুধুমাত্র হাতেগোনা কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের উপর নির্ভর করে থাকেন। যেমনঃ অডেস্ক, ফ্রীল্যান্সার, ইল্যান্স অথবা পিপলপার আওয়ার।

কিন্তু এসইও অপটিমাইজারদের জন্য যে স্পেশালি কত ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে আর সেখান থেকে কি পরিমান ইনকাম করছে সেটা হয়ত অনেকে ভাবতেও পারবেন না।

আজকে সেসব মার্কেটপ্লেসগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবেন Web Development & software society সিনিয়র ইন্টারনেট মার্কেটার

এসইও এর উপর ফ্রীল্যান্সিং করার জন্য নিচে যে মার্কেটপ্লেসগুলোর লিস্ট পাবেন সেগুলোতে সাধারনত আপনি সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারবেন। এইসব যায়গা আপনি খুব কম ডলারে সুন্দর একটা সার্ভিস দিবেন। যদি ক্লায়েন্ট সেটিসফাই হয় আপনার সার্ভিসে তাহলে দেখবেন ১০০ ভাগ ক্লায়েন্ট এর মধ্যে থেকে ৬০ ভাগ ক্লায়েন্ট আপনার সাথে বড় প্রোজেক্ট করার জন্য কন্টাক্ট করবে।

সুতরাং সার্ভিস ভালো দিতে পারলে আপনার পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। ক্লায়েন্টরা এসে আপনাকে হায়ার করবে।

এসইও মার্কেটপ্লেস সাইট লিস্ট

১. এসইও ক্লার্ক - https://www.seoclerk/[.]com

২. এসইও মার্টস - www.seomarts.com

৩. বাইসেল এসইও - www.buysellseo.com/

৪. দি এসইও মার্কেটপ্লেস - http://www.theseomarketplace.com/

৫. ফিভার এসইও - http://www.fiverseo.com/

৬. এসইও চেকআউট - http://seocheckout.com/

৭. ডিজিটাল পয়েন্ট -https://forums.digitalpoint.com/forums/services.60/

৮. গিগ ক্লার্ক - http://gigclerk.com/

৯. মন্সটার ব্যাকলিঙ্ক - www.monsterbacklinks.com/

১০. এইচপি ব্যাকলিঙ্ক - www.hpbacklinks.com/

১১. ওরিওর ফোরাম - http://www.warriorforum.com/warrior-special-offers/

১২. এসইও জার - www.seozaar.com/browse/

১৩. থিফটি এসইও - thriftyseo.net/

১৪. বান্ডেল এসইও - bundleseo.com/marketplace/

১৫. ফিভার - https://www.fiverr.com/

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন। সংগ্রহে রাখুন। অন্যকে জানান। এবং আমাদেরসাথেই থাকুন।

03/12/2014

কিভাবে oDesk এ তারাতারি কাজ পাওয়া যায়ঃ

১. প্রোফাইল ১০০% তৈরি করুন এবং প্রোফাইল সুন্দর ভাবে সঠিক তথ্য দিয়ে সাজান।

২. বেশি বেশি স্কিল টেস্ট দিন।

৩. নির্ভুল ভাবে কভার লেটার লিখুন।

৪. নিজে একটি ব্লগ Account খুলুন এবং আপনার কিছু কাজের নমুনা সেখানে রাখুন। জব বিড করার সময় কভার লেটারে সেই লিঙ্ক দিয়ে দিন ।

৫. ভালভাবে ইন্টার্ভিউ দিন।

৬. Client এর সাথে ভাল আচরণ করুন এবং

৭. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করে দিন।

কিছু নিয়ম মেনে চলুনঃ

আমাদের অনেকেরই Account সাসপেন্ড হয়।কেন হয় তা আমারা জানিনা।তাই নিচের শর্তাবলী মেনে চলুন।

১. একই কভার লেটার সব Client দের দিবেন না ।জবটি ভাল ভাবে পড়ুন এবং সে অনুসারে কভার লেটার লিখুন।

২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করুন।

৩. কোন Client আপনার বিরুদ্ধে কমপ্লিন করলে oDesk যা বলে তাই করুন।নিজে মাতাব্বর হবেন না।

৪. Hourly জব এর ক্ষেত্রে কাজ ও সময়ের মিল রাখুন।Client যাতে বুঝতে না পারে যে আপনি বেশি সময় নিচ্ছেন।

৫. নিজের নাম ও ছবি পালটাবেন না।এতে oDesk আপনাকে সন্দেহ করতে পারে।

৬. একই কম্পিউটার থেকে একাধিক Account চালাবেন না, এমনকি খুলবেনও না।

৭. তারপরও যদি আপনার Account সাসপেন্ড হয় তবে হেল্প এ গিয়ে oDesk এর সাথে যোগাযোগ করুন।

আশাকরি এর পর থেকে আপনাদের কোন প্রকার সমস্যা হবে না।আর সমস্যা হলে চিন্তা কি বাংলাদেশের oDesk Facebook Help পেজ এ গিয়ে আপনার সমস্যার কথা তুলে ধরুন আশা করি সমাধান খুব তারাতারি পেয়ে যাবেন। সবাই ভাল থাকবেন এবং মন দিয়ে oDesk এ কাজ করবেন।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Web Development & software society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Web Development & software society:

Share