NIslam Softkey

NIslam Softkey NI Softkey is a concern of MIEC LAB LTD, established to sell premium and genuine software license key at an affordable rate.

We deal with the original developer and sell software with minimum profit. We provide mobile or email support to our client.

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কারক টিম বার্নার্স-লি চাইলে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হতে পারতেন কিন্তু তিনি বিংশ শতাব্দী...
07/02/2026

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কারক টিম বার্নার্স-লি চাইলে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হতে পারতেন কিন্তু তিনি বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে মূল্যবান আবিষ্কারটি বিনামূল্যে দিয়ে দিলেন।
=======================
তিনি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেছিলেন—এবং চাইলে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি বিনামূল্যে মানবজাতির হাতে তুলে দেন।
১৯৮৯ সালের মার্চ মাসে, সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় পদার্থবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র CERN-এ কর্মরত ৩৩ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার প্রকৌশলী, টিম বার্নার্স-লি, তাঁর বসের কাছে একটি প্রস্তাব জমা দেন।
সেই প্রস্তাবে তিনি এক বিপ্লবী ধারণার কথা বলেন: এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে থাকা বিজ্ঞানীরা ভিন্ন ভিন্ন কম্পিউটার ব্যবহার করেও একে অপরের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন—শুধু পরস্পর সংযুক্ত লিঙ্কে ক্লিক করে।
তার বস প্রস্তাবের ওপর লিখেছিলেন:
“অস্পষ্ট, কিন্তু উত্তেজনাপূর্ণ।”
তারপর সেটি ফাইলবন্দি করে রেখে দেন—আর কিছুই করেন না।
টিম একটি গভীর সমস্যাকে চিহ্নিত করেছিলেন, যা CERN-এর গবেষকদের প্রায় উন্মাদ করে তুলছিল। বহু দেশ থেকে আসা হাজার হাজার বিজ্ঞানী পার্টিকল ফিজিক্স নিয়ে কাজ করছিলেন এবং বিপুল পরিমাণ তথ্য তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু প্রতিটি গবেষণা দল ব্যবহার করত আলাদা কম্পিউটার সিস্টেম, আলাদা সফটওয়্যার, আলাদা ফরম্যাট।
কোনো সহকর্মীর কম্পিউটার থেকে তথ্য পেতে হলে আগে জানতে হতো তিনি কোন সিস্টেম ব্যবহার করছেন, তার নির্দিষ্ট কমান্ড শিখতে হতো, আর প্রায়ই সরাসরি তার অফিসে গিয়ে হাজির হতে হতো। জ্ঞান বিনিময়—যা বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূল উদ্দেশ্য—অবিশ্বাস্য রকম জটিল হয়ে উঠেছিল।
টিম বুঝেছিলেন এমন এক সত্য, যা অন্যরা বুঝতে পারেননি: সমাধান ছিল না আরও ভালো কম্পিউটার বা আরও দ্রুত নেটওয়ার্কে। সমাধান ছিল তথ্যকে সংগঠিত ও সংযুক্ত করার একটি উন্নত পদ্ধতিতে।
তিনি কল্পনা করেছিলেন এক ধরনের “ওয়েব”—পরস্পর সংযুক্ত নথির একটি জাল, যেখানে একটি তথ্য থেকে আরেকটিতে যাওয়া যাবে শুধু লিঙ্কে ক্লিক করেই। তথ্য আর আলাদা আলাদা খোপে বন্দি থাকবে না; বরং সবার জন্য উন্মুক্ত এক বিশাল, আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে উঠবে।
আজ এটি স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু ১৯৮৯ সালে এটি ছিল একেবারেই বিপ্লবী চিন্তা।
তবু কেউ এতে অর্থায়ন করতে চায়নি। তার বস বিষয়টিকে আকর্ষণীয় মনে করলেও অগ্রাধিকার দেননি। CERN-এর কাজ ছিল পার্টিকল ফিজিক্স—তথ্য ব্যবস্থাপনা নয়। টিম যদি নিজের “ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব” বানাতে চান, তবে সেটি তাঁকে অবসর সময়েই করতে হবে।
তাই তিনি সেটাই করলেন।
নিজের ছোট অফিসে একটি NeXT কম্পিউটারে রাত ও সপ্তাহান্তে কাজ করে টিম কোড লেখা শুরু করলেন। তাঁকে এমন অনেক কিছুই আবিষ্কার করতে হলো, যেগুলোর তখনো অস্তিত্ব ছিল না—
• HTML (হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ) — লিঙ্কসহ নথি সাজানোর একটি ভাষা
• HTTP (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল) — নেটওয়ার্কে সেই নথি আদান-প্রদানের পদ্ধতি
• URL (ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর) — নির্দিষ্ট নথির ঠিকানা
• প্রথম ওয়েব ব্রাউজার — নথি দেখা ও নেভিগেশনের সফটওয়্যার
• প্রথম ওয়েব সার্ভার — নথি সংরক্ষণ ও শেয়ারের ব্যবস্থা
মূলত তিনি একাই আধুনিক ইন্টারনেটের সম্পূর্ণ অবকাঠামো তৈরি করছিলেন।
১৯৯০ সালের শেষ নাগাদ টিমের কাছে একটি কার্যকর প্রোটোটাইপ ছিল। তিনি লেখা ও লিঙ্কসহ পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারতেন, সেগুলো সার্ভারে রাখতে পারতেন, আর নিজের ব্রাউজারে দেখতে পারতেন। তিনি এটি CERN-এর সহকর্মীদের দেখান। কেউ কেউ আগ্রহী হন, কিন্তু অধিকাংশই এর প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারেননি।
১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট, টিম বার্নার্স-লি প্রথম ওয়েবসাইটটি একটি পাবলিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ করেন। সেটি ছিল একটি সাধারণ পৃষ্ঠা, যেখানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কী এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হয়—তা ব্যাখ্যা করা ছিল।
কেউই লক্ষ্য করেনি।
মাসের পর মাস তার এই সৃষ্টি প্রায় অব্যবহৃতই থেকে যায়। তিনি ইন্টারনেট ফোরাম ও বুলেটিন বোর্ডে গিয়ে ভদ্রভাবে মানুষকে এই নতুন “ওয়েব” ব্যবহার করে দেখতে বলতেন। বেশিরভাগই তাঁকে উপেক্ষা করত।
তারপর ধীরে ধীরে কিছু কম্পিউটার বিজ্ঞানী—অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে—এটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। তারা নিজেদের ওয়েব সার্ভার বানান, নিজেদের পৃষ্ঠা তৈরি করেন। ১৯৯৩ সালে পৃথিবীতে প্রায় ৬০০টি ওয়েবসাইট ছিল।
তখনই সবকিছু বদলে যায়।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মার্ক অ্যান্ড্রিসেন তৈরি করেন মোজাইক—একটি গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস-সমৃদ্ধ ওয়েব ব্রাউজার, যা অপ্রযুক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্যও ওয়েবকে সহজ করে তোলে। হঠাৎ করেই যে কেউ টিমের আবিষ্কার ব্যবহার করতে পারল। ওয়েবসাইটের সংখ্যা হাজারে, তারপর লক্ষে পৌঁছে যায়।
১৯৯৪ সালের মধ্যে ব্যবসায়ীরা বুঝে যান—এই “ওয়েব” জিনিসটি বাণিজ্য, যোগাযোগ, সবকিছুই বদলে দিতে পারে। কোম্পানিগুলো ওয়েব উপস্থিতি গড়তে প্রতিযোগিতায় নামে। বিনিয়োগকারীরা ইন্টারনেট স্টার্টআপে অর্থ ঢালতে শুরু করেন।
আর ঠিক তখনই টিম বার্নার্স-লি এমন একটি সিদ্ধান্ত নেন, যা মানব ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেয়।
CERN তাঁর কাছে জানতে চায়:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব প্রযুক্তিগুলো কি পেটেন্ট করা উচিত?
টিম চাইলে “হ্যাঁ” বলতে পারতেন। যদি তিনি ও CERN HTML, HTTP ও URL—ওয়েবের মৌলিক ভিত্তিগুলো—পেটেন্ট করতেন, তবে প্রতিটি ওয়েবসাইট, প্রতিটি ব্রাউজার, প্রতিটি ইন্টারনেট কোম্পানির কাছ থেকে লাইসেন্স ফি নেওয়া যেত।
একবার ভাবুন। ইতিহাসে যত ওয়েবসাইট হয়েছে—সবকটিই টিম বার্নার্স-লিকে টাকা দিত। গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক, প্রতিটি স্ট্রিমিং সেবা, প্রতিটি অনলাইন ব্যাংক, প্রতিটি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম—সবই তাঁর উদ্ভাবিত প্রযুক্তির ওপর দাঁড়ানো।
তিনি অকল্পনীয় ধনী হতে পারতেন—গেটসের চেয়েও, বেজোসের চেয়েও, মানব ইতিহাসের যেকোনো মানুষের চেয়েও ধনী।
কিন্তু ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে CERN ঘোষণা করে:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব চিরদিনের জন্য সবার ব্যবহারের জন্য মুক্ত থাকবে।
কোনো পেটেন্ট নেই। কোনো লাইসেন্স ফি নেই। কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।
টিম বার্নার্স-লি বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে মূল্যবান আবিষ্কারটি বিনামূল্যে দিয়ে দিলেন।
কেন?
সাক্ষাৎকারে তিনি সবসময়ই স্পষ্ট ছিলেন:
“এটি সবার জন্য।”
তিনি বিশ্বাস করতেন—জ্ঞান সবার কাছে পৌঁছানো উচিত। তিনি বিশ্বাস করতেন—ওয়েব তার পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে কেবল তখনই, যখন এটি উন্মুক্ত ও মুক্ত থাকবে। তিনি জানতেন—অর্থের দেয়াল, সীমাবদ্ধতা বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে ওয়েবের আসল শক্তিটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
তাই তিনি সেটি ছেড়ে দিলেন।
ইন্টারনেট বুম হলো—কিন্তু তিনি ধনী হলেন না। ডট-কম যুগের কোটিপতি ও বিলিয়নিয়াররা সেই অবকাঠামোর ওপরই নিজেদের সাম্রাজ্য গড়লেন, যা টিম তৈরি করে বিনামূল্যে দিয়ে দিয়েছিলেন। জেফ বেজোস ওয়েবের ওপর অ্যামাজন গড়লেন। ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল তৈরি করলেন। মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুক বানালেন।
তাঁরা সবাই বিলিয়নিয়ার হলেন—টিমের আবিষ্কৃত ও পেটেন্ট না করা প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
আর টিম বার্নার্স-লি?
তিনি একজন অধ্যাপক হলেন। তিনি World Wide Web Consortium (W3C) প্রতিষ্ঠা করলেন—ওয়েব মানদণ্ড রক্ষার জন্য। রানী এলিজাবেথ দ্বিতীয় তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মানসূচক ডিগ্রি পান।
কিন্তু নিজের আবিষ্কার থেকে কখনো ধনী হননি।
আজ, ৩০ বছরেরও বেশি সময় পরে, পৃথিবীতে ১.৯ বিলিয়নের বেশি ওয়েবসাইট রয়েছে। বৈশ্বিক ইন্টারনেট অর্থনীতির মূল্য ট্রিলিয়ন ডলার। সম্পূর্ণ কিছু শিল্প কেবলমাত্র ওয়েবের কারণেই অস্তিত্বশীল—যেটি টিম আবিষ্কার করেছিলেন এবং তারপর বিনামূল্যে দিয়ে দিয়েছিলেন।
আর টিম?
গত তিন দশক ধরে তিনি ওয়েবকে উন্মুক্ত ও মুক্ত রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ইন্টারনেটে সরকারি সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। ওয়েব নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া একচেটিয়া প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরোধিতা করেছেন। উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। নেট নিউট্রালিটির হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
২০১৯ সালে তিনি চালু করেন “Contract for the Web”—একটি নীতিমালা, যেখানে সরকার ও কোম্পানিগুলোকে আহ্বান জানানো হয় ইন্টারনেটকে উন্মুক্ত, নিরাপদ ও অপব্যবহারমুক্ত রাখতে।
কারণ টিম যে বিষয়টি বোঝেন—আর অনেক ইন্টারনেট বিলিয়নিয়ার যা ভুলে যান—তা হলো:
ওয়েবের শক্তি আসে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকার মধ্য থেকেই।
যখন মানুষ তাঁকে জিজ্ঞেস করে—তিনি কি নিজের আবিষ্কার পেটেন্ট না করার জন্য আফসোস করেন?
টিমের উত্তর খুবই সহজ:
“আমি যদি পেটেন্ট করতাম, তাহলে এটি ওয়েব হতো না।”
তিনি ঠিকই বলেছেন। যদি ওয়েব ব্যবহার করতে লাইসেন্স ফি দিতে হতো, যদি ওয়েবসাইট বানাতে অনুমতি লাগত, যদি ইন্টারনেটের মৌলিক প্রোটোকল কোনো কর্পোরেশনের মালিকানায় থাকত—তাহলে আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের এই বিস্ফোরক বিকাশ কখনোই হতো না।
ওয়েব সফল হয়েছে—কারণ টিম সেটি দিয়ে দিয়েছিলেন।
২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি ছবি আছে। সেখানে টিম বসে আছেন একটি NeXT কম্পিউটারের সামনে—যে মডেলটি ব্যবহার করে তিনি ওয়েব আবিষ্কার করেছিলেন। আর স্টেডিয়ামের ওপরে আলোর অক্ষরে ভেসে উঠছে একটি বার্তা:
“This is for everyone.”
(এটি সবার জন্য।)
এটাই তাঁর উত্তরাধিকার।
কোটি কোটি ডলার নয়।
কোনো কর্পোরেট সাম্রাজ্য নয়।
শুধু এই চারটি শব্দ।
তিনি এমন কিছু আবিষ্কার করেছিলেন, যা মানব সভ্যতাকে বদলে দিয়েছে। তিনি চাইলে সেটির মালিক হতে পারতেন, নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন, অসম্ভব ধনী হতে পারতেন।
কিন্তু তিনি সেটি আমাদের সবার জন্য দিয়ে দিয়েছেন।
১৯৮৯ সালে তাঁর ছিল তথ্য সংযোগের একটি ধারণা।
১৯৯৩ সালে তাঁর সামনে ছিল একটি সিদ্ধান্ত—কে সেই ধারণার সুফল পাবে।
তিনি বেছে নিয়েছিলেন সবাইকে।
আর সেই কারণেই আপনি আজ এটি পড়তে পারছেন।(সংগৃহিত)

05/06/2025
অভিনন্দন ও শুভকামনা তুরস্কে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের মুয়াজ।
03/11/2024

অভিনন্দন ও শুভকামনা
তুরস্কে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের মুয়াজ।

সাফজয়ী বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড় এবং টিম মেম্বার সবার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা।  টিমের ৮ জন আমাদের ময়মনস...
31/10/2024

সাফজয়ী বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড় এবং টিম মেম্বার সবার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা।
টিমের ৮ জন আমাদের ময়মনসিংহের গর্ব।

অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা  দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের জন্য।
30/10/2024

অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা
দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের জন্য।

🌍 *Exciting News!* 🌍We’re thrilled to announce that Bangladesh has made history again in the 2024 NASA Space Apps Challe...
29/10/2024

🌍 *Exciting News!* 🌍

We’re thrilled to announce that Bangladesh has made history again in the 2024 NASA Space Apps Challenge by nominating a *record-breaking 24 incredible teams* for the global stage! These innovative teams, representing all corners of the country, have shown remarkable vision, creativity, and dedication. Here's the regional breakdown:

🚀 *Dhaka: 7 Teams*
🚀 *Rangpur: 3 Teams*
🚀 *Mymensingh: 2 Teams*
🚀 *Cumilla: 2 Teams*
🚀 *Barisal: 2 Teams*
🚀 *Khulna: 2 Teams*
🚀 *Rajshahi: 2 Teams*
🚀 *Sylhet: 2 Teams*
🚀 *Chattogram: 2 Teams*

A huge congratulations to each of these amazing teams on reaching this milestone! Let’s rally behind them as they represent Bangladesh and aim to make a global impact! 🌎✨

The NASA International Space Apps Challenge is a hackathon for coders, scientists, designers, storytellers, makers, builders, technologists, and innovators around the world to come together and use open data from NASA and its Space Agency Partners to create solutions to challenges we face on Earth a...

"যে আপনার ক্ষতি করে আপনি তার উপকার করার চেষ্টা করবেন।যদি সে মানুষের বাচ্চা হয়ে থাকে তাহলে একসময় সে নিজেই অনুতপ্ত থাকবে""...
29/10/2024

"যে আপনার ক্ষতি করে আপনি তার উপকার করার চেষ্টা করবেন।যদি সে মানুষের বাচ্চা হয়ে থাকে তাহলে একসময় সে নিজেই অনুতপ্ত থাকবে"
"কথা হজম করতে শিখুন, আপনাকে জীবনে জিততে সাহায্য করবে।"

"কখনো তর্কে জিততে যাবেননা, এটা সময়ের অপচয়।"

"আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন। আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশি হয়, তাহলে আপনি একটু হাসুন।"

"কখনো কখনো জিততে হলে হারতে হবে, আর আপনার আজকের এই হারই আপনার জন্য বড় জয় এনে দিবে।"

"হারতে শিখুন, সব জায়গায় জিততে নেই। এটা বোকামি।"

"কথায় কাজ হয় না। তাই কাজ শুরু করুন নিরবে, আপনার কাজই কথা বলবে।"

"আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না তাদের চিন্তা বাদ দিন। নিজের প্রতি বিশ্বাস করুন। এটিই আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।"

"আপনি অনেক কিছু পারেন। কি দরকার তা সবাইকে বলে বেড়ানোর। যার দরকার সে আপনাকে এমনিতেই খুঁজে বের করবে।"

"চিতা বাঘ কখনো কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। কুকুরকে জিততে দিন। আপনি চিতা বাঘ তা বুঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন।"

"নিজের প্রয়োজনেই বোকাদের সঙ্গে তর্ক জরানো এড়িয়ে চলুন"

(Collected)

15/10/2024

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৪ এ উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা । সুনাগরিক হিসাবে নিজকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আহবান জানাই
। দোয়া করি তোমরা মানুষের মত মানুষ হও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল ,...
15/10/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল , বুয়েট
সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে স্মরণ করা হোক ।

***জীবনী :
নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-১৮৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।

স্যার সলিমুল্লাহর বাবা আহসানউল্লা ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় তথা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো #বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন, প্রথম বিজলি বাতির আলো জ্বলেছিল #আহসান_মঞ্জিলে।

(১)নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।
(২)ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠককে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।

(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।

(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্
মণ্যবাদী চক্রান্তে বিট্রিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।
(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।
(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।

আচ্ছা আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?

এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনারই আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!

****রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।

কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।

তিনি সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।

11/10/2024

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচছা।

Address

22, Umme Mohol, 3rd Floor, Mohammad Ali Road [College Road Bylane]
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NIslam Softkey posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NIslam Softkey:

Share