Angel Hosting

Angel Hosting We provide affordable domain registration and Hosting services. We provide exclusive professional website design website at any cost you afford.

Your Domain name helps the world find you. Make your business part of work business and get in touch with more people. There might a lot of people searching for your products and services but cant reach you because of they don't have your contact. We are providing webdesign, hosting and domains at affordable rate. It doesn't matter how small your business is. Now a days every one need a website otherwise you can't compete or service longer in the business.

18/01/2023

Get an Outstanding WordPress Portfolio Website from Upwork Freelancer Zahidul I.

আমরা যখন বাসায় ব্রডব্যান্ড লাইন সংযোগ করি তো সংযোগ করার পরবর্তীতে তখন সবারই একটা প্রশ্ন থাকে যে আমি লাইন নিলাম 1Mbps কিন...
10/09/2019

আমরা যখন বাসায় ব্রডব্যান্ড লাইন সংযোগ করি তো সংযোগ করার পরবর্তীতে তখন সবারই একটা প্রশ্ন থাকে যে আমি লাইন নিলাম 1Mbps কিন্তু যখন ডাউনলোড দিই তখন ডাউনলোড স্পিড দেখায় 125 কেবিপিএস বা তার একটু বেশি। তাহলে কি Internet Service Provider রা আমাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্পিড দিচ্ছে না? তারা কি আমাকে ধোকা দিচ্ছে?
তো চলুন এই বিষয়টা আজকে একটু ক্লিয়ার করি।
প্রথমে আমাদের জানা দরকার B ও b কি?
অবাক হইয়েন না,দুইটা অক্ষর একই হলেও ছোট অক্ষর ও বড় অক্ষরের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।
B=Byte এবং b=Bit.
বড় হাতের অক্ষর হলে সেটা হবে Byte আর ছোট হাতের অক্ষর হলে সেটা হবে Bit.
তো চলুন এবার MB এবং Mb নিয়ে কথা বলি।
MB=Megabyte এবং Mb=Megabit
Bit হচ্ছে ডাটা ট্রান্সফারের সর্বকনিষ্ঠ একক,যার মধ্যে শুধু মাত্র 0 or 1 রয়েছে।
গান,মিউজিক,পিকচার যে কোনো ফাইল ইত্যাদির সাইজ পরিমাপ করা হয় MB অর্থাৎ Megabyte দিয়ে।
আর ইন্টারনেটের গতি পরিমাপ করা হয় Mb/Mbps অর্থাৎ Megabits Per Second.
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে কত Bit=Byte?
দেখুন এটা তো আমরা জানি যে Bit থেকে Byte বড়।
তো
Bit=0 or 1
1Byte=8Bit.
তারমানে হচ্ছে 8 টি Bit নিয়ে 1 Byte.
তারমানে ফাইলের Megabytes ইন্টানেটের Megabits থেকে 8 গুণ বড়।
তাহলে এবার আলোচনাকরি কেন আমরা পর্যাপ্ত পরিমান স্পিড পাই না কোনো ফাইল ডাউনলোড করার সময়।
এটা সম্পর্কে শুধুমাত্র দু লাইন বললেই বুঝে যাবেন।সেটা হচ্ছে সংযোগ প্রদানকারীররা আপনাকে যে লাইন প্রদান করে তার হিসাব হয় Mb তে অর্থাৎ megabit এ।আর আপনি যেটা ডাউনলোড করেন সেটার হিসাব হয় MB তে অর্থাৎ Megabyte এ।আপনি যদি আপনার ইন্টারনেটের আপলোড স্পিড ও ডাউনলোড স্পিড চেক করবেন তখন দেখবেন সেটা Mbps এ দেখাবে(ছোট হাতের b) অর্থাৎ Megabit Per Second. আর যদি ডাউনলোড তখন সেটা দেখাবে MBps এ (বড় হাতেরB) অর্থাৎ Megabyte Per Second.
Wait…..এখানে থামুন আর ৩০ সেকেন্ড মনে মনে ভাবুন।
হ্যা আপনি যা ভাবছেন তাই।
আমি আগেই বলছি যে কোনো ফাইলের ক্ষেত্রে হিসাব হয় Megabyte এ আর ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে হিসাব হয় Megabit এ।
তো মনে করুন আপনার 1Mbps এর একটি লাইন আছে, তো এখান থেকে আপনি ডাউনলোড স্পিড পাবেন 1÷8=0.125MBps.
অথবা মনে করুন আপনার কাছে 10 Mbps এর একটি লাইন আছে,তো এখান থেকে আপনি এক সেকেন্ডে ডাউনলোড স্পিড পাবেন 10÷8=1.25 MBps.
এভাবে আপনি যদি 1MB File এক সেকেন্ডে ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনার Link Speed লাগবে 8Mbps.
অথবা মনে করুন আপনার কাছে 100Mbps এর কানেকশন আছে তো আপনি 100 MB এর একটি ফাইল ডাউনলোড করতে চান। তাহলে কত সময় লাগবে?
দেখুন আপনার কাছে স্পিড আছে 100Mbps,যদি এটাকে MB তে কনভার্ট করি তাহলে হবে 100÷8=12.5 MBps
তাহলে 12.5 MB ফাইল ডাউনলোড হয়
১ সেকেন্ডে।
অতএব 100MB ফাইল ডাউনলোড হবে
100÷12.5 =8 Sce.
অর্থাৎ 100Mbps স্পিড থেকে 100 MB সাইজের একটি ফাইল ডাউনলোড হতে সময় লাগবে ৮ সেকেন্ড।
এভাবে হিসাব হবে।
আশাকরি সবকিছু বুঝতে পেরেছেন,যদি না বুঝে থাকেন তাহলে পোস্টটি আরেকবার পড়ুন তাহলেই বুঝে যাবেন

যারা ভ্রমণ পছন্দ করেন তারা যেতে পারেন এ পথে।
30/08/2017

যারা ভ্রমণ পছন্দ করেন তারা যেতে পারেন এ পথে।

১০৫০ টাকায় ঘুরে আসুন ইলিশ রসমালাই এর দেশ চাঁদপুর-কুমিল্লায়।

29/08/2017

একবারেই নতুন রুট

বিজয়ের মাসে Domain + Hosting কিনলেই পাচ্ছেন বিশাল ছাড়!!!com, .net. , .org এর বরতমান মূল্য ৮০০ টাকা পুরবের মূল্য ১০০০সাথে...
05/12/2016

বিজয়ের মাসে Domain + Hosting কিনলেই পাচ্ছেন বিশাল ছাড়!!!com, .net. , .org এর বরতমান মূল্য ৮০০ টাকা পুরবের মূল্য ১০০০
সাথে এক জিবি হোস্টিং মূল্য ৬০০ টাকা পুরবের মূল্য ১৪০০ টাকা
আপনি পাচ্ছেন সর্বমোট ১০০০ টাকা ছাড়!!!
বিস্তারিত জানতে কলঃ ০১৭৫২৮০৫৭৯৮
অর্ডার লিংকঃ http://clients.angelhostingbd.com/cart.php

আপনার অনলাইন ব্যবসাকে প্রসারিত করার জন্য ফেসবুকের বুকল্প নেই। আর সে জন্যেই আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ফেসবুক বিজ্ঞাপন সেবা ...
05/12/2016

আপনার অনলাইন ব্যবসাকে প্রসারিত করার জন্য ফেসবুকের বুকল্প নেই।

আর সে জন্যেই আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ফেসবুক বিজ্ঞাপন সেবা
বিস্তারিত জানতে কল করুন ০১৭৫২৮০৫৭৯৮ নম্বরে

ওয়েব সাইট হোস্টিং কি ?https://www.youtube.com/watch?v=S3HxQdWCJZE
13/11/2016

ওয়েব সাইট হোস্টিং কি ?

https://www.youtube.com/watch?v=S3HxQdWCJZE

ওয়েব সাইট হোস্টিং কি ? কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আজকের কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই ওয়েবসাইট সম্পর্কে...

05/11/2016

আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আমি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভাল আছি । আজ থেকে শুরু করতে যাচ্ছি ওয়েব হোস্টিং টিউটোরিয়াল এর ধারাবাহিক পর্ব । আজ আমি আলোচনা করবো ওয়েব হোস্টিং নিয়ে । এখন, কথা না বাড়িয়ে চলুন আলোচনা শুরু করা যাক;
মনে করুন, আপনি একজন ওয়েব ডেভেলপার । আপনি আপনার কম্পিউটার এ একটি ওয়েব সাইট তৈরি করলেন । এখন আপনার ওয়েবসাইট সকলের নিকট প্রদর্শন করাতে চান, এখন তা কিভাবে করাবেন?

ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রদর্শন করতে পারবেন । আপনি যখন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন তখন সেই ওয়েবসাইটের কিছু ফাইল থাকে এবং ফাইলসমূহ ওয়েব সার্ভার এ আপলোড করা থাকে । অর্থাৎ, আপনার ওয়েবসাইটের সকল কন্টেন্ট ওয়েব হোস্টিং এ হোস্ট করা করা থাকে । ওয়েব সার্ভার হচ্ছে একটা কম্পিউটার এর মত । যেখানে আপনার ওয়েবসাইট এর কন্টেন্টসমূহ ২৪/৭ অনলাইন এ আপলোড থাকে । এতে, ভিজিটর যখন ইচ্ছে ওয়েবসাইট এ ভিজিট করতে পারে ।

যারা ওয়েব হোস্টিং সেবা প্রদান করেন তাদের বলা হয় হোস্টিং প্রভাইডার । যারা ওয়েব হোস্টিং নিতে চান তারা হোস্টিং প্রভাইডারের নিকট নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে হোস্টিং নিয়ে থাকেন । এরপর, ওয়েব হোস্টিং প্রভাইডার গ্রাহককে একটি কন্ট্রোল প্যানেল দিয়ে থাকেন যার মাধ্যমে ওয়েব সাইট পরিচালনা করা হয় । ওয়েব হোস্টিং এর পরিমান উপর ভিত্তি করে টাকার পরিমান নির্ধারণ করা হয় । এক্ষেত্রে, আপনার যতটুকু ডিস্কস্পেস প্রয়োজন হবে ততটুকু ক্রয় করতে পারেন । এসব নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে ।

আজ এ পর্যন্তই আগামী টিউটোরিয়াল এ ওয়েব হোস্টিং এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করবো ।

https://goo.gl/TkX7Zj

18/04/2016

আপনি ইকমার্স উদ্যোক্তা? আপনি কি অধিক মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্ট পৌঁছে দিতে চান? তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন আমাদের ফেসবুক এড সার্ভিস। আমরা আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি।

বর্তমানে ফেসবুক পলিসির কারণে মাত্র ৫% মানুষের কাছে পোস্ট রিচ হয়। তাই দেখা যায় ৫ লাখ লাইক ওয়ালা একটা পেজে রিচ হয় মাত্র কয়েক হাজার। এ কারণে মার্কেইং এর জন্য ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে হয়। আপনি নিশ্চিন্তে আমাদের মাধ্যমে আপনার পেজ বুস্ট করাতে পারেন।

আমাদের কাছে পাবেন মাত্র ১০০ টাকায় ১ ডলার।
অর্ডার করতে পেজে মেসেজ করুন বা কল করুন 01752 805798

13/04/2016

ভুমিকম্প কেন হয়?
আবু হুরাইরা (রা.) কতৃক বর্ণিত, আল্লাহর নবি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে, কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে কিন্তু তার খিয়ানত করা হবে (অর্থাৎ যার সম্পদ সে আর ফেরত পাবে না), জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে, ধর্মীয় শিক্ষা ব্যতীত বিদ্যা অর্জন করা হবে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে কিন্তু তার মায়ের সাথে বিরূপ আচরণ করবে, বন্ধুকে কাছে টেনে নিবে আর পিতাকে দূরে সরিয়ে দিবে, মসজিদে উচ্চস্বরে শোরগোল (কথাবার্ত) হবে, জাতির সবচেয়ে দূর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসক রুপে আবির্ভূত হবে, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি জনগণের নেতা হবে, একজন মানুষ যে খারাপ কাজ করে খ্যাতি অর্জন করবে তাকে তার খারাপ কাজের ভয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হবে, বাদ্যযন্ত্র এবং নারী শিল্পীর ব্যাপক প্রচলন হয়ে যাবে, মদ পান করা হবে (বিভিন্ন নামে মদ ছড়িয়ে পড়বে), শেষ বংশের লোকজন তাদের পূর্ববর্তী মানুষগুলোকে অভিশাপ দিবে, এমন সময় আসবে যখন তীব্র বাতাস প্রবাহিত হবে তখন একটি ভূমিকম্প সেই ভূমিকে তলিয়ে দিবে (ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে বা পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাবে)। [তিরমিযি কতৃক বর্ণিত, হাদিস নং – ১৪৪৭] এই হাদিসের মাঝে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে যে আল্লাহ মহানের পক্ষ থেকে জমিনে কখন ভুমিকম্পের আজাব প্রদান করা হয় এবং কেন প্রদান করা হয়।

আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম (রহ.) বলেন, মহান আল্লাহ মাঝে মাঝে পৃথিবীকে জীবন্ত হয়ে উঠার অনুমতি দেন, যার ফলে তখন বড় ধরণের ভূমিকম্প অনুষ্ঠিত হয়। তখন এই ভূমিকম্প মানুষকে ভীত করে। তারা মহান আল্লাহর নিকট তাওবা করে, পাপ কর্ম ছেড়ে দেয়, আল্লাহর প্রতি ধাবিত হয় এবং তাদের কৃত পাপ কর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে মুনাজাত করে। আগেকার যুগে যখন ভূমিকম্প হত, তখন সঠিক পথে পরিচালিত সৎকর্মশীল লোকেরা বলত, ‘মহান আল্লাহ আমাদেরকে সতর্ক করেছেন।’

বিজ্ঞান কী বলে?
ভূতত্ত্ব বিজ্ঞানের আলোকে ভূপৃষ্ঠের নীচে একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় রয়েছে কঠিন ভূত্বক। ভূত্বকের নীচে প্রায় ১০০ কি.মি. পূরু একটি শীতল কঠিন পদার্থের স্তর রয়েছে। একে লিথোস্ফেয়ার (Lithosphere) বা কঠিন শিলাত্বক নামে অভিহিত করা হয়। আমাদের পৃথিবী নামের এই গ্রহের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, কঠিন শিলাত্বক (লিথোস্ফেয়ার)সহ এর ভূপৃষ্ঠ বেশ কিছু সংখ্যক শক্ত শিলাত্বকের প্লেট (Plate) এর মধ্যে খন্ড খন্ড অবস্থায় অবস্থান করছে। ভূতত্ত্ব বিজ্ঞানের আলোকে এই প্লেটের চ্যুতি বা নড়া-চড়ার দরুণ ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

ভুমিকম্প বিষয়ক কোরানতত্ত্ব
ভূমিকম্প বিষয়ে পবিত্র কোরানে সূরায়ে ‘যিলযাল’ নামে একটি সূরাই নাযিল করা হয়েছে। মানুষ শুধু কোন ঘটনা ঘটার কার্যকারণ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয় এবং ভূতত্ত্ববিজ্ঞানও এই কার্যকারণ সম্পর্কেই আলোচনা করে থাকে। কিন্তু কুরআনুল কারীম একই সাথে কোন ঘটনা ঘটার কার্যকারণ বর্ণনার পাশাপাশি উক্ত ঘটনা থেকে শিক্ষনীয় বিষয় কি এবং এই ঘটনা থেকে অন্য আরো বড় কোন ঘটনা ঘটার সংশয়হীনতার প্রতি ইংগিত করে। ভূমিকম্প বিষয়ে কুরআনুল কারীমে দু’টি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। একটি হল ‘যিলযাল’, যার অর্থ হল একটি বস্তুর নড়াচড়ায় অন্য আরেকটি বস্তু নড়ে ওঠা। দ্বিতীয় শব্দটি হল ‘দাক্কা’, এর অর্থ হল প্রচন্ড কোন শব্দ বা আওয়াজের কারণে কোন কিছু নড়ে ওঠা বা ঝাঁকুনি খাওয়া। পৃথিবীতে বর্তমানে যেসব ভূমিকম্প ঘটছে, তা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কঠিন শিলাত্বকে চ্যুতি বা স্থানান্তরের কারণে। কিয়ামতের দিন আরেকটি ভূমিকম্পে পৃথিবী টুকরো টুকরো হয়ে ধুলিকনায় পরিণত হবে এবং তা হবে ফেরেশেতা হযরত ইসরাফিলের ( আ.) সিঙ্গায় ফুৎকারের কারণে, যাকে বলা হয় ‘দাক্কা’। যা হবে এক প্রচন্ড আওয়াজ।

পৃথিবীতে মাঝে মাঝে কঠিন শিলাত্বকের স্থানান্তরের কারণে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্প আমাদেরকে এ কথার প্রতি ইংগিত করে যে, একদিন ওই ‘দাক্কা’ সংঘটিত হবে, যার নাম কেয়ামত। তখন এই চাকচিক্যময় দুনিয়ার সবকিছুই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হবে। মানুষ যেন কিয়ামতকে ভুলে না যায়, দুনিয়াকেই তার আসল ঠিকানা মনে না করে, তাই মাঝে মাঝে মহান আল্লাহ ভূমিকম্পসহ আরো অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগ দিয়ে মানুষকে সতর্ক করে থাকেন।

ভুমিকম্প একটি আজাব
আল্লাহ মহান পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন, বল, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর, তোমাদের উপর থেকে (আসমান থেকে) অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম, অথবা তিনি তোমাদের দল-উপদলে বিভক্ত করে একদলকে আরেক দলের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাতেও সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।” (সূরা আল আনআম : ৬৫)

আল-বুখারি তার সহিহ বর্ণনায় জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তোমদের উপর থেকে (আসমান থেকে) নাজিল হলো তখন রাসূল (স) বললেন, আমি তোমার সম্মূখ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, অথবা যখন, অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব নাযিল হলো, তখন তিনি (সা.) বললেন, আমি তোমার সম্মূখ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহিহ বুখারি, ৫/১৯৩)

আবূল-শায়খ আল-ইস্পাহানি এই আয়াতের তাফসিরে বর্ণনা করেন, “বল, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর, তোমাদের উপর থেকে (আসমান থেকে)- যার ব্যাখ্যা হলো, তীব্র শব্দ, পাথর অথবা ঝড়ো হাওয়া; আর অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম- যার ব্যাখ্যা হলো, ভুমিকম্প এবং ভূমি ধ্বসের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাওয়া।)

বান্দার ওপর আজাব কেন আসে?
হজরত আলী [রা.] হতে বর্ণত রসুল [সা.] ইরশাদ করছেন, যখন আমার উম্মত যখন ১৫ টি কাজে লিপ্ত হতে শুরু করবে তখন তাদের প্রতি বালা মসীবত আপাতিতি হতে আরম্ভ করবে।কাজগুলো হল
১. গণীমতের মাল ব্যাক্তিগত সম্পদে পরিণিত হবে।
২. আমানতের সম্পদ পরিনত হবে গনীমতের মালে।
৩. জাকাত আদায় করাকে মনে করবে জরিমানা আদায়ের ন্যায়।
৪. স্বামী স্ত্রীর বাধ্য হবে।
৫. সন্তান মায়ের অবাধ্য হবে।
৬. বন্ধু-বান্ধবের সাথে স্বদব্যাবহার করা হবে।
৭. পিতার সাথে করা হবে জুলুম।
৮. মসজিদে উচ্চস্বরে হট্টোগোল হবে
৯. অসাম্মানী ব্যাক্তিকে জাতির নেতা মনে করা হবে।
১০. ব্যাক্তিকে সম্মান করা হবে তার অনিষ্ট থেকে বাচার জন্য।
১১. প্রকাশ্যে মদপান করা হবে।
১২. পুরুষ রেশমী পোষাক পরবে।
১৩. গায়িকা তৈরি করা হবে।
১৪. বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হবে।
১৫.পুর্ববর্তী উম্মতদের (সাহাব, তাবে, তাবেঈন) প্রতি অভিসমাপ্ত করবে পরবর্তীরা।

এই কাজগুলি যখন পৃথিবীতে হতে শুরু হবে তখন অগ্নীবর্ষী প্রবল ঝড়, ভুমিকম্প ও কদাকৃতিতে রূপ নেয়ার অপেক্ষা করবে। এখন একটু চিন্তা করা উচিত যে আমরা এগুলোর মাঝেই লিপ্ত রয়েছি। আর যখন আমাদের উপর মুসীবত আসে তখন প্রকৃতির বা মানুষের বা অন্যান্য জিনিসের দোষ দেই। আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত যে সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন আমরা হই তা আসলে আমাদের গুনাহের কারনেই এত আযাব।

ভুমিকম্প হলে করনীয় কি?
যখন কোথাও ভূমিকম্প সংগঠিত হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয়, ঝড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন মানুষদের উচিত মহান আল্লাহর নিকট অতি দ্রুত তওবা করা, তাঁর নিকট নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা এবং মহান আল্লাহকে অধিকহারে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা যেভাবে রাসূল (সা.) সূর্য গ্রহণ দেখলে বলতেন, যদি তুমি এরকম কিছু দেখে থাক, তখন দ্রুততার সাথে মহান আল্লাহকে স্মরণ কর, তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। [বুখারি ২/৩০ এবং মুসলিম ২/৬২৮]

বর্ণিত আছে যে, যখন কোন ভূমিকম্প সংগঠিত হতো, উমর ইবনে আব্দুল আযিয (রহ) তার গভর্ণরদের দান করার কথা লিখে চিঠি লিখতেন।

ভুমিকম্প একটি কেয়ামতের আলামত
আবূল ইয়ামান (রহ.) আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি [সা.] বলেছেন, কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্‌ম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভুমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। [সহিহ বুখারি, অধ্যায় : ১৫/ বৃষ্টির জন্য দুআ, হাদিস নাম্বার : ৯৭৯]

পবিত্র কোরানের একাধিক আয়াতে বলা হয়েছে যে, জলে স্থলে যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয় তা মানুষেরই কৃতকর্মের ফল। আল্লাহপাক মানুষের অবাধ্যতার অনেক কিছুই মাফ করে দেন। তারপরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। কোরান নাজিল হওয়ার পূর্বেকার অবাধ্য জাতি সমূহকে আল্লাহপাক গজব দিয়ে ধ্বংস করেছেন। সে সবের অধিকাংশ গজবই ছিল ভুমিকম্প। ভুমিকম্প এমনই একটা দুর্যোগ যা নিবারন করার মতো কোন প্রযুক্তি মানুষ আবিষ্কার করতে পারে নাই। এর পূর্বাভাষ পাওয়ার মতো কোন প্রযুক্তিও মানুষ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনাই। হাদিস শরীফেও একাধিকবার বলা হয়েছে যে, মানুষের দুষ্কর্মের জন্যই ভুমিকম্পের মতো মহা দুর্যোগ ডেকে আনে। কুরআন এবং হাদিসে আদ, সামুদ, কওমে লুত এবং আইকার অধিবাসীদের ভুমিকম্পের দ্বারা ধ্বংস করার কাহিনী বিভিন্ন আঙ্গিকে বর্ণনা করা হয়েছে।

একটু ভাবুন তো...
সামান্য এই ভূমিকম্পেই সম্পদের মায়া ছেড়ে আমরা রাস্তায় নামছি। এটা যখন আরো বাড়বে, তখন সম্পর্কের মায়াও ছেড়ে দেবো আমরা। নিজেকে বাচানোর চেষ্ঠায় ব্রতী হবো সবাই। যখন তা রচাইতেও আরো বাড়বে তখন যেই মা দুধ খাওয়াচ্ছেন তিনিও তার বাচ্চাকে ছুড়ে ফেলে দেবেন, গর্ভের শিশুকেও বের করে দেবেন। ভূমিকম্পের সময় কে কি বস্থায় ছিলাম, কে টের পেয়েছে, কে টের পায়নি, চেয়ার টেবিল নড়ছিলো কিনা, ফ্যান দুলছিলো কিনা- এই সব গবেষণা পরে করলেও হবে। আগে করা দরকার তওবা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। সবচেয়ে বড় কথা হল, এটি আল্লাহ কর্তৃক একটি নিদর্শন। যাতে করে মানুষ স্বীয় অপরাধ বুঝতে সক্ষম হয়। ফিরে আসে আল্লাহর পথে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আন্তরিকতার সাথে খাটি তওবা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

12/04/2016

লগারের সাফল্যের মূলমন্ত্র
আমি এর আগে ব্লগ কি ও ব্লগার কি এ নিয়ে আলোচনা করেছি। নতুন করে এটি আর আলোচনা করতে চাইনা। কমবেশি আমরা যারা অনলাইনে টাকা আয় করতে চাই তারা সকলই ব্লগ নিয়ে মাতামাতি করে কিন্তু ক' জনে ব্লগ নিয়ে সাফল্য পায়। সত্যি কথা কি আমরা টাকা আয় করতে চাই ঠিকই কিন্তু বুঝেশুনে লক্ষ্য স্থির না রেখেই পা বারাই। ধরুন বিজ্ঞাপনে লেখা আছে যে, বাড়ি বসে আয় বা ঘড়ে বসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করুন। আর তখনি অনেকে ছোটা ছুটি করে কাজটি করার জন্য, অনেকে ওর মধ্যে কাজে লেগেও জায়, কিন্তু কিছু দিন পর লক্ষ্য করা যায় ১০০ জনের মধ্যে ৭০ জন কেটে পরে। আর তারপরও যে ৩০ জন থাকল তার মধ্যে যারা লেগে থাকে তারাই সাফল্য পায়। তাই কাজে ধর্য্য না থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন। পরিশ্রমই সাফল্যে মূল চাবি কাঠি। আজ আমি এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানব কিভাবে একজন সফল ব্লগার হওয়া যায়, সে সম্পর্কে কিছু টিপস-
ব্লগারের সাফল্য

১। ব্লগের মান উন্নয়ন করুনঃ-
সবার আগে আপনাকে ব্লগের মানের উপর নজর দিতে হবে। ব্লগের মান উচু না হলে অযথা অর্থ উপার্জনের পেছনে ছুটলে কিছু হবে না। ব্লগের মান উচু করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে, আপনার ব্লগই বলে দিবে এখন বিজ্ঞাপন দেবার সময়। নতুন ব্লগ থেকে কক্ষনই আয় করা যায়না ।কেননা অ্যাডসেন্স কক্ষনোই নতুন ব্লগ এপ্রুভ করে না।
২। নিজের লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করুনঃ-
আমরা সবাই দক্ষ ব্যক্তিকে আগের সারিতে রাখার চেষ্টা করি। ব্লগের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। লেখার দক্ষতার উপরে নির্ভর করে আপনি কি ধরনের পর্যায়ে যেতে পারেন। একজন সফল ব্লগার তার লেখার মধ্যেই প্রতেক্ষ ও পরোক্ষভাবে সবকিছু ফুটিয়ে তুলতে পারে। তাই লেখার দক্ষতা না থাকলে আপনি ব্লগিং জগতে সফল পাবেন না। সর্বদা চেষ্টা করুন নিজের মানকে আরেকটু ভালোপর্যায়ে নিয়ে যেতে। লিখতে থাকুন দক্ষতা একদিন হবেই। কেননা দক্ষতা একবারে আসবে না।
৩। নিয়মানুবর্তিতা আবশ্যকঃ-
নিয়মানুবর্তিতা প্রত্যেক কাজকে সাফল্য এনে দেয়। ব্লগের ক্ষেত্রেও তাই। কিন্তু একজন সফল ব্লগারকে প্রয়োজনের তুলনায় আরও বেশি সুশৃঙ্খল হতে হবে। আপনি যদি সফল ব্লগার হতে চান তবে আপনাকে একটি সময় সারণী অনুসারে প্রতেহ কাজ করতে হবে। কারন একজন ব্লগারের কাজ শুধু ব্লগ লেখাই নয় তাকে অন্যের লেখা ব্লগে অংশ নিতে হবে। সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটে সময় ব্যয় করা উচিৎ ও অন্য নিবন্ধের উপর মন্তব্য প্রদান করা উচিৎ। আমি সবসময় নতুন কিছু শিখতে প্রস্তুত- এধরনের মানসিকতা একজন সফল ব্লগারকে থাকতে হবে। অর্থাৎ সফল ব্লগারকে নিয়মিত শিক্ষার্থীর ভুমিকা পালন করতে হবে।
৪। লেখার মাঝে ভালোবাসা থাকতে হবেঃ-
আপনি যা লেখবেন তার মধ্যে যথেষ্ট ভালোবাসার ছোঁয়া থাকতে হবে। যদি আপনার লেখার উপার ভালোবাসা না থাকে ,তবে আপনি পাঠকের কাছে পৌছাতে পারবেন না। আপনি কি লিখতে ভালবাসেন সেটার উপর গুরত্ব দেওয়া জরুরী। যারা লিখতে ভালবাসে তাদের লেখার মাঝেই তা বুঝতে পারা যায়। আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ের উপর লিখুন,অন্যথায় আপনার লেখার মাঝে কোন আবেগ দেখা যাবে না। উদাহরণ সরূপ- আপনি কবিতা পরতে ভালোবাসেন তো বিভিন্ন কবিতা নিয়ে লেখুন।
৫। সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করতে হবেঃ-
ব্লগিং এর পাশাপাশি সামাজিক সাইটগুলিতে নিজের ভুমিকা স্পষ্ট করে তুলতে হবে। কেননা বর্তমানে সামাজিক মিডিয়াগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। একজন সফল ব্লগারের সামজিক সাইটগুলিতে প্রচুর বন্ধু থাকে।
৬। নির্বোধের মতো ভুল করবেন নাঃ-
ভুল করা মানুষের স্বভাব, ভুল মানুষকে শিক্ষা দেয়। কিন্তু একই ভুল বারবার করাকেই নির্বোধ বলে। তাই একজন সফল ব্লগারকে এ ব্যপারে সতর্ক থাকতে হবে। আপনি যদি সফলতার স্বাদ নিতে চান, তবে আপনাকে আগামীতে অবশ্যই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে যেন এ ধরনের ভুল না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
৭। আপনাকে সৃজনশীল ব্যক্তি হতে হবেঃ-
আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে। কেননা সৃজনশীল লেখা সবাই পছন্দ করে। সৃজনশীল লেখা সর্বদা পাঠকের মন আকৃষ্ট করে। একজন সফল ব্লগারের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক রাস্তা হবে যদি একজন ব্লগার সৃজনশীলতার পরিচয় দেন।
৮। আত্মবিশ্বাস গড়ুনঃ-
সফলতা আপনাআপনি এসে ধরা দেয় না একে কেরে নিতে হয়। সফলতার যদি কোনো মূলমন্ত্র থাকে, তা হচ্ছে আত্মবিশ্বাসের অভাব। কেউ যদি ভাবে, ‘আমি পারবো না’ ব্যস! নিশ্চিতভাবে সে ব্যর্থ। কারণ, সে চেষ্টা করে না বা চেষ্টা করার আগেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। বিশ্বাসের মাত্রা হতে হয় খুব দৃঢ়। যদি মনে বিশ্বাস থাকে, লক্ষ্য যতোই কঠিন হোক না কেন সাফল্য নিশ্চিত।
৯। ইতিবাচক মনোভাবঃ
সফল ব্লগারের ইতি বাচক মনোভাব গড়ে উঠা দরকার। মাঝে মাঝে আপনি আপনার ব্লগ থেকে নেতিবাচক মন্তব্য পেতে পারেন। এটাকে খুব স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করা উচিৎ এবং এর জন্য বিতর্কে জড়ানো কক্ষনই উচিৎ নয়। ব্লগিং জগতে অনেক ধরনের মন্তব্য আসতেই পারে,তাই বলে থেমে থকলে চলবেনা। কেননা সমস্যা সৃষ্টি হয় সমাধানের জন্যে।
১০। ধৈর্য ও মানসিক প্রশান্তিঃ
সবশেষে যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটি হল অসীম ধৈর্য ও মানসিক প্রশান্তি। যদি একজন সফল ব্লগার হতে চান, তবে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে এবং কাজে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতে হবে। ধৈর্যশীলতা আপনাকে নতুন কাজের আগ্রহ জন্ম দেবে এবং প্রশান্তি বজায় থাকলে আপনার কাজটিকে একঘেঁয়ে মনে হবে না। ব্যর্থতা আসতেই পারে, তবে হাল ছাড়বেন না। অসীম ধৈর্য নিয়ে চেষ্টা করে যান। সফলতা ঠিক একদিন হাতের মুঠোয় এসে ধরা দেবে।

পরিশেষে বলা যায়, আপনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে, আপনার স্বপ্নকে আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করে সুনিশ্চিত পরিকল্পনা, কর্মতত্পরতা ও দক্ষতা রেখে সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের মেধাকে মূল্যায়ন করে একজন সফল ব্লগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

10/04/2016

রাউটার ব্যবহারকারীরা যে ৭টি বিষয় দেখবেন।

অনেকেই বাড়িতে ওয়াই-ফাই রাউটার ব্যবহার করে থাকেন। সুতরাং রাউটার ঠিকঠাক কাজ না করলে কী করতে হবে, কীভাবে ভালো কানেকশন মিলবে, সে বিষয়টি জেনে রাখা ভালো।



বাড়িতে ওয়াই-ফাই ব্যবহারকারীদের জন্য ওয়াই-ফাই এর ভালো কানেক্টেভিটি পাওয়ার উপায়, নিরাপত্তাসহ বেশ কিছু পরামর্শ নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। জেনে নিন সেগুলো।



* রাউটার রাখতে হবে ঠিক জায়গায়: ঘরে ওয়াই-ফাই কভারেজ ঠিকঠাক পাচ্ছেন না? আপনার বাড়িতে রাউটার ঠিক জায়গায় বসানো আছে তো? জেনে রাখুন, হোম রাউটারের রেঞ্জ হচ্ছে ১০০ ফুট। ফলে রাউটার বসানোর জায়গাটি সেন্ট্রাল লোকেশনে হলে ভালো। দেওয়াল থেকে যতটা দূরে রাখা যায়। মাথায় রাখতে হবে, আয়না বা বৈদ্যুতিক সামগ্রীর কাছে যাতে না-থাকে। এগুলো খেয়াল রাখলে, সিগন্যাল ভালো পাবেন। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, রাউটার উঁচুতে রাখুন।



* একটু বড় অ্যান্টেনা কিনুন: রাউটার কেনার সময় অ্যান্টেনা কেমন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আপনার রাউটারের সঙ্গে যে অ্যান্টেনা পাচ্ছেন, তা ভালো নাও হতে পারে। কারণ সস্তায় দিতে গিয়ে, অনেক সময়ই ভালো অ্যান্টেনা দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে ভালো হয়, যদি আপনার রাউটারের সঙ্গে মানানসই অ্যান্টেনা আলাদা করে কিনে নেন। বা বুস্টার অ্যান্টেনাও কিনতে পারেন। তাতে রেঞ্জের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই এর শক্তিও বাড়বে।



* রাউটার সফটওয়্যার: রাউটারের মধ্যেই সফটওয়্যার সেটিং থাকে। অনেক সময়ই আমরা তা খেয়াল করি না। বা করলেও ভ্রুক্ষেপ করি না। ভালো কানেকশান পেতে হলে, রাউটার সেটিং-এ ঢুকো প্রয়োজনীয় সেটিংস চেঞ্জ করতে হবে। মনে রাখবেন, বেশিরভাগ রাউটারই কিন্তু ডিফল্ট চ্যানেলে কাজ করে। সেক্ষেত্রে একই ব্রডকাস্ট চ্যানেলের মধ্যে অনেকগুলো রাউটার কাজ করলে, কানেকশান ভালো পাবেন না। আপনার রাউটারে ঢুকে তাই আগে সেটিংস ঠিক করুন।



* ঘরে রিপিটার ইনস্টল করুন: কানেকশন ভালো পাওয়ার জন্য রিপিটার ইনস্টল করতে পারেন। রিপিটারের কাজ হল, আপনার ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে সিগন্যাল নেওয়া। তারপর, সেটাতে সামনে ঠেলে রেঞ্জটাকে বাড়ানো। স্মার্টফোন ওয়াল প্লাগের মাপে কমপ্যাক্ট রিপিটার বাজারে পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে যেটা মাথায় রাখতে হবে, রাউটার এবং রিপিটারের যেন একই ওয়াই-ফাই এসএসআইডি নাম হয়। এরপর রাউটারের আইপি অ্যাড্রেস কনফিগার করতে হবে। স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস ঠিক করতে হবে।



* থার্ড-পার্টি হ্যাকস: রাউটারের সিগন্যাল ও কভারেজ এরিয়া বাড়ানোর জন্য দুটো থার্ড-পার্টি হ্যাক প্রয়োগ করতে পারেন। প্রথমটা হল, সফট ড্রিংকের অ্যালুমিনিয়াম ক্যান। ক্যানটি প্যারাবোলিক আকারে কেটে ফেলুন। সেটা রাউটার অ্যান্টেনার কাছে রাখুন। ক্যান না-থাকলে, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।



* রাউটার সিকিউরিটি: রাউটার পাল্টে নতুন লাগালে, প্রয়োজনীয় সেটিংসটাও চেঞ্জ করে ফেলতে হবে। তার জন্য প্রথমেই রাউটারের আইপি অ্যাড্রেস জানাটা জরুরি। উইন্ডোজ পিসির জন্য কম্যান্ড প্রম্পট (Win+R then type cmd) খুলুন। সেখানে টাইপ করুন ipconfig। আইপি কনফিগারিং খুলে গেলে, ‘ডিফল্ট গেটওয়ে’ আইপি অ্যাড্রেসে যেতে হবে। আর ম্যাক হলে, খুলতে হবে Network eway আইপি অ্যাড্রেস। এরপর নেটওয়ার্ক পারফরমেন্সে গিয়ে আইপি অ্যাড্রেস কপি করুন। এরপর ওয়েব ব্রাউজারে রাউটারের আইপি অ্যাড্রেস টাইপ করলে, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড চাইবে। সাধরণত, অ্যাডমিন ও পাসওয়ার্ড বা দুটোতেই অ্যাডমিন লিখলেই চলে যায়। যদি না তা আগে পরিবর্তন হয়ে থাকে। ওয়াই-ফাই এর নাম, সিকিউরিটি ও পাসওয়ার্ড পরেও বদলানো যায়। আরও সিকিউর নেটওয়ার্কের জন্য WPA2-AES বেছে নিন। আপনি বেছে নিতে পারেন stop broadcasting the Wi-Fi networkটিও। সেক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের নাম কোনো ডিভাইসে দেখাবে না। ম্যানুয়ালি কানেক্ট করতে হলে, ওয়াই-ফাই এর নাম ও পাসওয়ার্ড আপনাকে জানতে হবে। বেশির ভাগ রাউটারে MAC ID filtering-এর সেটিং রয়েছে।



* আপনার ওয়াই-ফাই লক করুন: হতেই পারে আপনার কোনো বা কিছু বন্ধুকে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দিয়ে রেখেছেন। বা প্রতিবেশী কেউ আপনার অনুমতি ছাড়াই দিব্য আপনার ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছে। তা যাতে না-হয়, সে জন্য আপনার ওয়াই-ফাইকে লক করতে হবে। Wireless Network Watcher ডাউনলোড করে নিলে সহজেই ধরতে পারবেন। তবে শুধুমাত্র উইন্ডোজেই এটা কাজ করে। কানেক্ট হওয়া প্রত্যেকটা ডিভাইজের নাম দেখিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে তাদের আইপি অ্যাড্রেসও। এটা কাজ না করলে, রাউটার সেটিং পেজে গিয়ে, কানেক্টেড ডিভাইসে যান।

Address

House# 154/B, Road# 02, Block/A, Mirpur/12
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Angel Hosting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Angel Hosting:

Share