Daily Routine Quran and hadith

Daily Routine Quran and hadith Assalamu alaikum.. All praise be to Allah,Welcome to our islamic Daily Routine Quran & Hadith.. Everybody stay with us" Jazakallah Khairan"

18/06/2020

দু‘আর গুরুত্বঃ...... দু'আ করুন, করতেই থাকুন...
আবুদ দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

‘‘তোমরা দু‘আয় লেগে থাকো; কারণ যে বারবার দরজায় কড়াঘাত করে, তার জন্য দরজা খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।’’ [বাইহাকি, শু‘আবুল ঈমান: ২/৫২]
আনাস ইবনু মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

‘‘তোমরা দু‘আ করতে গড়িমসি করো না। কারণ, দু‘আর সাথে লেগে থাকা কেউ কখনো ধ্বংস হয়নি।’’ [ইবনু রজব, জামি‘উল উলুম ওয়াল হিকাম: ২/৪০৪]
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন,

‘‘দু‘আ কবুল হবে কীনা তা নিয়ে আমি দুশ্চিন্তা করি না। বরং আমি চিন্তা করি—দু‘আ করতে পারলাম কীনা। কারণ দু‘আ যখন আমি করতে পারবো, তখন তার উত্তর আসবেই।’’ [ইবনু তাইমিয়্যাহ রচিত ইক্বতিদ্বাউস সিরাত্বাল মুস্তাক্বিম (২/৭০৬) হতে মূল মর্ম অক্ষুণ্ন রেখে ভাবানুবাদ]

16/05/2020

Assalāmu Alaikum.
Sharing guided policy and views regarding "Sadaqatul Fitr" InshāAllāh.
(Collected)
ইসলামিক ফাউ ন্ডেশনের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে এ বছরের জনপ্রতি ফিতরার হিসাব –

1. পনির ৬৬৭ টাকা করে = ২২০০ টাকা
2. খেজুর ৫০০ টাকা করে = ১৬৫০ টাকা
3. কিসমিস ৪৫৪ টাকা করে = ১৫০০ টাকা
4. যব ৮২ টাকা করে = ২৭০ টাকা
5. গম ও আটা ৪২ টাকা করে = ৭০ টাকা

How do we calculate our amount of 'Fitrah',
What is the policy guideline?

Guided policy : Amount of "Fitrah" should be calculated according to one's standard of earnings and regular consumption.
Let's analyse some cases:

এক- আমরা যারা নিম্ন মধ্যবিত্ত, চালের দাম ৫০ টাকা কেজি পার হয়ে গেছে দেখে দুই বেলা রুটি বা ময়দা-গোলা খাই। আমার পরিবারে সকল সদস্যের মাথাপিছু ফিতরা ৭০ টাকা করে।

দুই- আমরা যারা মধ্যবিত্ত। বাচ্চাকে হরলিক্স খাওয়াই নয়ত সরোবরের তালবিনা। দুটোই মূলত যব থেকে তৈরি হয়। আমার জন্য সদস্য প্রতি ফিতরা ২৭০ টাকা।

তিন- পায়েস ভারি পছন্দ। ঘন ক্ষীরে ভেসে থাকা কিশমিশ। অথবা পুডিং খাই প্রায়ই। দোকান থেকে ৫০০ টাকা কেজি মিষ্টি কিনতে আমার সমস্যা হয় না, আল্লাহ সেই সামর্থ্য দিয়েছেন। আমার জন্য সদস্য প্রতি ফিতরা ১৫০০ টাকা।

চার- ইফতার করি মারিয়াম বা মাবরুম খেজুর দিয়ে। সাহরিতে মাঝে মাঝে ভারি খাবার খেতে ইচ্ছে না করলে খেজুর খাই। মাঝে মাঝেই আজওয়া খেজুরও খাই। আমার পরিবারে সকল সদস্যের মাথাপিছু ফিতরা ১৬৫০ টাকা করে।

5- পিৎজা - পছন্দের খাবার। অথবা কিটো ডায়েট খাই - ভাত-রুটি-শর্করা খাই না। প্রোটিন আর ফ্যাট। পনির - চীজ ভালো লাগে। বাটার - ঘি কিনতে আমার সমস্যা হয় না। আমার পরিবারে সকল সদস্যের মাথাপিছু ফিতরা ২২০০ টাকা করে।

Ok, now let's try with the premium ones, because Allāh SWT already offered and opened up his special premium offers for those who try to compete in extra good works. ("Assābiquuna bil khairaat" - competitors in good deeds, best offers for them; Subhaanallaah)

আমরা যেটাকে ফিতরা বলি তার ভালো নাম "সাদাকাতুল ফিতর"। এটা দিতে হয় রমাদানের শেষে (before Eid day or in the Eid morning not later)। মূলত এটা রোযার কাফফারা - সিয়াম থেকে আমরা যে ভুলগুলো করি, এই দান সেটাকে মিটিয়ে দেবে, আমাদের সিয়ামগুলোকে সুরক্ষা দেবে (according to Hadit of Rasuul SAW)। আর (এর সামাজিক প্রেক্ষাপট) ঈদের দিন যেন কেউ অভুক্ত না থাকে, যার সামর্থ্য আছে তার উপর যেহেতু "সাদাকাতুল ফিতর" ওয়াজিব তাই এর মাধ্যমে প্রায় সবার ঘরেই কিছু না কিছু খাবার থাকবে।
ফলে ঈদটা আসলেই উৎসবের হবে।

Subhaanallaah.
Allāhu Akbar.

23/04/2020

আশা করা যায়, আল্লাহর রাহমাতে মে মাসের ১২ তারিখের পর করোনা হতে বিশ্ববাসি মুক্তি পেতে পারে!!

বিষয়টি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ (স.) এর হাদীস নিয়ে আল্লামাহ্ ত্বারেক্ব উসমানীর গবেষণার আলোকে বলছি, আল্লাহর রাসূলের একটি হাদীসে বলা হয়েছে যেই হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রাহ.) তাঁর মুসনাদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং ইমাম বুখারীর শর্ত অনুযায়ী হাদীসটি স্বাহীহ্। হাদীসটি হলো :

عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللّٰہِ بْنِ سُرَاقَۃَ قَالَ: سَاَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ بَیْعِ الثِّمَارِ فَقَالَ: نَہٰی رَسُوْلُ اللّٰہِ ‌صلی ‌اللہ ‌علیہ ‌وآلہ ‌وسلم عَنْ بَیْعِ الثِّمَارِ حَتّٰی تَذْھَبَ الْعَاھَۃُ، فَقُلْتُ: وَ مَتٰی ذَاکَ؟ قَالَ: حَتّٰی تَطْلُعَ الثُّرَیَّا۔*

‘উসমান ইবনে আবদুল্লাহ্ ইবনে সুরাক্বাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে উমারকে ফসল বিক্রি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন, রাসূল (স.) ‘আ-হা’ যাওয়ার আগে ফসল (গাছের ফল) বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম এটি কখন? তিনি বললেন, সুরাইয়্যা উদিত না হওয়া পর্যন্ত।’ (মুসনাদে আহমাদ-৫১০৫)

উপরোক্ত হাদীসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, সুরাইয়্যা নামক তারাটি
যখন উদিত হয়, তখন যামীনে বালা-মুসীবাত ও মহামারী দূর হয়ে যায়। আর এই যুগের Specialist of Astronomy বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের মতে সেই সুরাইয়্যা তারাটি আগামী ১২ ই মে সকালে উদিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

যদি তাই হয়? তাহলে আশা করা যায় আল্লাহর রাহমাতে আমরা এই করোনা ভাইরাস হতে মুক্তি পাবো ইন্ শা আল্লাহ্।

ইমাম মুসলিম (রাহ.) ও এমন একটি হাদীস উল্লেখ করেছেন। হাদীসটি হলো:

عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى أَوْ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلی اللہ علیہ وسلم عَنْ بَيْعِ الثَّمَرِ حَتَّى يَطِيبَ.
জাবের (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূল (স.) ফল পাকার আগে (অর্থাৎ খারাপ আব হাওয়া হতে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত) বিক্রি করতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন।’

আরো একটি হাদীসে আমরা দেখতে পাই, রাসূল (স.) বলেছেন:

*عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلی اللہ علیہ وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ النَّخْلِ حَتَّى يَزْهُوَ وَ عَنِ السُّنْبُلِ حَتَّى يَبْيَضَّ وَ يَأْمَنَ الْعَاهَةَ نَهَى الْبَائِعَ وَالْمُشْتَرِيَ*

‘ইবনে উমার (রা.) হতে বর্ণিত যে, রাসূল (স.) খেজুর লাল বা হলুদ রং ধারণের পূর্বে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (কারণ ফল যখন লাল বা হলুদ রং ধারণ করে তখন সে ফলের খারাপ আবহাওয়া হতে নিরাপদ থাকা নিশ্চিত হয়ে যায়)। অনুরূপভাবে শীষটি যতক্ষণ না সাদা হয়ে যাবে এবং খারাপ আবহাওয়া হতে নিরাপদ না হয়ে যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত ধান-গম সহ যাবতীয় ফসল ক্রেতা বিক্রেতাকে বিক্রি করতে এবং ক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।’

মোটকথা, উল্লেখিত হাদীসগুলো হতে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে, ‘আ-হা’ অর্থাৎ বালা-মুসীবাত সুরাইয়্যা নামক তারাটি উদিত না হওয়া পর্যন্ত যমীনে বিদ্ধমান থাকে। ওয়াল্লাহ আ‘লামু।

এখন প্রশ্ন হলো ‘সুরাইয়্যা’ কাকে বলে? এটি একটি নক্ষত্রের নাম। সাতটি তারার সমন্নয়ে গঠিত একটি সমষ্টির নাম হলো ‘সুরাইয়্যা। ছয়টি প্রকশিত এবং একটি অপ্রকাশিত। কোনো কোনো Specialist of Astronomy বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের মতে সাতের অধিকের সমষ্টিকে সুরাইয়্যা বলে। আগেকার যুগের মানুষরা সুরাইয়্যা দেখে নিজেদের দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা করতেন।

ক্বাযী ‘আয়ায লিখেছেন রাসূল (স.) এর দৃষ্টি শক্তি এত বেশী প্রখর ছিলো যে, তিনি সুরাইয়্যার ১১ টি নক্ষত্র দেখতে পারতেন।

এখন প্রশ্ন হলো:

(ক) সুরাইয়্যা উদিত হওয়ার সময় কখন?

(খ) ‘আ-হা’ বলতে বিশেষ কোনো মহামারী যা শুধু ফসলাদির সাথে সম্পৃক্ত তা বোঝানো হয়েছে ? না অন্য সব মহামারী বোঝানো হয়েছে?
প্রথম প্রশ্নের উত্তর :
রাসূল (স.) হাদীসের মধ্যে আমরা দেখতে পাই :

*عن ابی ھریرة ما طلع النجم صباحا قط وبقوم عاهة إلا رفعت أو خفت*

‘আবু হুরায়রাহ্ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূল (স.) বলেছেন, যখন সকালে সুরাইয়্যা উদিত হয়, তখন মহামারীতে আক্রান্ত অঞ্চল হতে বালা-মুসীবাত উঠিয়ে নেয়া হয়।’

এই হাদীস হতে উভয় প্রশ্নের উত্তরে জানা গেলো যে, এটি সকালে উদিত হয়। দিন তারিখ সম্পর্কে ইমাম ক্বুরতুবী (রাহ.) বলেছেন, সুরাইয়্যা নক্ষত্রকে বলা হয়। এতে কোনো দ্বিমত নেই। মে মাসের ১১ রাত শেষ হওয়ার পর ১২ তারিখ সকালের সময় হলো এটি উদিত হওয়ার সময়।

যাক, আমার নিজস্ব গবেষণা এবং আল্লামাহ্ ত্বারেক্ব উসমানীর গবেষণার আলোকে করোনা ভাইরাসের বিষয়টিকে এই পর্যন্ত এগিয়ে রাখলাম। তিনি আরো দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। আমি এই দীর্ঘ আলোচনাটি সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজন মনে করছি না। আলেমরা যারা প্রয়োজন মনে করেন তারা এর উপর ভিত্তি করে আরো গবেষণা চালিয়ে যেতে পারেন। দিতে পারেন দেশ ও জাতিকে আরো নতুন কোনো তথ্য ও উপাত্ত্ব।

তবে আমি মনে করি বাক্বী কাজটি Specialist of Astronomy (জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞ) Modern Sciences (আধুনিক বিজ্ঞান) এবং Medical Science বা চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের কাজ বলে আমি মনে করছি।

আমি এখানে শুধু এইটুকু বলতে চাই, ক্বোরআন-সুন্নাহর মধ্যে Modern Issue & Old Issue বলতে কিচ্ছু নেই। এখানে সকল যুগের মানব সমাজের সকল বাঁকের ও সকল মোড়ের সব সমস্যার সমাধানের স্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে।
////

অতএব পুরো জীবন Beauty & Quality এর পেছনে বহু দৌড়াইছেন। ভোগও কম করেন নি। এখন এসব বাদ দিয়ে Reality র পেছনে দৌড়ান। আর Reality হলো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (স.)। তাই বলছিলাম, রাব্বে কা‘বার ক্বসম এই Reality র পেছেনে দৌড়াতে পারলে সঠিক পথের সন্ধান পেয়ে যাবেন। যে পথ আপনাকে নিয়ে যাবে সোজা জান্নাতে, ইন্ শা আল্লাহ।

লেখক: শায়েখ A.R. Nadwi (দা:বা:)
অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম

30/03/2020

মাশাল্লাহ

23/03/2020

নামাজ নিয়ে কিছু কথা। জাজাকাল্লাহ

17/03/2020

করোনাভাইরাস এর দোয়া

15/03/2020

কে এই কাজী ই্ব্রাহিম শুনলে আপনার কান জুড়িয়ে যাবে । tarek monowar waz - tarek monowar new । HR Tube

15/03/2020

অবশেষে 1. Q7 + 6 13 এর ব্যাখ্যা দিলেন মুফতি কাজী ইবরাহীম

06/03/2020

তাদের অবস্থা হয় এই যে, নিজেদের রবের সন্তুষ্টির জন্য তারা সবর করে, নামায কায়েম করে, আমার দেয়া রিযিক থেকে প্রকাশ্যে ও গোপনে খরচ করে এবং ভালো দিয়ে মন্দ দূরীভূত করে।আখেরাতের গৃহ হচ্ছে তাদের জন্যই। অর্থাৎ এমন সব বাগান যা হবে তাদের চিরস্থায়ী আবাস।

সুরা আর'রাদ - ২২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ ইয়াহুদীদেরকে ধ্বংস করুক, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।

মুসলিম (ইফাঃ)ঃ ১০৬৮

Address

Amin Manzil , Old Shona Gazi , Bus Stand
Feni
3900

Telephone

+8801818222382

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Routine Quran and hadith posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Daily Routine Quran and hadith:

Share