16/10/2020
চলুন জেনে নেয়া যাক, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ISPAB এর আসন্ন ১৮ই অক্টোবর ২০২০ইং তারিখ থেকে শুরু হওয়া প্রতিদিন ৩ ঘন্টার ইন্টারনেট সেবা বন্ধের ধর্মঘট /আন্দোলনে যাওয়ার কারনগুলো। ISPAB যেই শর্তগুলো দিয়েছে তা ১০০% গ্রাহকবান্ধব। এই শর্তগুলো ১০০% যৌক্তিক এবং সরকার কর্তৃক না মানার কোন কারন দেখি না।
একজন গ্রাহক হিসেবে, নিচের কোন চাওয়া গুলো আপনার কাছে অযৌক্তিক বলে মনে হয়, দয়া করে জানাবেন।
১. স্থায়ী সমাধান না করা পর্যন্ত কোনো ঝুলন্ত তার অপসারণ করা যাবে না।
২. আইএসপিএবি, কোয়াব, বিটিআরসি, এনটিটিএন এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে লাস্ট মাইল ক্যাবল (আইএসপি প্রান্ত থেকে গ্রাহক এর সীমানা পর্যন্ত) স্থাপন করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে একটি কমিটির মাধ্যমে সরেজমিন তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাসা-বাড়ি, অফিস-ব্যাংকসহ সকল পর্যায়ের ইন্টারনেট ও কেবল টিভি সেবার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।
৪. গ্রাহক পর্যায়ে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ও কেবল টিভি সেবা দিতে এনটিটিএন এর মূল্য সরকার থেকে নির্ধারণ করতে হবে।
৫. এনটিটিএনগুলোর (ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) গ্রাম পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতের সার্বিক সক্ষমতা আছে কিনা তা যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এরপরেও যারা এই আন্দোলনের বিরোধিতা করবেন, তাদেরকে একটা কথাই বলবো যে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ হলে সাধারন গ্রাহকরাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
তাই সকল গ্রাহকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, সাময়িক অসুবিধা হলেও এই আন্দোলনে সমর্থন দিন। এতে যেমন আইএসপিরা বাচঁবে, তেমনি গ্রাহকদেরও স্বার্থরক্ষা হবে।
আমরা মনেপ্রানে চাই যে, আন্দোলন /প্রতিবাদ করা ছাড়াই যেন ১৮ তারিখের আগে এই ক্যাবল কাটাকাটি বন্ধ হয় এবং যেন এর একটি সুষ্ঠ সমাধান হয়। আশা করি, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সঠিক পদক্ষেপ নিবে।