28/05/2019
জনাব,
সমসাময়িক লক্ষ্য করা যাচ্ছে স্থানীয় বাড়িওয়ালা না জেনে বা ভুল বুঝে অথবা অন্যের প্ররোচনায় ইন্টারনেট সংযোগ এর ক্ষেত্রে কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠানের বিল্ডিং দখল বা এলাকা দখলে সহায়তা করছে ।
বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে আইনের লঙ্ঘন। জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ২০০৯ ইং এর ৫.২.১ অনুচ্ছেদ মতে “প্রতিযোগিতামূলক ন্যায্য বাজার মূল্য" তৈরির লক্ষে একই এলাকাতে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স প্রদান করে "বাংলাদেশ তার ও টেলিযোগাযোগ কমিশন ” । গ্রাহককে নিজ পছন্দের প্রতিষ্ঠান থেকে সংযোগ নিতে বাধা প্রদান করে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সংযোগ নিতে বাধ্য করলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের একক ব্যবসার সুযোগ তৈরি হয়, ফলে ইন্টারনেট এর উচ্চমূল্য এবং নিম্নমানের সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মূল হাতিয়ার ইন্টারনেট এর সহজলভ্যতা তৈরির পথে অন্তরায়।
উলেখ্য ডিশ সংযোগ এবং ইন্টারনেট একই মন্ত্রনালয় থেকে নিয়ন্ত্রন হয় না। এই দুটোকে একই রকম মনে করলে আমরা সুমূহ বিপদের সম্মুখীন হব। ইন্টারনেট ব্যাবহার জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত। সামরিক-বেসমরিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র সংক্রান্ত তথ্য সহ নানা স্পর্শকাতর বিষয় অবৈধ ইন্টারনেট ব্যাবহার করে চুরি ও পাচার করা সম্ভব বিধায় ইন্টারনেট এর ব্যাবহার মনিটরিং এ পুলিশ থেকে ডি, জি, এফ, আই পর্যন্ত আলাদা সেল রয়েছে।
আপনার পদমর্যাদার উপযুক্ত সম্মান রেখে এ বিষয়টি সম্পর্কে নিজে সচেতন হওয়া এবং দায়িত্বশীল অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত করার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।
না জেনে, ভুল বুঝে বা অন্যের প্ররোচনায় এলাকা বা বিল্ডিং দখলে সহায়তা করা থেকে বিরত থাকুন এবং অন্যদের নিরুৎসাহিত করুন । বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসা বা সামান্য মুনাফা এর সাথে সম্পর্কিত নয়, রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ এবং নিরাপত্তা জড়িত, অনিয়মে জেল জরিমানা এর বিধান রয়েছে।
আরও বিস্তারিত http://www.btrc.gov.bd/ তে পাওয়া যাবে।
“নিরাপদ ইন্টারনেট সকলের জন্য” আসুন এই স্লোগানটি বাস্তাবায়ন করি ।
ধন্যবাদ।
copy paste