18/05/2026
উপর থেকে বড় নেতা আসবে। তার মনোরঞ্জনের জন্য ১৫/১৬ বছর বয়সী কুমারী মেয়ে খুঁজছে স্থানীয় নেতা। টাকা যত লাগবে, সমস্যা নেই। নেত্রী বলছে_ আছে দুই তিনটা। দেখতে সুন্দর, একজনের বাপ ভ্যান চালায়। চেষ্টা করে দেখবে ম্যানেজ করা যায় কি না। নেতা জিজ্ঞেস করে_ নিজেদের মধ্যে (দলের মধ্যে) কেউ নাই? নেত্রী বলে_ না। (কুমারী কেউ নেই)
নেতা আরও জিজ্ঞেস করছে, পুলিশে রিটেনে এলাউ হয়েছে, এমন কোনো মেয়ে আছে কি না? (হয়তো বিশেষ শর্তে চাকরি কনফার্ম করে দিবে)।
কি, এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবছেন? আপনি ভুল। এদেশের সেকুলার রাজনীতির কালচারই এমন। বড় দলের বড় নেতাদের অধিকাংশের চরিত্রই নাজিমুদ্দিন আর টাকলা মুরাদ টাইপের। এটা রাজনীতির ওপেন সিক্রেট। মহিলা নেত্রীরা বড় নেতাদের কাছে নিজেদের সোপর্দ করে পদ বাগিয়ে নেয়। এরপর যখন নিজেদের শরীরের মেয়াদ শেষ হয়, তখন পদ ধরে রাখার জন্য নেতাদের সাপ্লায়ার হিসেবে কাজ করে। তাদের মনোরঞ্জনের জন্য নতুন শিকারে নামে।
অথচ এদেশে ১৬/১৭ বছর বয়সী একটা মেয়ের বৈধ বিয়ে হলে এই কু°ত্তা- কু°ত্তিগুলোর সে কি ঘেউঘেউ! নারী অধিকার রক্ষায় তখন নেত্রীরা রাজপথ গরম করে। এদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক।
যত তত সমস্যা শুধু একাধিক বিয়েতে, সবার বিয়া হইয়া গেলে বদমাইশগুলো লুতুপুতু করবে কার সাথে। মনে রাখবেন, এই দেশের অনেক বিবাহিত পুরুষরা এক স্ত্রীতে আটকে আছে, এক নারীতে আটকে নেই। হারাম হল মরা গরুর মত হালাল হল জবেহের মত। হালালে আপত্তি।
এই জনপদে বিয়ের আগে ও বিয়ের পরে যে পরিমাণে জ্বিনা হয়। আমেরিকা থেকে কম নয়। পার্থক্য ওরা প্রকাশ্যে করে আর এই দেশে গোপনে করে। শুধু বিয়েটা আর একাধিক বিয়াটারে সেন্টিকেট করে রাখছে বয়ান তৈরী করে করে।
যে দেশে বড় নেতাকে খুশি করতে ১৬/১৭ বছরের মেয়ে খুঁজে ছোট নেতা, সে দেশে আপনি ভালো সমাজ আশা করেন? নেতা যেহেতু বিয়ে করার কথা বলেনি, এমনিতেই চেয়েছে, অতএব তার চরিত্র নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার নেই কারো। চরিত্র ফুলের মত পবিত্র।
ভাই! আপনার কাছে 16-17 বছরের ক*চি মে-য়ে হবে?
উপর থেকে বড় নেতা আসবে। তার মনোরঞ্জনের জন্য ১৫/১৬ বছর বয়সী কুমারী মেয়ে খুঁজছে স্থানীয় নেতা। টাকা যত লাগবে, সমস্যা নেই। নেত্রী বলছে_ আছে দুই তিনটা। দেখতে সুন্দর, একজনের বাপ ভ্যান চালায়। চেষ্টা করে দেখবে ম্যানেজ করা যায় কি না। নেতা জিজ্ঞেস করে_ নিজেদের মধ্যে (দলের মধ্যে) কেউ নাই? নেত্রী বলে_ না। (কুমারী কেউ নেই)
নেতা আরও জিজ্ঞেস করছে, পুলিশে রিটেনে এলাউ হয়েছে, এমন কোনো মেয়ে আছে কি না? (হয়তো বিশেষ শর্তে চাকরি কনফার্ম করে দিবে)।
কি, এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবছেন? আপনি ভুল। এদেশের সেকুলার রাজনীতির কালচারই এমন। বড় দলের বড় নেতাদের অধিকাংশের চরিত্রই নাজিমুদ্দিন আর টাকলা মুরাদ টাইপের সামনে পিছে খেদমত করতে চায়। এটা রাজনীতির ওপেন সিক্রেট। মহিলা নেত্রীরা বড় নেতাদের কাছে নিজেদের সোপর্দ করে পদ বাগিয়ে নেয়। এরপর যখন নিজেদের শরীরের মেয়াদ আর মেদ শেষ হয়, তখন পদ ধরে রাখার জন্য নেতাদের সাপ্লায়ার হিসেবে কাজ করে। তাদের মনোরঞ্জনের জন্য নতুন শিকারে নামে।
অথচ এদেশে ১৬/১৭ বছর বয়সী একটা মেয়ের বৈধ বিয়ে হলে এই কু°ত্তা- কু°ত্তিগুলোর সে কি ঘেউঘেউ! নারী অধিকার রক্ষায় তখন নেত্রীরা রাজপথ গরম করে। আবার একাধিক বিয়ের কথা কইলে কাটা গায়ে লবন মরিচের পানি পড়ে। এদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক।
(পরিামার্জিত)