22/01/2022
টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।