Sengram Digital Center

Sengram Digital Center Photography, Videography, Graphic Design, Outsourcing, Computer Training etc.

19/09/2025
বিদেশী লাবান বয়কট করুন,দেশি লাবানের হাতটা ধরুন।হৃদয়ে ফিলিস্তিন। ফার্মফ্রেশ লাবান,আকিজ ডেইরি লিমিটেড।
08/04/2025

বিদেশী লাবান বয়কট করুন,
দেশি লাবানের হাতটা ধরুন।

হৃদয়ে ফিলিস্তিন।

ফার্মফ্রেশ লাবান,
আকিজ ডেইরি লিমিটেড।

20/03/2025

বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষা ও উন্নয়নের অভাব চিরকালীন বাস্তবতা। এই অভাবকে পুঁজি করে কিছু স্বা’র্থান্বেষী ধর্মীয় গোষ্ঠী সুবিধাবাদী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যার শি’কার হচ্ছে দরিদ্র ও নিরীহ উপজাতিরা। এমনই এক ক’রুণ পরিণতির শি’’কার হলো থানচির এক ত্রিপুরা কিশোরী—রাজেরুং ত্রিপুরা।
রাজেরুং ত্রিপুরার পরিবারও স্বপ্ন দেখেছিল তাদের সন্তান লেখাপড়া শিখে ভবিষ্যতে ভালো জীবন গড়বে। এই আশাতেই তারা মেয়েকে খ্রিস্টান মিশনারি পরিচালিত যশোর জেলার কেশরপুর পৌর এলাকার সাহাপাড়া খ্রিস্টান মিশন হোস্টেলে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু শিক্ষা ও নিরাপত্তার আশ্রয়স্থল যেখানে হওয়ার কথা ছিল, সেখানে রূপ নিল বিভীষিকায়। অভিযোগ রয়েছে, হোস্টেলের সুপারভাইজার প্রদীপ সরকার ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীদের যৌ’ন নিপীড়ন করছিল। হোস্টেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের হাতে নিপীড়িত হওয়ার পরিণতি হলো রাজেরুংয়ের মৃ*ত্যু—যা কি আ’ত্মহ*ত্যা, নাকি নি’র্মম হ*ত্যাকাণ্ড?
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উপজাতি শিশু-কিশোরীদের হোস্টেলে পাঠিয়ে অভিভাবকরা আশ্বস্ত থাকেন, কিন্তু বাস্তবতা হয়তো ভিন্ন। জানা যায়, খুলনার কেশবপুরসহ বিভিন্ন খ্রিস্টান মিশনারি হোস্টেলেও ত্রিপুরা কিশোরীরা যৌ’ন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এসব হোস্টেল কেবল শিক্ষার নামে প্র’লো’ভন দেখিয়ে দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের সন্তানদের অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।
রাজেরুংয়ের মৃ*ত্যুর পর প্রশাসনের ভূমিকা কী? তার বাবা-মা মামলা করেছে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ থেকে যায়। কারণ এমন ঘটনার পর সাধারণত অভিযুক্তরা প্রভাব খাটিয়ে সত্য গোপন করে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এভাবে আর কত জীবন নিভে যাবে? আর কত অসহায় মা-বাবা নি’পী’ড়িত সন্তানের লা*শ বহন করবে?
এখন সময় এসেছে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে পরিচালিত এসব হোস্টেলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হোক, প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। উপজাতিদের শোষণের এই চক্র বন্ধ করতে হবে। যারা ধর্মের নামে শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ ধর্ম কখনোই শো’ষণ, নির্যাতন আর হ*ত্যার হাতিয়ার হতে পারে না।
ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলার কেশরপুর পৌর এলাকার সাহাপাড়া খ্রিস্টান মিশন হোস্টেলে।

সূত্র: হেমন্ত ত্রিপুরা

আখের গুঁড়ের চিনি ৫০০ মি.লি. বিশুদ্ধ পানি, ৪ টেবল চামচ গুড়ের চিনি, ১চিমটি লবণ সাথে লেবুর রস /আদার রস। এক ঘন্টাতে ইলেক্ট...
06/04/2023

আখের গুঁড়ের চিনি
৫০০ মি.লি. বিশুদ্ধ পানি, ৪ টেবল চামচ গুড়ের চিনি, ১চিমটি লবণ সাথে লেবুর রস /আদার রস। এক ঘন্টাতে ইলেক্ট্রোলাইসিস ব্যালেন্সড! ইনশাআল্লাহ।

ক্রয়করতে ইনবক্স করুন, অথবা লিংক ফলো করুন।

https://www.facebook.com/marketplace/item/691555001986694/?mibextid=dXMIcH

22/02/2023

আল্লা পরম প্রিয়তম মোর
কাজী নজরুল ইসলাম............................................................
আল্লা পরম প্রিয়তম মোর
আল্লা পরম প্রিয়তম মোর, আল্লা তো দূরে নয়,
নিত্য আমারে জড়াইয়া থাকে পরম সে প্রেমময়!
পূর্ণ পরম সুন্দর সেই আমার পরম পতি,
মোর ধ্যান-জ্ঞান তনু-মন-প্রাণ, আমার পরম গতি।
প্রভু বলি কভু প্রণত হইয়া ধূলায় লুটায়ে পড়ি,
কভূ স্বামী বলে কেঁদে প্রেমে গলে তাঁরে চুম্বন করি!
তাঁর উদ্দেশে চুম্বন যায় নিরুদ্দেশের পথে,
কাঁদে মোর বুকে ফিরে এসে যেন সাত আসমান হতে।
তারি সাধ পুরাইতে বলি, ‘আমি তাহার নিত্যদাস।’
দাস হয়ে করি তাঁর সাথে কত হাস্য ও পরিহাস।
রূপ আছে কি না জানি না, কেবল মধুর পরশ পাই,
এই দুই আঁখি দিয়া সে অরূপে কেমনে দেখিতে চাই!
অন্ধ বধূ কি বুঝিতে পারে না পতির সোহাগ তার?
দেখিব তাহার স্বরূপ, কাটিলে আঁখির অন্ধকার!
কেমনে বলিব ভয় করি কি না তাঁরে,
যাঁহার বিপুল সৃষ্টির সীমা আজিও জ্ঞানের পারে।
দিনে ভয় লাগে, গভীর নিশীতে চলে যায় সব ভয়,
কোন সে রসের বাসরে লইয়া কত কী যে কথা কয়!
কিছু বুঝি তার, কিছু বুঝি না ক, শুধু কাঁদি আর কাঁদি;
কথা ভুলে যাই, শুধু সাধ যায় বুকে লয়ে তারে বাধিঁ!
সে প্রেম কোথায় পাওয়া যায় তাহা আমি কি বলিতে পারি?
চাতকী কি জানে কোথা হতে আসে তৃষ্ণার মেঘ-বারি?
কোন প্রেমিকা ও প্রেয়সীর প্রেমে নাই সে প্রেমের স্বাদ,
সে প্রেমের স্বাদ জানে একা মোর আল্লার আহলাদ!
তাঁরে নিয়ে খেলি, কভু মোরে ফেলি যেন দূরে চলে যায়,
সাজানো বাসর ভাঙি অভিমানে ফেলে দি’ পথ-ধুলায়!
বিরহের নদী ফোঁপাইয়া ওঠে বিপুল বন্যা-বেগে,
দিন গুণে কত দিন যায় হায়, কত নিশি যায় জেগে!
চমকিয়া হেরি কখনো অশ্রু-ধৌত বক্ষে মম,
হাসিতেছে মোর দিনের বন্ধু, নিশীথের প্রিয়তম!
আমি কেঁদে বলি, ‘তুমি কত বড়, কত সে মহিমাময়,
মোর কাছে আস, শাস্ত্রবিদেরা যদি কলঙ্কী কয়!
নিত্য পরম পবিত্র তুমি, চির প্রিয়তম বঁধূ,
কেন কালি মাখ পবিত্র নামে, মোরে দিয়ে এত মধু!
মোরে ভালবাস বলে তব নামে এত কলঙ্ক রটে,
পথে ঘাটে লোকে কয়, যাহা রটে, কিছু ত সত্য বটে!’
তুমি বল, ‘মোর প্রেমের পরশ-মানিক পরশে যারে,
আর তারে কেউ চিনিতে পারে না, সোনা বলে ডাকে তারে।
তাহার অতীত, তাহার স্বধর্ম মুহূর্তে মুছে যায়,
তবু নিন্দুক হিংসায় জ্বলে নিন্দা করে তাহায়!’
‘সে কি কাঁদে’, কহে শাস্ত্রবিদেরা। মোর প্রেম বলে, ‘জানি,
আমার চক্ষে বক্ষে দেখেছি না-দেখা চোখের পানি।
তাঁর রোদনের বাণী শুনিয়াছি বিরহ মেঘলা রাতে,
ঝড় উঠিয়াছে আকাশে তাঁহার প্রেমিকের বেদনাতে।’
আমি বলি, ‘এত কৃপাময়, এত ক্ষমা-সুন্দর তুমি,
মানুষের বুকে কেন তবে এই অভাবের মরুভূমি?’
প্রভুজি বলেন, ‘মোর সাথে ভাব করিতে চাহে না কেউ,
‘আড়ি’ করে আছে মোর সাথে, তাই এত অভাবের ঢেউ।
ভিখারীর মত নিত্য ওদের দুয়ারে দাড়ায়ে থাকি
‘আমারে বাহিরে রেখো না’ বলিয়া কত কেঁদে কেঁদে ডাকি!
আমারে তাহারা ভাবে, আমি অতি ভয়াল ভয়ঙ্কর;
আমি উহাদের ঘর দিই, হায়, আমারে দেয় না ঘর!
আমার চেয়ে কি পরমাত্মীয় মানুষের কেহ আছে!
আমি কাঁদি, হায়, পর ভেবে মোরে ডাকে না তাদের কাছে।
ভয় করে মোরে হইয়াছে ভীরু, যে চায় যা তারে দিই,
জড়ায়ে ধরিতে চায় যে আমারে, তারে বুকে তুলে নিই।
সব মালিন্য, সব অভিশাপ, সব পাপ তাপ তার
আমার পরশে ধুয়ে যায়, আর করি না তার বিচার।
প্রতি জীব হতে পারে মোর প্রিয়, শুধু মোরে যদি চায়,
আমারে পাইলে এই নর-নারী চির পূর্ণতা পায়।’
হেরিনু-চন্দ্র-কিরণে তাঁহার স্নিগ্ধ মমতা ঝরে,
তাঁহারি প্রগাঢ় প্রেম-প্রীতি আছে ফিরোজা আকাশ ভরে।
তাঁহারি প্রেমের আবছায়া এই ধরণীর ভালবাসা,
তাঁহারি পরম মায়া যে জাগায় তাঁহারে পাওয়ার আশা।
নিত্য মধুর সুন্দর সে যে নিত্য ভিক্ষা চায়,
তাঁহারি মতন সুন্দর যেন করি মোরা আপনায়।
অসুন্দরের ছায়া পড়ে তাঁর সুন্দর সৃষ্টিতে,
তাই তাঁর সাথে মিলন হলো না কভু শুভ-দৃষ্টিতে।
আমরা কর্ম্ম করি আমাদের স্বকল্যানের লাগি,
তিনি যে কর্ম্মে নিয়োগ করেন, সেথা হতে ভয়ে ভাগি!
মোরা অজ্ঞান, তাই তিনি চান, তাঁরি নির্দেশে চলি;
তাঁহার আদেশ তাঁরি পবিত্র গ্রন্থে গেছেন বলি।
সে কথা শুনি না, পথ চলি মোরা আপন অহঙ্কারে,
তাই এত দুখ পাই, এত মার খাই মোরা সংসারে।
চলে না তাঁহার সুনির্দিষ্ট নির্ভয় পথে যারা,
অন্ধকারের গহ্বরে পড়ে মার খেয়ে মরে তারা।
তাঁর সাথে যোগ নাই যার, সেই করে নিতি অভিযোগ;
তাঁর দেয়া অমৃত ত্যাগ করে বিষ করে তারা ভোগ।
ভিক্ষা করিয়া তাঁর কৃপা কেউ ফেরেনি শূন্য হাতে,
যারা চাহে নাই, তারাই তাঁহারে নিন্দে অবজ্ঞাতে।
কার করুণায় পৃথিবীতে এত ফসল ও ফুল হাসে,
বর্ষার মেঘে নদ-নদী-স্রোতে কার কৃপা নেমে আসে?
কার শক্তিতে জ্ঞান পায় এত; পায় যশ সম্মান,
এ জীবন পেল কোথা হতে, তার আজিও পেল না জ্ঞান।
তাঁরি নাম লয়ে বলি, ‘বিশ্বের অবিশ্বাসীরা শোন,
তাঁর সাথে ভাব হয় যার, তার অভাব থাকে না কোন।’
তাঁহারি কৃপায় তাঁরে ভালবেসো বলে আমি চলে যাই,
তাঁরে যে পেয়েছে, দুনিয়ায় তার কোন চাওয়া-পাওয়া নাই।
আর বলিব না। তাঁরে ভালবেসে ফিরে এসে মোরে বলো,
কি হারাইয়া কি পাইয়াছ তুমি, কি দশা তোমার হলো!

08/09/2022
Red Lentilলাল ডালমসুর।
17/04/2022

Red Lentil
লাল ডাল
মসুর।

Address

Sengram, Pangsha, Rajbari
Dhaka
7720

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801779300001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sengram Digital Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sengram Digital Center:

Share