Arif Telecom

Arif Telecom In Here You Find all Mobile Recharge Service with Recharge Card and Top-Up. Also in Here sold, Essential Mobile Equipment.

আরিফ টেলিকম, (মালিকঃ রুবেল) রেলিগেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় টেলিকমিউনিকেশনের দোকান। এর নাম খ্যাতি সম্পর্কে সকলেই অবগত। বিদ্যুৎ বিল, bKash, DBBL Mobile Account, mCash, যে কোন মোবাইলে রিচার্জ, ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনা, মোবাইলের আনুষঙ্গিক যেমনঃ চার্জার, হেড ফোন, Converter, ব্যাটারি ইত্যাদি সেবা দিয়ে থাকে।

এই মহিলাটা Rubel কে Propose করেছে। কি করা যায়।
28/09/2016

এই মহিলাটা Rubel কে Propose করেছে। কি করা যায়।

30/04/2016

"বায়োমেট্রিকে নিবন্ধন হয়েছে কিনা নিজেই যাচাই করুন"
সিম নিবন্ধন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন :
১) বাংলালিংক নিবন্ধন যাচাই:
বাংলালিংকের গ্রাহকরা *1600*1 # ডায়াল করে নিবন্ধন যাচাই করতে পারেন। আপনার নিবন্ধন যদি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে তবে মেসেজে আসবে : ইউর কানেকশন হ্যাভ অলরেডি বিন বায়োমেট্রিক রি-ভেরিফাইড অন (তারিখ)। থ্যাঙ্ক ইউ ফর ইউজিং বাংলালিংক।
২) গ্রামীণফোন নিবন্ধন যাচাই:
Message option গিয়ে reg লিখে 4949 এ send করুন। ফিরতি ক্ষুদে বার্তায় কী লেখা পড়ুন।
৩) রবি নিবন্ধন যাচাই:
*643 # লিখে কল বাটন চাপুন। একটি ক্ষুদে বার্তা আসবে, অনুসরণ করুন 1 লিখে send করুন। ফিরতি ক্ষুদে বার্তায় কী লিখা পড়ুন।
৪) এয়ারটেল নিবন্ধন যাচাই:
*121*444 # লিখে কল বাটন চাপুন। ফিরতি ক্ষুদে বার্তায় কী লিখা পড়ুন।
নিজেই জানতে পারবেন আপনার সিম বায়োমেট্রিকে নিবন্ধিত কিনা।

আজই শেষ দিন! তাই আজই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আপনার সিম রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।...!.....
30/04/2016

আজই শেষ দিন! তাই আজই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আপনার সিম রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।...!.....

03/04/2016

Dia Dos Namorados 2012

23/03/2016

So What, Bangladesh Played Well... We Are Always With You...

21/11/2015

যেভাবে মৃত্যুদন্ড বা ফাঁসি কার্যকর করা হয়
আপনাদের অনেকেরই আগ্রহ আছে মৃত্যুদন্ড বা ফাঁসি কিভাবে কার্যকর করা হয় তা জানার ব্যাপারে। এক এক দেশে এক এক নিয়ম মেনে মৃত্যুদন্ড বা ফাঁসি কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদন্ড বিভিন্ন দেশে ভয়ংকর সব অপরাধের শাস্তিস্বরুপ দেয়া হয় । দেশে দেশে এর পদ্ধতি ও ইতিহাস ভিন্ন। পৃথিবীর ৫৮ টি দেশে এখনও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় এবং ৯৭ টি দেশ থেকে এটি বিলুপ্তপ্রায়। মৃত্যুদন্ডের ইতিহাস বহু পুরানো। একসময়ে চকতি দিয়ে, সিদ্ধ করে, পুড়িয়ে, পাথর মেরে ক্রুশবিদ্ধ করে এমনকি হাতি দিয়ে পাড়িয়েও মৃত্যুদন্ড দেয়া হতো। গতবছর উত্তর কোরিয়ায় কুকুর দিয়ে কামড়িয়ে ও খাইয়ে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে।
প্রাচীন চীনে দুই ধরনের মৃত্যুদন্ডের চল ছিলো। একটি ছিলো রড দিয়ে খুচিয়ে মারা, অপরটি ছিলো হাতের শিরা কেটে ফেলা। ৯০০ শতাব্দীতে কেটে কেটে মানুষকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হত। পরে ১৯০৫ সালে এ পদ্ধতি বিলুপ্ত হয়। সে সময় যদি কোন মন্ত্রীর মৃত্যুদন্ড দেয়া হত তবে তাকে এভাবে না মেরে তাকে আত্মহত্যার জন্য বলা হত । সে সময়ে যার মৃত্যুদন্ড দেয়া হত তার পরিবারের উপরেও নেমে আসত অমানবিক অত্যাচার। বাবাকে গৃহবন্দি করা হত, মা বোন দাদা নাতি কে একঘরে করে দেয়া হত এমনকি তাদের যারা মারা গেছে তাদের কবর থেকে কফিন তুলে বিদ্ধস্ত করে উড়িয়ে দেয়া হত আর হাড়গোড় গুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়া হত।
আস্তে আস্তে মৃত্যুদন্ড একটু একটু করে কাল ক্রমে সহজ হয়ে আসে । ফাঁসিতে ঝুলানো, গলাকাটা বা গিলোটিনের মতো পদ্ধতি গুলো আসে। আস্তে আস্তে এসব আরও আধুনিক রুপ পায় যেমন ফাসির দড়িতে ঝুলিয়ে আগে পায়ের নীচের টুল সরিয়ে ফেলা হত আর এখন অনেক উপর থেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় তাতে সাথে সাথে আসামীর মৃত্যু হয়।
আসুন দেখে নেই এখনও কোন কোন দেশে কি কি ভাবে মৃত্যুদন্ড চালু আছে বা তাদের পদ্ধ তিটিই বা কি?
শিরচ্ছেদ – সৌদি আরব, কাতার
ইলেকট্রিক চেয়ার – আমেরিকা, ফিলিপাইন
ধাক্কা মেরে পাহাড় থেকে ফেলে দেয়া – ইরান, চিলি
গ্যাস চেম্বার – আমেরিকা
ফাঁসি – আমেরিকা, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, মন্গোলিয়া, জাপান, পাকিস্তান,ভারত, মিশর, ফিলিপনস, সিন্গাপুর, লাইবেরিয়া, কোরিয়া, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে
ইনজেকশন – আমেরিকা, ফিলিপিনস, গুয়েতমালা, থাইল্যান্ড, চায়না, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম
ফায়ারিং স্কোয়াড – আমেরিকা, চায়না, ভিয়েতনাম, রাশিয়া, লেবানন সহ অনেক দেশে
ছুরিকাঘাত – সোমালিয়া
ফাঁসি কার্যকরের আগে ফাঁসির মঞ্চ ও পাটাতন বার বার পরীক্ষা করে দেখা হয়। ৩০ফুট লম্বা দড়িটি ভিজিয়ে শুকানো হয় যেন তাতে ভাজ বা প্যাচ না খায়। দড়িটি মোম তেল ও সাবান দিয়ে মসৃন করা হয়। আসামীর সাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় এবং যখন তাকে পাটাতনের দাড় করানো হয় তখন কলেমা পড়িয়ে তার মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। উপর থেকে ফেলার গতি হয় অতি দ্রুত যেন তা গলায় ১২৬০ ফুট-পাউন্ড চাপ তৈরী করতে পারে। দড়ির নট টি থাকে আসামীর বাম কানের নীচে। অতি দ্রুত পড়ার সময় মেরুদন্ডের হাড় ভেঙ্গে গিয়ে সাথে সাথে আসামীর মৃত্যু হয়।
একজন ফাঁসির আসামী শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করেন কোন দৈব শক্তি এসে তাকে রক্ষা করবে। এমনকি পেছনে হাত বাঁধা, গলায় দড়ি পরানো অবস্থায় এক পৃথিবী থেকে অন্য পৃথিবীতে যাওয়ার মাঝখানে দেয়াল যখন একটি মাত্র রুমাল; নীরবে দাড়িয়ে তখন সে ভাবতে থাকে এই বুঝি তাকে রক্ষা করতে কেউ এগিয়ে এলো।
বাংলাদেশে যেভাবে ফাঁসি কার্যকর হয়
বাংলাদেশে এক সময়ে মুনিরের ফাঁসি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এরপর এরশাদ শিকদারের ফাঁসি নিয়ে ছিল মানুষের ব্যাপক আগ্রহ। একজন মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী যতই ঘৃণ্য হোক, তার শেষ ইচ্ছা পালনের চেষ্টা করা হয়। চেষ্টা করা হয় তার মৃত্যুটি যথাসম্ভব আরামদায়ক করার।
মৃত্যুদণ্ড আরামদায়ক করার জন্য বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন। এই ধারাবাহিকতায় ইলেকট্রনিক চেয়ার, ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড আবিষ্কার হয়েছে। তবে যত সিস্টেমই আবিষ্কারই হোকনা কেন, মৃত্যু তো মৃত্যুই। আইনানুগ সকল ফর্মালিটি শেষে ফাঁসির আসামীকে নিয়ে আসা হয় কনডেম সেলে। সেখানে শুধু ফাঁসির আসামীরাই থাকে। মাথায় থাকে লাল টুপি। অনেকটা ওয়েটিং রুমের মতো। এখানে কয়েকদিন রাখা হয়। তার সাথে যথাসম্ভব ভালো ব্যবহার করা হয়।
বিদেশ থেকে আনা হয় দড়ি। সাধারণত জার্মানি থেকে বিশেষ এই দড়ি আনা হয়। নিয়ম করে কয়েকবার এতে মাখানো হয় সবরি কলা আর মাখন। জল্লাদ নির্বাচন করা হয় কয়েদিদের মধ্য থেকেই। প্রতিটি ফাঁসি কার্যকরের জন্য ঐ কয়েদির ২ মাস করে সাজা কমে। আসামীর সম-ওজনের বালির বস্তা দিয়ে কয়েকবার ফাঁসির প্র্যাকটিস করা হয় কয়েকদিন আগেই। কনডেম সেলে আসামীর আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করানো হয়। তবে কবে ফাঁসি কার্যকর হবে তা আসামী এবং আত্মীয়-স্বজন কাউকেই বুঝতে দেয়া হয় না।
সাধারণত রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার দিকে কারাগার মসজিদের ইমামকে সাথে নিয়ে জেল সুপার কনডেম সেলে যান। তখন কয়েদি বুঝতে পারেন যে আজই তার জীবনের শেষ রাত। সাড়ে ১১টার মধ্যে তওবা পড়ানোর কাজ শেষ হয়ে যায়। ১২টার ৫ মিনিট আগে যম টুপি ও গলায় দড়ি পরিয়ে দেয়া হয়। জেল সুপার হাতে রুমাল নিয়ে মঞ্চের পাশে দাড়িয়ে থাকেন। সাথে দাড়িয়ে থাকেন অন্যান্য অতিথিরা। জল্লাদের চোখ তখন রুমালের দিকে। ঐ মুহূর্তে এই রুমালই একজন মানুষকে এপার থেকে ঐ-পাড়ে পাঠিয়ে দেয়ার ভূমিকা পালন করে।
আসামীর চোখে মুখে অন্ধকার। দাঁতে দাঁত খেটে থাকে। গলাটাকে ফোলানোর চেষ্টা করেন যেন ব্যথাটা একটু কম লাগে। কিন্তু বিশাল এই দেহের ভার কি আর গলা সইতে পারে? ধর্মীয় দোয়া/মন্ত্র পাঠ করতে থাকে আর মনে মনে অপেক্ষায় থাকে কোন দৈব শক্তির। কান খাড়া করে রাখে এই বুঝি কেউ একজন বলে উঠবে, “স্টপ; এই ফাঁসি হবে না”।
ভাসতে থাকে প্রিয় মানুষগুলোর মমতা ভরা মুখ। তাদের মায়া মুখগুলো ভেবে হৃদয় কেঁদে উঠে। মনে হয়, যে কোন কিছুর বিনিময়ে আর ক’টা দিন যদি ওদের সাথে কাটাতে পারতাম। প্রিয় মানুষগুলোকে একটু জড়িয়ে ধরতে পারতাম। একজন ফাঁসিতে আত্মহত্যাকারী আর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যুর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আত্মহত্যাকারী পৃথিবীর প্রতি বিতৃষ্ণার কারণে আত্মহত্যা করে। তাছাড়া সেই মুহূর্তে তার মধ্যে কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। আর ফাঁসির আসামী পৃথিবীর মায়ার জন্য অন্যায় করে এবং সে ভাবার মতো যথেষ্ট সময় পায়। আসামী যাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অপরাধ করে শেষ সময় তারা কেউ পাশে থাকতে পারে না। যারা থাকে সবগুলো অপরিচিত মুখ। সবাই যার যার দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত।
স্বজনদের মতো মমতা ভরা কণ্ঠ এখানে নেই। গায়ে হাত বুলিয়ে দেবার কেউ নেই। তার কষ্টে ব্যথা পাওয়ার কেউ নেই। যত বড় দুর্ধর্ষ ব্যক্তিই হোক না কেন, এই সময়টিতে সে সবচেয়ে অসহায় অনুভব করে। একজন মানুষ যখন উত্তেজনায় থাকে তখন ভবিষ্যৎ পরিণতি ভাবার মতো জ্ঞান তার থাকে না। আর সে সময়টিতেই ঘটায় যত অঘটন। আর
এজন্যই মনিষীরা বলে থাকেন, জীবনে দুটো সময় কোন সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। এক খুব রাগান্বিত অবস্থায় এবং খুব আনন্দময় অবস্থায়। এই দুটো সময়ে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা ৯০ ভাগ। সর্বশেষ ১২টা পাঁচ মিনিটে পায়ের নিচ থেকে পাটাতন সরে যায়। গলায় আটকে যায় মোটা দড়ি। শুরু হয় রহস্যময় যাত্রা। ১০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখার পর একজন ডাক্তার এসে ঘাড়ের চামড়া কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে থাকে নিথর দেহ। এরপর থেকে আর প্রয়োজন হয়না কোন খাবার কিংবা পানি। রাতে খাওয়া খাবারগুলো দেহের কোন কাজে আসেনা। পাকস্থলীতে পরে থাকে নীরব হয়ে।
মৃত্যুর আগ মুহূর্তে একজন আসামী ফিরে যেতে চায় তার অতীতে। ভুলগুলো মুছে দিয়ে নতুন করে লিখতে চায় জীবনের অধ্যায়। আমরাও একই পথের যাত্রী। শুধু আমরা জানতে পারিনা আমাদের মৃত্যুর সময়-ক্ষণ। আমাদের যেন শেষ মুহূর্তে পিছনে ফিরে অতীতকে নতুন করে লিখার ইচ্ছে জাগ্রত না হয় সে জন্য প্রতিটি মুহূর্ত- প্রতিটি সেকেন্ড ভেবে চিন্তে সৎ ভাবে অতিবাহিত করতে হবে। কারণ জীবন খাতার অক্ষর মোছার কোন ফ্লুয়িড নেই। তাই সবার উচিৎ মানবতাকে সম্মান করা, কোন অন্যায় না করা, আইন মেনে চলা, সুনাগরিক হয়ে, দেশপ্রেমিক হয়ে বেঁচে থাকা।

04/11/2015
17/09/2015

পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তকুল সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। তেমনি এক ভক্ত বাংলাদেশের খুলনার বিল্লাল। গানের সঙ্গে জ্যাকসনের ভঙ্গিমায় নেচে নেচে বিক্রি করেন ডিজিটাল ঘটি গরম চানাচুর। ছবিটি আজ বুধবার বিকেলে খুলনা শহরের রেলগেট এলাকা থেকে তোলা। ছবি: সাদ্দাম হোসেন, খুলনা

31/07/2015

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রেমের সম্পর্কে না জড়ানোর অনেক ভালো দিক রয়েছে। যদিও অনেকে প্রেম না করতে পেরে নিজেকে ব্যর্থ মনে করে। কারন আশে পাশের সবাই প্রেম করছে। অনেক চেষ্টার পরেও এখনও একটা মনের মানুষ জোটাতে পারলেন না আপনি। আর এই নিয়ে আপনার আফসোসের সীমা নেই। আপনি যদি এমন অভাগাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন যে, কিনা…

23/07/2015
22/07/2015

ফেসবুক এখন প্রতিদিনের তিনবেলা খাবারের একবেলা হয়ে গেছে বলা যায়। উঠতে বসতে আর চলতে ফিরতে ফেসবুক ছাড়া কথাই নেই। হাচি দিলেও ফেসবুলে স্ট্যাটাস চলে আসে "এই মাত্র একটা জোরে শোরে হাচি দিলাম - Feeling 'Shor...

06/07/2015

কৃষি বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে সুনির্দিষ্ট বিধান রেখে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যাল বিল পাস হয়েছে। বিলটি খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৫ নামে অভিহিত করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন শিক্ষমন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। জাতীয় পার্টির এমএ হান্নান, নুরুল ই…

Address

Khulna
9202

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:30
Tuesday 08:00 - 23:30
Wednesday 08:00 - 23:30
Thursday 08:00 - 23:30
Friday 08:00 - 23:30
Saturday 08:00 - 23:30
Sunday 08:00 - 23:30

Telephone

+8801787660562

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arif Telecom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share