MindMora 0.1

MindMora 0.1 Your mind controls your reality. MindMora brings powerful psychology stories, mindset lessons, and thought-provoking content.

পর্ব ১০: অন্ধকারের ওপারেচূড়ান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।একের পর এক মানুষ হারিয়ে যায়।ছায়ামূর্তিগুলো তাদের ঘিরে ফেলে।শেষ মুহূর...
15/06/2026

পর্ব ১০:
অন্ধকারের ওপারে

চূড়ান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।

একের পর এক মানুষ হারিয়ে যায়।

ছায়ামূর্তিগুলো তাদের ঘিরে ফেলে।

শেষ মুহূর্তে পারিজা বুঝতে পারে—

উপত্যকার শক্তি ভাঙার একমাত্র উপায় হলো এর কেন্দ্রে লুকানো উৎস ধ্বংস করা।

ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে সে সেই কাজ করে।

অরণ্য কাঁপতে শুরু করে।

আকাশ ফেটে যায়।

অন্ধকার ভেঙে আলো নেমে আসে।

পারিজা জ্ঞান হারায়।
..

চোখ খুলে দেখে সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে।

সবাই বলছে—

বাস দুর্ঘটনার পর তাকে খাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কিন্তু একটি প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারে না।

বাসের ৪৩ জন যাত্রীর মধ্যে বাকি ১৭ জন কোথায় গেল?

আর গভীর রাতে হাসপাতালের জানালার বাইরে কেন এখনো দুটো লাল চোখ জ্বলতে থাকে?

পর্ব ৯: শেষ দরজাভূগর্ভস্থ শহরের কেন্দ্রে রয়েছে একটি দরজা।লোককথা বলে—এটি খুললে হয় মুক্তি মিলবে,নয়তো চিরতরে অন্ধকারে হা...
14/06/2026

পর্ব ৯:
শেষ দরজা

ভূগর্ভস্থ শহরের কেন্দ্রে রয়েছে একটি দরজা।

লোককথা বলে—

এটি খুললে হয় মুক্তি মিলবে,
নয়তো চিরতরে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে হবে।

দলটি দরজা খুলতে সক্ষম হয়।

কিন্তু দরজার ওপাশে তারা যা দেখে—

তা তাদের কল্পনারও বাইরে।

পুরো অরণ্য আসলে আরেকটি বাস্তবতার অংশ।

যেখানে সময় স্বাভাবিকভাবে চলে না।

চলবে....

পর্ব ৮:বিশ্বাসঘাতকদলটি জানতে পারে—তাদের মধ্যে একজন বহু আগেই ছায়াদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।সে-ই দুর্ঘটনার পর সবাইকে অরণ্য...
13/06/2026

পর্ব ৮:
বিশ্বাসঘাতক

দলটি জানতে পারে—

তাদের মধ্যে একজন বহু আগেই ছায়াদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

সে-ই দুর্ঘটনার পর সবাইকে অরণ্যের গভীরে নিয়ে এসেছিল।

কিন্তু কে?

রাফিকা?
জুনাইরা?
নাকি অন্য কেউ?

সন্দেহ আর ভয়ের মধ্যে দল ভেঙে পড়তে শুরু করা।
চলবে...

পর্ব ৭: ভূগর্ভস্থ শহরপারিজা ও তার সঙ্গীরা অবশেষে মাটির নিচের শহরে পৌঁছায়।সেখানে অসংখ্য নিখোঁজ মানুষের চিহ্ন।পুরোনো কাপড...
13/06/2026

পর্ব ৭:
ভূগর্ভস্থ শহর

পারিজা ও তার সঙ্গীরা অবশেষে মাটির নিচের শহরে পৌঁছায়।

সেখানে অসংখ্য নিখোঁজ মানুষের চিহ্ন।

পুরোনো কাপড়।
ব্যাগ।
ডায়েরি।

আর একটি বিশাল হলঘর।

দেয়ালজুড়ে হাজার হাজার মুখের প্রতিকৃতি।

সবাই একসময় এখানে বন্দি ছিল।

সবাই হারিয়ে গেছে।

চলবে...

পর্ব ৬: উপত্যকার অভিশাপদলটি আবিষ্কার করে বহু শতাব্দী আগে এই অঞ্চলের মানুষ এক ভয়ংকর ঘটনার শিকার হয়েছিল।অরণ্যের নিচে লুক...
12/06/2026

পর্ব ৬: উপত্যকার অভিশাপ

দলটি আবিষ্কার করে বহু শতাব্দী আগে এই অঞ্চলের মানুষ এক ভয়ংকর ঘটনার শিকার হয়েছিল।

অরণ্যের নিচে লুকিয়ে আছে এক বিশাল ভূগর্ভস্থ নগরী।

সেখানে একদল মানুষ অমরত্বের সন্ধানে নিষিদ্ধ আচার পালন করেছিল।

কিন্তু ফল হয় উল্টো।

তারা মানুষ ও ছায়ার মাঝামাঝি কিছুতে পরিণত হয়।

আজও তারা অন্ধকারে বেঁচে আছে।

নতুন মানুষদের নিজেদের জগতে টেনে নিয়ে যায়।

চলবে

পর্ব ৫: নিষিদ্ধ কূপবনের মাঝখানে একটি প্রাচীন কূপ।কূপের ভেতর থেকে ভেসে আসে মানুষের কণ্ঠ।যারা শুনে, তারা নিজের প্রিয়জনের ...
11/06/2026

পর্ব ৫: নিষিদ্ধ কূপ

বনের মাঝখানে একটি প্রাচীন কূপ।

কূপের ভেতর থেকে ভেসে আসে মানুষের কণ্ঠ।

যারা শুনে, তারা নিজের প্রিয়জনের কণ্ঠস্বর শুনতে পায়।

একজন ছাত্র তার মৃত মায়ের ডাক শুনে কূপের ভেতর ঝাঁপ দেয়।

তারপর নিস্তব্ধতা।

পরদিন কূপের পানিতে ভেসে ওঠে একটি অদ্ভুত প্রতীক।

যা পরে পুরো ঘটনার রহস্যের চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়ায়।
চলবে.....

পর্ব ৪: লাল চোখের পাহারাদারজুনাইরা ম্যাডাম জানান, তিনি রাতে কিছু দেখেছেন।মানুষ নয়।প্রাণীও নয়।অদ্ভুত লম্বা ছায়ামূর্তি।...
10/06/2026

পর্ব ৪:
লাল চোখের পাহারাদার

জুনাইরা ম্যাডাম জানান, তিনি রাতে কিছু দেখেছেন।

মানুষ নয়।

প্রাণীও নয়।

অদ্ভুত লম্বা ছায়ামূর্তি।

তাদের চোখ জ্বলজ্বল করছে।

তারা যেন পুরো বন পাহারা দিচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর দলটি বুঝতে পারে—

তাদের বন থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।

যে দিকেই যায়, আবার একই জায়গায় ফিরে আসে।

অরণ্য যেন নিজেই জীবন্ত।

---

চলবে...

পর্ব ৩: হারানো মানচিত্র....বেঁচে থাকা লোকেরা ধীরে ধীরে নিজেদের বাঁধন খুলতে সক্ষম হয়।রাফিকা ম্যাডাম জানান, দুর্ঘটনার ঠিক...
09/06/2026

পর্ব ৩:
হারানো মানচিত্র....
বেঁচে থাকা লোকেরা ধীরে ধীরে নিজেদের বাঁধন খুলতে সক্ষম হয়।
রাফিকা ম্যাডাম জানান, দুর্ঘটনার ঠিক আগে তিনি একটি পুরোনো মানচিত্র দেখেছিলেন।
সেই মানচিত্রে এই অরণ্যের নাম ছিল—
"অন্ধকার উপত্যকা"
স্থানীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী বহু বছর আগে এখানে একটি জনপদ ছিল।
এক রাতে পুরো জনপদ উধাও হয়ে যায়।
তারপর থেকে এখানে প্রবেশ করা মানুষ আর ফিরে আসে না।
দলটি বনের গভীরে অনুসন্ধানে বের হয়।
সেখানে তারা খুঁজে পায় পাথরের তৈরি এক পরিত্যক্ত মন্দির সদৃশ স্থাপনা।
দেয়ালে খোদাই করা আছে শত শত মানুষের মুখ।
আর আশ্চর্যের বিষয়—
সেই মুখগুলোর কিছু ছিল বাসের যাত্রীদের মতো।
চলবে...

অন্ধকার উপত্যকার বন্দিরাপর্ব ২: দুর্ঘটনার পরপারিজা জান্নাত চোখ খুলতেই অনুভব করল তার শরীর অসহনীয় যন্ত্রণায় জ্বলছে। হাত-...
08/06/2026

অন্ধকার উপত্যকার বন্দিরা

পর্ব ২: দুর্ঘটনার পর

পারিজা জান্নাত চোখ খুলতেই অনুভব করল তার শরীর অসহনীয় যন্ত্রণায় জ্বলছে। হাত-পা শক্ত করে বাঁধা। চারপাশে ঘন অরণ্য। বিশাল গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে তাকে।

চারদিকে ছড়িয়ে আছে আরও কয়েক ডজন মানুষ। সবাই সেই বাসের যাত্রী।

কেউ কাঁদছে।
কেউ সাহায্য চাইছে।
কেউ নড়াচড়াও করছে না।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় ছিল—

বাসের কোনো চিহ্ন নেই।

যেন দুর্ঘটনার পর কেউ তাদের সবাইকে এখানে এনে বেঁধে রেখেছে।

রাত গভীর হতেই অন্ধকারের মধ্যে লাল চোখ জ্বলে উঠতে শুরু করল।

আর দূরে কোথাও ভেসে এলো অদ্ভুত এক বাঁশির শব্দ।

সেই শব্দ শুনেই একজন ছাত্র আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল—

"ওরা এসে গেছে!"

চলবে....

১ম পর্ব:শরীরের প্রতিটি শিরায় যেন আগুন জ্বলছে।ধীরে ধীরে চোখ খুলতেই অনুভব করলাম আমার দুই হাত পেছনে শক্ত করে বাঁধা। বুকের ভ...
07/06/2026

১ম পর্ব:

শরীরের প্রতিটি শিরায় যেন আগুন জ্বলছে।

ধীরে ধীরে চোখ খুলতেই অনুভব করলাম আমার দুই হাত পেছনে শক্ত করে বাঁধা। বুকের ভেতর ধকধক শব্দ হচ্ছে। মাথা ঝিমঝিম করছে। মুখের ডান পাশে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের স্তর জমে আছে।

চারপাশে তাকিয়ে আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম।

আমার মতো আরও অনেক মানুষ মোটা কালো গাছের সঙ্গে বাঁধা। কেউ কাঁদছে, কেউ মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে, কেউবা নিথর হয়ে ঝুলে আছে।

আমাদের মাথার ওপরে বিশাল এক অরণ্য। এত ঘন যে সূর্যের আলো পর্যন্ত মাটিতে পৌঁছাতে পারছে না।

হঠাৎ কোথাও থেকে একটি নারীকণ্ঠ ভেসে এলো—

"কেউ আছেন? আমাকে বাঁচান!"

কণ্ঠটি শুনেই বুক কেঁপে উঠল।

আমি তাকে চিনি।

নিশ্চয়ই চিনি!

কিন্তু কীভাবে?

চোখ বন্ধ করে স্মৃতির ভেতর ডুব দিলাম।

☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆

দুই ঘণ্টা আগেও সবকিছু স্বাভাবিক ছিল।

আমি চাকরির শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলাম। অনেকদিন পর মা-বাবার সঙ্গে দেখা হবে। ছোট ভাইটা প্রতিদিন ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করছিল, "আপু, কবে আসবা?"

তাই আজকের যাত্রা নিয়ে আমার উচ্ছ্বাসের শেষ ছিল না।

কিন্তু ভাগ্য যেন অন্য কিছু লিখে রেখেছিল।

বাসে উঠেই বুঝলাম এটি একটি শিক্ষা সফর থেকে ফেরা দলের বাস।

ছাত্র-ছাত্রীদের হৈচৈ, গান, গল্পে পুরো পরিবেশ সরগরম।

আমি শেষ সারির জানালার পাশে বসে বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

ঠিক তখনই পাশে এসে বসলেন একজন বৃদ্ধ শিক্ষক।

তার সাদা দাড়ি, শান্ত চোখ আর অদ্ভুত গম্ভীর চেহারা ছিল।

তিনি কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন,

"তুমি কি কখনো এমন অনুভব করেছ, যেন কেউ তোমাকে দেখছে?"

প্রশ্নটা শুনে আমি অবাক হলাম।

"জি?"

তিনি জানালার বাইরে তাকিয়ে বললেন,

"কিছু পথ আছে, যেখানে পথিকেরা একা থাকে না।"

আমি ভ্রু কুঁচকে বললাম,

"আপনি কী বলতে চাইছেন?"

বৃদ্ধ শিক্ষক মৃদু হাসলেন।

"কিছু না। হয়তো বয়স হয়েছে।"

কথাটা বলে তিনি চুপ হয়ে গেলেন।

কিন্তু তার কথাগুলো আমার মাথা থেকে সরছিল না।

বাস পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে এগোচ্ছিল।

হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে এলো।

যেন কয়েক মিনিটের মধ্যে বিকেল থেকে রাত নেমে এসেছে।

ছাত্র-ছাত্রীরা ধীরে ধীরে চুপ হয়ে গেল।

ড্রাইভারও অস্থির দেখাচ্ছিল।

ঠিক তখনই আমি দেখলাম রাস্তার মাঝখানে একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে।

লম্বা।

অস্বাভাবিক লম্বা।

মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

ড্রাইভার হর্ন বাজাল।

মূর্তিটি নড়ল না।

আর পরের মুহূর্তেই—

ধাম!

প্রচণ্ড শব্দ।

বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গেল।

সবকিছু অন্ধকার।

☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆

চোখ খুলতেই আবার বর্তমানের সেই ভয়ংকর বাস্তবতা ফিরে এলো।

আমরা সবাই বাঁধা।

কিন্তু কেন?

কারা আমাদের এখানে এনেছে?

ঠিক তখনই দূরের অন্ধকারে একে একে জ্বলে উঠল কয়েক জোড়া লাল চোখ।

প্রথমে দুটি।

তারপর চারটি।

তারপর দশটি।

তারপর...

গণনা করার মতো সংখ্যাও আর রইল না।

আমার পাশের একজন কাঁপা গলায় ফিসফিস করে বলল,

"ওরা এসে গেছে..."

"কারা?"

লোকটি আমার দিকে তাকাল।

তার চোখে এমন আতঙ্ক ছিল, যা আমি আগে কখনো দেখিনি।

সে কাঁপতে কাঁপতে বলল,

"যারা এই জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের আর কখনো ফিরতে দেয় না।"

আর ঠিক তখনই অন্ধকারের ভেতর থেকে ভারী পদশব্দ ভেসে এলো।

ধুপ...

ধুপ...

ধুপ...

শব্দগুলো আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছিল।

চলবে......

Address

Feni
3900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MindMora 0.1 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share