APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH

APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH, Software Company, H: 147, Ashkona, Dakshinkhan, Uttara, Dhaka.

04/01/2019
“তুমি এত বোকা যে তুমি জীবনে কিছুই শিখতে পারবে না”"এখনও জ্বলছে টমাস আলভা এডিসনের নিজের হাতে তৈরি সেই বৈদ্যুতিক বাতি। বাতি...
21/12/2018

“তুমি এত বোকা যে তুমি জীবনে কিছুই শিখতে পারবে না”

"এখনও জ্বলছে টমাস আলভা এডিসনের নিজের হাতে তৈরি সেই বৈদ্যুতিক বাতি। বাতিটির বয়স ১৩০ বছর। এটিই পৃথিবীর প্রাচীনতম বৈদ্যুতিক বাতি।"

টমাস আলভা এডিসন। বিখ্যাত বিজ্ঞানী। বৈদ্যুতিক বাতি, কিন্টোগ্রাফ ও ফোনোগ্রাফ তাঁর বিখ্যাত আবিষ্কারগুলোর কয়েকটি, যা মানুষের জীবনযাপনকে আমূল পাল্টে দিয়েছিল। ১৯৩১ সালে মারা যাওয়ার আগে হাজারখানেক প্যাটেন্ট ছিল তাঁর নামে। কিন্তু ছোটবেলায় কেমন ছিলেন এডিসন? তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠার দিনগুলোর কথা জেনে নিই চলো।
১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওর মিলানে জন্ম নেন এডিসন। বাবা স্যামুয়েল ও মা ন্যান্সি এডিসনের সবচেয়ে ছোট এবং সপ্তম সন্তান ছিলেন এডিসন। এডিসনের বাবা ছিলেন কানাডা থেকে নির্বাসিত একজন রাজনৈতিক কর্মী।
স্কুলশিক্ষিকা মায়ের প্রভাব অনেক বেশি ছিল এডিসনের ওপরে। অল্প বয়সেই জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে দুই কানেই কম শুনতেন এডিসন। বড় হতে হতে একরকম বধির হয়ে যান তিনি। ছোটবেলায় এটার জন্য নানা সমস্যায় পড়লেও বড় হয়ে সবার কাছে আজগুবি সব গল্প বানিয়ে বলতেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় কানে আঘাত পাওয়ার পর থেকে কানে কম শুনতেন- এমনটাই সবাইকে বলতেন এডিসন।
১৮৫৪ সালে এডিসনের পরিবার মিশিগানের পোর্ট হুরনে চলে যায়। সেখানেই স্কুলে যোগ দেন এডিসন কিন্তু তিন মাসের বেশি স্কুলে টিকতে পারেননি তিনি। পড়ালেখায় মনোযোগ নেই বলে তাঁর ওপর খুব বিরক্ত হতেন শিক্ষকরা। স্কুলে থাকতে তাঁকে বলা হয়েছিলো যে, “তুমি এত বোকা যে তুমি কিছুই শিখতে পারবে না”। শিক্ষকদের এই বিরূপ আচরণ ছোট্ট এডিসনের মনে যেন খারাপ প্রভাব না ফেলে সেজন্য স্কুল থেকে ছাড়িয়ে এনে এডিসনের শিক্ষিকা-মা বাসায় বসেই তাঁকে পড়ানো শুরু করেন।
বার বার ব্যর্থতার পরেও তিনি মুষড়ে পড়েননি। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রচুর বই পড়ে ফেলেন এডিসন। জ্ঞানচর্চায় তাঁর আগ্রহ প্রকাশ পায়। বাকি জীবন অন্যদের উৎসাহ দিয়েছেন স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার।
১২ বছর বয়সে এডিসন ভাবলেন তিনি যা শিখেছেন, সেগুলোকে কাজে লাগানো উচিত। বাবা-মায়ের কাছে অনুমতি চাইলেন বাড়ির কাছে গ্র্যান্ড ট্র্যাংক রেইল রোড লাইনে পত্রিকার হকার হিসেবে কাজ করার। হকার হিসেবে কিছুদিন কাজ করার পর এডিসন নিজেই ‘গ্র্যান্ড ট্রাংক হেরাল্ড’ নামের ছোট একটি পত্রিকা বের করা শুরু করেন। একদম নতুন তরতাজা খবর থাকায় ট্রেনযাত্রীরা এডিসনের পত্রিকা পড়া শুরু করেন।
নানা বিষয়ে আগ্রহ থাকার কারণে এডিসন নতুন কিছু পেলেই খুঁটিয়ে দেখতেন। একদিন তিন বছর বয়সী একটা বাচ্চাকে চলন্ত টেনে কাটা পড়া থেকে রক্ষা করেন এডিসন। সেই শিশুটির বাবা ছিলেন টেলিগ্রাফ অপারেটর। তাঁর কাছ থেকেই টেলিগ্রাফ চালানো শিখে নেন এডিসন।
১৫ বছর বয়সে টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে কাজ করা শুরু করেন এডিসন। পরের পাঁচ বছর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করেন তিনি। এর মধ্যেই টেলিগ্রাফ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর লেখাপড়া ও গবেষণা করেন তিনি।
১৮৬৬ সালে ১৯ বছর বয়সে কেন্টাকির লুইসভিলে চলে যান এডিসন। সেখানে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হয়ে কাজ শুরু করেন। রাতের পালায় ডিউটি থাকায় সে সময় তিনি লেখাপড়া এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করতেন।
১৮৬৮ সালে এডিসনের বাবা-মা দুজনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের দেখতে বাড়িতে ফিরে যান এডিসন। বুঝতে পারেন এখন থেকে নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে। বাড়ি থেকে এডিসন চলে যান বোস্টনে। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন কোম্পানির হয়ে কাজ শুরু করেন। সে সময় বোস্টন ছিল আমেরিকার বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম কেন্দ্র।
এডিসন এই সুযোগটাকে কাজে লাগান। কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরির কাজে হাত দেন। এভাবেই তৈরি করে ফেলেন ইলেকট্রনিক ভোটিং রেকর্ডার, যার মাধ্যমে খুব অল্প সময়েই সুষ্ঠুভাবে ভোট গণনা করা যেত। ধীরে ধীরে বোস্টনে এডিসনের পরিচিতি বাড়তে থাকে। তাঁর উদ্ভাবিত পণ্য মানুষ কিনতে শুরু করে এবং এডিসন আরো নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। টমাস আলভা এডিসন এর আবিষ্কার ‘বিদ্যুৎ’ পৃথিবীতে এক নতুন যুগের সূচনা করে। তিনি হাজারবার চেষ্টা করার পর ‘ইলেকট্রিসিটি’ আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।এখনও জ্বলছে টমাস আলভা এডিসনের নিজের হাতে তৈরি সেই বৈদ্যুতিক বাতি। বাতিটির বয়স ১৩০ বছর। এটিই পৃথিবীর প্রাচীনতম বৈদ্যুতিক বাতি।

Ref: ntvbd, jugantor, anandanongmin

বন্ধুর ধারের টাকায় চলত দিনঘুমাতেন পার্কের বেঞ্চে,তিনি আর কেউ ননবলিউড বাদশা শাহরুখ খান।শাহরুখ খান। কিং খান বা বলিউড বাদশা...
15/12/2018

বন্ধুর ধারের টাকায় চলত দিন
ঘুমাতেন পার্কের বেঞ্চে,
তিনি আর কেউ নন

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান।

শাহরুখ খান। কিং খান বা বলিউড বাদশাহ নামেই তাকে চেনেন সবাই। এখন দুনিয়াজুড়ে তার জনপ্রিয়তা। অর্থ-বিত্তের কোনো কমতি নেই। ক্ষমতাবান তারকাদের একজন। কিন্তু তাকেও দরিদ্রতার পথ মাড়িয়ে আজ এখানে আসতে হয়েছে। কাজের খোঁজে যখন মুম্বাই আসেন তখন পকেটে নেই কানাকড়ি। নেই থাকার জায়গা। ঘুমুতে হতো পার্কের বেঞ্চে। কিন্তু পেট যে চালাতে হবে। বন্ধুর কাছ থেকে প্রতিদিন বিশ রুপি ধার নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন কাজের খোঁজে। কিন্তু কাজ তো সহজে মেলে না। দিন শেষে খালি হাতে হতাশ শাহরুখ খান ফিরতেন। পার্কের এক কোনায় বসে স্বপ্ন দেখতেন ভাগ্য ফেরার। এভাবেই অভাবে কাটত দিনগুলো। অবশেষে একদিন পেলেন কাজ। না, অভিনয় শিল্পী হিসেবে নয়, দরিয়াগঞ্জের একটি রেস্টুরেন্টে। মিডিয়াতে আসেন এক্সট্রা শিল্পী হয়ে। তার বেতন ধরা হয় মাত্র ৫০ রুপি।

এ ৫০ রুপিই তখন তার কাছে অনেক। বন্ধুর কাছে ধার করে আর কতদিন চলা যায়। শাহরুখ প্রথমে তার নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা পান। সবাই তাকে তখন ভিলেন চরিত্রেই অভিনয়ের উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে রোমান্টিক ছবি দিয়ে তিনি দর্শকের হৃদয়ের সত্যিকারের নায়ক হতে পেরেছিলেন।

জীবনে চলার পথ সব সময় মসৃণ নয়। জীবনের শত প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে চলতে হয়। আজকে এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যারা খ্যাতি, সম্মান ও অর্থ-বিত্তে অনন্য। তাদের জীবনের শুরুটা হয়েছিল একেবারেই সাদামাটা। দরিদ্রতা ও সামাজিক অবস্থান তাদের জীবনের সাফল্যকে রুখতে পারেনি। ঠিকই পৌঁছেছেন সফলতার শীর্ষে। স্বপ্নের সোনার হরিণকে করেছেন মুঠোবন্দী। তারা প্রমাণ করে দিয়েছেন কোনো কাজই ছোট নয়। নিষ্ঠা, সততা আর পরিশ্রমের ফসল তুলেছেন তারা। তাদের এই পথচলা জীবন জয়ের গল্প হয়ে প্রেরণা জোগায় বিশ্ববাসীকে।

Ref: bdprotidin

সবকটা জানালা খুলে দাওনাআমি গাইব গাইব বিজয়েরই গানওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকেভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।।চোখ থেকে ম...
14/12/2018

সবকটা জানালা খুলে দাওনা
আমি গাইব গাইব বিজয়েরই গান
ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে
ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।।
চোখ থেকে মুছে ফেল অশ্রুটুকু
এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই.........

বাংলাদেশে  মটরসাইকেল  কে অনেকে হোন্ডা  বলে থাকেন. আজ জানুন  সেই হোন্ডার  গল্প :---১৯০৬ সালের কথা জাপানের ফুজি পাহাড়ের নি...
08/12/2018

বাংলাদেশে মটরসাইকেল কে অনেকে হোন্ডা বলে থাকেন. আজ জানুন সেই হোন্ডার গল্প :---

১৯০৬ সালের কথা জাপানের ফুজি পাহাড়ের নিচে ছোট্ট একটি গ্রামে জন্ম সইচিরো হোন্ডার। একজন সাইকেল মেরামতকারীর সন্তান হিসেবে বেড়ে ওঠেন সইচিরো হোন্ডা। কাপড় বোনার কাজ করতেন হোন্ডার মা। দিনটি কেমন হবে সেটি যেমন সূর্যের প্রথম কিরণই বলে দেয়, ঠিক তেমনি হোন্ডার ছেলেবেলার কাজকর্ম তার স্বপ্নের কথা জানান দেয়। ছোটবেলা থেকেই কলকব্জা নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন হোন্ডা। হোন্ডাকে যে স্কুলে পড়তে পাঠানো হয়েছিল তাতে ছাত্রছাত্রীদের রিপোর্ট কার্ড বাবা-মায়ের কাছে পাঠানো হতো এই শর্তে যে, পরিবারের যে কোনো অভিভাবক তা দেখবেন এবং দেখে প্রমাণস্বরূপ পারিবারিক সিল দিয়ে আবার ফেরত দেবেন। ছোট্ট হোন্ডার এসব রীতিনীতি ভালো লাগত না। বাবা-মাকে নিজের দুরন্তপনার খবর থেকে দূরে রাখতে নিজেই নিজের অভিভাবক হয়ে গেলেন। সাইকেল মেরামতের সরঞ্জাম থেকে পারিবারিক সিল বানিয়ে ফেলেন। শুধু নিজের জন্যই না, সিল বানিয়েছিলেন অন্য বাচ্চাদের জন্যও। যা পরে ধরা পড়ে যায় একসময়। এমনকি এক স্মৃতিচারণে সইচিরো হোন্ডা বলেছিলেন, ‘তখন কেবল হাঁটতে শিখেছিলেন যখন তিনি তার জীবনে প্রথম গাড়ি দেখেছিলেন। সেই গাড়ির ধোঁয়ার গন্ধ তিনি কখনও ভুলতে পারবেন না।’ ১৫ বছর বয়সে, কোনো রকম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া হোন্ডা বাড়ি থেকে বের হয়ে যান কাজের খোঁজে। চলে যান রাজধানী টোকিও। কাজ নেন গ্যারেজে, যেখানে কলকব্জা পরিষ্কার করা এবং মালিকের বাচ্চার দেখাশোনা করা ছিল তার কাজ। কিন্তু এই জীবন চাননি সইচিরো হোন্ডা। ১৯২৩ সাল। ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে প্রায় ১ লাখ মানুষ মারা যায় টোকিওতে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় হোন্ডার মালিকের দোকানও। অনেক মেকানিক চাকরি ছেড়ে চলে যায়, সুযোগ আসে হোন্ডার। হয়ে যান প্রধান মেকানিক। ২১ বছর বয়সে মাত্র একজন কর্মী নিয়ে খোলেন নিজের গাড়ি মেরামতের দোকান। প্রথমে হোঁচট খেয়েছেন কিন্তু পরে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যায়। একজন থেকে কর্মী সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়ায়। জাপান, একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এখানে মজবুত গাঁথুনি ছাড়া টিকে থাকা যে অসম্ভব তা হোন্ডা বুঝতে পেরেছিলেন। তার উদ্ভাবনী সম্ভারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবন লোহার ছাঁচ। আগে কাঠের ছাঁচে চাকা আটকে বিভিন্ন কাজ করা হতো, কিন্তু হোন্ডার লোহার ছাঁচটি ছিল আগের চেয়ে অনেক বেশি মজবুত এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য। জনপ্রিয় হয়ে ওঠে হোন্ডার উদ্ভাবন। জাপানের জাতীয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল সম্মেলনে জয়জয়কার হয় তার।

বিদেশে রফতানিও করেন হোন্ডা, কিন্তু পথ পাড়ি দিতে হবে অনেক। ১৯৩৭ সাল, টয়োটা কোম্পানি সবে যাত্রা শুরু করে। এদিকে গাড়ির পিস্টন রিং বানানোর কাজে হাত দেন হোন্ডা। উদ্দেশ্য টয়োটা কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি না হোক অন্তত তাদের সাপ্লায়ার হিসেবে যেন কাজ করার সুযোগ পান। কিন্তু তার ডিজাইন দেখে টয়োটা তাকে তাদের যোগ্য ভাবলেন না। পৃথিবীতে যারা সফল হয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই নিজেদের দুর্বলতাকে স্বীকার করেছেন এবং পরবর্তীতে দুর্বলতাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন। ৩০ বছর বয়সে আবার স্কুলে ভর্তি হলেন হোন্ডা। চারপাশে ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে পড়তে গিয়ে কতই না লাঞ্ছনা সইতে হয়েছে তাকে! কিন্তু থেমে যাননি। টয়োটা থেকে ‘না’ শুনে বানিয়েছিলেন দ্রুতগতিসম্পন্ন ‘রেসিং কার’। কিন্তু প্রতিযোগিতায় সেটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হোন্ডার কাঁধ ও মুখ। পড়ে যান অর্থকষ্টে। অর্থের জোগান দিতে বিক্রি করে দেন স্ত্রীর অলঙ্কারও। লাঞ্ছনা, দরিদ্রতা, শারীরিক কষ্ট সব কিছুর পরও হোন্ডা চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন। নিজের বানানো ৩০ হাজার পিস্টন রিং থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ৫০টি নিয়ে আবার ধরনা দেন টয়োটা অফিসে। যদি বিক্রি হয়? কিছু টাকার ব্যবস্থা হবে। কিন্তু মাত্র তিনটি পিস্টন রিং প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ১৯৪২ সাল, সইচিরো হোন্ডা যোগ দেন টয়োটাতে। খুব দ্রুত হয়ে যান প্রধান নির্বাহী পরিচালক। কিন্তু কপালের ফের। ১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ধ্বংস হয়ে যায় পুরো জাপান।

বেঁচে থাকাই যেখানে কষ্টসাধ্য, সেখানে হোন্ডা স্বপ্ন দেখেতে শুরু করেন আবারও। পরিবারের খাবার কেনার সাধ্য ছিল না তার, কিন্তু কীভাবে সুলভ মূল্যে সবার কাছে যোগাযোগ করা যায় তা ভাবতেন তিনি। ১৯৪৬ সালে অবশেষে তৈরি করে ফেললেন মোটরচালিত সাইকেল। এবং ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘হোন্ডা মোটর কোম্পানি‘। যার মূলমন্ত্র ‘স্বপ্নের শক্তি’। যে কোম্পানি মোটরসাইকেলের পাশাপাশি এক সময় জেট বিমান নির্মাণের কাজেও হাত দেয় এবং সফলও হয়। শ্রম ও একনিষ্ঠতার বদৌলতে এই কোম্পানিই পরবর্তীতে হয়ে ওঠে বিশ্ববিখ্যাত হোন্ডা কোম্পানি। অনেকে এখনো ‘হোন্ডা’ বলতে মোটরসাইকেলকেই বোঝান। ১৯৫৯ সাল থেকেই বিশ্বের শীর্ষ মোটরসাইকেল নির্মাতার মুকুটটা হোন্ডার দখলে।
১৯৯১ সালে এই মহানায়কের জীবনযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। প্রতিটি গল্পের নায়ক আমাদের কিছু শিক্ষা দিয়ে যান, সইচিরো হোন্ডা ও তার ব্যতিক্রম নন। তিনি বলে গেছেন, ‘যে কোনো সাফল্যের ১ শতাংশ কাজ, বাকি ৯৯ শতাংশ ব্যর্থতা।’ অর্থাৎ, পরাজয়ই জয়ের একমাত্র পথ।

Ref: bikebd

বিজয়ের মাসে বিজয় অফার।শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রযোজ্য।
02/12/2018

বিজয়ের মাসে বিজয় অফার।
শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রযোজ্য।

Victory day (Bengali: বিজয় দিবস) is a national holiday in Bangladesh celebrated on December 16 to commemorate the victo...
29/11/2018

Victory day (Bengali: বিজয় দিবস) is a national holiday in Bangladesh celebrated on December 16 to commemorate the victory of the allied forces over the Pakistani forces in the Bangladesh Liberation War in 1971.
In 1971 Bangladesh fought the Bangladesh Liberation War against Pakistan to become an Independent country, which resulted in the secession of East Pakistan from the Islamic Republic of Pakistan and established the sovereign nation called Bangladesh.

সাধারণ মানুষই অসাধারণ নানা কাজ করতে পারে"প্রাইমারিতে দুইবার ফেল, মাধ্যমিকে তিনবার ফেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় তি...
23/11/2018

সাধারণ মানুষই অসাধারণ নানা কাজ করতে পারে

"প্রাইমারিতে দুইবার ফেল, মাধ্যমিকে তিনবার ফেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় তিনবার ফেল, চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে ৩০ বার ব্যর্থ হয়েছি আমি। চীনে যখন কেএফসি আসে তখন ২৪ জন চাকরির জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে ২৩ জনের চাকরি হয়। শুধুমাত্র একজন বাদ পড়ে, আর সেই ব্যক্তিটি আমি। এমনও দেখা গেছে চাকরির জন্য পাঁচজন আবেদন করেছে তন্মধ্যে চারজনের চাকরি হয়েছে বাদ পড়েছি শুধুই আমি। প্রত্যাখ্যানের পর প্রত্যাখ্যানই দেখেছি আমি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ১০ বার আবেদন করে ১০ বারই প্রত্যাখ্যাত হয়েছি।" এতক্ষণ যার কথা বলেছি তিনি হলেন- পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জ্যাক মা। তার জন্ম চীনের জিজিয়াং প্রদেশে ১৯৬৪ সালে। তার বাবা-মা গান গেয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়ে জীবন ধারণ করতেন। শৈশবে আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম, কিন্তু কখনই ভীত ছিলাম না। আমার প্রতিদ্বন্দ্বীরা সবসময়ই আমার চেয়ে শক্তিশালী ছিল। কিন্তু আমি ভেবেছি আর লড়াই করেছি। শৈশব থেকেই ইংরেজী শেখার জন্য সবসময়ই চীনে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করতেন। এছাড়া, নিজের একটি রেডিও কেনেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল রেডিওতে নিয়মিত ইংরেজী শোনা। ইংরেজী ভাল শিখতে পারলেও গণিতে বারবার ফেল করতেন তিনি। গণিতে জ্যাকের বাজে দশার কারণে কলেজে ভর্তি পরীক্ষায়ও দুইবার ফেল করেছেন। তবে তৃতীয়বারের মতো ভর্তিপরীক্ষা দিয়ে টিকে যান জ্যাক মা। এবার তিনি হাংজু টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভর্তি হন। ফোবর্স ম্যাগাজিনের হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩তম ধনী ব্যক্তি। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। জ্যাক মার জীবনে এতবার ব্যর্থ হওয়ার পরও বড় হওয়ার, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশা থেকে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি। অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে তিনি আজকের অবস্থানে এসেছেন। যেই জ্যাক মা চাকরির জন্য ৩০ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন সেই জ্যাক মার প্রতিষ্ঠান আলিবাবা ডটকম চীনে নতুন করে ১৪ মিলিয়ন চাকরি তৈরি করেছে। পড়াশোনা শেষে চাকরি পাচ্ছিলেন না জ্যাক মা। এমনকি তিনি একটি রেস্টুরেন্টে ম্যানেজারের চাকরির জন্যও আবেদন করেছিলেন, কিন্তু তাও হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী পড়ানোর চাকরি পান। মাসে ১২ ডলার বেতন পেতেন জ্যাক। জ্যাকের এই পরিস্থিতি বদলাতে চীনের রফতানিমুখী ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য একটি অনুবাদ কেন্দ্র চালু করেন। এই অনুবাদ কেন্দ্রের অংশ হিসেবেই জ্যাক জীবনে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েই প্রথম জানতে পারেন ইন্টারনেট সম্পর্কে। জ্যাক নেটে বিয়ার সম্পর্কে তথ্য জানতে সার্চ করলেন। তিনি দেখলেন, ইন্টারনেটে কোন তথ্যই চাইনিজ ভাষাভাষীদের জন্য নেই। এমনকি চীন নিয়ে কোন তথ্যই নেই! দেশে ফিরে জ্যাক নতুন একটি কোম্পানি খুলে বসলেন। একটি ওয়েবসাইট নির্মাণ করে রফতানিমুখী চীনা কোম্পানিগুলোর তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করলেন। জ্যাক মার ওই ওয়েবসাইটটিকে বলা হয় চীনের প্রথম ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই ওয়েবসাইটটি ব্যবসায় করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। এর চার বছর পর জ্যাক মা আলিবাবা নামের নতুন একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এই কোম্পানিটিই বর্তমান বিশ্বে ই-কর্মাসের সফলতার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জ্যাক মা যখন প্রথম আলিবাবা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি তার ১৭ জন বন্ধুকে বাসায় ডাকেন। তাদের সঙ্গে তিনি তার আইডিয়ার কথা শেয়ার করেন। কিন্তু সবাই তার এই আইডিয়াকে ‘স্টুপিড আইডিয়া’ বলে চলে যায়। পুরো রাতজুড়ে জ্যাক মা তার উদ্যোগের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করেন এবং পরেরদিন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে অন্যরা যাই বলুক, তিনি এই কাজটি করবেনই। ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে খুব বেশি কিছু না জানলেও কিভাবে ই-কমার্স বাণিজ্যের গুরু হয়ে উঠলেন জ্যাক মা? এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন তার শুরুর দিকের এক সহকর্মী পোর্টার এরিস ম্যান। এরিস ম্যান বলেন, জ্যাক খুব ভাল বক্তা। ও নিজের স্বপ্নগুলো সকলের মধ্যে খুব সহজেই ছড়িয়ে দিতে পারে। জ্যাক আমাদের সবসময় বলত, আমরা সবাই তরুণ এবং কখনই নিজেরা লড়াই থেকে সটকে পড়ব না। জ্যাক মা, নিজের সংগঠনের সহকর্মীদের আনন্দে রাখতেও পটু। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, সুযোগ পেলেই নিজের সহকর্মীদের মুখে হাসি ফুটাতে তৎপর থাকেন জ্যাক। আলিবাবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জ্যাক মা প্রতিবছর ট্যালেন্ট শো নামের জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন স্থানীয় একটি স্টেডিয়ামে। ওই অনুষ্ঠানে আলিবাবার কর্মীরা সর্বোচ্চ আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। প্রতিষ্ঠানের কাজকে সহজতর করার জন্য ২০০০ সালে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন জ্যাক মা। এরপর তিনি আলিবাবার চেয়ারম্যান হন। এ প্রসঙ্গে জ্যাক বলেন, একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার চেয়ে একজন ভাল চেয়ারম্যান হওয়াতে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ আছে। তবে জ্যাক মার সফলতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, মানুষের সমস্যা সমাধানের প্রতি তার আগ্রহকে। তিনি চীনের ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান করতে চেয়েছিলেন। আর এই উদ্দেশ্য সফল করার মাধ্যম হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি। এছাড়া, জ্যাক মার মতো সফল উদ্যোক্তা হতে কি যোগ্যতা প্রয়োজন তা অনুধাবন করা যায়, তার লেখা একটি চিঠি থেকে। চিঠিটি জ্যাম মা লিখেছিলেন তার কর্মীদের উদ্দেশ্য করে। তিনি চিঠিটিতে উল্লেখ করেন- কঠোর পরিশ্রম কিংবা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়ার কারণে আমরা সফল হইনি। আমরা পেরেছি গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশ গুরুত্ব দেয়ার কারণে। আর আমরা নিজেদের শক্তি-সামর্থ্যকে সম্মান জানাতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করেছি যে, সাধারণ মানুষই অসাধারণ নানা কাজ করতে পারে।

Ref: Dailyjanakantha

"শূন্য থেকে মহাশূন্যে"🛰️🛰️🛰️🛰️🛰️🛰️এ পি জে আবদুল কালাম এক অনুপ্রেরণার নাম, হঠাৎ আকাশে জেগে ওঠা এবং সহসা হারিয়ে যাওয়া কোনো...
04/11/2018

"শূন্য থেকে মহাশূন্যে"

🛰️🛰️🛰️🛰️🛰️🛰️

এ পি জে আবদুল কালাম এক অনুপ্রেরণার নাম, হঠাৎ আকাশে জেগে ওঠা এবং সহসা হারিয়ে যাওয়া কোনো ধূমকেতুর নাম নয়। এ পি জে এক জীবন্ত ইতিহাস, কিংবদন্তি, আদর্শবাদী, অসাধারণ ব্যক্তিত্বের এক চমৎকার প্রতিচ্ছবি। একজন মানুষ কীভাবে শূন্য থেকে মহাশূন্যে উঠতে পারে, তার সবচেয়ে বড় এক দৃষ্টান্ত হলো এ পি জে। জীবনে বারবার হেরে গিয়ে জিতেছেন। মনোবল হারাননি শিশুর মতো কোমল হৃদয়ের অধিকারী এই অসাম্প্রদায়িক মানুষটি। খেয়ে-না খেয়ে বেড়ে ওঠা তামিলনাড়ুর সেই এলোমেলো চুলের কালো মানুষটি কালোমানিকে পরিণত হয়েছিলেন। এ পি জে ছিলেন দারুণ প্রতিভাবান এক বাগ্মী। তাঁর বাকচাতুর্য মনকে ভরিয়ে দেয়, হৃদয়কে করে ইস্পাতসদৃশ, আকুঞ্জন দৃষ্টিকে করে প্রসারিত। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যেতেন তরুণদের জাগিয়ে তুলতে, তাদের ভেতরের জীবটি লালন-পালন করার জন্য। ছাত্রছাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় সাধারণ পোশাকের মোড়কে থাকা এই অসাধারণ মানুষটি। সুযোগ পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি হয়ে ভারতের দায়ভার নেওয়ার। সেবা দিয়ে গেছেন সুচারুভাবে। শিশুসুলভ এই মানুষটি অকপটে মিশে গেছেন সাধারণের ভেতর। কোট-টাই পরা শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর। পোশাকে ছিলেন সাধারণ, কিন্তু ব্যক্তিত্বে ছিলেন অসাধারণ। ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি এ পি জে যেদিন রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়েছিলেন, সেদিন সেই জিনিসগুলোই তাঁর সঙ্গে ছিল, যেগুলো তিনি ভবনে প্রবেশের সময় সঙ্গে নিয়েছিলেন। তিনি অনুকরণীয় এবং দারুণভাবে অনুসরণীয়।
মিসাইল ম্যান এ পি জে ছিলেন দারুণ সাদাসিধে টাইপের মানুষ। কাজের ভারে বিয়ে করার সময় মেলাতে পারেননি। দেশের জন্য অকাতরে শুধু নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। অকুতোভয় আপসহীন দেশপ্রেমিক গদির লোভে কখনো নিজেকে অল্পদামে বিকিয়ে দেননি। নিজেকে সাধারণের কাতারে দাঁড় করিয়ে সবকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন। সম্ভবত এ জন্য এই নিরহংকারী মানুষটি ‘জনগণের রাষ্ট্রপতি’ হতে পেরেছিলেন। এই সাদাসিধে গোবেচারা টাইপের মানুষটি জীবনের আনন্দ খুঁজেছিলেন কাজের মাঝে। কাজই তাঁকে অমর করে রেখেছে। এ পি জে দারুণ আত্মবিশ্বাসী একজন মানুষ। যে রাজ্যে তিনি পদচারণা করেছেন, তা সুশোভিত করেছেন। তাই তো তাঁর অবদানকে আরো তাৎপর্যমণ্ডিত করতে তিনি তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেন নিজের চিন্তাচেতনার কথা। তরুণদের মনে দারুণভাবে দাগ কেটেছিলেন আধুনিক বিজ্ঞানের এই মহীরুহ। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তরুণ-তরুণীদের মনকে আন্দোলিত করতে ছুটে যেতেন। তিনি স্বপ্ন দেখাতেন তরুণদের। তাঁর ‘Wings of Fire’, ‘Turning Points’ কিংবা ‘Ignited Minds’ যুবসমাজের মধ্যে সহসা যে শক্তি জুগিয়েছে, তা আসলে ঈর্ষণীয়। কত দিন খেয়ে-না খেয়ে পড়াশোনা করেছেন। দুঃখকে তিনি জয় করেছেন তাঁর সৎ চেষ্টা দ্বারা। হারতে হারতে জিতে যাওয়া এই মানুষটি একসময় চেয়েছিলেন পাইলট হবেন। কিন্তু হয়েছিলেন পরমাণুবিজ্ঞানী। ভারতের পারমাণবিক ক্ষেত্র সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করেছে যে ব্যক্তিগুলোর হাত ধরে, তার মধ্যে এ পি জের ভূমিকা সর্বাগ্রে বিদিত। এ পি জে সম্ভবত একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের সেরা আবিষ্কার! পেছনে না তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাতেন তিনি। আধুনিক ভারতের রূপকার এ পি জে মনে করতেন, পৃথিবীর সব মানুষ সমান। মিডিয়ায় বিতর্কিত কমেন্ট করে কখনো পত্রিকার শিরোনাম হননি। তাঁর ‘Wings of Fire’ অন্যতম বেস্ট সেলার। ১০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এ বইটি। তাঁর লেখা জ্ঞানের এমন আধার, যার ভেতরে ধার ও ভার দুটিই আছে। আসলে যে পারে, সে পারে। একাধারে তিনি একজন বিজ্ঞানী, রাষ্ট্রপতি, বক্তা, লেখক সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ। জীবনে বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তবে সমাজকে দূষিত করে নয়। তাঁর জীবনের সবচেয়ে সেরা পুরস্কার মানুষের ভালোবাসা। তাঁর কর্মময় জীবনের জন্য তিনি বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে।


অনুপ্রেরণা - মেহেদী আরিফ, ntvbd

APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH এর পক্ষ থেকে স্বাগতম। শুরু হয়ে গেলো নভেম্বর মাসের মেগা অফার। আপনার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি স...
01/11/2018

APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH এর পক্ষ থেকে স্বাগতম। শুরু হয়ে গেলো নভেম্বর মাসের মেগা অফার। আপনার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সেবাটি গ্রহন করতে আজই যোগাযোগ করুন।

Address

H: 147, Ashkona, Dakshinkhan, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to APPLIED TECHNOLOGIES & RESEARCH:

Share