Computer Kingdom

Computer Kingdom If any kind of problem arises regarding your computer or operating system,please contact.

First Mouse in the World!
14/11/2022

First Mouse in the World!

পেনড্রাইভ ফরম্যাট না হলে যা করবেন।পেনড্রাইভ ফরম্যাট না হলে যা করবেনডেটা বহনের সবচেয়ে পরিচিতি, কার্যকর এবং জনপ্রিয় ডিভাইস...
02/06/2019

পেনড্রাইভ ফরম্যাট না হলে যা করবেন।

পেনড্রাইভ ফরম্যাট না হলে যা করবেন
ডেটা বহনের সবচেয়ে পরিচিতি, কার্যকর এবং জনপ্রিয় ডিভাইস ইউএসবি ড্রাইভ যা পেনড্রাইভ নামে সর্বাধিক পরিচিত। ছোট কিংবা বড়, যেকোন আকারের যেকোন ফরম্যাটের ডকুমেন্ট, ফাইল, ছবি, অডিও-ভিডিও ক্লিপস, একসঙ্গে সংরক্ষণ, বহন কিংবা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে জুড়ি নেই পেনড্রাইভের। আকার ও ডিজাইনের ভিন্নতার পাশাপাশি সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে স্টোরেজের পরিমাণও। বাজারে মোটামুটি ১৬ গিগাবাইট থেকে ১ টেরাবাইট পর্যন্ত ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ সুলভে পাওয়া যায়।

জনপ্রিয় এই ডিভাইসের সমস্ত সুবিধার মাঝে একটি সমস্যার অভিজ্ঞতা কমবেশি সব গ্রাহকের রয়েছে, আর সেটি হল ফরম্যাট না হওয়া। উইন্ডোজ কম্পিউটারে বিশেষ ক্ষেত্রে ইউএসবি ড্রাইভের ফরম্যাট না নেয়াটা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। ইলেক্টনিক্স ডিভাইস হিসেবে বেশ কিছু ত্রুটির কারণে এমনটি হতে পারে। তবে অনেকেই মনে করে, ড্রাইভটি নষ্ট হয়ে যাবার কারণে এমন হচ্ছে এবং সেটি ভেবে ডিভাইসটি ফেলেও দেন অনেকে। তবে এরকম ক্ষেত্রে কিছু কৌশলে সমস্যাটির সমাধান করা যায়। এরকম কিছু বিষয় নিয়েই এই টিপস।

যা যা লাগবে:
উইন্ডোজ চালিত কম্পিউটার যার ইউএসবি পোর্ট বা ডোঙ্গল সচল রয়েছে।
ইন্টারনেট সংযোগ (যদি থাকে)


পদ্ধতি-১: ড্রাইভের এরর স্ক্যান
উইন্ডোজ অপারেটিং সফটওয়্যারে ড্রাইভের এরর চেক করার জন্য বিল্ট-ইন ফিচার রয়েছে। ইউটিলিটি স্ক্যান ডিস্কের ব্যাড সেক্টরসহ বেশ কিছু সম্ভাব্য সমস্যা খুঁজে বের করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোর সমাধান করে থাকে। যেভাবে এটি করতে হবে-

১. কম্পিউটার ডেস্কটপ থেকে My Computer/Computer/This Computer খুলে নিন

২. এবার ইউএসবি ড্রাইভটি কম্পিউটারের সাথে লাগিয়ে, ড্রাইভ আইকনে ডান ক্লিক করে Properties অপশনে যান।

৩. Properties পেইজের উপরের দিকে থাকা Tools ট্যাবে ক্লিক করুন

৪. এখন Check Now অপশনটি খুঁজে বের করে ক্লিক করুন

৫. Automatically fix file system errors এবং ‘Scan for an attempt recovery for bad sectors অপশন দুটো সিলেক্ট করুন

৬. এবার Start বাটনে ক্লিক করে প্রক্রিয়াটি চালু করুন

৭. প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

৮. প্রক্রিয়াটি শেষ হয়ে গেলে আপনার ইউএসবি ড্রাইভটি ফরম্যাট করুন।



পদ্ধতি-২: কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে
প্রথম পদ্ধতিটি কাজ না করলে কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করেও ইউএসবি ড্রাইভ ফরম্যাট করা যায়। সেক্ষেত্রে-

১. কম্পিউটারে যদি কোন ইউএসবি ড্রাইভ থাকে, তবে সেগুলো খুলে ফেলুন। এরপর যে ইউএসবি ড্রাইভে ফরম্যাট নিতে সমস্যা, সেটি সংযোগ করুন।

২. এবার Start মেন্যুতে গিয়ে CMD টাইপ করুন

৩. এরপর ডান ক্লিক করে অ্যাডমিনের নিয়মানুযায়ী পরিচালনা করুন

৪. তারপর diskpart টাইপ করে Enter চাপুন

এবার select disk disk_(number) টাইপ করে Enter চাপুন
Clean টাইপ করে Enter চেপে ড্রাইভ ফরম্যাট করুন।


দ্রষ্টব্য: যদি উভয় পদ্ধতিই কাজ না করে, তবে থার্ড-পার্টি কোন অ্যাপ দিয়ে চেষ্টা করুন। আর যদি কোন কিছুতেই কিছু না হয়, সেক্ষেত্রে ডিভাইসটি বাতিল বলে গণ্য হবে। নতুন পেনড্রাইভ ব্যবহার করুন।

গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবে।গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবেস্মার্টফোন স্টোরেজ বর...
08/05/2019

গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবে।

গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন স্টোরেজ বর্তমানে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয়। বিশেষত সেসব স্মার্টফোনের রয়েছে বর্তমান সময়ের আধুনিক ও হাই রেজুলেশন ক্যামেরা। সময় ও যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে উন্নয়ন ঘটছে ফোন ক্যামেরার এবং একই সাথে বাড়ছে স্টোরেজ চাহিদার। ছবির পাশাপাশি ফোন স্টোরেজে যুক্ত হচ্ছে হাই ডিফিনিশন ভিডিও ক্লিপস। ফুল এইচ-ডি কিংবা ফোর-কে মানের ভিডিও ধারণ করা সম্ভব বর্তমান সময়ের স্মার্টফোন ক্যামেরায়। ফলে স্মার্টফোনও যে ক্রমাগত একটি চলন্ত আর্কাইভ হয়ে উঠছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

উপরন্তু বিষয়টি নতুন করে ভাবাচ্ছে ছবি পাগল মানুষদের। কারণ গুগল ড্রাইভের দেয়া বিনামূল্যের সীমিত স্টোরেজেও সংকুলান হচ্ছে না এত এত সব ইমেজ ও ক্লিপসের। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে ক্লাউড স্টোরেজের বাড়তি স্পেস নিতে সাবস্ক্রাইব করছে। কিন্তু যাদের সেই সামর্থ্য বা ইচ্ছে নেই, তাদের ক্ষেত্রে সমাধান কি?

গুগল ফটোজে এই সমস্যার কার্যকর একটি সমাধান রয়েছে। কেবল তাই-ই নয়, ছবি প্রতি ১৬ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত আনলিমিটেড হাই-রেজুলেশন ইমেজ ও যেকোন হাই-ডেফিনিশন ক্লিপস গুগল ফটোজের ক্লাউড স্টোরেজে রাখতে পারবেন বিনা খরচে। এমনকি বর্তমান সময়ের ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর তোলা ফুল-এইচডি ভিডিও এবং ছবিও থাকবে সম্পূর্ণ অক্ষত। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে অফুরন্ত এই স্টোরেজ সুবিধা কীভাবে সম্ভব? সেই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দিতেই এই টিপস।

প্রথমে যা করণীয়
ফটোজের ‘আনলিমিটেড’ এই সুবিধা পেতে কোন ছবি বা ভিডিও কনভার্ট করে এর রেজুলেশন কমানোর প্রয়োজন নেই। ফটোজ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপলোডকৃত হাই-রেজুলেশনে ছবি ও ভিডিও কনভার্ট করে নেবে। এমনকি ছবি ও ভিডিওর রেজুলেশন বিন্দুমাত্র ক্ষয়-বৃদ্ধি না করে পরে ফিরে পাওয়া কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভব।

যা যা প্রয়োজন:
গুগল ফটোজের সর্বশেষ ভার্সন (4.15 কিংবা আরও পরের)
পর্যাপ্ত ডেটাসহ সচল ইন্টারনেট সংযোগ।
এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-
১. গুগল ফটোজ অ্যাপটি চালু করুন।

২. এবার উপরের দিকে ডান পাশে থাকা তিনটি আড়াআড়ি রেখাঙ্কিত বাটনে ট্যাপ করুন।

৩. Settings অপশনে যান।

৪. সামনে থাকা Back & sync অপশনটি টোগল করে চালু করে নিন।

৫. এবার Backup mode ট্যাপ করে সেখানে থাকা High quality অপশনটি বাছাই করুন।

৬. সবশেষে Back up device folders এ গিয়ে যেসব ফোল্ডার ফটোজে আপলোড করতে চান, সেগুলো বাছাই করে উপভোগ করুন গুগল ফটোজের আনলিমিটেড স্টোরেজ।

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ আপডেট বন্ধ করবেন: জেনে নিন সকল পদ্ধতিঅনেকের মতে উইন্ডোজ ১০ এর সবচেয়ে অপ্রিয় দিক হচ্ছে এর স্বয়ংক্রিয়ভাব...
30/09/2018

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ আপডেট বন্ধ করবেন: জেনে নিন সকল পদ্ধতি

অনেকের মতে উইন্ডোজ ১০ এর সবচেয়ে অপ্রিয় দিক হচ্ছে এর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট ইন্সটল করার প্রবণতা ও আপনাকে দিয়ে কাজটা করানোর জন্য বারবার নোটিফিকেশন দেয়া। ল্যাপটপ বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন- সাথে সাথে আপডেট ইন্সটল শুরু হবে, যতক্ষন না আপডেট শেষ হচ্ছে পিসি বন্ধ করা ঠিক হবে না। কোন বিশেষ কাজ করছেন মনোযোগ দিয়ে, নোটিফিকেশন আসবে আপনার চোখের সামনে, বারবার।

“আমি কিভাবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাব? কিভাবে উইন্ডোজ ১০ আপডেট বন্ধ করব! কিভাবে? কিভাবে? কিভাবে?” যদি এসব ভেবে থাকেন- তো আর দুঃশ্চিন্তা করবেন না। আপনি ঠিক জায়গায় এসেছেন। দেখে নিন যতভাবে উইন্ডোজ ১০ আপডেট বন্ধ করা যায়:

সমাধান: ১ ডিজএবল করুন উইন্ডোজ আপডেট সার্ভিস

ধাপ: ১ কী-বোর্ড হতে Windows logo key + R একই সাথে চাপুন যেন Run বক্স আসে।

ধাপ: ২ টাইপ করুন services.msc এবং Enter বাটন চাপুন।

ধাপ: ৩ নিচে স্ক্রোল করে Windows Update খুঁজে নিন, ডাবল ক্লিক করুন।



ধাপ: ৪ Startup type থেকে Disabled বাছাই করুন। তারপর সেটিং সেভ করতে Apply এবং OK ক্লিক করুন।

সংযুক্তি: উইন্ডোজ আপডেট সার্ভিস সেটিং কিছুদিন পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগের অবস্থায় চলে যাবে। তাই আপনাকে এই কাজটি প্রায়ই করা লাগবে।

সমাধান: ২ Group Policy Editor এর সেটিং পরিবর্তন করুন

ধাপ: ১ Windows logo key + R একসাথে চাপুন ও Run box এলে gpedit.msc লিখে OK করুন

ধাপ: ২ এই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করুন Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components > Windows Update.

ধাপ: ৩ Configure Automatic Updates এ ডাবল ক্লিক করুন।

ধাপ: ৪ Configured Automatic Updates এর বাম দিক থেকে Disabled সিলেক্ট করুন, ক্লিক করুন Apply তারপর OK করুন ।

সংযুক্তি: The Group Policy ফিচার উইন্ডোজ এর Home edition এ নেই। আপনি যদি Windows 10 Professional, Enterprise, অথবা Education এডিশন ব্যবহার করে থাকেন তবে এই প্রক্রিয়ায় অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করতে পারবেন। এরপর থেকে গ্রুপ পলিসি এডিটর নতুন আপডেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্সটল না করে আপনাকে আগে নোটিফাই করে নেবে। আরও মনে রাখুন, আপনি যদি আপনার উইন্ডোজের ভার্সন পরবর্তিতে আপডেট করতে চান তবে উপরোক্ত পদ্ধতির অনুসরণ করে Enabled সিলেক্ট করুন।

সমাধান ৩: আপনার Network Connection মিটার করুন

ধাপ: ১ আপনার ডেস্কটপ এর সর্ব বামের নিচে অবস্থিত Start button এ ক্লিক করুন এবং তারপর Settings অ্যাপ ক্লিক করুন

ধাপ: ২ Network & Internet ক্লিক করুন।



ধাপ: ৩ বামের থেকে WiFi ক্লিক করুন, তারপর আপনার Wi-Fi কানেকশন এর নামে ক্লিক করুন

ধাপ: ৪ আপনার কানেকশনের নিচে থাকা Manage known network এ ক্লিক করুন



ধাপ: ৫ লিস্ট থেকে আপনার নেটওয়ার্কটি ক্লিক করুন

ধাপ: ৬ Properties এ ক্লিক করুন।

ধাপ: ৭ Set as metered connection খুঁজে সুইচ On করুন।

সংযুক্তি: মনে রাখবেন আপনার কম্পিউটার ইথারনেট কানেকশন এর হলে এই পদ্ধতি কাজ করবে না। এই পদ্ধতি শুধুমাত্র Wi-Fi connection এর জন্য।

সমাধান: ৪ পরিবর্তন করুন Registry ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ আপডেট হবার প্রক্রিয়া

সতর্কতা: Registry এডিট করা কিছুটা বিপজ্জনক। কোনো ভুল করলে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি হতে পারে, তাই যদি আপনি কনফিডেন্ট না হন তাহলে আগে আপনার কম্পিউটার এর ফুল ব্যাকআপ করে নিন। সেটা করার জন্য আপনি EaseUS এর মত ফ্রী ব্যাকআপ সফটওয়্যার এর সাহায্য নিতে পারেন। এখান (https://www.easeus.com/backup-software/tb-free.html ) থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন, এরপর নিচের প্রক্রিয়ায় আপনার কম্পিউটার এর যাবতীয় তথ্য ব্যাকআপ করুন।

প্রথমে, EaseUS Todo Backup ওপেন করুন এবং আপনার পছন্দসই ব্যাকআপ অপশন বাছাই করুন।

তারপর, আপনি system, hard drive, files অথবা apps যা যা ব্যাপআপ করা প্রয়োজনীয় বোধ করবেন বাছাই করুন এবং কোথায় ব্যাকআপ ফাইল স্টোর করবেন সেই Destination (গন্তব্য) সিলেক্ট করুন।

সর্বশেষ, Proceed ক্লিক করে হার্ড ড্রাইভ থেকে তথ্যাদি ব্যাকআপ করুন।

এখন, যেহেতু আপনার হাতে ব্যাকআপ আছে, তাই উইন্ডোজ ১০ আপডেট কাস্টমাইজ করা আপনার জন্য নিরাপদ। নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে Registry পরিবর্তন করুন।

ধাপ: ১ Windows logo key + R একসাথে চেপে Run কমান্ড বাক্স আনুন।

ধাপ: ২ regedit টাইপ করুন, এরপর OK করে Registry আনুন এবং নীচের পথ ফলো করুন।

HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows

ধাপ: ৩ Windows (folder) key এর ওপরে রাইট-ক্লিক করুন, New সিলেক্ট করুন, তারপর Key তে ক্লিক করুন।

ধাপ: ৪ নতুন key দিন WindowsUpdate এবং প্রেস করুন Enter

ধাপ: ৫ নতুন তৈরি করা key এর ওপরে রাইট-ক্লিক করুন, এরপর সিলেক্ট করুন new এবং ক্লিক করুন Key

ধাপ: ৬ নতুন Key এর নাম লিখুন AU এবং প্রেস করুন Enter

নতুন তৈরি করা key এর ভেতরে ডান পাশে রাইট-ক্লিক করুন, সিলেক্ট করুন New, এবং ক্লিক করুন DWORD (32-bit) Value

ধাপ: ৭ নতুন key এর নাম রাখুন AUOptions এবং প্রেস করুন Enter

নতুন তৈরিকৃত key এর ওপরে ডাবল-ক্লিক করুন, এর value পরিবর্তন করে 2 করুন। এটা হচ্ছে “Notify for download and notify for install” নোটিফিকেশন এর জন্য। OK ক্লিক করুন।

ধাপ: ৮ Registry ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।

এভাবেই আপনি আপনার উইন্ডোজ ১০ আপডেট এর স্বয়ংক্রিয় প্রচেষ্টা বন্ধ করতে পারবেন- সব ভাবে।

যেভাবে আপনার ল্যাপটপ ব্যাটারির যত্ন নিবেন: বিস্তারিত পরামর্শকম্পিউটারের বিভিন্ন পার্টসের বৈপ্লবিক নানান পরিবর্তন হলেও সব...
29/09/2018

যেভাবে আপনার ল্যাপটপ ব্যাটারির যত্ন নিবেন: বিস্তারিত পরামর্শ

কম্পিউটারের বিভিন্ন পার্টসের বৈপ্লবিক নানান পরিবর্তন হলেও সবই এখনও ব্যাটারি নির্ভর, তবুও এই ব্যাটারিই যেন সবচেয়ে বেশি অবহেলারও শিকার।

আসুন জেনে নিই ব্যাটারি চার্জ দিয়ে কিভাবে অনেকক্ষন ব্যবহার করা যায় এবং কিভাবে একে দীর্ঘদিন ভাল রাখা যায়:

ল্যাপটপ ব্যাটারির সাধারণ যত্ন

ব্যাটারি চার্জ দেয়ার জন্য আসল চার্জার ব্যবহার করা উচিত।

তাপ ধরে রাখে এমন সারফেস বা জায়গার ওপর ল্যাপটপ না রাখা ভাল, এতে ল্যাপটপ এর পাশাপাশি ব্যাটারিও গরম হয়।

ল্যাপটপের বাতাস বের করার জন্য থাকা ভেন্টিলেশন এর মুখগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা উচিত।

সহজসাধ্য হলে ব্যাটারিটি খুলেও পরিষ্কার করে নিতে পারেন।

পারিপার্শ্বিক বাহ্যিক তাপ বেড়ে গেলে ব্যাটারি আরও বেশি গরম হয়, যা তার জন্য ক্ষতিকর। তাই নরমাল বা শীতল পরিবেশে ল্যাপটপ ব্যবহারের চেষ্টা করা উচিত।

ব্যাটারির যত্ন নিতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য পারদর্শি ‘ব্যাটারি মনিটোরিং’ অ্যাপ বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। এসব সফটওয়্যার এর ডায়াগনোসিস এর ওপর ভিত্তি করে আপনি বিভিন্ন ব্যাটারি সেটিং বাছাই করতে পারবেন প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুসরণ করে।

ব্যবহার করুন কুলিং ফ্যান। তবে কুলিং ফ্যান এর বিদ্যুৎ উৎস যেন ল্যাপটপ না হয় সেটা খেয়াল রাখুন। কুলিং ফ্যানের পাওয়ার ইউএসবি পোর্ট মোবাইল এর এডাপ্টারে লাগিয়েও কুলিং ফ্যান চালু রাখা যেতে পারে।

প্রয়োজনের অতিরীক্ত ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। বিনা কারণে চার্জে লাগিয়ে দিনের পর দিন রেখে দিবেন না।

কিনে রাখতে পারেন বাড়তি একটি বহনযোগ্য ল্যাপটপ ব্যাটারি চার্জার।

ল্যাপটপ চলাকালীন সময়ে ব্যাটারির যত্ন

ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যবহার করুন। ল্যাপটপে সাধারনত ব্রাইটনেস কমানো বা বাড়ানোর ‘কি’ বা বাটন থাকে। মনিটর ব্যবহার না করলে বন্ধ রাখা উচিত।

ইন্টারনেট ব্যবহার না করার সময়ে ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখুন। ওয়াই-ফাই প্রতি মুহুর্তে চার্জ খরচ করতে থাকে, যখন এটি ডিসকানেক্টেড থাকে তখনও সে নেটওয়ার্ক খুঁজতে থাকে। এটি বন্ধ রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপ কম পরে।

বর্তমানের অধিকাংশ ল্যাপটপে দারুন সাহায্যকারী পাওয়ার সেটিং রয়েছে। উন্ডোজ ১০ এ পাওয়ার অপশন এ গিয়ে পাওয়ার সেভার বাছাই করলে ল্যাপটপের চার্জ কম খরচ হয়।

ল্যাপটপের চার্জ বাঁচানোর জন্য ‘স্ট্যান্ডবাই মোড’ এরচেয়ে ভাল মোড হচ্ছে ‘হাইবারনেশন মোড’। আপনি এই দুই মোড এ যাবার আগে কাজ যে পর্যন্ত করে রেখেছিলেন, সাধারন মোডে ফিরে আসার পর আবার সেখান থেকেই কাজ শুরু করতে পারবেন।

ব্যবহৃত অবস্থায় না থাকলে ইউএসবি পোর্টের সকল ইউএসবি ডিভাইস খুলে রাখা উচিত।

অব্যবহৃত অ্যাপস বা সফটওয়্যার ডিজএবেল বা আনইন্সটল করে রাখুন।

ল্যাপটপ চলাকালীন সময়ে ব্যাটারি শতভাগ চার্জ হয়ে যাবার পর (ব্যাটারি কখনই ওভারচার্জ হয় না) যদি ব্যাটারির তাপমাত্রা বেড়ে ৬০­ ডিগ্রি সেলসিয়াস (60ºC) হয়ে ওঠে তাহলে সকেট থেকে ব্যাটারি সংযোগ খুলে নিতে হবে। তবে ৪০-৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ব্যাটারি সংযুক্ত রাখতে পারেন।

ব্যাটারি চার্জ না দেয়া অবস্থায় থাকলে ৮০/২০ পদ্ধতি ব্যবহার করুন, ৮০% চার্জ হবার সাথে সাথেই সংযোগ খুলে ব্যবহার করতে পারবেন, তেমনি ২০% এর নীচে কখনই যাবেন না। আর হ্যা ১০০% চার্জ দিয়ে সাথে সাথেই ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না।

ল্যাপটপ অব্যবহৃত অবস্থায় থাকার সময়ে ব্যাটারির যত্ন

ল্যাপটপ বন্ধ করার পর সাথে সাথেই ব্যাগে না ঢুকিয়ে ১০-১৫ মিনিট বাইরেই রাখুন। এতে ব্যাটারি ও ল্যাপটপ দ্রুত ঠাণ্ডা হতে পারে।

ব্যাটারি অনেকদিন ব্যবহার করার দরকার না পরলে ৪০% চার্জ দিয়ে শীতল জায়গায় সংরক্ষন করতে পারেন। ভুলেও ১০০% চার্জ দিয়ে রাখবেন না।

ব্যাটারি ফ্রিজে রাখতে চাইলে একটা এয়ার-টাইট জিপব্যাগে রাখতে হবে। আর ব্যবহারের আগে অবশ্যই শুষ্কতা নিশ্চিত করে ব্যাটারিকে রুমের তাপমাত্রার সাথে মিলিয়ে নিতে হবে।

যা যা করা যাবে না

আপনার ল্যাপটপ ব্যাটারি লিথিয়ান-আয়ন ব্যাটারি হলে কখনই পুরোপুরি চার্জ শূন্য করবেন না (চার্জশূন্য করা একটা জনপ্রিয় ভুল ধারণা)।

ডিস্ক ড্রাইভে বিনা কারণে সিডি ডিভিডি রাখা যাবে না।

সেলফোন চার্জ দিতে ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না।

স্ক্রিন সেভার ব্যবহার বন্ধ করুন। এতে ল্যাপটপের ওপরে বাড়তি প্রেশার পরে, চার্জ বেশি খরচ হয়।

এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভের বা রিমুভেবল ডিস্কের ফাইল সরাসরি খোলা যাবে না, আগে মূল ড্রাইভে কপি করে নিতে হবে।

ব্যাটারি সেভিং মুডে ল্যাপটপ চালালে কোনো অতিরীক্ত পাওয়ার-কনজিউমিং মাল্টিটাস্ক করবেন না।

আপনার একটু সচেতনতা আর নিয়মিত যত্নই পারে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারির দারুন পারফরমেন্স আর দীর্ঘ জীবনকাল নিশ্চিত করতে।

TP-Link রাউটার এর হ্যাং করা থেকে বিরত রাখতে আপনার রাউটারের Firmware আপডেট করে নিন! 😊https://www.facebook.com/ExcelTechno...
29/05/2018

TP-Link রাউটার এর হ্যাং করা থেকে বিরত রাখতে আপনার রাউটারের Firmware আপডেট করে নিন! 😊

https://www.facebook.com/ExcelTechnologiesLtd/posts/1784460541577060

The firmware update of TP-Link routers doesn’t happen automatically and for a good reason that the users already have a stable version installed in their router. But recently few TP-Link routers are giving troubled performance like hang issues, Wi-Fi not responsive and a few minor issues. Well, go...

**IDM আজীবন চালান একদম ফ্রি**আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা অবশ্যই জানি যে কোন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার জন...
04/03/2018

**IDM আজীবন চালান একদম ফ্রি**

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা অবশ্যই জানি যে কোন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার জন্য সবচেয়ে সহজ মাধ্যম IDM (Internet Download Manager)। আর এই নামটি ইন্টারনেট জগতে শুনেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনি অনেক দ্রুত গতিতে ডাউনলোড করতে পারবেন। সে আপনি কোন গান বলুন আর মুভি বলুন, ইউটিউব বলুন আর যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এতো কাজের সফটওয়্যার নিশ্চই আপনাকে কেউ ফ্রি দিবে নাহ। হ্যা, এটি একটি পেইড সফটওয়্যার, তবে আপনাকে ৩০ দিনের ট্রায়াল দেয়। আর এটির কিছু সমস্যা হল যে, যদি কোন ভুল কি দিয়ে আক্টিভেট করেন তবে আপনার ট্রায়াল মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং আপনাকে তখন কিনতে হবে। আমরা বাঙ্গালি কিনে খুব কম ব্যবহার করি তাই আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ছোট্ট একটা সফটওয়্যার যার নাম IDM Trail Restore যে নাম সে কাজ, হুম এর কাজই হচ্ছে আপনার IDM (Internet Download Manager) এর ট্রায়াল সময় রিসেট করে দেয়া যার মানে আপনি আজিবন ফ্রি চালাতে পারবেন।

আপনি যদি মনে করেন ৩০ দিন পর পর রিসেট করা ঝামেলার কাজ তবে এটি তার উপরই ছেড়ে দিন কারণ এটি ৩০ দিন পর পর স্বয়ংক্রিয় ভাবে রিসেট করে নিবে (যদি আপনি চান) তাছাড়া এটির মাধ্যমে আপনি অফলাইন একটিভেট করতে পারবেন যদি আপনার প্রিমিয়াম ফিচার ইউজ করতে চান। সফটওয়্যার এর সাইজ মাত্র ১ মেগাবাইট।
তো আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করে নিন IDM Trail Resetore.

আপনি ভুল হার্ড ড্রাইভটি ব্যবহার করছেন না তো? ডেক্সটপ হার্ড ড্রাইভ কেনার গাইড।এটা মেনে নিতেই হবে, ডেক্সটপ কম্পিউটারের জন্...
06/02/2018

আপনি ভুল হার্ড ড্রাইভটি ব্যবহার করছেন না তো? ডেক্সটপ হার্ড ড্রাইভ কেনার গাইড।

এটা মেনে নিতেই হবে, ডেক্সটপ কম্পিউটারের জন্য হার্ড ড্রাইভ এটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যদিও সকল কম্পিউটিং ডিভাইজেই স্টোরেজ মিডিয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হয়ে থাকে, কিন্তু বিশেষ করে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব আরো বেশি। হার্ড ড্রাইভ সম্পর্কে কিছু গুরুত্পূর্ণ টার্ম অবশ্যই জানা প্রয়োজনীয়, সেটা হোক নতুন ডেক্সটপ কেনার সময় কিংবা পুরাতন কম্পিউটারে নতুন ড্রাইভ লাগানোর সময়। কয়েকদিন আগে এক্সটার্নাল ড্রাইভ কেনার গাইড লাইন শেয়ার করেছিলাম এবং তখন থেকেই মাথায় ছিল প্রাইমারী হার্ড ডিস্ক কেনার গাইডও বর্ণিত করবো, কেনোনা এটি আরোবেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে সুখবর এটা যে, সঠিক কাজের জন্য সঠিক ডেক্সটপ হার্ড ডিস্ক নির্বাচন করা তেমন কোন কঠিন কাজ নয়। আর কম্পিউটার ড্রাইভ স্পেসিফিকেশন বোঝা অনেক সহজ ব্যাপার। হার্ড ডিস্ক কেনার সময় সাধারণত আপনাকে দুইটি বিষয় মাথায় রাখতে হয়, আর সে দুইটি হচ্ছে আপনার প্রয়োজন অনুসারেঃ ডিস্ক ক্যাপাসিটি এবং স্পীড। হার্ড ড্রাইভের ক্ষেত্রে বহু টাইপের ক্যাপাসিটি অপশন এবং স্পীড রেটিং পেয়ে যাবেন, শত শত চয়েজ আপনার সামনে আসতে পারে, কিন্তু ঠিক কোনটিকে আপনার কাজের জন্য নির্বাচন করবেন? — এই সম্পূর্ণ আর্টিকেলে এই বিষয় গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ
হার্ড ডিস্ক বলতে কিন্তু এই নয়, আপনি যা ইচ্ছা তা কিনে ফেললেন, ভেবেও দেখলেন না কোন কাজের জন্য কি কিনছেন। যদিও বাজারে এখন আলাদা টাইপের স্টোরেজ সলিউসন রয়েছে, কিন্তু যদি শুধু ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভের কথা বলি, সেখানেই রয়েছে অনেক টাইপের ড্রাইভ এবং প্রত্যেকটি টাইপকে বিভিন্ন কাজের জন্য টার্গেট করে বানানো হয়েছে। সাধারণত তিন টাইপের হার্ড ড্রাইভ দেখতে পাওয়া যায়, স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভ, এনএএস/ন্যাস ড্রাইভ, এবং এন্টারপ্রাইজ হার্ডড্রাইভ। যদি আপনি সাধারণ ডেক্সটপ পিসির জন্য ড্রাইভ কেনার কথা চিন্তা করেন, সেক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভই আপনার জন্য যথেষ্ট হবে, এনএএস বা এন্টারপ্রাইজ গ্রেড ড্রাইভ কেনার কোনই প্রয়োজন পরবে না। অনেক সময় সকল প্রকার ড্রাইভ গুলোর মধ্যে পারফর্মেন্স কোন পার্থক্য থাকে না, জাস্ট কিছু আলাদা প্রোটেকশন থাকে। যেমন সাধারণ এনএএস ড্রাইভ এবং ডেক্সটপ ড্রাইভ সম্পূর্ণ একই পারফর্মেন্স দেয়, কিন্তু ডেক্সটপ ড্রাইভ দিনে ৭-৮ ঘণ্টা চালানোর জন্য রেটিং করা থাকে, যেখানে ন্যাস ড্রাইভে বা এন্টারপ্রাইজ ড্রাইভে দিনে ২৪ ঘণ্টা চালানোর রেটিং থাকে। সাথে দামী ড্রাইভ গুলোতে শক ও ভাইব্রেশন প্রোটেকশন থাকে। যদি আপনার কম্পিউটারে একাধিক ড্রাইভ লাগানো থাকে সেক্ষেত্রে ভাইব্রেশন প্রোটেকশন দরকারি হতে পারে।

হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ
হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ গুলো নিয়ে আমি আগেই ডেক্সটপ, এনএএস, এন্টারপ্রাইজ | কোনটি কিনবেন? — এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। হার্ড ড্রাইভ প্রকারভেদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এটাই উপসংহার যে, সাধারণ ডেস্কটপ ড্রাইভ কেনার সময় আলাদা টাইপ গুলোর দিকে না দেখলেও চলবে, যদি একাধিক ড্রাইভ বা রেইড সিস্টেম সেটআপ করেন সেক্ষেত্রে সাধারণ ডেক্সটপ ড্রাইভ না কিনে এনএএস ড্রাইভ কেনা বেস্ট হবে। আর সার্ভার বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ সিস্টেম ছাড়া এন্টারপ্রাইজ গ্রেডের ড্রাইভ আপনার প্রয়োজনীয় হবে না।

আরো পড়ুন: র‍্যাম স্পীড নাকি র‍্যাম টাইমিং, কোনটি পারফর্মেন্সের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

ক্যাপাসিটি
ডেক্সটপ হার্ড ড্রাইভ বা যেকোনো মিডিয়া স্টোরেজ ক্যাপাসিটি রেটিং বুঝতে পারা অনেক সহজ কাজ। হয়তো আপনি এই প্যারাগ্রাফ না পড়েই আগে থেকেই এই ব্যাপারে হাফেজ হয়ে রয়েছেন। হার্ড ডিস্ক থেকে শুরু করে প্রায় যেকোনো কম্পিউটার স্টোরেজ মিডিয়া প্রস্তুতকারী কোম্পানি তাদের স্টোরেজ সলিউশনকে জিবি (GB) (গিগাবাইট) বা টিবি (TB) (টেরাবাইট) হিসেবে ড্রাইভ রেটিং করে থাকে। যদি এককথায় বলি, তো গিগাবাইট বলতে বিলিয়ন বাইট ডাটা এবং টেরাবাইট বলতে ট্রিলিয়ন বাইট ডাটা সংরক্ষিত করতে সক্ষম এই ড্রাইভ গুলো।

আপনার ড্রাইভটি কোন ক্যাপাসিটির সেটা বিশেষ করে ড্রাইভের গায়েই লেখা থাকে। আজকের দিনে স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভ সাইজ ১ টেরাবাইট, যদিও এর চেয়ে ছোট ক্যাপাসিটিতেও সাধারণ কম্পিউটিং চাহিদা পূরণ করা সম্ভব, কিন্তু বর্তমানে ড্রাইভের দাম অনেক কম তাই ১ টেরাবাইট থেকে শুরু করে কতিপয় টেরাবাইট ড্রাইভ কিনে ফেলতে পারেন। যদি আপনি মুভি, আর বড় বড় গেম ডাউনলোড করতে ভালোবাসেন, সেক্ষেত্রে যতোবেশি ক্যাপাসিটি হয় ততোই ভালো। যদি শুধু কাজের জন্য আর প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার রান করানোর জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে কতিপয় গিগাবাইট ক্যাপাসিটিই যথেষ্ট হতে পারে। তবে ক্যাপাসিটির ব্যাপারে একটি বিশেষ টার্ম রয়েছে, যার ফলে আমরা অনেকেই বিভ্রান্তির শিকার হয়ে যাই। হার্ড ড্রাইভের গায়ে হয়তো রেটিং করা থাকে ১ টেরাবাইট, কিন্তু সেটাকে কম্পিউটারে লাগালে ৯৩১ গিগাবাইট প্রদর্শিত হয়। তাহলে বাকী স্পেস গুলো যায় কোথায়? — সমস্যা নেই, এই ব্যাপারটি সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা করে আমি “আপনার হার্ডড্রাইভ এর হারানো স্পেস গুলো যায় কোথায়?“এই আর্টিকেলটি লিখেছি, এখানে সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

পারফর্মেন্স
এবার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ প্যারাগ্রাফে চলে এসেছি, কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ড্রাইভ পারফর্মেন্স বা ড্রাইভ স্পীড অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্ম। স্লো কম্পিউটারের জন্য অনেকে কম্পিউটার র‍্যাম বা প্রসেসরকে দোষারোপ করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় ড্রাইভ পারফর্মেন্স খারাপ হওয়ার কারণে কম্পিউটারের টাস্ক গুলো স্লো হয়ে যায়। ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভ পারফর্মেন্স মূলত চারটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীলঃ (১) কানেকশন ইন্টারফেস, (২) ড্রাইভটির মাকানিক্যাল স্পীড, (৩) অ্যাক্সেস টাইম, এবং (৪) বাফার সাইজ।

পিসি বা পার্সোনাল কম্পিউটার ড্রাইভের জন্য বর্তমানে মার্কেটে দুই টাইপের ইন্টারফেস দেখতে পাওয়া যায়ঃ সিরিয়াল এটিএ (Serial ATA) (SATA) এবং আইডিই (IDE) (ATA)। আগের কিছু হাই পারফর্মেন্স ডেক্সটপে এসসিএসআই(SCSI) ইন্টারফেস দেখতে পাওয়া যেতো, কিন্তু এখন মূলত এই দুইটি ইন্টারফেসই দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারে আইডিই ইন্টারফেস সবচাইতে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। আইডিই ইন্টারফেস নাম্বার থেকে কানেকশন স্পীড সম্পর্কে জানতে পারা যায়। ATA/33 থেকে ATA/133 পর্যন্ত স্পীড রেঞ্জিং দেখতে পাওয়া যায়। আজকের বেশিরভাগ ডেস্কট ড্রাইভ ATA/100 হয়ে থাকে, এর মানে এই ইন্টারফেসটি ১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড সমর্থন করবে।

আরো পড়ুন: জিপিইউ (GPU) কি? জিপিইউ কেন জরুরী?

অপরদিকে সিরিয়াল এটিএ বা SATA একটি নতুন ইন্টারফেস এবং এটি আইডিই ইন্টারফেসকে রিপ্লেস করে চলেছে। এই ইন্টারফেসটি একেবারেই সাধারণ এবং একটি ড্রাইভের জন্য কেবল একটিই ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। নতুন এই ইন্টারফেসটি ১৫০ মেগাবাইট/সেকেন্ড থেকে ৩০০ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড প্রদান করতে সক্ষম।

এবার যদি কথা বলি হার্ড ড্রাইভ ম্যাকানিক্যাল স্পিনিং স্পীড নিয়ে, সেক্ষেত্রে আপনারা অবশ্যই জানেন, হার্ড ড্রাইভের মধ্যে কতিপয় ডিস্ক থাকে এবং সেগুলো ফিজিক্যাল মুভ করে। এই ডিস্ক গুলো যতোদ্রুত ঘোরে ডাটা স্পীড ততোবেশি পাওয়া সম্ভব। আজকের বেশিরভাগ ডেস্কটপ ড্রাইভ গুলোর স্ট্যান্ডার্ড স্পিনিং রেট হচ্ছে ৭২০০ আরপিএম (রেভলিউশন/মিনিট)। কিছু হাই কোয়ালিটি ডেক্সটপ ড্রাইভ রয়েছে যেগুলো ১০০০০ আরপিএম রেটে ঘুরতে পারে। এখান বাজারে ৫৪০০ আরপিএম ড্রাইভ ও দেখতে পাওয়া যায়, যেটা অবশ্যই ৭২০০ আরপিএম থেকে স্লো। তাই অবশ্যই আপনার ড্রাইভটি যেন কমপক্ষে ৭২০০ আরপিএম হয়, এর কম হওয়া চলবে না।

আবার আপনার হার্ড ড্রাইভটির হেড কতোদ্রুত ডিস্কের উপর পৌঁছে সেখান থেকে ডাটা ক্যাপচার করছে তার রেটিংকে রেস্পন্স টাইম বলা হয়। যতোদ্রুত হেড ডিস্ককে অ্যাক্সেস করতে পাড়বে ততোদ্রুত ডাটা রিড বা রাইট করা সম্ভব হবে। হার্ড ড্রাইভ কিভাবে কাজ করে, এই আর্টিকেল থেকে হার্ড ডিস্কের কাঠামো এবং কাজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

পারফর্মেন্সের ফাইনাল স্টেপটি হচ্ছে ড্রাইভটির বাফার সাইজ। আপনার ড্রাইভের মধ্যে একটি ছোট ক্যাপাসিটির র‍্যাম লাগানো থেকে। এই র‍্যাম বিশেষ করে যে ডাটা গুলো কম্পিউটার হার্ড ড্রাইভ থেকে বারবার অ্যাক্সেস করে, সেগুলোকে হার্ড ডিস্ক ঐ র‍্যামে স্টোর করে রাখে, র‍্যাম সাধারণত অনেক ফাস্ট মেমোরি হয়ে থাকে, তাই অনেক দ্রুত র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস ডাটা গুলো ড্রাইভ কম্পিউটারে ট্র্যান্সফার করতে পারে। যতোবেশি বাফার সাইজ হবে, ড্রাইভটি ততোবেশি ক্যাশ র‍্যামে সেভ করতে পাড়বে এবং ডাটা গুলো অনেক দ্রুত ট্র্যান্সফার করা সম্ভব হবে। কম্পিউটার মেমোরি কিভাবে কাজ করে? — এই আর্টিকেলটি থেকে আরো বিস্তারিত তথ্য গুলো জানতে পারবেন, কিভাবে কম্পিউটারে বিভিন্ন টাইপ মেমোরির অবদান থাকে। যাই হোক, সাধারণ ড্রাইভে ৮ মেগাবাইট বাফার সাইজ থাকে এবং হাই পারফর্মেন্স ড্রাইভে ১৬ মেগাবাইট পর্যন্ত বাফার সাইজ দেখতে পাওয়া যায়।

এসএসডি এবং হাইব্রিড ড্রাইভ
ডেস্কটপ কম্পিউটারে যদি হাই পারফর্মেন্স বা লো বুট টাইম পেতে চান সেক্ষেত্রে সলিড স্টেট ড্রাইভ বেস্ট সাহায্য করতে পারে। আপনি যতো হাই পারফর্মেন্স হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করুন না কেন কেবল সাধারণ একটি সলিড স্টেস্ট ড্রাইভ হাই পারফর্মেন্স ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভকে পানিতে ডুবিয়ে দিতে পারে। যদিও এসএসডি নিয়ে পূর্বে অনেক আর্টিকেল লিখেছি, সার্চ বারে গিয়ে “এসএসডি” টাইপ করলেই অনেক আর্টিকেল পেয়ে যাবেন। বিশেষ করে “এইচডিডি বনাম এসএসডি” — আর্টিকেলটি পড়তে ভুলবেন না।

আরো পড়ুন: পিসির পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? যেকোনো উইন্ডোজ (৭, ৮.১, ১০) বা লিনাক্স পিসির পাসওয়ার্ড বাইপাস করে নিন!

এসএসডি এবং হাইব্রিড ড্রাইভ
আরেক টাইপের ড্রাইভ রয়েছে, হাইব্রিড ড্রাইভ — যেটা নিয়েও পূর্বে আর্টিকেল লিখেছি; এখানে এসএসডি এবং হার্ড ড্রাইভ একত্রে যুক্ত থাকে। প্রোগ্রাম এবং অপারেটিং সিস্টেম এসএসডি মডিউল থেকে সার্ভ করা হয় এবং সাধারণ ফাইল গুলোকে হার্ড ড্রাইভ মডিউল থেকে সার্ভ করা হয়। এই ড্রাইভের আসল ফোকাস হচ্ছে কম দামের মধ্যে ভালো পারফর্মেন্স এবং স্টোরেজ ক্যাপাসিটি উভয়ের মধ্যে তালমিল করে রাখা। এসএসডির সবচাইতে বড় অসুবিধা হচ্ছে এর দাম, যদিও আজকের দিনে দাম অনেকটা কমে গেছে, কিন্তু তারপরেও আরেকটি লিমিটেশন হচ্ছে ক্যাপাসিটি। এসএসডি মাত্র কতিপয় টেরাবাইট পর্যন্তই পাওয়া যায় (একটি সিঙ্গেল ড্রাইভে) — যেখানে হার্ড ডিস্ক বিশাল ক্যাপাসিটির পর্যন্ত পাওয়া যায় এবং দাম অনেক কম। যাই হোক, এই আর্টিকেলে এসএসডি বা হাইব্রিড ড্রাইভ নিয়ে আবার নতুন করে আলোচনা করবো না, কেনোনা এখানে বিশেষ করে হার্ড ড্রাইভ নিয়ে আলোচনা করছি।

সিদ্ধান্ত
উপরের প্যারাগ্রাফ গুলোতে যথেষ্ট পরিমানে আলোচনা করে নিয়েছি, এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার পালা। আশা করছি এতোক্ষণে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়ে গেছেন, কিন্তু তারপরেও গাইড লাইনকে আরো সহজ করার জন্য আমি কাজ অনুসারে হার্ড ড্রাইভ রেকমেন্ড করছি। যদি আপনার কাজ নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মধ্যে না পরে, তাহলে অঝথা হাই আরপিএম ড্রাইভ বা বেশি ক্যাপাসিটি কেনার দরকার নেই। নিচের ছকটি দেখুন, আশা করি আপনাকে অনেক বেশি সাহায্য করবে।

ট্যাস্ক ক্যাপাসিটি আরপিএম
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার ২৫০ জিবি (বা আরো) ৫৪০০ আরপিএম
ওয়েব ব্রাউজিং ৩২০ জিবি (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
ডিজিটাল মিউজিক ৭৫০ জিবি (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
গেমিং ১ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
গ্রাফিক্স এডিটিং ১.৫ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
ডিজিটাল ভিডিও ২ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
তো বন্ধু এই ছিল কিছু সাধারণ গাইড লাইন, যেগুলোকে নতুন হার্ড ড্রাইভ কেনার সময় অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। যদি সঠিকভাবে হার্ড ড্রাইভ পছন্দ করতে পারেন, আপনার টাকা এবং পারফর্মেন্স উভয় ক্ষেত্রেই লাভবান হতে পারবেন।

কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে যেসব কারণেসঠিকভাবে ব্যবহার না করলে কম্পিউটারে অনেক ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এর মধ্যে হুটহাট কম্পিউ...
21/05/2017

কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে যেসব কারণে

সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে কম্পিউটারে অনেক ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এর মধ্যে হুটহাট কম্পিউটার থমকে (হ্যাং) যাওয়া অন্যতম। কী কী কারণে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে, তার একটি তালিকা দেওয়া হলো।
* কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটারের র্যামের পরিমাণ কম থাকলে কম্পিউটার ঠিকমতো কাজ করতে পারে না এবং হুটহাট হ্যাং হয়ে যায়।
* কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে প্রসেসর। তাই প্রসেসরের মান ভালো না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটা স্বাভাবিক।
* কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের সংযোগ সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* এ ছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে বা হার্ডওয়্যারেই সমস্যা থাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* সাধারণত ভাইরাসের কারণেই কম্পিউটারে হ্যাং হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয়। যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়।
* কম্পিউটারের প্রসেসরের সংযোগ ঠিকমতো না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে চলতি কাজকে থামিয়ে দিয়ে হ্যাং হয়ে যেতে পারে। এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরও ঠিক হয় না।
* যদি অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি থাকে। ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল যদি পড়ে যায় (ডিলিট) বা অন্য কোনো কারণে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* কম্পিউটার গেমের পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিকসসম্পন্ন, যা সাধারণত কম র্যাম এবং কম প্রসেসরের ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

1956 - 2017
23/03/2017

1956 - 2017

উইন্ডোজ ১০ পিসি’তে শাটডাউন টাইমার সেট করার উপায়  আপনার কম্পিউটারে কোন ফাইল ডাউনলোড করতে দিয়ে আপনি ঘুমোতে চান অথবা আপনি চ...
12/03/2017

উইন্ডোজ ১০ পিসি’তে শাটডাউন টাইমার সেট করার উপায়


আপনার কম্পিউটারে কোন ফাইল ডাউনলোড করতে দিয়ে আপনি ঘুমোতে চান অথবা আপনি চাইছেন গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে যাবেন। কিন্তু আপনি ঘুমিয়ে গেলে কম্পিউটার শাটডাউন করবে কে? এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনার উইন্ডোজ ১০ কম্পিউটারে শাটডাউন টাইমার সেট করতে পারেন।

প্রথমে Windows+R বাটন ক্লিক করতে হবে। একটি উইন্ডো খুলে যাবে।



এখানে খালি জায়গায় নিচের কোডটি লিখতে হবে:
shutdown.exe -s -t ###X

এখানে ###X এর জায়গায় যতো সেকেন্ড পর আপনি কম্পিউটারকে শাটডাউন করাতে চান সেই সংখ্যাটি লিখতে হবে। ৫ মিনিট পর শাটডাউন করাতে চাইলে 300 সেকেন্ড (5x60=300) লিখতে হবে।

চালু হয়ে গেলো শাটডাউন টাইমার। এরপর উইন্ডোজ একটি নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে যে ৫ মিনিট পর আপনার কম্পিউটার শাটডাউন হবে।

Address

Computer Kingdom, , Hashem Plaza, Dhaka EPZ, Nabinagar/Chandra Rd, Baipayl
Dhaka
1349

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+88027788255

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer Kingdom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Computer Kingdom:

Share

Category