Rsit tips

Rsit tips Active knowlage is power. Hi friends . I am Raju Ahmed. In this page I am trying to share different types of tutorial & tips. I expect your best cooperation.

Specially I am expert in Some type that is why initially I am sharing Computer it related tutorial & tips. In future I will share many more tutorial & tips such as Photoshop, web design and development, wordpress, Video Editing, Microsoft Office ,computer system managment , group policyetc. if you think this page is helpful for your career please do not forget to like my page. To get more update about us you can join My facebook group and can like my page. Thank you

11/10/2023
03/10/2023
কি ভাবে আপনার Windows এর Windows Defender বন্ধ করবেন তা আমার এই ভিডিও তে দেখতে পাবেন ।
12/09/2017

কি ভাবে আপনার Windows এর Windows Defender বন্ধ করবেন তা আমার এই ভিডিও তে দেখতে পাবেন ।

Permanent Disable Windows Defender in Windows 10.......... www.shehab23.blogspot.com www.facebook.com/smshehab5

19/07/2017

1. GOOGLE - Global Organization of Oriented Group Language of Earth.
2. YAHOO - Yet another Hierarchical Officious Oracle.
3. WINDOW - Wide Interactive Network Development for Office work Solution.
4. COMPUTER - Common Oriented Machine Particularly United and used under Technical and Educational Research.
5. VIRUS - Vital Information Resources under Siege.
6. UMTS - Universal Mobile Telecommunicati ons System.
7. AMOLED - Active-matrix organic light- emitting diode.
8. OLED - Organic light-emitting diode.
9. IMEI - International Mobile Equipment Identity.
10. ESN - Electronic Serial Number.
11. UPS - Uninterruptible power supply.
12. HDMI - High-Definition MultimediaInterface.
13. VPN - Virtual private network.
14. APN - Access Point Name.
15. SIM - Subscriber IdentityModule.
16. LED - Light emitting diode.
17. DLNA - Digital Living NetworkAlliance.
18. RAM - Random accessmemory.
19. ROM - Read only memory.
20. VGA - Video Graphics Array.
21. QVGA - Quarter VideoGraphics Array.
22. WVGA - Wide video graphicsarray.
23. WXGA - Widescreen ExtendedGraphicsArray.
24. USB - Universal serial Bus.
25. WLAN - Wireless Local AreaNetwork.
26. PPI - Pixels Per Inch.
27. LCD - Liquid Crystal Display.
28. HSDPA - High speed down-linkpacketaccess.
29. HSUPA - High-Speed UplinkPacket Access.
30. HSPA - High Speed PacketAccess.
31. GPRS - General Packet RadioService.
32. EDGE - Enhanced Data Ratesfor GlobalEvolution.
33. NFC - Near fieldcommunication.
34. OTG - On-the-go.
35. S-LCD - Super Liquid CrystalDisplay.
36. O.S. - Operating system.
37. SNS - Social network service.
38. H.S - HOTSPOT.
39. P.O.I - Point of interest.
40. GPS - Global PositioningSystem.
41. DVD - Digital Video Disk.
42. DTP - Desk top publishing.
43. DNSE - Digital natural soundengine.
44. OVI - Ohio Video Intranet.
45. CDMA - Code Division MultipleAccess.
46. WCDMA - Wide-band CodeDivision MultipleAccess.
47. GSM - Global System for Mobile
Communications.
48. WI-FI - Wireless Fidelity.
49. DIVX - Digital internet videoaccess.
50. APK - Authenticated publickey.
51. J2ME - Java 2 micro edition.
52. SIS - Installation source.
53. DELL - Digital electronic linklibrary.
54. ACER – AcquisitionCollaborationExperimentation Reflection.
55. RSS - Really simple syndication.
56. TFT - Thin film transistor.
57. AMR- Adaptive Multi-Rate.
58. MPEG - moving picturesexperts group.
59. IVRS - Interactive VoiceResponse System.
60. HP - Hewlett Packard।

19/07/2017

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর গুলি হল-
প্রশ্ন- ১৷ বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় কখন?
উত্তরঃ- ১৯৬৯ সালে।
প্রশ্ন- ২৷ বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয় কখন?
উত্তরঃ- ১৯৯৬ সালে।
প্রশ্ন- ৩৷ ইন্টারনেটের জনক কে?
উত্তরঃ-ভিনটন জি কার্ফ।
প্রশ্ন- ৪৷ WWW এর অর্থ কি?
উত্তরঃ-World Wide Web.
প্রশ্ন- ৫৷ WWW এর জনক কে?
উত্তরঃ- টিম বার্নাস লি ।
প্রশ্ন- ৬৷ ই-মেইল এর জনক কে?
উত্তরঃ-রে টমলি সন।
প্রশ্ন- ৭৷ ইন্টারনেট সার্চইঞ্জিনের জনক কে?
উত্তরঃ-এলান এমটাজ।

এটিও পড়ুন- Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য

প্রশ্ন- ৮৷ Internet Corporation For Assiged Names And Number– ICANN এর প্রতিষ্টা কবে?
উত্তরঃ- ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে(সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়)
প্রশ্ন- ৯৷ ইন্টারনেট জগতের প্রথম ডোমেইনের নাম কি?
উত্তরঃ- ডট কম।
প্রশ্ন- ১০৷ কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্টান সিম্বোলিকস ইন্টারনেট জগতের প্রথম ডোমেইন ডট কম রেজিস্ট্রেশন করে কবে?
উত্তরঃ- ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে।
প্রশ্ন- ১১৷ ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী শীর্ষদেশ কোনটি ?
উত্তরঃ- প্রথম-চীন,দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র
প্রশ্ন- ১২৷ বহু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার(Web Browser) কি কি?
উত্তরঃ-Opera, Mozilla,Internet Explorer, Rock Melt,Google Chromr.
প্রশ্ন- ১৩৷ বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google এর প্রতিষ্টাতা কে?
উত্তরঃ-সার্জে এম বেরিন ও লেরি পেজ।
প্রশ্ন- ১৪৷ জনপ্রিয় সামাজিক নেটওর্য়াকিং সাইট কি কি?
উত্তরঃ-Twitter, Facebook, Diaspora,MySpace,Orkut.
প্রশ্ন- ১৫৷ জনপ্রিয় সামাজিক নেটওর্য়াকিং সাইট টুইটারের কবে প্রতিষ্টিত হয় ?
উত্তরঃ-২০০৬ সালে।
প্রশ্ন- ১৬৷ টুইটারের প্রতিষ্টাতা কে?
উত্তরঃ-জ্যাক উর্সে ,ইভান উইলিয়াম, বিজ স্টোর্ন ।
প্রশ্ন- ১৭৷ ফেসবুকের প্রতিষ্টাতা কে?
উত্তরঃ-মার্ক জুকারবার্গ, ক্রিস হেগস,ডাসটিন মোক্রোভিজ,এডুয়ার্জে সাভেরিনা
প্রশ্ন- ১৮৷ জনপ্রিয় সামাজিক নেটওর্য়াকিং সাইট ফেসবুকের কবে প্রতিষ্টিত হয়?
উত্তরঃ-২০০৪ সালে।
প্রশ্ন- ১৯৷ ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদত্ত চিকিৎসা পদ্ধিতিকে কি বলে?
উত্তরঃ- টেলি মেডিসিন।
প্রশ্ন- ২০৷ উইকিপিডিয়া কি?
উত্তরঃ-অনলাইনভিত্তিক ফ্রি বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন- ২১৷ উইকিপিডিয়া কে প্রতিষ্টা কে?
উত্তরঃ- জিমি ওয়েলস(যুক্তরাষ্ট)
প্রশ্ন- ২২৷ উইকিপিডিয়া কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ- ২০০১ সালে ।
প্রশ্ন- ২৩৷ উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশন কি?
উত্তরঃ-অনলাইনভিত্তিক বিশ্বকোশ উইকিপিডিয়ার মালিক প্রতিষ্টান
প্রশ্ন- ২৪৷ উইকিলিকস(wikileaks) কি?
উত্তরঃ-সুইডেন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ।
প্রশ্ন- ২৫৷ উইকিলিকস(Wikileaks) এর কাজ কি?
উত্তরঃ- বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ন এমন একটি গোপন সংবাদ সংগ্রহ করে প্রকাশ করা ।
প্রশ্ন- ২৬৷ উইকিলিকস(Wikileaks) কে প্রতিষ্টা করেন?
উত্তরঃ-জুলিয়ান আসেঞ্জ(অস্ট্রেলিয়া)
প্রশ্ন- ২৭৷ বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট নেটওয়ার্কিংয়ের নাম কি?
উত্তরঃ- ARPANET(Advanced Research Projects Agency Network)
প্রশ্ন- ২৮৷ ফ্লিকার কি?
উত্তরঃ-ছবি শেয়ারিং সাইট Flickr.
প্রশ্ন- ২৯৷ ইউটউব কি?
উত্তরঃ- ভিডিও শেয়ারিং সাইট YouTube.
প্রশ্ন- ৩০৷ YouTube এর প্রতিষ্টাতা কে?
উত্তরঃ-স্টিভ চ্যান, জাভেদ করিম ।
প্রশ্ন- ৩১৷ স্প্যাম কি?
উত্তরঃ-অনাকাঙ্কিত ই-মেইল

19/07/2017

প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোনের চাহিদা দিন দিন বেরেই চলছে। আমরা অ্যান্ড্রয়েড তো ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু এখনো অনেকই অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কিত বহুল ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দাবলী জানেন না। বিশেষ করে নতুন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা, যারা অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে ততটা জানেন তাদের জন্য এই মেগা পোষ্ট। আসুন এবার শুরু করা যাক।

এটিও পড়ুন- ভ্রমণ করবেন ভবছেন ? হোটেল ফ্লাইট বুকিং থেকে সবকিছুই এখন সহজ

Android কি ?
অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে গুগলের একটি অপারেটিং সিস্টেম। আমরা কম্পিউটারে যেমন উইন্ডোজ, উবুন্টু, লিনাক্স ম্যাক ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি, তেমনি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজের যেমন এক্সপি, ভিসতা, ৭ ও ৮ ইত্যাদি সংস্করণ রয়েছে, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডেরও বিভিন্ন সংস্করণ রয়েছে। জনপ্রিয়তা পাওয়া সর্বশেষ কয়েকটি সংস্করণের নাম অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) এবং অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), কিটক্যাট (৪.৪-৪.৪.৬)

এটিও পড়ুন -আজীবন আয় করুন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট থেকে

A দিয়ে শুরুঃ-
AGPS: এ-জিপিএস মূলত অ্যাসিসটেড জিপিএস এর সংক্ষিপ্ত রুপ। এই প্রযুক্তি যেসব ডিভাইসে রয়েছে সেসব ডিভাইসের জিপিএস দ্রুত অবস্থান নির্ণয় করতে পারে। এ কাজের জন্য প্রযুক্তিটি মোবাইল নেটওয়ার্কের সাহায্য নেয়া। মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান জেনে জিপিএস স্যাটেলাইটগুলো সহজেই ডিভাইসের সম্ভাব্য অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে।
APK: অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্সটলযোগ্য ফাইল এক্সটেনশন। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেমন .exe ফাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকেন, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডে .apk ফাইল ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশান ইন্সটল করা হয়।
ADB: অ্যান্ড্রয়েড ডিবাগ সেতু. এটি বহুল ব্যবহৃত একটি টুল যা একটি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার থেকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সংযোগ করে ও কমান্ড পাঠায়।
Android Market: অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য Google-এর সংগ্রহস্থলের জন্য আসল নাম। মার্চ 2012 সালে এটি Google Play Store নামে পরিবর্তিত হয়।
AOKP: AOKP এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Android Open Kang Project. অন্যতম কাস্টম রম ডেভেলপার গ্রুপ। যে গ্রুপটি অ্যান্ড্রয়েডের ওপেন সোর্স ডেভেলপ ও কাস্টোমাইজ করে বিভিন্ন সেটের উপযোগী কাস্টম রম রিলিজ করে।
Apps: Apps হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশান এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যা আপনি ডাউনলোড করে আপনার স্মার্টফোনে চালান। এটা ফ্রী বা কিনতে পাওয়া যায়।
B দিয়ে শুরুঃ-
Bootloader: বুটলোডার হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরির একটি অংশ যা ফোনের অপারেটিং সিস্টেমকে চালু করে। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে, ডিভাইসের (হার্ডওয়্যার) অপারেটিং সিস্টেম (অ্যান্ড্রয়েড) চালু করায় যা তাই বুটলোডার। অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই ছোটখাট পরিবর্তন আনার জন্য ডিভাইস রুট করা হয়ে থাকে। এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের জন্য বুটলোডার আনলক করার দরকার হয়। সাধারণত এই কাজে ডিভাইসের ওয়ারেন্টি বাতিল হয়। তবে অনেক ডিভাইসই আবার বুটলোডার লক করে আনরুট করে ওয়ারেন্টি ফিরিয়ে আনা যায়।
Brick: Brick এর অর্থ হচ্ছে ইট। আর ফোন বা ডিভাইস ব্রিক করা মানে একে অনেকটা ইটে রূপান্তরিত করা। মূলত রুট বা এ জাতীয় অ্যাডভান্সড কাজ করার সময় অসাবধানবশত ফোন ব্রিক হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রিক হওয়া ফোন ঠিক করা যায়। তবে হার্ড ব্রিক হলে সে ফোন ঠিক হওয়ার সুযোগ কমই থাকে। সাধারণত হার্ডওয়্যারে সমস্যা হলে, যেমন মাত্রাতিরিক্ত ওভারক্লকিং-এর ফলে সিপিইউ অনেক গরম হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে ফোন হার্ড ব্রিক হয়ে থাকে।
Bug: Bug শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পোকা। আর স্মার্টফোনে Bug এর মানে হচ্ছে কোন ভুল বা ত্রুটি। সহজ ভাষায় কোন Apps ঠিকমতো কাজ না করাকে স্মার্টফোনে Bug বলা হয়ে থাকে।
C দিয়ে শুরুঃ-
Custom: সাধারণত ডিভাইসের সঙ্গে আসেনি এমন জিনিসগুলোকেই কাস্টম বলা হয়। যেমনঃ- যে রম ডিভাইসে দেয়া থাকে না তাকে কাস্টম রম বলে। রম সম্পর্কে জানতে ডকে দেখুন।
Custom Rom: গুগল তথা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কতৃক ব্যতীত অন্য যেসব রম ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ব্যবহারের সুবিদা পেয়ে থাকেন, সেগুলোকে কাস্টম রম বলে। উল্লেখ্য যে, সাধারণত কোম্পানি কতৃক দেয়া রম থেকে কাস্টম রমে অনেক সুযোগ সুবিদা থাকে।
Customize: নিজের মতো করে আলাদাভাবে বিভিন্ন সেটিংস ঠিকঠাক করা ও সাজানো। আপনার ডিভাইসের সিপিইউ কত দ্রুত বলে হিসেব করা হয়। ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে সিপিইউ’র এই ক্লক স্পিড নিজের ইচ্ছেমতো বাড়ানো-কমানো যায়। এ নিয়ে নিচে ওভারক্লক ও আন্ডারক্লক বিষয়ে দেখুন।
CPU: সিপিইউ আপনার ডিভাইস পরিচালনার মূল কাজটি করে থাকে। এটিই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার ডিভাইস কতটা দ্রুত কাজ করতে পারবে, কতটুকু কাজের ভার একসঙ্গে নিতে পারবে ইত্যাদি।
CaynozenMod/CM: সায়ানোজেন মূলত একজন রম ডেভেলপারের নাম যিনি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মাঝে সর্বাধিক জনপ্রিয়। বর্তমানে তিনি তার কিছু নিবেদিত ডেভেলপারদের সঙ্গে এক হয়ে সায়ানোজেনমড নামের এই কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। সংক্ষেপে একে সিএম বলেও ডাকা হয়। এর বিভিন্ন সংস্করণ একটি সংখ্যা দিয়ে বোঝানো হয় সেটি অ্যান্ড্রয়েডের কোন সংস্করণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেমনঃ আইসক্রিম স্যান্ডউইচের জন্য CM9, জেলি বিনের জন্য CM10, কিটক্যাটের জন্য CM11 ইত্যাদি।
D দিয়ে শুরুঃ-
Device: যে কোন গ্যাজেট বা প্রযুক্তি পণ্যকেই ডিভাইস বলা যেতে পারে। একটি ঘড়ি যদি অ্যান্ড্রয়েডে চালিত হয় তাহলে আমরা ঘড়িটিকে ডিভাইস বলতে পারি। তবে স্বাভাবিক অর্থে ডিভাইস বলতে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসিকে বোঝানো হয়ে থাকে। এটি নির্ভর করে কি ধরনের ডিভাইসের কথা বলা হচ্ছে এর উপর।
Dalvik Cache: রাইটেবল ক্যাশ যাতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল এপিকে ফাইলের বাইটকোড অপটিমাইজ করা থাকে। আপনার সকল অ্যাপ্লিকেশান দ্রুত লোড নিতে ও ভাল পারফর্ম করতে এই ক্যাশে সকল ইনফর্মেশন দেয়া থাকে।
E দিয়ে শুরুঃ-
External: এর অর্থ আলাদা। যেমন এক্সটারনাল মেমোরি স্লট বলতে বোঝায় আলাদা মেমোরি কার্ড লাগানোর জায়গা।
F দিয়ে শুরুঃ-
Flash: ফ্ল্যাশ করা বলতে কাস্টম রম, রিকোভারি ইমেজ ইত্যাদি ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা রম বা কোন সফটওয়্যারের অংশকে বদলে ইন্সটল করার পদ্ধতিকে বঝানো হয়।
Factory Reset: ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড থেকে করা যায়।
Fastboot: বুটলোডারের আরেকটি মোড, যা কিনা আপনি নিজেই ম্যানুয়ালি এর বিভিন্ন কাস্টমাইজ করে ফ্ল্যাশ দিতে পারবেন।
FC: FC এর পূর্নরুপ হচ্ছে force close. যখন কোন অ্যাপ ক্র্যাশ করে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় তখন এই লেখাটা আসে।
Firmware: ফার্মওয়্যার হল কোন একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের সমষ্ঠি। ফোনের সকল System Ui, System Apps, Settings সবকিছুই এই ফার্মওয়্যারের অংশ। এককথায় ফার্মওয়্যার অ্যান্ড্রয়েডের প্রাণ। এই ফার্মওয়্যার এর কোন ফাইলে সমস্যা হলে ফোন স্লো হয়ে যায় বা ল্যাগ করে। তখন ডিভাইসের যেকোন কাজ করতে অসুবিধা হয়। যখন এই সমস্যাটা হয় তখন উচিত ফোন রিস্টোর দেয়া অথবা ফার্মওয়্যার আপডেট দেয়া।
Froyo: অ্যান্ড্রয়েড ফ্রোয় (২.২). এটা গুগল ১০মে ২০১০ সালে তাদের নেক্সাস ওয়ান ডিভাইসে রিলিজ করার মাধ্যমে ঘোষণা করে।
G দিয়ে শুরুঃ-
Google: আমাদের আধুনিক প্রযুক্তির বস এবং অ্যান্ড্রয়েড মালিক।
GPU: জিপিইউ হচ্ছে "গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট"- এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর কাজ হল আপনার ডিসপ্লেতে যেসব জিনিস আসবে তা প্রসেস করা, কিছুটা বলতে পারেন আরেকটি প্রসেসর যার কাজ শুধু গ্রাফিক্স যেমন মুভি, গেম গ্রাফিক্স এসব প্রসেস করা। জিপিইউ শক্তিশালী হলে উন্নতমানের গেমস এবং এইচডি মুভি চালাতে কোন সমস্যা হবে না।
Gingerbread: অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েডের বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। যেটা প্রথম নেক্সাস এস এ রিলিজ দেয়া হয়েছিল।
G1: এটি অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম স্মার্টফোন, যা HTC T-mobile এর জন্য ২০০৮ সালে বাজারে রিলিজ করে। এটি HTC Dream নামেও পরিচিত।
Galaxy: স্যামসাং এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
Gmail: গুগল ওয়েব বেসড ইমেইল সেবা।
Google Play: মুভি, অ্যাপস, গেমস এবং বই বিক্রির গুগলের অনলাইন শপ। এটি ২০১২ সালের মার্চ এর ৬ তারিখ যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত অ্যান্ড্রয়েড মার্কেটের পরিবর্তিত রূপ যা প্লেষ্টোর নামে বহুল পরিচিত।
Google Now: আপনার বা আপনার কাঙ্খিত যেকোন অবস্থান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতেঅ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন এর গুগল সার্চ অ্যাপ এটি।
Google Wallet: প্লেষ্টোর সহ গুগলের বিভিন্ন সেবা কেনাকাটা করতে আপনার ভার্চুয়াল মানিব্যাগ এটি।
Gorilla Glass: CORNING থেকে তৈরি একটি স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী কাচ যা এখন বেশিরভাগ স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট এ ব্যবহৃত হচ্ছে।
GPS: জিপিএস হচ্ছে গ্লোবাল পজিশানিং সিস্টেম। আপনার ফোনে থাকা জিপিএস স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর যেই প্রান্তে থাকুন না কেন সে আপনার অবস্থান খুজে বের করবে।
Gyros/Gyroscope: জায়রোস্কোপ হলো কৌণিক অক্ষে নড়াচড়া বুঝতে পারে এমন একটি সেন্সর। এটি কৌণিক ত্বরণের উপর ভিত্তি করে কোন কিছুর অবস্থান নির্ণয় বা পরিমাপ করতে পারে। এক্সেলেরমিটারের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যাক্সেলেরোমিটার ছয়টি অক্ষে অর্থাৎ ডানে বামে সামনে পিছনে উপরে নিচে পজিশন নির্ণয় করতে পারলেও কৌণিক অক্ষ নিরূপণ করতে ব্যর্থ। অন্যদিকে অ্যাক্সেলেরোমিটার এবং জায়রোস্কোপ একত্রে ব্যবহারের ফলে একটি স্মার্টফোনে মোট ৬ টি অক্ষে মোশন সেন্স করতে পারে যা শুধুমাত্র অ্যাক্সেলেরোমিটারের তুলনায় কিছুটা বেশি সূক্ষ্ম ফলাফল দিতে সক্ষম।
H দিয়ে শুরুঃ-
Hack/Hacking: অ্যান্ড্রয়েডে হ্যাকিং বলতে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে নতুন কাস্টমাইজেশান যুক্ত করকে বুঝায়।
Hard Reset: এটি একটি প্রক্রিয়া যার।মাধম্যে আপনার ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ফ্যাক্টরিতে বানানোর পর যেমন ছিল সে অবস্থায় নিয়ে যাওয়া। এটি করলে আপনার ফোনের সকল ড্যাটা ,লগিনইনস এবং পাসওয়ার্ড মুছে যাবে।
Honeycomb: অ্যান্ড্রয়েড হানিকম্ব (৩.২), শুধুমাত্র ট্যাবলেট পিসির জন্য বানানো রম বিশেষ। এটিই প্রথম ভার্শন যা ফুল ডুয়েল কোর প্রসেসর সাপোর্টেড। হানিকম্ব সংবলিত প্রথম ট্যাব হল Motorola Xoom.
I দিয়ে শুরুঃ-
iOS: অ্যাপলের আইফোন, আইপড টাচ ও আইপ্যাডের বিভিন্ন সংস্করণে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। একে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়।
Internal: ফোনের সঙ্গে বিল্টইন থাকা মেমোরি যা থেকে ফোনকে আলাদা করা যায় না।
Ice Cream Sandwich: গুগল জিঞ্জারব্রেডের পর হানিকম্ব-এ ব্যাপক ফিচার যুক্ত করে কিন্তু হানিকম্ব বানানো হয়েছিল ট্যাবের জন্য। তাই স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীদের সন্তুষ্ট করেতে গুগল প্রায় একই ফিচার সংবলিত অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) রিলিজ করে। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ সংবলিত প্রথম স্মার্টফোন হল Samsung Galaxy Nexus.
IMEI: আইএমআইই হচ্ছে "ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকিউপমেন্ট আইডেন্টি"। মূলত প্রত্যেক ফোনে একটি করে ইউনিক আইডেন্টফিকেশান দেয়া থাকে ফোনটিকে শনাক্ত করতে।
IPS: আইপিএস হচ্ছে "ইন-প্লেন সুইচিং", মুলত.এটি উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন ডিসপ্লে বিশেষ। এটি আপনাকে সবচেয়ে ভাল এঙ্গেল ভিউ ও কালার দিবে। এটি সর্বপ্রথম আইফোনে ব্যবহৃত হয়েছে, পরবর্তীতে এখন অ্যান্ড্রয়েড বেসড সকল হাই রেঞ্জের স্মার্টফোনে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
J দিয়ে শুরুঃ-
Jelly Bean: অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), অ্যান্ড্রয়েডের আরেকটি বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। এতে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সেবা Google Now ও Project Butter সংযোজন করে বাজারে রিলিজ করা হয়।
K দিয়ে শুরুঃ-
Kernel: কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসে কার্নেল হচ্ছে সে জিনিস যা অ্যাপ্লিকেশান বা অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করে। মোবাইলের ক্ষেত্রে, আপনি যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশান টাচ করেন, তখন সেই টাচ কোথায় হয়েছে এবং তার কী কমান্ড রয়েছে সেই নির্দেশটি হার্ডওয়্যারে পৌছানোর কাজটিই এই কার্নেল করে থাকে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন ও ট্যাবলেট লিনাক্সের বিভিন্ন কার্নেলের উপর তৈরি করা হয়ে থাকে।
Kitkat: KitKat হচ্ছে Android Version-4.4.x, এর Released Date ৩১শে অক্টোবর,২০১৩।
L দিয়ে শুরুঃ-
Launcher: অ্যান্ড্রয়েডে Launcher হচ্ছে সেই জিনিস যা আপনার মোবাইলের "Main View' প্রদর্শন করে। আপনার ফোনের বিভিন্ন Featuresকে মোবাইলের Home Screen ফুটিয়ে তুলতেই মূলত Launcher ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- ADW Launcher, Launcher Pro, Go Launcher, SPB Shell 3D Regina 3D, Launcher 7 ও Next Launcher 3D।
Linux: কম্পিউটারের চারটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে লিনাক্স একটি। এই অপারেটিং সিস্টেমটি ওপেন সোর্স ভিত্তিক। বহুল আলোচিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এই লিনাক্স কমান্ড দিয়েই তৈরি। অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স ভিত্তিক বলে আমরা এটির সোর্স কোড বের করে ইচ্ছে মত কাস্টমাইজ করতে পারি।
Live wallpapers: এনিমেটেড ওয়ালপেপার যা অ্যান্ড্রয়েডের অন্যতম ফিচার। এটি অ্যান্ড্রয়েড ২.২ থেকে ব্যবহার শুরু হয়েছে।
Lollipop: Android Version 5.0 কে বলা হয় Lollipop (ললিপপ)। Lollipop এর রিলিজের তারিখ- ১২ই নভেম্বর, ২০১৪।
M দিয়ে শুরুঃ-
Malicious: ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা ডিভাইসের তথ্য হ্যাকারদের কাছে পাচার করতে পারে অথবা ডিভাইসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের দখলে দিয়ে দিতে পারে।
MiUi: অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয় কাস্টম রম গুলোর মধ্যে MiUi নিঃসন্দেহে অন্যতম। MiUiএর পূর্ণনাম XiaoMI User Interface। এটির নির্মাতা হল চাইনিজ অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও স্মার্টফোন.ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি Xiaomi Tech। এটির এত জনপ্রিয়তার মূল কারণ হল Xiaomi অ্যান্ড্রয়েডের স্টক রমকে কাস্টমাইজ করে এতে অ্যাপেল এর ios ও স্যামসাং এর টাচওয়িয (TouchWiz) এর মিলিত UI সংযোজন করে চমক দেখিয়েছে। এই রমটি i-phone রম নামেও পরিচিত কারণ এটির ইউজার ইন্টারফেস i-phone রম বেসড।
N দিয়ে শুরুঃ-
NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশনের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই প্রযুক্তির ফলে কোন প্রকার ইন্টারনেট বা ব্লুটুথ সংযোগ ছাড়াই দু'টি এনএফসি-এনাবলড ডিভাইস পাশাপাশি রেখে রেডিও সিগন্যালের মাধম্যে ফাইল ট্রান্সফার করা যায়। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস থ্রি'র বিজ্ঞাপনে অনেকে এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে থাকবেন।
Nexus: নেক্সাস গুগলের নিজস্ব স্মার্টফোন। (যার ম্যানুফ্যাকচারার হল LG, তবে Samsung এবং HTCও ২/১টি সেট বের করেছে) এটি "Pure Google" ডিভাইস নামেও পরিচিত মানে নেক্সাস ইউজে আসল অ্যান্ড্রয়েডের অনুভুতি পাওয়া যায় এবং অ্যান্ড্রয়েডের যেকোন আপডেট বা আপগ্রেড প্রথম নেক্সাস ডিভাইসে পাওয়া যায়। নেক্সাসের সিরিজের ডিভাইসগুলো হল Nexus One, Nexus S, Nexus 4, Nexus 7, Nexus 10, Galaxy Nexus.
O দিয়ে শুরুঃ-
OS: ডিভাইসের মূল সিস্টেম সফটওয়্যার। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমই হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড। অন্য কোথায়, অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম। তবে এর বিভিন্ন সংস্কণের বিভিন্ন নাম রয়েছে। যেমনঃ জিঞ্জারব্রেড, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন ইত্যাদি।
Overclock: প্রসেসরের গতিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়িয়ে তোলাকে ওভারক্লক বলা হয়। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওভারক্লক করলে ডিভাইস স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
OTG: OTG এর পূর্নরুপ হচ্ছে On The Go। এক বিশেষায়িত কেবল, যার সাহায্যে ওটিজি সাপোর্টেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ ও গেমপ্যাড চালানো যায়।
P দিয়ে শুরুঃ-
Processor: সিপিইউকেই প্রসেসর বলে ডাকা হয়ে থাকে। তবে আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে, ডিভাইসের যাবতীয় কাজ যে হার্ডওয়্যার সম্পন্নকরে তাকেই প্রসেসর বলে।
PIN: PIN এর পূর্নরুপ হচ্ছে Personal Identification Number. যাতে চারটি ডিজিট থাকে।
Pixel: ডিসপ্লের প্রতিটি ফোটাকে (ডট) পিক্সাল বলে। এই পিক্সালের জন্যই আমরা ডিসপ্লেতে বিভিন্ন ইমেজ ও টেক্সট দেখতে পারি।
Q দিয়ে শুরুঃ-
QR Code: এটি ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট বারকোড যখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে এটি দিয়ে স্ক্যান করবেন তখন এটি ওয়েব লিঙ্ক ওপেন করতে পারবে, অ্যাপ্লিকেশানটির ডাউনলোডেড মার্কেট ওপেন করতে পারবে, ইত্যাদি।
R দিয়ে শুরুঃ-
Retina Display: রেটিনা ডিসপ্লে এমন ধরনের ডিসপ্লে যা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব
নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।
Root:
ডিভাইসের পূর্ণ কর্তৃত্ব হাতে নেয়ার প্রক্রিয়া।
Rom: রম হচ্ছে রিড অনলি মেমোরির সংক্ষিপ্ত রূপ। অ্যান্ড্রয়েড জগতে রম দুই ধরনের হয়ে থাকে। স্টক রম ও কাস্টম রম। এগুলো হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা কিছু ড্যাটা যা অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে লোড হয়ে থাকে। মূলত এটিই পুরো ডিভাইসের ইন্টারফেসকে নিয়িন্ত্রন করে। স্টক রম হচ্ছে যেটি দিভাইসটির প্রস্তুতকারক কোম্পানি দিয়ে থাকে, আর কাস্টম রম হচ্ছে যেটি ব্যবহারকারীরা আলাদা ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন।
Reset: এটি ফোনকে পুনরায় বুট করে। রিসেট দু ধরনের সফট ও হার্ড। সফট রিসেট হল শুধুমাত্র ফোনকে অন অ্যান্ড অফ করার মাধম্যে ব্যাটারি পুল করে। আর হার্ড রিসেট ফ্যাক্টরি রিসেট নামেও পরিচিত। ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড
থেকে করা যায়।
Resolution: রেজুলেশান বুঝাতে কত সংখ্যক নিজস্ব পিক্সাল ডিসপ্লেতে আছে। সবচেয়ে কমন ফোন রেজুলেশান হল ১২৮০ বা ৭২০ পিক্সাল। ৭২০পি হল সর্ট ডাইমেনশান আর ১২৮০পি হল লং। যদি আপনার ডিসপ্লেতে উজ্জ্বল ও ঝঁকঝকে ছবি পেতে পার ইঞ্চি পিক্সাল ডিসপ্লেতে প্রচুর পরিমানে থাকা বাঞ্ছনীয়।
Recovery Mode: এডমিনিস্ট্রেশান সংক্রান্ত ফোন বা ট্যাবের যেকোন কাজ সম্পান্দন করতে রিকভারি মড ব্যবহার করা হয়। ফোন বা ট্যাব চালুর শুরুতে রিকভারি মড বুট করতে হয়। সাধারণত আনলক বুটলোডারে একটি সিম্পল রিকভারি মড দেয়া থাকে। তবে বেশি কাজ সম্পান্দনে কাস্টম রিকভারি মডই ব্যবহৃত হয়। জনপ্রিয় দুটি রিকভারি মড হল TeamWin Recovery Project (TWRP) এবং Clockwork (CWM)।
S দিয়ে শুরুঃ-
Stock: ফোন বা ডিভাইসের সাথে ডিফল্ট যেসব থাকে সেগুলোকে স্টক বলে। যেমনঃ স্টক ব্রাউজার, স্টক রম ইত্যাদি।
SDK: SDK এর পূর্নরুপ হচ্ছে Software Development Kit. এটি একটি বিশেষায়িত টুল কিট যার মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশান ডেভেলপ করা যায়।
Super AMOLED: ডিসপ্লে জগতে এমোলেড অনন্য। আর সুপার এমোলেড তার পরবর্তী সংযোজন। এটি এমোলেড থেকে উজ্জ্বল, অধিক ব্যাটারি সাশ্রয়ী এবং কম আলো প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য স্যামসাংই প্রথম এমোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করে।
Super AMOLED Plus: পূর্ববর্তী এমোলেডের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে সুপার এমোলেড প্লাস এর আগমন, যাতে ৫০% এরও বেশি সাব পিক্সাল এবং আরজিবি মেট্রিক্স সংযোজন করা হয়েছে। ফলে এটি এখন পাতলা, উজ্জ্বল এবং আরো কার্যকরী. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৪ এর অন্যতম আকর্ষণ হল এই সুপার এমোলেড প্লাস ডিসপ্লে।
T দিয়ে শুরুঃ-
Tweak: ডিভাইসের কোন।সেটিংসে ছোটখাটো পরিবর্তন আনা।
TouchWiz: স্যামসাং এর নিজস্ব লউনচার বা ইউজার ইন্টারফেস।
U দিয়ে শুরুঃ-
Underclock: প্রসেসরের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে আনাকে আন্ডারক্লক বলে। ফোন যখন অলস পড়ে থাকে সেই সময়ে প্রসেসরের কাজ কমিয়ে এনে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে আন্ডারক্লক বলা হয়।
Unroot: রুট করে সুপারইউজার পারমিশন পাওয়া যায়। এই পারমিশনকে বাতিল করে ডিভাইসকে আগের মতো লক করার পদ্ধতিকে বলে আনরুট।
Unlock Root: একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়।
USB: USB = Universal Serial Bus. যার মাধ্যমে ফোন বা ট্যাবকে পিসির সাথে সংযোগ করা যায়।
V দিয়ে শুরুঃ-
Vanilla: একটি টিম যা স্টক অ্যান্ড্রয়েডকে বর্ণনা করে।
Vroot: একটি পিসিঅ্যাপ্স যার সাহায্যে Android ডিভাইস Root করা যায়।
W দিয়ে শুরুঃ-
Widget: ওইগেট হল কোন অ্যাপের সর্টকার্ট আইকন যা হোমস্ক্রিন বা ফোন'স ডেক্সটপ সেট করে ঐ অ্যাপকে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
Wipe: ডিভাইসের কোন ইনফো মুছে ফেলাই হল ওয়াইপ।
X দিয়ে শুরুঃ-
XDA: এক্সডিএ হলো অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ডেভেলপারদের সবচেয়ে বড় ফোরাম। বেশিরভাগ কাস্টম রমসহ বিভিন্ন অ্যাডভান্সড বিষয়ে এখানেই আলোচনা করা হয়।
Xperia: সনি এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
Y দিয়ে শুরুঃ-
YouTube: গুগল ওয়েব বেসড ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা। স্টক রমে ইউ টিউব অ্যাপটি দেয়াই থাকে, না থাকলে প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে নেয়া যায়, কিন্তু এটি দিয়ে কোন ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না।
Z দিয়ে শুরুঃ-
z4root:
একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়

15/07/2017

📜 আসুন জেনে নিই বিভিন্ন যন্ত্রের আবিষ্কারককে......
🍭 কম্পিউটার আবিষ্কার করেন ~~~ হাওয়ার্ড এইকিন (যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৪৪) ।
🍭 ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন ~~~ চার্লস ব্যাবেজ (যুক্তরাষ্ট্র, ১৮৩৬) ।
🍭 উড়োজাহাজ আবিষ্কার করেন ~~~ রাইট ব্রাদার্স (যুক্তরাষ্ট্র, ১৯০৩) ।
🍭 পারমানবিক বোমা আবিষ্কার করেন ~~~ রবার্ট ওপেন হাইমার (যুক্তরাষ্ট্র) ।
🍭 টেলিফোন আবিষ্কার করেন ~~~ আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল (যুক্তরাষ্ট্র, ১৮৭৭) ।
🍭 টেলিভিশন আবিষ্কার করেন ~~~ জন এল বেয়ার্ড (যুক্তরাজ্য, ১৯২৫) ।
🍭 বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন ~~~ জগদীশ চন্দ্র বসু (বাংলাদেশী/ভারতীয়, বাঙালী ) এবং মার্কনী (ইতালি, ১৮৯৪) ।
🍭 চলচ্চিত্র আবিষ্কার করেন ~~~ টমাস আলভা এডিসন (যুক্তরাজ্য, ১৯১৯) ।
🍭 অক্সিজেন আবিষ্কার করেন ~~~ যোসেফ প্রিষ্টলি (যুক্তরাজ্য, ১৭৭৪) ।
🍭 চশমা আবিষ্কার করেন ~~~ আলেকজান্ডার ডি. স্পিনা (ইতালি, ১২৮০) ।

15/07/2017

Internet আবিষ্কৃত হয়, ১৯৬৯ সালে।
-
Email আবিষ্কৃত হয়, ১৯৭১ সালে।
-
Hotmail আবিষ্কৃতহয়, ১৯৯৬ সালে।
-
Google আবিষ্কৃত হয়, ১৯৯৮ সালে।
-
Facebook আবিষ্কৃত হয়, ২০০৪ সালে।
-
Youtube আবিষ্কৃত হয়, ২০০৫ সালে।
-
Twitter আবিষ্কৃত হয়, ২০০৬ সালে।
-
বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয়, ১৯৬৯
সালে।
-
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার
চালু হয়, ১৯৯৩ সালে।
-
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার
সবার জন্য উন্মুক্ত হয়, ১৯৯৬ সালে।
-
বাংলাদেশে 3G চালু হয় ১৪
অক্টোবর, ২০১২

15/07/2017

► কম্পিউটার মাউসের জনক
কে? – ডগলাস এঙ্গেলবার্ট।
► প্রতি মিনিটে পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের
হৃদস্পন্দন করে? – ৭২ বার।
► পঁচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী? –
হাইড্রোজেন সালফাইড।
► বৈদ্যুতিক হিটার ও বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে
ব্যবহৃত হয়? – নাইক্রোম তার।
► কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষার
নাম কি? – FORTRAN
► মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কৃত হয় কবে? –
১৯৭১ সালে।
► প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চালু হয়
কবে? – ১৯৬৯ সালে।
► সর্বপ্রথম উদ্ভাবিত মাইক্রোপ্রসেসরের
নাম কি? – Intel 4004.
► কতসালে ‘গ্রিন পিস’ আন্দোলন শুরু হয়?
– ১৯৮৫ সালে।
► পারমানবিক বোমা তৈরীতে রাসায়নিক
পদার্থের নাম – ইউরেনিয়াম
► পৃথিবীর প্রাচীনতম উদ্ভিদ : সামুদ্রিক
শৈবাল
► মানুষের দর্শনাভূতির স্তায়িত্ব কাল : ০.১
সেকেন্ড
► লেবুতে যে এসিড পাওয়া যায় : সাইট্রিক
এসিড
► আমাদের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী
মাসল অবস্থিত আমাদের জিভ-এ।
► পৃথিবীতে হাতী হচ্ছে একমাত্র প্রাণী যারা
লাফ দিতে পারেনা!
► শুধুমাত্র একটি মাত্র খাবার রয়েছে
পৃথিবীতে যেটি পঁচে যায় না? – মধু।
► ভিটামিন ‘এ’ এর অপর নাম কি? –
রেটিনল।
► মানুষের গায়ের রং নির্ভর করে যে
উপাদানের উপর : মেলানিন (২৭তম বিসিএস)
► CNG-এর অর্থ : কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক
গ্যাস (২৫তম বিসিএস)
► যে ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া
বন্ধ করতে সাহায্য করে : ভিটামিন
‘K’ (২৬তম বিসিএস)
► ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার
নাম : ডলি (১৯তম বিসিএস)
► ভিওআইপি কী? – ভয়েস ওভার ইন্টারনেট
প্রটোকল।
► মানবদেহের প্রতিটি দেহকোষে কত জোড়া
ক্রোমোজম থাকে? – ২৩ জোড়া।
► পানির গভীরতা মাপার একক – ফ্যাদম।
► উত্তাপের ফলে চর্বি ভেঙে কিসে পরিণত
হয় – ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল।
► তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়
– বায়বীয় পদার্থ
► লেজার রশ্মি যে আবিষ্কার করেন –
মাইম্যান ১৯৬০ সালে।
►জোয়ার ভাটার তেজকটাল হয় –
অমাবস্যায়।
►জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয় –
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।
ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করে
আজীবনের জন্য সংরক্ষণ করুন নিজের
প্রোফাইলে।

15/07/2017

আশা করি এখানে কিছু শিখতে পারবেন.....
LOVE এর পূর্ণরূপ কি?
*Language of Valuable Emotions.
CGPA এর পূর্ণরূপ কি?
*Cumulative Grade Point Average.
CAREER এর পূর্ণরূপ কি?
*Careful Acquisition Rearing Education Experience &
Responsibility.
BPSC এর পূর্ণরূপ কি?
*Bangladesh Public Service Commission.
PPP এর পূর্ণরূপ কি?
*Public Private Partnership.
*Purchasing Power Parity.
POLICE এর পূর্ণরূপ কি?
*Protection of Life in Civil Establishment.
*Polite Obedient Loyal Intelligent Courageous Efficient.
GDP এর পূর্ণরূপ কি?
*Gross Domestic Product.
PDF এর পূর্ণরূপ কি?
*Portable Document Format.
SP এর পূর্ণরূপ কি?
*Superintendent of Police / Police Super.
IELTS এর পূর্ণরূপ কি?
*The International English Language Testing System.
BSS এর পূর্ণরূপ কি?
*Bachelor of Social Science.
PC এর পূর্ণরূপ কি?
*Personal Computer
শেয়ার করে রেখে দিন, না হয় খুঁজে পাবেন না..

15/07/2017

.
💊১ বাইট (Bite) = ৮ বিট (Bit)
💊১ কিলোবাইট (KB) = ১০২৪ বাইট।
💊১ মেগাবাইট (MB) = ১০২৪ কিলোবাইট।
💊১ গিগাবাইট (GB) = মেগাবাইট।
💊১ টেরাবাইট (TB) = ১০২৪ গিগাবাইট।
💊১ পিকাবাইট (PB) = ১০২৪ টেরাবাইট।
💊CD (Compact Disk) একটি Read Only Memory
💊আধুনিক CD এর ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৬৫০ মেগাবাইট।
💊Blue Ray DVD এর ক্ষমতা ১০০ গিগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।
বি দ্রঃ শেয়ার করে রাখেন সময়মত পড়ার জন্য অল্প হলেও আমাদের লাইক কমেন্ট করে উৎসাহ দিয়ে যাবেন।
collected.....

15/07/2017

■■ প্রঃ আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
উঃ চালর্স ব্যাবেজ
_
■■ প্রঃ FACEBOOK - এর সদর দপ্তর কোথায়?
উঃ California
_
■■ প্রঃ Google কবে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
উঃ ১৯৯৮ খ্রিঃ
_
■■ প্রঃ www.-এর পূর্ণ রূপ কি?
উঃ world wide web
_
■■ প্রঃ 3g সেবা সর্বপ্রথম কখন চালু হয়?
উঃ ২০০১ খ্রিঃ
_
■■ প্রঃ 4g এর প্রকৃত bandwidth কত?
উঃ 10MBps
_
■■ প্রঃ ABC কি?
উঃ ১ম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার
_
■■ প্রঃ HTML মানে কি?
উঃ Hyper Text Markup Language
_
■■ প্রঃ PC-তে সর্বপ্রথম operating
system,ব্যবহার করা
হয় কবে?
উঃ ১৯৭১ খ্রিঃ
_
■■ প্রঃ Printer কি ধরনের device?
উঃ Output
_
■■ প্রঃ ROM এর পূর্ণ রূপ কি?
উঃ Read Only Memory
_
■■ প্রঃ ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক কি?
উঃ Bit
_
■■ প্রঃ কম্পিউটারের আবিষ্কারক কে?
উঃ হাওয়ার্ড আইকন
_
■■ প্রঃ কম্পিউটারের DPT এর পূর্ণ রূপ কি?
উঃ Dual Port Trans receiver
collected....

Address

Jessore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rsit tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share