30/08/2026
সারাদিনের ক্লান্তি শেষে একজন পুরুষ মানুষ তেমন কিছুই চায়না।
সন্তান, ওয়াইফ, মা-বাবা, ভাই ব্রাদার, আত্নীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব সবার আবদার আর প্রয়োজন পূরণ করতে করতে এই বো****দা প্রাণী আধমরা হয়ে কোনমতে দুনিয়াতে সার্ভাইব করে। মরে তো গেছে অনেক আগেই, মিথ্যে বেঁচে থাকার অভিনয় এরা খুব ভাল করতে পারে। পুরুষ বাঁচে আর কয়দিন।
দিনশেষে এতটুকুই চাওয়া এট লিষ্ট পরিবারের সবাইকে নিয়ে যেন ভাল থাকতে পারে।
সারাক্ষণ সবার জন্য কত কিছুই করার চেষ্টা করেন, একদিনের "না" শব্দটাই সারাবছরের খোটা হয়ে গেঁথে যায় সবার অন্তরে। অথচ এই "না" এর পিছনের গল্পটা থেকে যায় অজানা।
হ্যাঁ বাসায় যারা থাকেন, বাড়ি ঘর সামাল দেয়া, রান্নাবান্না করা, বাচ্চা কাচ্চা সামলানো এইগুলোও অনেক কঠিন কাজ, তবে এই কাজগুলো কিন্তু নির্দিষ্ট একটা এরিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
এট লিস্ট পুরুষ মানুষের মত ---- রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, বস/ম্যাডামের ঝাড়ি অপমান সহ্য করে, হকারী করে, মারামারি করে, দালালী করে, চাঁদাবাজি করে, চুরি ছিনতাই করে, অবৈধ ব্যবসা করে, নানা পর্যায়ে নানা ধরনের লাইফ রিস্ক নিয়ে এত প্যারা নিতে হয়না।
প্রতিটা পুরুষ দিনশেষে কারোর বাবা, কারোর স্বামী, কারোর সন্তান - তার পেশা যাই হোকনা কেন।
হয়তো প্রতিটি দিনের শেষেই মনে হয়, নাহ্ আর পারছি না। কিন্তু দায়িত্ব নামের কঠিন এক শব্দ বাধ্য করে আগের দিনের একই রুটিন পুনরাবৃত্তি করাতে।
এরা না বড়ই অদ্ভুত প্রাণী, কিছু হলেও কাদতেঁ পারেনা। খুব কষ্টেও হাসে, আবার খুব আনন্দেও হাসে, কারণ এই একটা জিনিসই বড় সম্বল যেটাকে আঁকড়ে ধরে সারাজীবন অভিনয় করে কোনমতে টিকে থাকা যায়।
ঠিক এভাবে চলতে চলতেই কোন এক সময় দেখা যায় বড় কোন রোগে রোগাক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন। তারপর একদিন মালাকুল মাউত এসে বলে "কুল্লু নাফসীন যা ইকাতুল মাউত"
এটাই দায়িত্বশীল পুরুষের জীবন।
সো? স্মাইল এন্ড এনজয় ইয়োর জার্নি। 🙂