03/02/2016
এম.এল.এম.-এ আছে সুন্দর ও শৃঙ্খলিত
জীবন
প্রতিটি মানুষই
চায় উন্নত জীবনযাপন করতে। চায় অভাবমুক্ত শান্তিময়
বিলাসী জীবন। কিন্তু জানে না এই বিলাসী জীবন
অর্জন করতে হলে তাকে কি করতে হবে। যেখানে একজন
মানুষ তার দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা মেটাতে
হাঁপিয়ে উঠছে, সেখানে উন্নত জীবনযাপন বা
বিলাসিতায় নিমজ্জিত হওয়া অনেক অনেক কঠিন।
দুঃস্বপ্নের মতো। তবে মানুষের প্রত্যাশা থাকে এমন
একটি চমৎকার লাইফস্টাইল। বর্তমান বাংলাদেশের
প্রেক্ষাপটে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, সে তুলনায়
আয়ের উৎস স্থিতিশীল হওয়ায় স্ত্রী-সন্তান-পরিজনের
প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা মেটাতে পারছে না।
পারছে না অসুস্থ মা-বাবা-সন্তান কিংবা স্ত্রীর
চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে। ফলে তারা ধুঁকে ধুঁকে
বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছে। শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে যে প্রতিযোগিতা চলছে সেখানেও
সন্তানদের টাকার অভাবে অভিভাবকরা ভালো কোনো
প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কিংবা পড়ালেখা করাতে পারছেন
না। প্রাইভেট টিউটর রেখে পড়ানোর মতো সামর্থ্যও
তাদের নেই। ফলে সন্তানরা অনেক মেধাবী হওয়া
সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অভিভাবকদের
সীমিত আয়ের কারণে অসংখ্য শিশু খাদ্যাভাবে
অপুষ্টিতে ভুগছে। এই ঢাকা শহরে এখনো অসংখ্য
মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবার আছে, যারা একবেলা-
দুবেলা খেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনোমতে দুঃখ-
কায়ক্লেশে দিনাতিপাত করছে। তারা লজ্জায় কারো
কাছে বলতে পারে না কিংবা আত্মমর্যাদাহানির ভয়ে
সহজে কারো দ্বারস্থও হয় না। কিন্তু তারা এখনো
জানে না তাদের নির্দিষ্ট চাকরি বা পেশার বাইরেও
এমন কিছু কাজ বা উৎস আছে, যার মাধ্যমে তাদের
বর্তমানে সৃষ্ট সমস্যা নিরসন করে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়
করা সম্ভব। একটি প্রচলিত কথা আছে, 'শিয়ালের মতো
হাজার বছর বাঁচার চেয়ে সিংহের মতো একদিন বাঁচাও
উত্তম।' আমরা কি পারি না এভাবে অর্ধাহারে-
অনাহারে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরার চেয়ে মেধা
খাটিয়ে একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার পথ খুঁজতে?
একটু সচেতন হয়ে ঠা-া মাথায় আরেকটু ভাবি, কী করা
যায়। ভাবতে ভাবতে একসময় বিকল্প উপায় খুঁজে পাওয়া
যাবে। অফিস বা কাজের বাইরের উদ্বৃত্ত সময়টুকু
কীভাবে কাজে লাগানো যায়? চায়ের দোকানে
আড্ডার আসরে কিংবা বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে অলস সময়
পার না করে আরেকটু পরিশ্রম করলেই আরেকটু সচ্ছল
থাকা যায়। এর জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। যতক্ষণ
পর্যন্ত নিজের মধ্যে এই ধারণাটুকু না জন্মাবে যে, আমি
চেষ্টা করলে আমার দ্বারা আরো ভালো কিছু করা
সম্ভব। যা শুধু আমার প্রয়োজনই মেটাবে না, অন্যের
কাজে লাগবে বা অন্যরাও উপকৃত হবে। এই মেন্টালিটি
যখন আপনাকে তাড়া করবে তখনই আপনি আস্তে আস্তে
লক্ষ্যস্থলে পেঁৗছার সঠিক পথ খুঁজে পাবেন। দিনে
দিনে সফলতার দিকে ধাবিত হবেন। আপনি হয়তো এখনই
ভাবতে শুরু করেছেন, বাড়তি সময় কিভাবে কাজে
লাগাবেন। ভাবতে ভাবতে যদি কোনো পথই খুঁজে না
পান_ তাহলে আমি আপনাকে 21 পতাকাতলে
সমবেত হওয়ার আহ্বান জানাবো। কারণ আপনি হয়তো
জানেন না_ আপনার জন্যই 21। এখানে আছে
উন্নত জীবনযাপনের শতভাগ নিশ্চয়তা। আছে
জীবনটাকে উপভোগ করার সব ধরনের রঙিন আয়োজন।
আপনি কি সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে
চাকরি করছেন? ক্ষুদ্র বিনিয়োগ ব্যবসা করছেন? নো
প্রোবলেম। আপনি এখনই আসুন, 21 এর ব্যানারে।
সবকিছু ঠিক রেখেও বাড়তি আয়ের মাধ্যমে দূর করতে
পারেন আপনার সংসারে মৌলিক সমস্যা নামক
টেনশনগুলো।
প্রতি সপ্তাহে মাত্র ২০ থেকে ২৫ ঘণ্টা সময়ের বিনিময়ে
আপনি অর্জন করতে পারেন অনেক অনেক টাকা, যা
আপনার চাকরি বা ব্যবসায় ফুলটাইম ব্যয় করেও সম্ভব নয়।
আপনার ব্যবসায় লাভের পাশাপাশি লোকসানের ঝুঁকিও
রয়েছে। কিন্তু 21 এ লোকসানের কোনো ঝুঁকি
নেই। বরং রয়েছে আজীবন রয়ালিটি আয়ের
নিশ্চয়তা। এখন আপনিই বলুন এমন সুবর্ণ সুযোগ কি আর
হেলায় নষ্ট করা উচিত? আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি,
আপনি 21 এর পরিবারের সদস্যপদ লাভের পর
মৌলিক চাহিদা নিয়ে আর টেনশন করতে হবে না।
কারণ আপনাকে সচ্ছল ও সুন্দর শৃঙ্খলিত জীবন গড়ার
দায়িত্ব তখন 21 এর। কিন্তু বিনিময়ে আপনাকে
ধৈর্য ও সততার সঙ্গে অবিচল লেগে থাকতে হবে।
কোনো বাধা বা তিরস্কারই যেন আপনার ক্রমশ চলন্ত
পথকে রোধ করতে না পারে। তাহলে আর দেরি না করে
আজই সেমিনার বা প্লান দেখুন। কিভাবে নিজেকে
সফল করবেন। কিভাবে প্রাত্যহিক জীবনের
অক্টোপাসের মতো অভাবকে বিতাড়িত করবেন_ সে
কৌশলই জানবেন ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে।
তারপর প্রোডাক্টিভ ট্রেনিং গ্রহণ করার পর আয়নার সামনে
দাঁড়িয়ে নিজেকে একটু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখবেন শরীর-
মনে পোশাক-পরিচ্ছদে কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়
কি না। নিজেই বুঝতে পারবেন আপনি কতটা বদলে
গেছেন। আগের তুলনায় নিজেকে এখন কত বেশি সুন্দর
লাগছে তাও পরখ করুন। এবার প্লান মাফিক কাজ শুরু
করুন। যে কাজটি করবেন তা হচ্ছে এম.এল.এম.। মানে
মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা ডাইরেক্ট মার্কেটিং
বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং। এখানে কোনো পণ্যকে
কোম্পানি থেকে ক্রয় করে সরাসরি ভোক্তা বা
গ্রাহকের কাছে পেঁৗছে দেয়া। প্রচলিত ধারায় যারা
মধ্যস্বত্বভোগী থাকেন_ তাদের অস্তিত্বকে
সম্পূর্ণভাবে বিলীন করে মোট লভ্যাংশের ২০ ভাগ
কোম্পানি ভোগ করবে এবং বাকি ৮০ ভাগ গ্রাহক বা
ভোক্তাদের মাঝে সমহারে বণ্টন করে দেয়ার যে
অভিনব বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা তাকেই এম.এল.এম. বলে।
আশা করি, বিষয়টি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। এখন
প্রশ্ন হলো আপনি এই সুন্দর অফারটি গ্রহণ করছেন কি
না? যদি করেন তবে ভালো আর যদি না করেন তাও
ভালো। কিন্তু একটাই অনুরোধ, নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গি
থ্রো করবেন না। আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি,
এম.এল.এম. ব্যবসা না করার কারণে একদিন সত্যি সত্যিই
পস্তাবেন। সেদিন ভাগ্যের অজুহাত দিয়ে মিথ্যে
সান্ত্বনা নিজেকে দিলেও অভাব কিন্তু আপনাকে
অশান্ত করেই তুলবে। হয়তো সেদিন 21 এ
আসবেন; কিন্তু বড্ড দেরি করে। একটা প্রবাদ আছে_
সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। তখন অনেক পিছিয়ে
যাবেন, যা কোনোভাবেই পোষাতে পারবেন না। তাই
বলছি সময় থাকতে এমএলএম ব্যবসায় আসুন। যত বেশি
প্রশিক্ষণ নেবেন তত বেশি দক্ষ হবেন। যত বেশি শ্রম ও
মেধা বিনিয়োগ করবেন তত বেশি সফল হবেন।
এম.এল.এম.-এর আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে_ এখানে শুধু
একবারই পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয়। অন্যান্য ব্যবসার
মতো বারবার করতে হয় না। একবার অল্প পুঁজি বিনিয়োগ
করেই আজীবন এর অফুরন্ত সুফল ভোগ করা যায়। এতকিছু
জানার পরও কি আপনি নিশ্চুপ? আপনার কি ইচ্ছে করে
না বৃদ্ধ জীবনে পরিশ্রম না করে একটু আরাম আয়েশে
ভ্রমণ করে পৃথিবীর সব নেয়ামত ভোগ করে মৃত্যুবরণ
করতে। আজ আর নয়, শুধু আল্লাহপাকের কাছে এই
কামনা_ পরিবার পরিজনের অভাব ঘুচিয়ে সুন্দর
জীবনযাপনের লক্ষ্যে আপনাকে যেন আল্লাহ হেদায়েত
করেন।