ComPital

ComPital Best Solution for Ur Computer Problem

12/04/2019

বিনামূল্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, ভাতা প্রদান এবং চাকরির সুযোগ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের SEIP- BACCO প্রোজেক্ট প্রকল্পের অধীনে বিনামূল্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ (সার্টিফিকেট কোর্স ), ভাতা প্রদান এবং চাকরির সুযোগ।
আবেদনের লিংক- https://corporate3.bdjobs.com/Applicant_process.asp?jobno=834532&ref=
***এখন ই আবেদন করুন , আসন সংখ্যা সীমিত।

🏠🏠🏠 আমাদের প্রতিষ্ঠান (Xubisoft Ltd.) এ প্রফেশনাল কাস্টমার সার্ভিস এবং প্রফেশনাল ব্যাক অফিস ট্রেইনিং প্রোগ্রামে ট্রেইনি ভর্তি চলছে।আপনি নিজে এবং আপনার পরিচিত পরিজনকে আমাদের এই ট্রেইনিং প্রোগ্রামে অফার করতে পারবেন ।

আমাদের বিডি জবস্ এর পোস্ট এ গিয়ে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন অথবা, নিচে কমেন্টস সেকশনে নাম এবং কন্টাক্ট নাম্বার লিখে দিতে পারেন ,এবং আমাদের ফেসবুক পেজের ম্যাসেন্জারে আমাদের সাথে কথা বলতে পাড়বেন অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে ইন্টারভিউতে চলে আসুন ।

⏱⏱⏱ ক্লাস প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার

⏱ ক্লাস টাইম - সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা এবং দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত

💻💻💻💻 ট্রেইনিং ডিটেইলস :

১) ৫০ টি ক্লাস হবে (রবি থেকে বৃহস্পতি, প্রতি ক্লাস ৪ ঘণ্টা করে)
২) কোন কোর্স ফী দিতে হবেনা
৩) কোর্স শেষে আপনি সার্টিফিকেট এবং প্রতি ক্লাসের জন্যে ১০০টাকা করে এলাউন্স পাবেন, যদি
আপনি নূন্যতম ৯০% উপস্থিত থাকেন এবং সম্পন্ন ক্লাস করেন তাহলে ৫০০০ (পাঁচ হাজার টাকা
পর্যন্ত পাবেন ।
৪) প্রতি ক্লাসে ফুড এনাউন্স / নাস্তার সুবিধা পাবেন।
৫) WSDA নিউজিল্যান্ডের স্পেশালাইজ ইংলিশ কমিনিউকেশনের জন্য ক্লাসের সুযোগ পাবেন ।
৬) প্রফেশণাল সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউ টেকনিক এবং ইমেইল কারেসি শিকতে পাড়বেন ।

📚📚ট্রেইনিং এর জন্য প্রয়োজনীয় যা লাগবে :

১) নূন্যতম গ্রেজুয়েশন,ডিগ্রি ও মাস্টারস, বি এস সি ও অন্যান্ন / ৪ বছরের ডিপ্লোমা কমপ্লিট
সার্টিফিকেট থাকতে হবে
২) অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে (অনলাইন কপি থাকলেও হবে, তবে কোন জন্ম নিবন্ধন
সার্টিফিকেট গ্রহনযোগ্য হবেনা)
৩) সাথে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং ১ কপি আপডেটেড সি.ভি. আনতে হবে।

*** উপজাতি , নারী, প্রতিবন্ধী, ট্রেনিংয়ের অগ্রাধিকার পাবেন।

🏠অফিসের ঠিকানা :

জুবিসফট লিমিটেড
বাড়ী নং-১৯,(নিচ তলা), রাস্তা নং-০৪, সেক্টর নং-০৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
☎️যোগাযোগ- +৮৮০১৬১৫১৭৮০৭৭ , +৮৮০২৫৮৯৫৫১২৫
📩 ইমেল- [email protected] / [email protected]

03/07/2012
Collected frm Prothom Alo. Date : 14-06-2012চালু হলো IP - Version 6ইন্টারনেটে নতুন পরিচয় হিসেবে ৬ জুন চালু হলো ইন্টারনে...
14/06/2012

Collected frm Prothom Alo. Date : 14-06-2012

চালু হলো IP - Version 6

ইন্টারনেটে নতুন পরিচয় হিসেবে ৬ জুন চালু হলো ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন ৬ (আইপিভি ৬)। ইন্টারনেট সোসাইটির বরাতে এক খবরে বিবিসি জানিয়েছে, ট্রিলিয়নেরও অধিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর নিজস্ব আইপি ঠিকানা হিসেবে পরিচিতি দিতেই আইপিভি ৬ চালু হয়েছে।
৬ জুন বুধবার ইন্টারনেট পরিচালকেরা আইপিভি ৬ চালু করে বিদায় জানাল ইন্টারনেটে ঠিকানা লেখার পদ্ধতি আইপিভি ৪-কে।
এত দিন ওয়েব অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখতে আইপিভি ৪ সংস্করণটি ব্যবহার করা হতো। যা ৮ বিটে ৩২টি ডিজিট দিয়ে লেখা হয়। এদিকে, আইপিভি ৬ হচ্ছে ১২৮ বিটের, যা মূলত হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাটে লেখা হয়। বর্তমানে কোটি কোটি ওয়েবসাইট তৈরি হওয়ার ফলে পুরোনো ৮ বিটের আইপি দিয়ে বেশিদিন আর সাইটগুলোর নিবন্ধন করা সম্ভব ছিল না। অর্থাত্, দ্রুত শেষ হয়ে আসছিল আইপিভির আইপি ঠিকানা। নতুন নতুন পণ্য ও ওয়েবসাইটের জন্য ঠিকানা সংকট থেকে মুক্তির পথ হিসেবে আইপিভি ৬ নিয়ে কাজ করছিল ইন্টারনেট সোসাইটি। ইন্টারনেট সোসাইটির সদস্য হিসেবে আইপিভি ৬ সংস্করণে যেতে কাজ করছিল গুগল, ইয়াহু, মাইক্রোসফট বিং এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৮ জুন আইপিভি ৬ দিবস পালন করেছিল ইন্টারনেটে দুনিয়ার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্ব আইপিভি ৬ দিবস পালন উপলক্ষে এ দিনে একত্রে তাদের ওয়েবসাইটগুলো আইপিভি ৬ প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসে।
ইন্টারনেট সোসাইটি জানিয়েছে, ৬ জুন ইন্টারনেটের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। কারণ, আইপিভি ৬ চালু হওয়ায় আইপি স্বল্পতা পূরণ হয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় নতুন পথ উন্মোচিত হলো।
আইপি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিএএনএন জানিয়েছে, ইন্টারনেটযুক্ত বিভিন্ন পণ্যের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নতুন সংস্করণের ইন্টারনেট চালু জরুরি হয়ে পড়েছে। আইপিভি ৬ স্ট্যান্ডার্ডে ৩৪০ ট্রিলিয়নের বেশি আইপি ঠিকানা রয়েছে। তাই ইন্টারনেট ঠিকানা স্বল্পতার আশঙ্কা দূর হলো।

Collected frm  Prothom Alo. Date : 13-06-2012হেল্পলাইনএক ক্লিকে একাধিক ফোল্ডার তৈরিজরুরি প্রয়োজনে অনেক সময় কম্পিউটারে ...
13/06/2012

Collected frm Prothom Alo. Date : 13-06-2012

হেল্পলাইন

এক ক্লিকে একাধিক ফোল্ডার তৈরি

জরুরি প্রয়োজনে অনেক সময় কম্পিউটারে একসঙ্গে অনেক ফোল্ডার তৈরি করতে হয়। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা চাইলে এক ক্লিকেই একাধিক ফোল্ডার তৈরি করতে পারেন। এ জন্য মাউসের বাঁয়ে ক্লিক করে New/Text document অপশনে গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের সংকেতটি (কোড) নোটপ্যাডে লিখুন:
MD Sohag sohel sajib sumon zakir fahad rony moshiour sihab obhi
এরপর File/save as থেকে নোটপ্যাডটি Create folder.bat নামে সেভ করুন।
খেয়াল করুন, Create folder নামে একটি আলাদা ফাইল তৈরি হয়েছে। এই ফাইলে ক্লিক করলেই একসঙ্গে ১০টি ফোল্ডার তৈরি হয়ে যাবে। লক্ষ করুন, নোটপ্যাডের কোডে আপনি যে নামগুলো দিয়েছেন, সে নামেই ফোল্ডার তৈরি হয়েছে। ইচ্ছা করলে আপনি নিজের পছন্দমতো নাম নোটপ্যাডে স্পেস দিয়ে লিখে যত খুশি তত ফোল্ডার বানাতে পারবেন। তবে সংকেতের শুরুতে MD লিখতেই হবে।

খালেদ মাহমুদ খান

Collected frm Sopno nie in Prothom Aloসফলদের স্বপ্নগাথাঝুঁকি নাও, সফল হওবাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইউটিউবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জাভেদ...
13/06/2012

Collected frm Sopno nie in Prothom Alo

সফলদের স্বপ্নগাথা

ঝুঁকি নাও, সফল হও

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইউটিউবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জাভেদ করিম ১৯৭৯ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে সাদ হারলি ও স্টিভ চেনের সঙ্গে মিলে জাওয়াদ করিম জনপ্রিয় ভিডিও বিনিময় ওয়েবসাইট ইউটিউব তৈরি করেন। এই বক্তৃতা তিনি ২০০৭ সালের ১৩ মে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেন।

সবারই সম্ভবত ইউটিউব নিয়ে পছন্দ-অপছন্দের মিশ্র অনুভূতি আছে। কারণটা মনে হয় ইউটিউব নিজেই। একদিকে ইউটিউব যেমন প্রত্যেককে রাত জেগে নতুন সব ভিডিও দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে। ঠিক উল্টোভাবে বলা যায়, রাতের পর রাত এসব ভিডিও দেখার কারণে ইউটিউব তোমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে।
আমি এ সুযোগে, ইউটিউবের কারণে যাদের সিজিপিএ গ্রেড কমে গেছে তাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। অনেকে হয়তো জেনে খুশিই হবে যে ইউটিউব তোমাদের থেকে আমার বেশি সময় নষ্ট করেছে! যে কারও থেকে বেশি সময় ভিডিও দেখার জন্য বেশি সময় নষ্ট হয়েছে।
অনেকে খেয়াল করেছ, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে যেসব বক্তা আসেন তাদের মধ্যে আমি সর্বকনিষ্ঠ। এর ভালো-মন্দ দুটো দিকই আছে। খারাপ দিক হলো, বয়সের কারণে আমি তোমাদের জীবন সম্পর্কে গভীর কোনো দর্শনের ধারণা দিতে পারব না। না পারার কারণ হিসেবে বলা যায় আমি নিজেই সেই ধারণা খুঁজে বেড়াচ্ছি।
ভালো দিক হলো তোমরা এবং আমি বয়সে একই প্রজন্মের। তার মানে দাঁড়ায়, আমি যে সুযোগ পেয়েছি, যা শিখতে পেরেছি, তা এখনো প্রয়োগ করার সুযোগ আছে। তিন বছর আগে আমি যে সুযোগ পেয়েছি, যেসব ধারণা প্রয়োগ করেছি তা তোমরা এখনো একইভাবে প্রয়োগ করার সুযোগ ও সময় পাবে।
মিনেসোটার হাইস্কুলে পড়ার সময় আমি পৃথিবীর প্রথম জনপ্রিয় ইন্টারনেট ওয়েব ব্রাউজার মোজাইকের কথা শুনি এবং ব্যবহারের সুযোগ পাই। আমি ম্যাপ নিয়ে ইলিনয় খুঁজে বের করি এবং খেয়াল করি জায়গাটা মিনেসোটা থেকে বেশি দূরে নয়। তখনই আমার মাথায় নতুন চিন্তা ঢুকে গিয়েছিল। জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার যদি আমারই বাড়ির আঙিনার লোকজন উদ্ভাবন করে, তাহলে আমি অন্য কোথাও কেন যাব?
সেই সময় আমি কোনো চিন্তা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, আমাকে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেই হবে। আমি হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করি। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অপেক্ষায় ছিলাম কর্তৃপক্ষের চিঠির জন্য। খুব দ্রুতই আমি উত্তর পাই, কিন্তু সে উত্তর ছিল আমার জন্য হতাশাজনক। আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলা হয়, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে আমি ভর্তি হতে পারব না। ওই বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পূর্ণ হওয়াতে আমার ভর্তির সুযোগ নেই। কিন্তু আমি সিরামিকস প্রকৌশল বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাব। আমি বলতে চাই না, সিরামিকস বা মৃৎশিল্পের কোনো ভবিষ্যৎ নেই কিন্তু আমি তো এর জন্য আবেদন করিনি, স্বপ্ন দেখিনি।
পুরোপুরি হতাশ হয়েছিলাম আমি। তো আমি তখন কী করতে পারি? আমি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একটি দীর্ঘ চিঠি লিখি এবং কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনা করা যায় কি না তা জানতে চাই। আমি সেই চিঠিতে লিখেছিলাম, ‘কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ থাকবে আমার আবেদনপত্রের কোনো বিষয়ই যেন উপেক্ষা না করা হয়। আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি আমি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার জন্য আগ্রহী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।’
আমার আবেদন পুনরায় বিবেচনা করা হয় এবং আমি কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ পাই। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের আমার প্রথম শিক্ষা ছিল কোনো কিছুর প্রতি নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকলে তা চূড়ান্ত ফল আনবেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছরেই আমি এক প্রতিষ্ঠিত ইন্টারনেট ভিত্তিক অর্থ লেনদেনের কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ পাই। মনে হচ্ছিল, চাকরিটা আমার জন্য বড় একটা সুযোগ। আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না পড়াশোনা বাদ দিয়ে কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার সুযোগটা গ্রহণ করা ঠিক হবে কি না? আমি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে দুসপ্তাহ সময় নিই। পরে পড়াশোনায় বিরতি দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়াতে পেপ্যাল সদর দপ্তরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। আমার মতে, যখন ঝুঁকি গ্রহণের সুযোগ পাবে তা অবহেলা করো না।
২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ভারত মহাসাগরে সুনামি আঘাত আনে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ধারণ করা সুনামির ভিডিওগুলো খুব দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট ভুবনে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় ইন্টারনেটে কোনো সক্রিয় সাইট ছিল না, যেখান থেকে ভিডিওগুলো সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়, দেখা যায়। এলোমেলোভাবে বিভিন্ন সাইটে অপরিকল্পিতভাবে ভিডিওগুলো সংরক্ষণ করা হয়, ভিডিও শেয়ার করার কোনো ভালো সাইট ছিল না। ই-মেইলেও সংযুক্ত করে ভিডিওগুলো পাঠানো যেত না। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ভিডিওগুলো দেখার জন্য তোমাকে প্রথমেই একটি ভিডিও প্লেয়ার ইন্সটল করতে হতো। ইন্সটলের পর সবচেয়ে বড় কাজ ছিল বাড়ির লোকজনকে তা চালানো শেখানো। ইন্টারনেটে ভিডিও দেখার এই সমস্যাগুলো সমাধানের উপযুক্ত সময় ছিল তখন। সুনামির দুই মাসের মধ্যেই ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমি ও পেপ্যালের দুজন সহকর্মী ভিডিও শেয়ার ও সংরক্ষণের একটি ওয়েবসাইট তৈরির পরিকল্পনা করি।
আমরা ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের দিনে কাজ শুরু করি। ভ্যালেন্টাইনের দিন বলে কি কাজ বন্ধ থাকবে নাকি? এটাও তো অন্য একটা সাধারণ দিনের মতোই, তাহলে সেদিনই নয় কেন? ২৩ এপ্রিল ইউটিউব ডট কম নামের ওয়েবসাইট আমরা উন্মুক্ত করি। শুরুর দিকে আমাদের ওয়েবসাইট খুব কম জনই ব্যবহার করছে। অন্যদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য আমরা সাইটটিকে নতুন ধরনের ডেটিং সাইট বলে প্রচার করি। আমরা একটি স্লোগানও ঠিক করি: ‘টিউন ইন, হুক আপ’। আমরা কিছু আসল ডেটিং ভিডিও দেখে হতাশ হয়ে উঠেছিলাম। তাই আমরা এখানে সব ধরনের ভিডিও আপলোডের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠি। আমরা লস অ্যাঞ্জেলেস ও লাস ভেগাসের মেয়েদের উৎসাহিত করলাম আমাদের সাইটে ভিডিও আপলোডের জন্য। আমরা প্রতি ভিডিওর জন্য তাদের ২০ ডলার পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করলাম। আমাদের এই ঘোষণায় কেউ সাড়া না দিলে পুরস্কার ঘোষণা মাঠে মারা যায়!
আমরা ওয়েবসাইট নিয়ে নতুন চিন্তা শুরু করলাম। পরে জুন মাসেই আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে অনেক পরিবর্তন আনলাম। সাধারণ একটা রূপ দেওয়ার চেষ্টা করলাম, যেন সব ব্যবহারকারী খুব সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারে।
প্রতিষ্ঠার ১৮ মাসের মধ্যেই আমাদের ওয়েবসাইট নিয়ে আমরা আলোচিত হই। সাধারণ মানুষের কাছে আমরা খবরের শিরোনাম হই। তাদের অনেকের জিজ্ঞাসা ছিল, কীভাবে এ ধরনের আইডিয়া আমরা কোথা থেকে পেলাম। আমি তাদের সব সময় একটাই কথা বলি। চারদিকে সব সময়ই মেধাবী মানুষ থাকে, খুঁজে বের করতে হয় তাদের।
তোমরা যখন এই হল থেকে বের হয়ে যাবে, তখন একটা কথাই মনে রাখবে। পৃথিবী তোমার জন্য অপেক্ষা করছে নতুন কোনো বড় উদ্যোগ সুযোগ সৃষ্টির জন্য। সবাইকে অভিনন্দন।
সূত্র: ওয়েবসাইট
ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ: জাহিদ হোসাইন

ইন্টারনেটে তথ্য নিরাপত্তাআমিনুর রহমানসূত্র ঃ দৈনিক সমকালই-মেইল সেবা ও সামাজিক যোগযোগ সাইটগুলোর দৌরাত্ম্যে অনলাইন সমুদ্রে...
06/06/2012

ইন্টারনেটে তথ্য নিরাপত্তা
আমিনুর রহমান
সূত্র ঃ দৈনিক সমকাল

ই-মেইল সেবা ও সামাজিক যোগযোগ সাইটগুলোর দৌরাত্ম্যে অনলাইন সমুদ্রে জমা হচ্ছে লক্ষ-কোটি ব্যক্তিগত তথ্য। তবে এসব তথ্যের অধিকাংশ ব্যবহারকারীর অজান্তে অনলাইনে ছড়িছে পড়ছে, যা তার জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এক পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৫ সালের তুলনায় ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে। তবে ফেসবুকের কর্ণধার জুকারবার্গের দৃষ্টিতে তথ্য উন্মোচনের হার দ্বিগুণ হতে মাত্র এক বছর সময় লেগেছে। তথ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে ডিজিটাল প্রতারণা। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, তথ্য চুরির হার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগ সাইট। কেননা এসব সাইটের ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের পাঠানো বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন লিঙ্কে ক্লিক করছে। এর মধ্যে কিছু রয়েছে ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন। এই ক্ষতিকর অ্যাপসে ক্লিক করলে তথ্য চলে যাচ্ছে এসব অ্যাপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রণকারীদের হাতে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের উদ্বেগের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেট ব্যবস্থা। কারণ এ অনলাইন জগতের কোনো না কোনো অজানা পেজে ছড়িয়ে আছে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য এমনকি ছবি।
সচেতনতাই নিরাপত্তার বাহন :অনলাইনে জগতে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি থেকে বাঁচতে হলে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। সামাজিক সাইটে হোক আর ই-মেইলে হোক কখনই অচেনা ব্যক্তির প্রস্তাবে সাড়া দেওয়া ঠিক নয়।। অজানা কোনো সাইটে নতুন আইডি খোলার বিকল্প হিসেবে ফেসবুক, টুইটার আইডি দিয়ে লগইন না করা শ্রেয়। সামাজিক যোগাযোগ সাইটে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে অনুমতি দেওয়ার আগে সেটি কতটা নিরাপদ হতে পারে তা যাচাই করে নিতে হবে।
পরিত্রাণের উপায় : পারমাণবিক চেইনের মতো একবার কোনো তথ্য অনলাইনে চলে গেলে মুহূর্তেই সেটা ছড়িয়ে পড়তে পারে অসংখ্য ওয়েবসাইটে। তাই একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে চাইলেই খুঁজে খুঁজে এসব তথ্য মোছা সম্ভব নয়। এ রকম সমস্যা থেকে উদ্ধারের জন্য বর্তমানে পেশাগতভাবে কাজ করে যাচ্ছে বেশকিছু অনলাইন প্রতিষ্ঠান। আর কেউ যদি অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য যেমন_ ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, অনাকাঙ্ক্ষিত ছবি অথবা কোনো খারাপ মন্তব্য ছড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি আঁচ করতে পারেন তবে অনলাইনে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহায়তা নিতে পারেন।
রেপুটেশন ডট কম :হাজারো ওয়েবসাইটের যে স্থানেই আপনার তথ্য লুকিয়ে থাকুক না কেন সেগুলোকে মুছে দেওয়ার সবচেয়ে কার্যকরি ওয়েব প্রতিষ্ঠান রেপুটেশন ডট কম [www.reputation.com। তবে ব্যবহারকারীকে সেবাটি পেতে নতুন আইডি খুলতে হবে। তথ্য কোন কোন ওয়েবসাইটে এখনও চলে যাচ্ছে সে খবর জানিয়ে প্রতি মুহূর্তে বার্তা পাঠিয়ে জানান দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানাবে। এ ছাড়া বিনামূল্যে প্রত্যেক আইডিধারী তাদের নির্ধারিত অপশনে গিয়ে অনলাইন জগতে তার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ইতিমধ্যে চলে গিয়েছে কি-না তা যাচাই করে দেখতে পারবে। এ সাইটের সেবা পাওয়ার জন্য প্রতি মাসে খরচ হবে ৫ ডলার।
জাল্লাস ডট কম : প্রতিষ্ঠানটির সেবা মাসিক ভিত্তিক না হলেও প্রতি ৬ মাস পরপর একবার প্রোফাইল আপডেট করতে হয়। গুগল, ইয়াহু, এএলও, বিং_ যে কোনো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পাতা থেকে তথ্য সরাতে খুবই কার্যকরি জাল্লাস ডট কম [িি.িঃুধষষধং.পড়স]. এদের সেবা পাওয়ার জন্যও নতুন আইডি তৈরি করতে হয়। আর প্রতি ছয় মাস পরপর এসব আইডি আপডেট করার জন্য ১০০ ডলার খরচ করতে হবে।

06/06/2012

বাংলা শব্দের উচ্চারণসুবিধা নিয়ে ইন্টারনেটে চালু হয়েছে ডেইলিমেটবিডি (www.dailymatebd.com) নামের একটি ওয়েবসাইট। এতে প্রায় ২৩ হাজার শব্দের একক উচ্চারণ সুবিধা পাওয়া যাবে।— সূত্র প্রথম আলো

ডেলিমেট - এর আভিধানিক কিংবা পরিভাষা কিংবা ভাবার্থ হতে পারে প্রতিদিনের বন্ধু বা দৈনিক বন্ধু বা নিত্যসঙ্গী। শ্রুতিমধুর বিবেচনায় নিত্যসঙ্গী। ডেলিমেটবিডি, প্রাত্যহিক জীবনের বাংলায় প্রয়োজনীয় তথ্য ভাণ্ডার। ডেলিমেটবিডি ওয়েবসাইট তৈরীর পেছনে যুক্তি - যোগাযোগ ও সচেতনতার মাত্রা বিভিন্ন কারণে কম হওয়ায় স্...

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানো...
14/03/2012

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিংয়ের কাজের খোঁজ থাকে, এমন সাইটে যিনি কাজটা করে দেন, তাঁকে বলা হয় কনট্রাকটর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)। আর যিনি কাজ দেন, তাঁকে বলে বায়ার/এমপ্লয়া......র (তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)। ইন্টারনেটে বসে আউটসোর্সিংয়ের কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গত দুই-তিন বছরে দারুণ এগিয়ে গেছে।মুক্ত পেশাজীবী, অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তরুণেরা দেশে বসেই আউটসোর্সিং বেশভালো করছেন।ওডেস্ক এর র্যাংিকিং এ বাংলাদেশ ৪ নাম্বার পজিশন এ আছে।
আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে? কোথায় কাজ পাওয়া যাবে? অর্থ আনবেন কীভাবে ? সর্বপোরি নিজেকে কিভাবে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন প্রভৃতি নিয়ে নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, (অন সাইট ট্রেনিং সেন্টার) খুলনা “Online Earning / Outsourcing” কোর্স চালু করেছে।

Our Course Out Line
1. Internet, Website and Online Concepts
2. Basic concepts of freelancing (Be your own boss)
3. Email Account
4. Types of online work (Technical, Non Technical)
5. PTC (Pay to Click), PPC (Pay per Click)
6. Affialiate, Social Marketting
7. Data Entry
8. Small Income by Microworkers, Adbright, Blogspot, Blogging
9. Personal Website and Addsense (google)
10. Freelancing with Odesk, Getafreelancer, Scriptlancer and all other provider
11. Some technical Area You Should know (HTML, CSS, Java Script, PHP Mysql etc)
12. Paymen t Method Details(Alert Pay, Money Bookers, Ecommerce, Payment Withdraw)
13. Prepare yourself to become future leader (the vast windows of IT)
14. And Create and maintain a website with JoomlaSee More


Who is interested plz fell free to contact with us.

Contact Info
216, Khan-a-Sabur Road, Boyra Mohila College Mor,(South Side of Public Library) Boyra Khulna-9000.

Mobile: 01719 394147 or 041762357
Email: [email protected]

http://www.facebook.com/pages/New-Horizons-Computer-Training-Center-Onsite-Khulna/196494883745460

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানো...
14/03/2012

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিংয়ের কাজের খোঁজ থাকে, এমন সাইটে যিনি কাজটা করে দেন, তাঁকে বলা হয় কনট্রাকটর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)। আর যিনি কাজ দেন, তাঁকে বলে বায়ার/এমপ্লয়া...র (তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)। ইন্টারনেটে বসে আউটসোর্সিংয়ের কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গত দুই-তিন বছরে দারুণ এগিয়ে গেছে।মুক্ত পেশাজীবী, অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তরুণেরা দেশে বসেই আউটসোর্সিং বেশভালো করছেন।ওডেস্ক এর র্যাংিকিং এ বাংলাদেশ ৪ নাম্বার পজিশন এ আছে।
আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে? কোথায় কাজ পাওয়া যাবে? অর্থ আনবেন কীভাবে ? সর্বপোরি নিজেকে কিভাবে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন প্রভৃতি নিয়ে নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, (অন সাইট ট্রেনিং সেন্টার) খুলনা “Online Earning / Outsourcing” কোর্স চালু করেছে।

Our Course Out Line
1. Internet, Website and Online Concepts
2. Basic concepts of freelancing (Be your own boss)
3. Email Account
4. Types of online work (Technical, Non Technical)
5. PTC (Pay to Click), PPC (Pay per Click)
6. Affialiate, Social Marketting
7. Data Entry
8. Small Income by Microworkers, Adbright, Blogspot, Blogging
9. Personal Website and Addsense (google)
10. Freelancing with Odesk, Getafreelancer, Scriptlancer and all other provider
11. Some technical Area You Should know (HTML, CSS, Java Script, PHP Mysql etc)
12. Paymen t Method Details(Alert Pay, Money Bookers, Ecommerce, Payment Withdraw)
13. Prepare yourself to become future leader (the vast windows of IT)
14. And Create and maintain a website with JoomlaSee More

21/12/2011

এই শীতে নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার নিয়ে এল দারুন অফার......... নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার-এ যে কোন কোর্সে ভর্তি হলে তার সঙ্গে থাকছে অন লাইন ইনকামিং কোর্স ফ্রি। যার মাধ্যমে ঘরে বসে ইন্টার নেট থেকে আয়ের কলাকৌশল জেনে আপনিও আয়ের সুযোগ করে নিতে পারেন। এ অফার সীমিত সমেয়র জন্য। যোগাযোগঃ ০১৭১৯ ৩৯ ৪১ ৪৭ অফিসঃ ২১৬, খাঁন-এ-সবুর রোড, বয়রা মহিলা কলেজ মোড় (পাবলিক লাইব্রেরীর দক্ষীন পার্শে), বয়রা, খুলনা-৯০০০।

17/12/2011

ফেসবুক ব্যাবহারকারি সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ফেসবুক হ্যাকাররা আরেকজনের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং করে তার ফ্রেন্ডদের ওয়ালে নানারকম অশ্লিল ও বাজে জিনিস পোস্ট করতাছে। যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ভালো কাজের উদ্দেশ্যের পেজ এবং একাউন্ট গুলোর সুনাম ও উদ্দেশ্য দুটই নষ্ট করছে। তাই ফেসবুক ব্যাবহারকারিদের কাছে অনুরোধ আপনারা এই সমস্ত অশ্লিল ও বাজে পোস্ট-এ লাইক বা কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন। এবং ঐ একাউন্ট ও পেজ সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে না বুঝে খারাপ দৃষ্টিতে না দেখার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

Address

216, Khan-A-Sabur Road, Boyra Mohila College More, (South Side Of Public Library), Boyra
Khulna
9000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ComPital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ComPital:

Share