18/05/2025
মিম ফিগার তো ঝাক্কাস বানাইছো, হবে নাকি একটু খেলাধুলা।
আচমকা মহেস স্যারের থেকে কথাটা শুনে রেগে গেলো মিম। দাতে দাত চেপে বললো, এসব কি বলতেছেন স্যার।
মহেস স্যার মুসকি হেসে বললো, রেগে যাচ্ছো কেনো সেক্সি! পরিক্ষার পাস করে নিজের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে আমার প্রস্তাব মেনে নাও।
"এসব আজেবাজে কি বলতেছেন স্যার।
ভয় আর জরতা নিয়ে কথাটা বললো মিম। মহেস স্যার লালসার হাসি নিয়ে বললো,
"তুমি ইংরেজি আর পদার্থবিজ্ঞানে ফেল করেছো।
অবাক হয়ে গেলো মিম। এত ভালো পরিক্ষা দিয়ে কেমনে সে ফেল করলো! স্যারকে বললো, কিন্তু স্যার আমি তো বেশ ভালো পরিক্ষা দিয়েছি। 85+ মার্ক আশা করা যায়, সেখানে ফেল হওয়ার তো বিন্দু মাত্র চান্স নেই।
মহেস স্যার ঠোঁট বাকা করে হাসতে হাসতে বললো, হুম তবে ফেল আমি নিজেই করিয়েছি। তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি হও তাহলে তোমাকে 85+ মার্ক নয়, 99+ মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ করাবো। আর যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও,তাহলে তো বুঝতেই পারছো। বাই দ্যা ওয়ে আরেকটা অফার আছে, হোস্টেলে না থেকে আমার বাসায় উঠতে পারো! কেউই নেই, শুধু তুমি আর আমি থাকবো।
গ্রাম থেকে উঠে আসা তরুণী মিম। বাবা নেই মায়ের উপর ভড় করে এই অব্দি পৌছাতে বেশ ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে স্বপ্ন তো অনেক! পূর্ণতার স্বাদ যেনো অনে দূরে। অনেক ঝড় তুফানেও নিজের লক্ষ্যকে স্থীর রেখে এগিয়ে চলতেছে। তবে এবারের ঝড় যেনো নিজের যৌবনকে তার্গেট করেছে। দ্রুত মহেস স্যারের কক্ষ থেকে বের হতে চাইলে, কিন্তু দরজায় ঠায় হয়ে দাড়ালো মহেস স্যার! বয়স অতটাও বেশি না, ৪০-৪৫ এর মধ্য, তিনি গোফ পাকিয়ে মিমের উড়ন্ত চুলগুলোকে কানে গুজে দিয়ে বললো,
"আমার কথাগুলো বাইরে সাউন্ড করার আগে নিজের স্বপ্নগুলোর দিকে তাকিয়ে দেইখো। আর হ্যাঁ সন্ধ্যায় চলে এসো 99+ মার্ক নিজের রেজাল্টে যোগ করতে।
এই বলে পথ ছাড়লো মহেস স্যার। মিম ঘেমে একাকার হয়ে গেছে! মহেস স্যারের অফিস কক্ষ থেকে বেরিয়ে হোস্টেল দিকে হাঁটা ধরলো! অজানা অচেনা শহর, এই শহরে আপন বলতে তার কেউই নেই! আছে শুধু একটা শালিক পাখি! গ্রামে থাকাকালীন ঝড় তুফানে পরিবার থেকে বিছিন্ন হওয়া ছোট শালিক পাখিটার যত্ন নিয়ে বেশ বড় করছে মিম। পাখিটা কথা বলে, মিম আপি মিম আপি বলে ডাকে! মিম যেখানেই যায়, সঙ্গী হিসেবে পাখিটাও সেখানে যাবে। হোস্টেলে এই পাখিটার জন্যই মিমকে সবাই ভালোবাসে! পাখির ঠোঁটে জরতা মাখা কন্ঠ কার না ভালো লাগে। মিম হোস্টেলে এসে অবুঝ পাখিটাকে নিজের দুঃখের অব্যক্ত কথাগুলো খুলে বলে। মিমি বলে ডাকে তাকে। পাখিটা ছাড়া নিজের কষ্টগুলো বলার মতো সাহস অন্য কারোর কাছে নেই।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেছে, যতই সময় কেটে যাচ্ছে ততই মিমের ভয় বাড়ছে, তার কাছে হয়তো নিজের স্বপ্নগুলোকে বলি দিতে হবে নয়তো যৌবন? শেষ পযর্ন্ত সবদিক বিবেচনা করে যৌবন বলি দেওয়ার সিদ্ধান্তই তার নিকট ঠাই হয়ে দাড়ালো।
মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হতেই মিমের নোকিয়া ফোনটা বেজে উঠলো! তাকিয়ে দেখলো মহেস স্যার, বুকটা ধরপর করে উঠলো মিমের। ফোন রিসিভ করতেই ওদিক থেকে কর্কট কন্ঠে ভেসে আসলো!
"মিম তুমি মনেহয় আমার ভয়ংকর রুপ দেখোনি?
মিম হকচকিয়ে কাপা কন্ঠে বলে উঠলো!
"প্লিজ স্যার আমার সাথে এরকম করবেন না। আমি আপনার প্রস্তাবে রাজি।
হেসে উঠলো মহেস স্যার! অলতো কন্ঠে বললো, তাহলে আধার নামার সাথে সাথেই চলে এসবো। তুমি চাইলে সকল ধরনের সার্ভিস পাবে আমার থেকে।
মিম ফোনটা কেটে দিয়ে নিরবে কান্না করতে লাগে। সে কি করবে কিছুই বুঝতে পারছেনা। শেষে মহেস স্যারের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করে যৌবন বিসর্জন দিতে হচ্ছে।
বেশ বড় দু-তলা বাসা। শুধু মহেস স্যারেই একা থাকে। বিয়ে করেছিলো তিনটা, একটা বউও থাকেনি তার সাথে। মিম ভিতরে প্রবেশ করলো, সোফায় বসে টিভিতে ডিজে গানের সাথে মদের নেশা মস্তিষ্কে চরাচ্ছে। মিমকে দেখে বসে থেকে উঠে পৈশাচিক হাসিতে পুরো রুমটা কাপিয়ে তুলে। মিম এগিয়ে এসে মহেস স্যারের পায়ে ধরে যৌবন ভিক্ষা চাইলো, মহেস যেনো হিংস্র মায়াহীন হায়েনা! তার কাছে মেয়ে মানেই যেনো কাঠের নিরব পুতুল। ওড়না টা মিমের বুকের উপর থেকে সরিয়ে ফ্লরে ফেলে দেয়, ফ্যানের বাতাসে ক্ষানিকটা দূরে গিয়ে পড়ে। কান্না করতেছে মিম, মহেস স্যার বুকে টেনে নেয় মেয়ের বয়সি মিমকে। নিজের যৌবনের ক্ষুধা যেনো অনেক দিনের পুষিয়ে রাখা। ক্ষুধার্ত হায়েনার মতো ঝাপিয়ে পরে মিমের উপর। ভার্জিনিটি ধরে রাখা আর সম্ভব হলো না মিমের। শিক্ষক নামক পশুর থেকে রেহাই মিললো না। প্রচন্ড ব্যাথায় কাতরাচ্ছে মিম! মহেস নিজের ক্ষুধার্ত দাত মিমের উপর বসিয়ে ক্লান্ত হয়ে যায় একসময়। মিম বিছানা থেকে ধপ করে ফ্লোরে পরে গিয়ে কাতরাচ্ছে। মহেস চুলের মুঠি ধরে ওয়াশরুমে ফ্রেস হওয়ার জন্য পাঠালো মিমকে। মিম ব্যথা ভড়া শরীর নিয়ে কোনো রকম গোসল শেষে বেরিয়ে এলো। পরনে পরার জন্য মহেসের স্ত্রীর অনেক ড্রেস ছিলো, সেগুলোই পরেছে। মহেস মিমের দিকে তাকিয়ে মুসকি হেসে বললো,
"তোর তুলনা হয়না রে সেক্সি। যা এখন এখান থেকে সর। মিম মহেসের বাসা থেকে বেরিয়ে লুকিয়ে হোস্টেলে গিয়ে শুয়ে পড়ে।
পরেরদিন সকাল হতেই প্রচণ্ড শরীর ব্যাথা আর জ্বরের কারণে মাথা তুলতেই পারছেনা, শুধু কুকিয়েই যাচ্ছে অনবরত। পাশেই শুয়ে ছিলো সাবানা, মিমের কোকানির শব্দ শুনে ধরপর করে উঠে মিমের কপালে হাত রেখেই চমকে উঠে। দ্রুত হালকা নাস্তা শেষে তার ব্যাগের রাখা ওষুধ খাইয়ে দেয় মিমকে। সারাদিন অসুস্থতায় কেটে যায় মিমের।
ঠিক সন্ধ্যায় ৭ টায় ফোন আসে মহেসের। অসুস্থতার বিষয়টা মহেসকে জানালে মহেস এবার পরিক্ষার বিষয় নয়, গতকালকে তাদের সঙ্গমের ভিডিও ধারন করে রিতিমতো ব্লাকমেইল করতে শুরু করলো। অসুস্থ মিম উপায় না পেয়ে আজকেও প্রচণ্ড অসুস্থতার মাঝে নিজেকে সপে দিতে মানুষ নামক জানোয়ারটার কাছে চুপিচুপি কদমে কদমে এগিয়ে যাচ্ছে।
চলবে...