Khan it Center

Khan it Center This is a training institute to help people to learn independent earning through Google AdSense & af

10/01/2021

Khan IT center is here to explore your utmost potential to make yourself a online money generator

10/01/2021

গুগল এডসেন্স & এফিলিয়েট মার্কেটিং
কোর্স আউটলাইন:
ক্লাসগুলো ১০০% ফলো করে কাজ করলে, ১০০% ইনকাম গ্যারান্টি ইনশাআল্লাহ 🙂
কোর্সটা অনলাইন বেইজ হবে, ক্লাস বানিয়ে ফেসবুক গ্রুপ এ শেয়ার করা হবে । সব সময় প্রাইভেট ফেইসবুক গ্রুপ এবং স্ক্যাইপের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা হবে সরাসরি।
কোর্স আউটলাইন বলতে সব ব্যাপারে শেয়ার করা হয়তো সম্বভ হবে না 🙂 তাই কিছুটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। এক কথায় বললে আপনি যাতে এডসেন্স নিয়ে সফল হতে পারেন সেই অবদি আপনাকে পৌঁছে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
গুগল এডসেন্স কি এবং কেন করবেন?
গুগল এডসেন্স এর ফিউচার কেমন?
কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে মাসে একটা স্মার্ট আর্নিং জেনারেট করবেন।
অথরিটি, নিশ, এবং মাইক্রো নিশ সাইট কি এবং কোনটা নিয়ে কাজ করবেন।
নিশ সিলেকশন, সময় বাজেট, এবং কাজের পরিকল্পনা করা।
কম্পিটিটর এনালাইজ।
ডোমেইন সিলেকশন এবং সিএমএস সিলেকশন।
ডোমেইন কেনা এবং সেটআপ ইন হোস্টিং, ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল, এস এস এল সেটআপ এবং অন্নান্য কাজ ।
ব্লগের অন পেইজ SEO সেটআপ।
অন পেজ সেটআপ ফর কনটেন্ট অপটিমাইজ।
কন্টেন্ট রাইটিং এবং অন পেইজ সেটআপ।
ওয়েবমাস্টার, এনালাইটিক্, এবং প্লাগিন রিভিউ।
কন্টেন্ট মার্কেটিং ।
এডসেন্স এপলাই এবং সেটআপ।
এডসেন্স ড্যাশবোর্ড আইডিয়া।
অফ পেইজ SEO ।
লিংক বিল্ডিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্র্যান্ডিং। ।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।
মেক মানি অনলাইন 🙂
ইনকাম জেনারেট করা পর্যন্ত থাকবে মেন্টরিং সাপোর্ট।
For any query please contact(01409252801)

23/10/2020

গুগল এডসেন্সঃ আপনি যদি সারাজীবনের জন্য আয় করতে চান এবং জীবনে সাফল্য পেতে চান । তাহলে গুগল এডসেন্স একটি নির্ভরযোগ্য উপায় যার মাধ্যমে আজীবন আয় করতে পারবেন। এমনকি আপনি মারা গেলেও গুগল এডসেন্স থেকে আপনার স্ত্রী সন্তান ও অর্থ পেতে পারে। কাজেই আজকের এই আলোচনায় গুগল এডসেন্সের খুঁটিনাটি,নাড়িভুঁড়ি ও আদ্যোপান্ত সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। কাজেই আপনারা কেউ ধৈর্য হারা হবেন না একটু মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি যদি কষ্ট করে এত লিখতে পারি তাহলে আপনারা পড়তে পারবেন না কেন? এতটুকু ধৈর্য না থাকলে কেউ সফল হতে পারে না। গুগল এডসেন্স নিয়ে সমস্ত আর্টিকেলটি যদি আপনারা একবার মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন তাহলে গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আর কিছুই অজানা থাকবে না। তাই বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ছোটাছুটি না করে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি এই একটিমাত্র আর্টিকেলের মাধ্যমে সমস্ত বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আর কোথাও আপনাকে যেতে হবে না। এবং আপনিও খুব সহজেই গুগল এডসেন্স থেকে খুব ভালমানের অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স কি?

গুগল এডসেন্স হলো গুগল এর মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বহুল জনপ্রিয় একটি এডভারটাইজিং প্রক্রিয়া।যার মাধ্যমে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অথবা ইউটিউবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। চাইলে আপনিও খুব সহজে আপনার ইউটিউব বা ব্লগ সাইটে এভাবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা ও পণ্যের প্রচার এবং বিক্রয়ের জন্য গুগল এডসেন্সের নিকট চুক্তিবদ্ধ করে। যে কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রয় ও প্রচারের জন্য গুগল এডসেন্সকে অর্থ প্রদান করে থাকে। আর গুগল এডসেন্স সেই পণ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে, এই প্রচার বাবদ গুগল এডসেন্স কর্তৃপক্ষ সেই অর্থের একটি অংশ সেই ইউটিউব ও ওয়েবসাইটের মালিক কে প্রদান করেন। গুগল এডসেন্স বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও, মোবাইল অ্যাপ এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। মূলত তার মাধ্যমেই যাদের ইউটিউব বা ব্লগ ওয়েবসাইট আছে তারা গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে পারে।

একবার যদি গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয় তার মানে লাইফটাইম উপার্জন শুরু হওয়া । যতদিন গুগল থাকবে ততদিন আপনার ইনকাম হতে থাকবে। অনেকেই গুগল এডসেন্সকে সোনার হরিণ বলে মনে করেন। কারণ সবাই মনে করে এটা পাওয়া খুবই কঠিন। আসলে এমন টা নয়, গুগল এডসেন্স এর সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে আবেদন করলে অবশ্যই এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কাজেই কিভাবে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করবেন তার বিস্তারিত আলোচনা নিচে করা হবে।

গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেয়?

আমাদের মনে একটা প্রশ্ন আসতেই পারে সেটি হল গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেই? গুগলের আরেকটা সেবা আছে, যার নাম গুগল এডওয়ার্ড। গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারনার চুক্তিতে টাকা নেয়। তারপর গুগল এডসেন্স সেবার মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট , ব্লগে ও ইউটিউবে টাকা প্রদানকৃত সেই ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায়। এখন গুগল যত টাকা আয় করে তার থেকে ওয়েবসাইট, ব্লগ ও ইউটিউব মালিকদেরকে ৬৮% পরিমান অর্থ প্রদান করে এবং বাকি ৩২% অর্থ সেবা পরিচালনা ব্যয় হিসেবে গুগল রেখে দেয়।

কিভাবে গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো?

এখন সবার মাথায় একটা কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেটি হলো গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো কিভাবে? এই চিন্তাটা হওয়াটাই স্বাভাবিক কেননা এত পরিশ্রম করে যদি টাকা হাতেই না পায় তাহলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে।যখন আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মধ্যে ১০ ডলার জমা হবে। তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউবের ইমেইলের ঠিকানা অনুযায়ী গুগল এডসেন্স থেকে ৪ ডিজিটের একটি পিন কোড পোস্ট অফিসে প্রেরণ করবে। সেই পিন কোডটি নিয়ে আপনার গুগল এডসেন্স ভেরিফাইড করতে হবে।তারপর থেকে আর কোন চিন্তা নেই। আপনারা বুঝতে না পারলে ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখে নিবেন। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ করবেন কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পিন ভেরিফিকেশন করব।

গুগল এডসেন্স ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। আমাদের দেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা নেওয়া সবচেয়ে বেশি সুবিধা। আর ব্যাংক চেকের মাধ্যমে টাকা আসতে দেরি হয়। তাই আপনারা গুগল এডসেন্সের মধ্যে লোকাল ব্যাংক এড করে নিবেন। আমার মতে ইসলামি ব্যাংক অথবা ডাজ বাংলা ব্যাংক সবচেয়ে উত্তম। আপনারা চাইলে অন্যকোন ব্যাংক এড করে নিতে পারেন। আপনারা কিভাবে লোকাল ব্যাংক এড করবেন তা ইউটিউবে ভিডিও সার্চ করলে হাজার হাজার ভিডিও পেয়ে যাবেন। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে আপনার লোকাল ব্যাংককে টাকা প্রেরণ করা হবে। তখন ইচ্ছা করলেই আপনারা ব্যাংককে গিয়ে টাকা তুলে নিয়ে আসতে পারেন।

গুগল এডসেন্স কিসে কিসে অর্থ প্রদান করেঃ

আপনারা ইতোমধ্যে জেনে গেছেন গুগল এডসেন্স কিসের উপর অর্থ প্রদান করে। বলেন তো আপনারা মনে মনে সেগুলো কি কি? সেগুলো হলো যথাঃ

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ফলে।
এবং ইউটিউবের উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ফলে।
Mehedi Hasan

গুগল অ্যাডসেন্স ব্লগ অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলব?প্রথমেই বলে রাখি গুগল এডসেন্সের কোনো ব্লগ নেই। আপনাকে ব্লগ খুলতে হবে এবং সেট...
23/10/2020

গুগল অ্যাডসেন্স ব্লগ অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলব?
প্রথমেই বলে রাখি গুগল এডসেন্সের কোনো ব্লগ নেই। আপনাকে ব্লগ খুলতে হবে এবং সেটাতে আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। ২০/২৫ টি ভালো মানের কন্টেন্ট দিন। তারপরে এডসেন্সের জন্য আবেদন করুন। ভালো মানের ব্লগ হলে অল্প সময়েই এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।

ফেসবুকে সময় নষ্ট না করে কিভাবে তা লাভজনক কাজে লাগানো যায়?ফেসবুক ফ্যান পেজ তৈরি করে আয়ফেসবুক এর অসাধারন সব ফিচার্স এর মধ্...
30/09/2020

ফেসবুকে সময় নষ্ট না করে কিভাবে তা লাভজনক কাজে লাগানো যায়?
ফেসবুক ফ্যান পেজ তৈরি করে আয়

ফেসবুক এর অসাধারন সব ফিচার্স এর মধ্যে অন্যতম হল ফেসবুক ফ্যান পেজ বা লাইক পেজ। ফেসবুক প্রোফাইলে যেভাবে বন্ধু বাড়ানোর জন্য ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতে হয় বা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট রিসিভ করতে হয়, ফেসবুক ফ্যান প্যাজ এর ক্ষেত্রে তেমনটি করতে হয় না। আপনার নিজের নামে একটি ফেসবুক লাইক পেজ থাকলে, যে কেউ আপনার পেজে লাইক করতে পারবে। আপনার একটি ফেসবুক পেজ থাকলে এবং সেটিতে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার বা লাইক থাকলে আপনার ফেসবুক পেজকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুক হতে সহজে টাকা আয় করতে পারবেন।

ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে আয়

সম্প্রতি ইউটিউবের মত ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে ভিডিওতে বিজ্ঞাপন শো করানো মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয় করা সম্ভব হচ্ছে। Facebook এ আয় করার এই নতুন পদ্ধতিকে বলা হয় “Facebook Video Monetization বা In-Stream Ads. এই In-Stream Ads বা ভিডিও Monetization এর কিছু নিয়ম বা যোগ্যতা রয়েছে, যেগুলো ফিলআপ হলে ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করা যায়।

ফেসবুক Instant Article থেকে আয়ঃ

Instant Articles হচ্ছে ফেইসবুক এর মোবাইল Publishing টুল। যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের ডিজাইনকে কাষ্টমাইজ করে অপটিমাইজ করার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে লোড নেওয়া হয়। অপটিমাইজ করার ক্ষেত্রে ফেইসবুক Instant Articles ওয়েবসাইটের ডিজাইনকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র আর্টিকেল গুরুত্ব দিয়ে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দ্রুত লোড নিতে সাহায্য করে।

লিংক র্শট করে আয়।**

বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বা ফেসবুকে লিংক শেয়ার করেও আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে

আয়ের পরিমান:

1. আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটে প্রতি ১,০০০ ভিজিটরে আপনি পাবেন ১ থেকে ২ ডলার।

2. যেকোন লিংক শর্টকাট করে শেয়ার করলে সেই লিংখকে প্রতি ১,০০০ ক্লিকে ১ ডলার।

3. Pop up এড এ প্রতি ১,০০০ ক্লিকে 1.5 ডলার।

4. Referral এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারে প্রতি রেফারেল থেকে আপনি পাবেন ১০% তার আয়ের।
লিংক র্শট করে আয় করার কিছু ওয়েবসাইট-**

Linkvertise
Adshrink
Shrinkme
Shrinkearn
Clk
Smoner
Ouo
Bc
Shorte
Payskip .me
Linkbucks
Al
Adfly
ফেসবুক লাইক শেয়ার করে আয়ঃ

আপনার কাছে যখন প্রচুর জনপ্রিয় একটি ফেসবুক পেজ থাকবে এবং আপনার পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার থাকবে, তখন বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটার আপনাকে তাদের পেজে লাইক বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের পোস্ট শেয়ার করে সেটা মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য অফার করবে। তখন আপনি তাদের নিকট হতে বিভিন্ন অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের ফেসবুক পেজ কিংবা ওয়েবসাইটের পোস্ট আপনার ফেসবুক পেজে শেয়ার করার মাধ্যমে ক্লায়ান্টের নিকট থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। সাধারণত বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটারগণ ১০০০ লাইকের বিনিময়ে ৫০০-৭০০ টাকা নিয়ে থাকেন। যাদের ফেসবুক পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার আছে, তাদের ক্ষেত্রে ১০০০ লাইক পাইয়ে দেওয়া মাত্র ৫ মিনিটের কাজ।

ফেসবুকে পন্য বিক্রয় করে আয়ঃ

অনলাইন মার্কেটিং এর কাজটি ফেসবুক অনেকাংশে সহজ করে দিয়েছে। আপনার যেকোন ধরনের ছোট খাটো ব্যবসা থাকলে আপনি খুব সহজে সেটির ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে খুব সহজে আপনার পন্য ক্রেতাদের হাতে পৌছে দিতে পারেন। আপনার ফেসবুক পেজে লাইক বেশি থাকলে লোকজন আপনার প্রোডাক্টগুলো দেখতে পাবে এবং কেউ কেউ সেটি কিনতে অবশ্যই আগ্রহ দেখাব। আপনি যদি সততার সাথে পন্য ডেলিভারি দেন, তাহলে প্রশংসা শুনে আরো হাজারো লোক দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আপনার প্রোডাক্ট কিনার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফেসবুক পেইজ বিক্রি করে আয়ঃ

অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। আপনার কাছে ভালোমানের ফেসবুক পেজ থাকলে বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটিং কোম্পানির কাছে আপনার ফেসবুক পেজটি বিক্রি করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারেন। সাধারণ এক লক্ষ Like থাকা একটি ফেসবুক পেজ এক লক্ষ টাকার চাইতে অধিক দামে বিক্রি করা যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফেসবুক থেকে আয়ঃ

অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে বিক্রয়ের উপর কমিশন নিয়ে অনলাইন থেকে আয় করাকে সহজ ভাষায় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়। অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি বলতে এখন শুধুমাত্র ডিজিটাল প্রোডাক্টকে না বুঝিয়ে সব ধরনের প্রোডাক্টকে বুঝায়। আপনি নিশ্চয় দেখে থাকেন যে, Amazone, eBay, Daraz, BD Shop এর মত আরো বিভিন্ন ধরনের অনলাইন মার্কেট থেকে মানুষ এখনো নিয়মিত প্রোডাক্ট কিনে থাকে। আপনি চাইলে এ ধরনের মার্কেটপ্লেসগুলোতে একটি একাউন্ট খোলে খুব সহজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কুকিজ জিনিসটা কী?এটির আসল উত্তর ছিল: বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ভ্রমণ করলে ওরা কুকিজ-এর অনুমতি চায়। এটার ...
30/09/2020

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কুকিজ জিনিসটা কী?
এটির আসল উত্তর ছিল: বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ভ্রমণ করলে ওরা কুকিজ-এর অনুমতি চায়। এটার মানে কী?
কুকি কী?

প্রথমেই জেনে নেই কুকি কী তা সম্পর্কে - কুকি আসলে কিছু ক্ষুদ্র ডেটা ফাইল, যেগুলো আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত হয়। এখন এই ফাইল গুলো আসে কোথা হতে, যখনই আপনি কোন কুকি এনাবল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন এবং আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারে যদি কুকি এনাবল করা থাকে তবে সেই ওয়েবসাইট টি আপনার ব্রাউজার ক্যাশে কুকিজ ড্রপ করে দেয়। আজকাল প্রায় সব ওয়েবসাইটেই কুকি ব্যবহার করা হয় এবং সকল ব্রাউজারে ডিফল্ট হিসেবে কুকি এ্যলাও করা থাকে। তাই সহজ ভাষায় বলা যায়, কোনো ওয়েবসাইটে যখন আপনি ব্রাউজ করেন আপনার ব্রাউজিং এক্টিভিটির উপর ভিত্তি করে কিছু নির্দিষ্ট ডেটা যখন আপনার ব্রাউজার সংরক্ষণ করে রাখে সেটাই কুকি। যা সাধারনত আপনার ইন্টারনেট সেবার মানকে উন্নত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে জানিয়ে সংগ্রহ করতে পারে আবার না জানিয়েও সংগ্রহ করতে পারে। এটা নির্ভর করে তাদের প্রাইভেসি পলিসির উপর। লক্ষ্য করে দেখবেন গুগলে যদি আপনি একটা ঘড়ি সার্চ করেন কিচ্ছুক্ষণ পরেই অনেক ঘড়ির আ্যড আপনার ফেইসবুক টাইমলাইনে চলে আসে। ফেইসবুক জানলো কিভাবে আপনি ঘড়ি সার্চ করেছিলেন? এটা হয় কুকি সংগ্রহের ফলে। আপনার তথ্য অনুযায়ী প্রাইস রেঞ্জ, রুচিবোধ সবকিছুই টার্গেট করতে পারে। ফলে পার্ফেক্ট আ্যডটাই আপনার টাইমলাইনে আসে।

কুকির ভালো দিকঃ

অনেক সময় আমরা বিভিন্ন সাইটে ব্রাউজ করে বের হয়ে যাওয়ার পর আমরা আবার আমাদের সেইম ডেটাগুলো ফেরত পাই। যেমন লগিন ফর্মে নতুন করে আর সবকিছু লিখতে হয় না। শুধু লগিন চাপলেই হয়ে যায়। আবার অনেক ই-কমার্স সাইটে কিছু পণ্য নির্বাচন করার পরে মনে হলো পরে কিনবেন। সেক্ষেত্রেও কিন্ত ঐ সাইটে আপনার কার্ট ডাটা সেইভ করে রাখবে কুকির সাহায্যে। নতুন করে আর পণ্য নির্বাচন করতে হবে না। এতে করে সময় অনেকখানি বেচে যায়। তাছাড়া, কুকির উপর ভিত্তি করে রেকমেন্ডেড সিমিলার প্রোডাক্ট আসে আমাদের আর আলাদা করে খোজাখুজি করতে হয় না।

কুকির খারাপ দিকঃ

অনেকে অনুমতি ছাড়াই আপনার কুকি কালেক্ট করেছে এবং যুতসই বিজ্ঞাপনের টোপ হিসেবে আপনাকে ব্যবহার করছে। ফ্রী বলে যে সেবা আমরা নিচ্ছি তার বিনিময় আমরা নিজেই। অনেক সময় আমাদের তথ্য থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি হয়। আমরা হয়ে যাই ব্যবসায়িক পণ্য। এর মধ্যে অনেকের অনেক সেন্সেটিভ ডেটাও থাকে।

30/09/2020

প্রতি মাসে ব্লগে লেখালেখি করে ২০,০০০ হাজার টাকা আয় করা কি সম্ভব?
২০ হাজার টাকা? বিশ হাজার তো খুবই কম,এমনও অনেক ব্লগার আছেন, যারা মাসে ২০ লাখেরও বেশী টাকা আয় করে থাকেন। কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।
So lets go

30/09/2020

প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা আর্টিকেল লিখে সত্যি কি আয় করা সম্ভব?
হ্য সম্ভব।এর থেকে বেশি আয় করতে পারবেন।তবে বাংলা আর্টিকেল লিখে এত টাকা আয় অনেক কঠিন।কারন আপনি অন্যর ওয়েবসাইটে বাংলা কনটেন্ট রায়টার হিসেবে খুব একটা কাজ পাবেন না,বাংলাতে আর্টিকেল লিখে আসলে আয় হয় না।আয় হয় সাধারনত একটা ওয়েবসাইট করে,এসিও ফ্রেন্ডলি ৩০,৪০টা তথ্যবহুল কনটেন্ট তাতে পাবলিশ করতে হয়।তারপর ওয়েবসাইটে অর্গানিক প্রচুর ট্রাফিক আনতে হয়,আর এটা করতে ৩বছর লাগবে মিনিমাম,আর ওয়েবসাইটে কনটেন্ট হতে হবে ইউনিক,কনটেন্ট এমন দম থাকতে হবে প্রতিদিন পাঠক রা তার দরকারে ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেে।এরকম ট্রাফিক থাকলে আপনি সেখানে গুগল এড,বাংলাদেশের দেশি প্রতিষ্টানের কাছ থেকে স্পনসর এড দিয়ে আয় করতে পারবেন,এফেলিয়েট করতে পারবেন।ওয়েবসাইট যদি ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড হয় তবে এখানে বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং প্রোডাক্টের এফেলিয়েট করতে পারবেন।এখানে বিভিন্ন ইবুক সেল করতে পারবেন,বিভিন্ন পেইড কোর্স সেল করতে পারবেন।ওই ধরনের অন্য ওয়েবসাইটের ব্যকলিঙ্ক দেবার জন্য গেস্ট পোস্টিং এর ব্যবস্থা করে আয় করতে পারবেন।তবে সবকিছু তে দরকার দম থাকা কনটেন্ট,ও প্রচুর অর্গানিক ট্রাফিক ।একটা ওয়েবসাইট করতে ১৫ডলার এর ডোমেইন,৬০ডলার এ হোস্টিং এটা হলেই খুব ভাল্ভাবে ওয়েবসাইট করে ফেলা যায়।হ্য ফ্রিতেও করা যায়,তারপর ও ডোমেইন হোস্টিং কিনে করা ভাল।আর ওয়েবসাইট ডিজাইন ভাল করার জন্য প্রিমিয়াম থিম ব্যবহার করা ভাল।তবে ক্র্যক বা পাইরেট থিম ব্যবহার না করা উচিত,এর থেকে শুরুতে ফ্রি থিম ব্যবহার করা ভাল।আর ইংরেজি আর্টিকেল লিখতে পারলে অনেক আয় করা সম্ভব।ফাইভার,আপওয়ার্ক,ফ্রিলান্সার,পিপলপারআওয়ার এসব মার্কেটপ্লেসে ফ্রিলান্সার আর্টিকেল রায়টার হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে।এছাড়া iwritter,dotwritter,textbooker ,এসব সাইটে রায়টার হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে,তবে এখানে ফ্রিলান্সার রায়টার হিসেবে কাজ করতে হলে ,আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে ইউনিক,গ্রামাটিকাল মিসটেক থাকা যাবে না,আর্টিকেল এসিও ফ্রেন্ডলি হতে হবে।সাথে আর্টিকেল নেটিভ ইংরেজি তে হতে হবে।আর বাংলাদেশের খুব কম রায়টার আছে,যারা এত ভাল নেটিভ রায়টার দের মত ইংরেজি লিখতে পারে।এমনকি তাদের ওয়েবসাইট দ্রুত র‌্যঙ্ক করাতে তারা বিভিন্ন নেটিভ রায়টার দেশের রায়টার হায়ার করে।

Address

Sabhar
1340

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 15:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan it Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share