21/09/2016
Rohit
কম্পিউটার একক হিসাবে বিট এবং
বাইট কে ধরা হয়।বিটঃ একটি
ক্যারেক্টার বা অক্ষর যেটুকু
জায়গা দখল করে তাকে এক বিট
বলে। বাইটঃ ৮ বিট সমান ১ বাইট,
অর্থাৎ ৮ টি ক্যারেক্টার বা অক্ষর
যেটুকু জায়গা দখল করে তাকে ১
বাইট বলে। বিট এবং বাইট এর
সূত্রসমূহঃ ৮ বিট = ১ বাইট ১০২৪
বাইট = ১ কেলোবাইট ১০২৪
কেলোবাইট = ১ মেগাবাইট ১০২৪
মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট১।
বিদ্যুৎ কি? কত প্রকার এবং কি কি?
উত্তরঃ বিদ্যুৎ এমন এক অদৃশ্য শক্তি যা
আলো, শব্দ, গতি এবং রূপান্তরিত
শক্তি ইত্যাদি উৎপন্ন করে বিভিন্ন
বাস্তব কাজ সমাধা করে।
বিদ্যুৎ ২(দুই) প্রকার। (i) স্থির
বিদ্যুৎ (ii) চল বিদ্যুৎ
২। কারেন্ট কি? কত প্রকার এবং কি
কি?
উত্তরঃ পদার্থের মধ্যকার মুক্ত
ইলেকট্রনসমূহ কোন নির্দিষ্ট
দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকে
কারেন্ট বলে। কারেন্টের প্রতীক
I (আই) এবং একক Ampere
(অ্যাম্পিয়ার), সংক্ষেপে ‘A’
লেখা হয় । কারেন্ট পরিমাপের
যন্ত্রের নাম Ampere Meter
(অ্যাম্পিয়ার মিটার)।
কারেন্ট ২(দুই) প্রকার। (i) AC (এসি)
(Alternative Current) কারেন্ট (ii) DC
(ডিসি) কারেন্ট (Direct Current)
৩। অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?
উত্তরঃ কোন পরিবাহীর যে কোন
অংশের মধ্য দিয়ে এক কুলাম্ব চার্জ
এক সেকেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত
হলে উক্ত পরিমান চার্জকে এক
অ্যাম্পিয়ার বলে। ১ কুলাম্ব =
628×1016 ইলেকট্রন চার্জ।
৪। ভোল্টেজ কি? ভোল্টেজ
কিভাবে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ পরিবাহির পরমানুগুলোর
ইলেকট্রনসমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে
বল বা চাপের প্রয়োজন তাকে
বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ
বলে। ভোল্টজ এর প্রতীক V(ভি) এবং
একক Volt ভোল্ট)। ভোল্টেজ
পরিমাপের যন্ত্রের নাম Volt Meter
(ভোল্ট মিটার)।
পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স ও এর মধ্য
দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট এর গুণফল
হল ভোল্টেজ।
অর্থাৎ V = IR [ভোল্টেজ = কারেন্ট
X রেজিস্ট্যান্স]
৫। রেজিস্ট্যান্স কি?
উত্তরঃ পরিবাহীর মধ্য দিয়ে
কারেন্ট প্রবাহের সময় পরিবাহী
পদার্থের যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের
কারণে তা বাধাগ্রস্থ হয় তাকে
রেজিস্ট্যান্স বলে।
রেজিস্ট্যান্স’এর প্রতীক R (আর) এবং
একক Ohm (ওহম)।
১। Capacitance (ক্যাপাসিট্যান্স)
কি? এর প্রতীক এবং একক কি?
উত্তরঃ ক্যাপাসিটরের
প্লেটগুলোর মধ্যে কোন বিভব
পার্থক্য থাকলে প্লেটগুলো
বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করে রাখে
(অর্থাৎ চার্জ ধরে রাখে)।
ক্যাপাসিটরের এই ধর্ম বা
বৈশিষ্ট্যকে ক্যাপাসিট্যান্স
(Capacitance) বলে।
ক্যাপাসিট্যান্স এর প্রতীক C (সি)
এবং এর একক F (Farad) বা µF (Micro
Farad)। পরিমাপের যন্ত্র Ohm
মিটার বা ক্যাপাসিট্যান্স
মিটার ।
২। Inductance (ইন্ডাকট্যান্স) কি ? এর
প্রতীক এবং একক কি?
উত্তরঃ এটি কয়েলের এমন একটি
বিশেষ ধর্ম যা কয়েলে প্রবাহিত
কারেন্টে-এর হ্রাস বা বৃদ্ধিতে
বাধা প্রদান করে।
ইন্ডাকট্যান্স’এর প্রতীক L এবং এর
একক Henry ।
৩। Conductor (কন্ডাকটর) বা
পরিবাহী কি?
উত্তরঃ যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে
কারেন্ট চলাচল করতে পারে
তাদের Conductor বা পরিবাহী
বলে। যেমনঃ সোনা, রূপা, তামা,
লোহা, অ্যালুমিনিয়াম।
৪। Insulator (ইন্সুলেটর) বা
অপরিবাহী কি?
উত্তরঃ যে সকল পদার্থের মধ্য
দিয়ে সরাসরি কারেন্ট চলাচল
করতে পারে না তাদের Insulator
বা অপরিবাহী বলে । যেমনঃ
প্লাষ্টিক, রাবার ইত্যাদি।
৫। Semi-Conductor (সেমি-কন্ডাকটর)
বা অর্ধপরিবাহী কি?
উত্তরঃ যে সকল পদার্থের মধ্য
দিয়ে বেশি নয় সামান্য
পরিমানে বিদ্যুৎ চলাচল করে
অর্থাৎ অবস্থা ভেদে কখনো বিদ্যুৎ
চলাচল করে আবার চলাচল করেনা
তাদের Semi–Conductor বা
অর্ধপরিবাহী বলে। যেমনঃ
জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি।
১। Power (পাওয়ার) বা ক্ষমতা কি?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের
হারকে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা Power
(পাওয়ার) বলে। সার্কিটের
ভোল্টেজ ও এম্পিয়ার এর গুণফল
হিসাবে Power (পাওয়ার) পাওয়া
যায়। পাওয়ার-এর একক Watt (ওয়াট)
বা Kilo Watt (কিলো ওয়াট) ।
অর্থাৎ P = VI [পাওয়ার = ভোল্টেজ
X কারেন্ট]
২। Energy (এনার্জি) বা শক্তি কি?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা Power
কোন সার্কিটে যত সময় কাজ করে
পাওয়ারের সাথে উক্ত সময়ের
গুণফলকে বৈদ্যুতিক শক্তি বা Energy
বলে। Energy-রএকক Watt-hour বা
Kilowatt-hour ।
অর্থাৎ Energy, W=P×T [P = Power , T =
Time]
৩। বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক কি?
উত্তরঃ একাধিক সরল সার্কিট
উপাদান পরস্পর যুক্ত হয়ে যে
সার্কিট হয় তাকে বৈদ্যুতিক
নেটওয়ার্ক বলে।
৪। বৈদ্যুতিক সার্কিট কি?
বৈদ্যুতিক সার্কিট কত প্রকার এবং
কি কি?
উত্তরঃ বিদ্যুৎ’এর উৎস, পরিবাহী,
নিয়ন্ত্রন যন্ত্র, ব্যবহারযন্ত্র,
রক্ষণযন্ত্র সমন্বয়ে এমন একটি পথ যার
মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হতে
পারে তাকে সার্কিট বা বর্তনী
বলে।
সার্কিটের উপাদান সমুহের
সংযোগের ভিত্তিতে সার্কিট
তিন প্রকার। যথাঃ
(i) সিরিজ সার্কিট (Series Ckt)
(ii) প্যারালাল সার্কিট (Parallel
Ckt)
(iii) মিশ্র সার্কিট (Mixed Ckt)
৫. বৈদ্যুতিক সার্কিটে কি কি
প্রয়োজনীয় উপাদান থাকা আবশ্যক?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক সার্কিটে
নিচের পাঁচটি প্রয়োজনীয়
উপাদান আবশ্যক। যথাঃ
(i) উৎস (Source) যেমনঃ ব্যাটারী
অথবা জেনারেটর।
(ii) পরিবাহী (Conductor) যেমনঃ
তামা অথবা এলুমিনিয়াম তার।
(iii) নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (Controlling device)
যেমনঃ সুইচ।
(iv) ব্যবহার যন্ত্র (Consuming device)
যেমনঃ বাতি, পাখা।
(v) রক্ষন যন্ত্র (Productive device)
যেমনঃ ফিউজ, ব্লেকার।
১। সার্কিট ডায়াগ্রাম কি?
উত্তরঃ সার্কিট ডায়াগ্রাম হল
সার্কিটের বিভিন্ন উপকরনের
চিহ্ন সম্বলিত এমন একটি চিত্র রূপ
যা দেখে এর উপকরণগুলো কিভাবে
পরস্পর যুক্ত রয়েছে তা বুঝা যায়
এবং এদের মান সংক্ষেপে
ডায়াগ্রামে উল্ল্যেখ থাকে।
২। সিরিজ সার্কিট -এর
বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক রেজিস্টর
বা লোড একের পর এক যদি এমন
ভাবে যুক্ত করা হয় যাতে কারেন্ট
প্রবাহের একটি মাত্র পথ থাকে,
তবে তাকে সিরিজ সার্কিট বলে।
সিরিজ সার্কিট -এর বৈশিষ্ট্যঃ
(i) সিরিজ সার্কিটে যুক্ত সব লোড
বা রেজিস্টর’এর মধ্য দিয়ে একই
পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
অর্থাৎ I= I1+I2+I3+——–+In
(ii) সিরিজ সার্কিটে যুক্ত প্রতিটি
রেজিস্টার বা লোডের
ভোল্টেজ ড্রপসমূহের যোগফল
সার্কিটে প্রয়োগকৃত ভোল্টেজের
সমান। অর্থৎ V=V1+V2+V3+———+Vn
(iii) সিরিজ সার্কিটে যুক্ত
রেজিস্টার বা লোড সমূহের
রেজিস্ট্যান্সগুলোর যোগফল মোট
রেজিস্ট্যান্স (সার্কিটের) সমান।
অর্থাৎ R=R1+R2+R3+——–+Rn
৩। প্যারালাল সার্কিট কি?
প্যারালাল সার্কিট-এর
বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?
উত্তরঃ একাধিক রেজিস্টর বা
লোড প্রতিটিকে বৈদ্যুতিক
উৎসের আড়াআড়িতে এমনভাবে
সংযুক্ত করা হয় যাতে কারেন্ট
প্রবাহের একাধিক পথ বিদ্যমান
থাকে তবে তাকে প্যারালাল
সার্কিট বলে।
প্যারালাল সার্কিট-এর
বৈশিষ্ট্যঃ
(i) প্যারালাল সার্কিটে যুক্ত
প্রতিটি লোড বা রেজিস্টর এর
আড়াআড়িতে ভোল্টেজ ড্রপ
সার্কিটে প্রয়োগকৃত ভোল্টেজ এর
সমান। অর্থাৎ 1/R=1/R1+1/R2+1/R3+
——–+1/Rn
(ii) প্যারালাল সার্কিটে সংযুক্ত
প্রতিটি রেজিস্টর এর মান
উল্টিয়ে যোগ করলে যোগফল সমতুল্য
(সার্কিটের) রেজিস্ট্যান্সের
উল্টানোমানের সমান। অর্থাৎ
৩। সাইকেল কাহাকে বলে?
উত্তরঃ একটি পরিবাহী একটি উত্তর
মেরু এবং একটি দক্ষিন মেরুর
মাঝখানে বৃত্তাকারে একটি পথ
যদি একবার পরেক্রমন করে তবে
একটি ভোল্টেজ তরঙ্গের সৃষ্টি হয় ।
এই তরঙ্গটিকে সাইকেল বলে।
৪। অল্টারনেশন কাহাকে বলে?
উত্তরঃ ভোল্টেজ তরঙ্গের
অর্ধাংশকে অল্টারনেশন বলে।
৫। ফ্রিকুয়েন্সী (Frequency)
কাহাকে বলে?
উত্তরঃ এক সেকেন্ড সময়ে যতগুলো
সাইকেল সম্পন্ন হয় তাকে
ফ্রিকুয়েন্সী বলে।
এর প্রতীক f এবং একক সাইকেল/
সেকেন্ড (C/S)
৬। পিরিয়ড (Period) কাহাকে বলে?
উত্তরঃ এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে
সময়ের প্রয়োজন হয় তাকে পিরিয়ড
বলে । এর প্রতীক T এবং T=1/f.
এম্পিয়ার সমান কত ওয়াট?
এটা নির্ভর করবে কত ভোল্টের
কারেন প্রবাহ হচ্ছে তার উপর।
কারন
ওয়াট = অ্যাম্পিয়ার ×ভোল্ট
এখানে অ্যাম্পিয়ার ১ বসিয়ে যত
ভোল্টের কারেন্ট সেটা
বসালেই পেয়ে যাবেন।
২২০ ওয়াট সমান ১ এম্পিয়ার
ফ্রিকোয়েন্সি কাকে বলে ?
কোনো পরিবর্তনশীল রাশি
প্রতি সেকেন্ড এ যতগুলি সাইকেল
সম্পন্ন করে তাকে উহার
ফ্রিকোয়েন্সি বলে। ইহাকে f
দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এর
একক সাইকেল/সেকেন্ড।
সাইকেল কাকে বলে
পরিবর্তনশীল তরিথ প্রবাহ (A .C )
কোনো একদিকে প্রবাহিত হইয়া
শূন্য হইতে maximum এবং পরে আবার
পুনরায় শূন্য হইলে এবং
বিপরীতক্রমে ও যদি শূন্য হইতে
maximum এবং পরে আবার পুনরায়
শুন্যে ফিরে আসে তখন যে তরঙ্গ এর
সৃষ্টি হয় তাকে সাইকেল বলে।
Define Voltage? ভোল্টেজ কাকে
বলে
Voltage , electric potential
difference, electric pressure or
electric tension (denoted ∆ and
measured in units of electric
potential: volts, or joules per
coulomb) is the electric energy
charge difference of electric
potential energy transported
between two points. Voltage is equal
to the work done per unit of charge
against a static electric field to move
the charge between two points.
সহজ করে বলতে গেলে কোনো
পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব
পার্থক্য কে ই আমরা ভোল্টেজ
বলতে পারি।"
"অথবা ইলেক্ট্রন কে চালনা করতে
যে চাপের প্রয়োজন হয় সি চাপ
তা ই হলো ভোল্টেজ। "
ট্রান্সফরমার কাকে বলে ??
ট্রান্সফরমার:
ট্রান্সফরমার বা ট্রান্সফর্মার
একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক
যন্ত্র বা স্থির ডিভাইস (কোনো
গতিশীল যন্ত্রাংশ নাই) যা
বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক
বর্তনী থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক
বর্তনীতে পাওয়ার ও Frequency কে
স্থানান্তর করে কোনো রূপ
বৈদুতিক সংযোগ ছাড়া । এ.সি.
(Alternating Current) ব্যবস্থায় কম
ভোল্টেজকে বেশি ভোল্টেজে
বা বেশি ভোল্টেজকে কম
ভোল্টেজে রূপান্তর করার জন্য
ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়। কম থেকে
বেশি ভোল্টেজে রূপান্তরের জন্য
ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে "স্টেপ-আপ
ট্রান্সফর্মার" বা "উচ্চধাপী
ট্রান্সফর্মার" এবং বেশি থেকে
কম ভোল্টেজে রূপান্তরের জন্য
ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে "স্টেপ-
ডাউন ট্রান্সফরমার" বা
"নিম্নধাপী ট্রান্সফর্মার" বলা
হয়।
ফ্যারাডের আবেশ সূত্র অনুযায়
প্রাইমারি ভোল্টেজ এর সূত্র -
ফ্যারাডের আবেশ সূত্র অনুযায়
সেকেন্ডারি ভোল্টেজ এর সূত্র -
সিন্ক্রনায়জিং কি ?
সিন্ক্রনায়জিংকরবার উদেশ্য ও
শর্ত সমূহ কি ?
দুই বা ততোধিক জেনারেটর বা
অল্টারনেটর কে নিদৃষ্ট কিছু শর্ত
মেনে পেরালাল অপারেশন
করবার পদ্ধতি কে সিন্ক্রনায়জিং
বলে।
উদেশ্য :
1. ম্যাক্সিমাম
এফিসিয়েন্সি
2. সার্বক্ষণিক চালু রাখা।
3. মেরামত ও ওভার হলিং।
4. ভবিষত বর্ধিত লোড বহন।
সুবিধা :
1. পার ইউনিট খরচ কম
2. এফিসিয়েন্সি বেশি
3. ভবিষতলোড বৃধিতে
অতিরিক্ত ইউনিট ব্যবহার এর
সুযোগ
শর্ত সমূহ :
1. প্রতিটি অল্টারনেটর বা এ
সি
জেনারেটরটার্মিনাল
ভোল্টেজ সমান হতে হবে
2. প্রতিটি অল্টারনেটর এর
গতি এমন হতে হবে
যে,এদের দ্বারা সৃষ্ট
ফ্রিকোয়েন্সি সমান হয়
3. সিন্ক্রনায়জিং এর সময়
বসবার ও অল্টারনেটর এর
ভোল্টেজ ইনফেজ অপজিশন
থাকবে যাতে
সার্কুলেটিং কারেন্ট না
থাকে
কমিউনিকেশন সিস্টেম ও
নেটওয়ার্কিংইন্ট্রানেট:
আপনি ধরে নিন, একটি বৃহত
কোম্পানী যার অফিস দেশের
বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং
দেশের বাইরেও আরো কয়েকটি
দেশব্যাপী বিস্তৃত। এই
কোম্পানীর প্রতিটি অফিসেই
ল্যান রয়েছে এবং দেশে এবং
দেশের বাইরের এই ল্যানগুলো
পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের
নেটওয়ার্ককে আপনি ওয়ান বলতে
পারেন। তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই
ওয়ানের একটি অংশ বা রিসোর্স
যেমন: আর্থিক হিসাব, প্রশাসন,
ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল
ইত্যাদি অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায়
থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে
শুধুমাত্র কোম্পানির নিজস্ব
লোকজন এসব রিসোর্স ব্যবহার
করতে পারে। কোম্পানির
সুরক্ষিত রিসোর্স সম্পলিত এই
নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয়
ইন্ট্রানেট। ইন্টারনেটের মতই
সম্প্রতি সময়ে ইন্ট্রানেটও ব্যাপক
জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
এক্সট্রানেট:
আলোচ্য কোম্পানির ওয়ানের
একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর
রিসোর্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে
পারে। এসব উন্মুক্ত রিসোর্সের
মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানী
প্রোফাইল, প্রজেক্ট এবং
প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস,
বাতসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি।
কোম্পানীর ওয়েব সাইটের
মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব
তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলোড
করে সংরক্ষণ করতে পারেন।
ওয়ানের এ ধরনের উন্মুক্ত অংশকে
বলা হয় এক্সট্রানেট।
v-32 কী?
উত্তরঃ- একটি সাধারন মডেম যা
তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারের টেলিফোন
নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে
পৌঁছে দেয়।
ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা
স্থানান্তরের গতি কত?
উত্তরঃ- ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা
স্থানান্তরের গতি 450bps থেকে
300bps পর্যন্ত।
BPS কী?
উত্তরঃ- প্রতি সেকেন্ডে যে
পরিমান বিট ট্রান্সফার হয় তাকে
bps দিয়ে bit per second বোঝান
হয়।
থিকনেট কি?
উত্তরঃ- থিকনেট হলো ভারী ও নন
ফ্লেক্সিবল মিডিয়া।
ভিডিও কনফারেন্সিং এ কোন
ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড
ব্যবহার করা হয়।
ক্লাডিং কী?
উত্তরঃ- ক্লাডিং অপটিক্যাল
ফাইবারের একটি অংশ যা কাচ
বা প্লাস্টিকের তৈরী।
UTP কী?
উত্তরঃ- UTP হলো Unshielded Twisted
Pair ।
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের
ফ্রিকোয়েন্সি কত?
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের
ফ্রিকোয়েন্সি 0-5 MHZ
DECT কী?
উত্তরঃ- DECT হলো ডিজিটাল
ইনহেন্স কর্ডলেস
টেলিকমিউনিকেশন।এটি এক
ধরনের কর্ডলেস ফোন।
অ্যামচার কী?
উত্তরঃ- অ্যামচার এক ধরনের
রেডিও সেবা।
STP কী?
উত্তরঃ- STP হলো Shielded Twiested
Pair ।
ফটো ডিটিকটর কী?
উত্তরঃ- ফটো ডিটিকটর
অপটিক্যাল ফাইবার থেকে ডেটা
করে।
IC কী?
উত্তরঃ- IC হলো Integrated Circuit,
এটি এক ধরনের চিপ।
হটস্পট কী?
উত্তরঃ- পরস্পর সংযুক্ত ইন্টারনেট
প্রবেশ বিন্দু বা এক্সেস
পয়েন্টগুলোকে হটস্পট বলে।
GPS কী?
GPS হলো Global Positioning System
এর সাহায্যে গাড়ির চালক,
নৌকা ও জাহাজের নাবিক,
বিমানের পাইলটের গতি জানা
যায়।
মডেম কোন গতিতে ডেটা
পাঠায়?
উত্তরঃ- মডেম bit per second গতিতে
ডেট পাঠায়।
বেতার তরঙ্গ কত প্রকার?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ দুই প্রকার।
ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের
ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত
সিগন্যালের ক্ষমতা মিলিওয়াট।
ইন্টারনেট কোন ধরনের
টপোলজি?
উত্তরঃ- ইন্টারনেট হলো
হাইব্রিড টপোলজি।
জ্যাকেট এর ব্যাস কত?
উত্তরঃ- জ্যাকেট এর ব্যাস 8০০
মাইক্রোমিটার।
IMSI কী?
উত্তরঃ- IMSI হলো স্যাটেলাইট
ফোন ডিভাইসগুলোর একটি একক
identity নম্বর।এর দ্বারা International
Mobile Subscriber Identity বোঝানো
হয়।
WWAN কী?
উত্তরঃ- WWAN হলো Wireless Wide
Area Network ।
কমিউনিকেশন সিস্টেমের
উপাদান কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের
উপাদানগুলো হলো
কমিউনিকেশনের একটি পদ্ধতি
যেমন-খেলাধুলা সম্প্রচার,
গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা
ইত্যাদি।
কমিউনিকেশন সিস্টেমের
মৌলিক উপাদান কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের
মৌলিক উপাদান পাঁচটি যথা-
১.উৎস
২.প্রেরক
৩.মাধ্যম
৪.গ্রাহক ব প্রাপক
৫. গন্তব্য।
মাধ্যম কাকে বলে?
উত্তরঃ- যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক
স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক
কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয়
তাকে মাধ্যম বলে।
প্রাপক কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে যন্ত্র ডেটা গ্রহণ করে
তাকে প্রাপক বলে।প্রাপক যন্ত্র
হিসেবে মডেম ব্যবহার করা হয়।
গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত
মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ
সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে
পরিণত করে।
মডেম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ- মডেম কম্পিউটারের
ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ
সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন
যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা
গ্রাহকের নিকট প্রেরণ করে।
গ্রাহক কম্পিউটারের
ব্যবহারপোযোগী করে। প্রেরক ও
গ্রাহক উভয় প্রান্তে মডেম ব্যবহার
করেন।
কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেম
হলো একক সংগ্রহ যা কমিউনিকেশন
নেটওয়ার্ক, ট্রান্সমিশন, রিলে
স্টেশন, উপকেন্দ্র ও ডেটা
টার্মিনাল যন্ত্রপাতির সাথে
সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান
করা।
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে
অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের
হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড
বলে।
ব্যান্ড উইডথ কাকে বলে?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে
অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের
হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড
বলে।আর এ ট্রান্সমিশন স্পীডকে
ব্যান্ড উইডথ বলে।
বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে
বলে?
উত্তরঃ- সিগন্যাল পাঠানোর সময়
বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের
জন্য ব্যবহ্রত পদ্ধতিকে বিট
সিনক্রোনাইজেশন বলে।
এসিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে ডেটা ট্রান্সমিশন
সিস্টেমে প্রেরক থেকে গ্রাহকে
ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার
ট্রান্সমিশন হয় তাকে
এসিনক্রোনাস বলে।
সিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- ডেটাসমূহকে ব্লক আকারে
ভাগ করে প্রতি বারে একটি করে
ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে
সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
সিমপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতিতে ডেটা শুধু এক
দিক থেকে প্রেরণ করা যায়
তাকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
হাফ ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- হাফ ডুপ্লেক্স মোড উভয়
দিক থেকে আদান-প্রদানের
ব্যবস্থা থাকে কিন্তু এক সাথে
আদান-প্রদান সম্ভব নয়।
ফুল ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
ডেটা উভয় দিকে প্রেরণ করা
যায়। অর্থাৎ প্রেরণ ও প্রাপক উভয়ই
এক সাথে ডেটা আদান প্রদান
করতে পারে।
ইউনিকাস্ট মোড কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও
ফুল ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট
মোড বলে।
ব্রডকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- নেটওয়ার্কের কোনো
একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার
বা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি)
থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা
নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই
গ্রহন করে। যেমন-টিভি সম্প্রচার
কেন্দ্র থেকে কোনো অনুষ্ঠান
সম্প্রচার করলে তা সকলেই দেখতে
পারে।
মাল্টিকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড
নেটওয়ার্কের কোনো একটি
নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে
তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল
নোডই গ্রহন করতে পারেনা।
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রাহক বা
সদস্য গ্রহন করতে পারে।
চ্যানেল কাকে বলে?
উত্তরঃ- প্রেরক কম্পিউটার ও প্রাপক
কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান
প্রদানের জন্য সংযোগ ব্যবস্থাকে
চ্যানেল বলে।
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম
কী?
উত্তরঃ- চ্যানেল বাস্তবায়নের
জন্য যে সমস্ত মাধ্যম বা পদ্ধতি
ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা
কমিউনিকেশনের মাধ্যম বা
মিডিয়া বলে।
কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের কয়টি
অংশ?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের
অংশ ৪টি।
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- দুটি পরিবাহী কপার বা
তামার তারকে সুষমভাবে
পেঁচিয়ে এ ধরনের ক্যাবল তৈরী
করা হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার
ক্যাবল হচ্ছে কাঁচের তন্তুর তৈরী
এক ধরনের ক্যাবল যার মাধ্যমে
আলোর গতিতে ডেটা আদান প্রদান
করা হয়।
ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন
কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ডেটা
কমিউনিকেশন মোবাইল
কম্পিউটিং এর একটি সাধারণ
উপাদান।
বেতার তরঙ্গ কী?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ এক প্রকারের
তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার
তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে সীমা
মিলিমিটার থেকে ১০০
কিলোমিটার পর্যন্ত।
ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে
কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ- সিনক্রোনাইজেশনের উপর
ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন
পদ্ধতিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
মাইক্রোওয়েভ এর কাজ কী?
উত্তরঃ- কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার
মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভের
সাহায্যে প্রেরক ও গ্রাহক
কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ
স্থাপন করা সম্ভব।
টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ
কোন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি
ব্যবহ্রত হয়।
উত্তরঃ- টেরিস্ট্রিয়াল
মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে ভূ-
পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার বসানো হয়।
এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি
সীমার নিচের দিকে
ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়।
স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ
প্রযুক্তিতে কোন উপগ্রহের
সহায়তা নিতে হয়?
উত্তরঃ- স্যাটেলাইট
মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে
যোগাযোগ উপগ্রহের সহায়তা
নিতে হয়।
ইনফ্রারেড কত দূরত্বের মধ্যে
ডেটা প্রেরণ করে?
উত্তরঃ- সাধারণত দশমিক ৭ থেকে
৩০০ মাইক্রোমিটার দূরত্বের
ডিভাইসের মধ্যে ইনফ্রারেড
প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য আদান
প্রদান করা যায়।
ওয়্যারলেস প্যান কী?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ ও ইনফ্রারেডের
মাধ্যমে হ্যান্ডসেট বা
ল্যাপটপের মধ্যে যোগাযোগ
পদ্ধতি হলো ওয়্যারলেস প্যান।
ওয়্যারলেস ল্যান কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ল্যান
পদ্ধতিতে প্রতিটি কম্পিউটারের
সাথে একটি রেডিও মডেম এবং
এন্টেনা থাকে যার সাহায্যে
প্রতিটি কম্পিউটার অপর
কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ
স্থাপন করতে পারে।
ওয়াইম্যাক্স কী?
উত্তরঃ- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি
টেলিকমিউনিকেশন প্রোটোকল
যা মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহ্রত
হয়।
রেডিওলিনজা কী?
উত্তরঃ- ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের
রেডিওলিনজা নামক একটি GSM2G
অপারেটর সর্বপ্রথম
ব্যবসায়িকভাবে এবং GSM2G
স্ট্যান্ডার্ডে 2G তারবিহীন
নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
TDMA প্রযুক্তি কয়টি মহাদেশে
ব্যবহৃত হচ্ছে?
উত্তরঃ- TDMA প্রযুক্তি ইউরোপের
হলেও ৬টি মহাদেশের প্রায় সকল
দেশেই এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
CDMA প্রযুক্তি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ- প্রযুক্তি আমেরিকা ও
এশিয়ার অংশ বিশেষে ব্যবহৃত হয়।
নেটওয়ার্ক কী?
উত্তরঃ- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুই
বা ততোধিক কম্পিউটার এক সাথে
যুক্ত থাকে।
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী?
উত্তরঃ- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
হচ্ছে কতকগুলো ইন্টারফেস
প্রোগ্রামের সমষ্টি যার
মাধ্যমে কম্পিউটার
ব্যবহারকারীরা নেটওয়্যার্কের
সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়্যার্কে
বিদ্যমান বিভিন্ন সম্পদ
ভাগাভাগি করতে পারে।
ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম
কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতির মাধ্যমে
যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার
করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে,
প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানে, এক
দেশ হতে অন্য দেশে, তথ্য আদান
প্রদান করা যায় তাকে
কমিউনিকেশন সিস্টেম বলা হয়।
ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে
দূরবর্তী কোন কম্পিটারে ডেটা
ট্রান্সমিট করতে যে পদ্ধতি
ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা-ই
ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।
কো-এক্সিয়াল কাকে বলে?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল চার
স্তর বিশিষ্ট।এ ক্যাবল দুটো
পরিবাহী বা কন্ডাক্টর ও
অপরিবাহী বা পরা বৈদ্যূতিক
পদার্থের সাহায্যে তৈরী।
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
হলো দুটো পরিবাহী তামার
তার যা এক সাথে সুষমভাবে
প্যাঁচানো এবং তার দুটোকে পৃথক
রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ
দ্বারা আবদ্ধ একটি পরিবাহী
তার।
অপটিক্যাল ফাইবার কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার হলো
সর্বপ্রথম আবিস্কৃত তার যার মধ্যে
দিয়ে আলোকে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার মূলত কোর,
ক্লাডিং, এবং বাফার আবরণ এ
তিনটি উপাদানে দিয়ে গঠিত।
রেডিও ওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- রেডিও ওয়েভ বা বেতার
তরঙ্গ হলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক
বর্ণনালি।
মাইক্রোওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- মাইক্রোওয়েভ হলো এক
ধরনের তরঙ্গ যা ১ মিলি মিটার
থেকে ১ মিটার দৈর্ঘ্যওে হতে
পারে। অথবা ০.৩ মেগাহার্জ
থেকে ৩০০ গেগাহার্জ বিশিষ্ট
কম্পাংক হতে পারে ।
মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে
ছবি, শব্দ, ও তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব।
ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন
সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন
সিস্টেম এমন এক ধরনের নেটওয়ার্ক
সিস্টেম যেখানে কোনো
ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয়
না।কাজেই বলা যায় এটি একটি
তারবিহীন মাধ্যম।
ব্লুটুথ কী?
উত্তরঃ- দুই বা ততোধিক যন্ত্রের
মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ
পদ্ধতি হচ্ছে ব্লুটুথ।ব্লুটুথ হলো ক্ষুদ্র
দূরত্বের জন্য প্রণীত একটি
ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। টেলিকম
ভেওর এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি
উদ্ভাবন করেন এবং দশম শতাব্দীতে
ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ
এর ন্মা অনুসারে এ প্রযুক্তির
নামকরণ করা হয়।এটি ক্ষুদ্র পাল্লার
বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ
করা হয়।
ওয়াই-ফাই কাকে বলে?
উত্তরঃ- ওয়াই-ফাই হলো একটি
প্রচলিত তারবিহীন যোগাযোগ
প্রযুক্তি, যা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার
কওে তারবিহীন উচ্চ গতি সম্পন্ন
ইন্টারনেট সংযোগ এবং
নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে।
ওয়াই-ফাই বলতে আমরা তারবিহীন
লোক্যাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কে
বুঝে থাকি, যা তৈরী করা
হয়েছে ইন্সটিটিউট অফ
ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স
ইঞ্জিনিয়ারর্স।
মোবাইল যোগাযোগ কী?
উত্তরঃ- আমরা সবাই মোবাইল
ফোন চিনি এবং ব্যবহার করে
থাকি।মোবাইল ফোনকে
সেলুলার ফোন বা সেলফোন বা
মুঠোফোন বলে।
মডেম কাকে বলে ?
উত্তরঃ- মডেম শব্দটির পূর্ণরুপ হলো
মডুলেটর-ডিমডুলেটর ।মডুলেটর
ডিজিটাল সংকেত কে অ্যানালগ
সংকেতে রুপান্তরিত কওে আর
ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেত কে
টুইস্টড পেয়ার ক্যাবল বা ফাইবার
অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়।
এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ
ডিভাইসের মতো কাজ করে।
কোনো একটি পোর্টে তথ্য আসার
সাথে সাথে কপি করা যায় এবং
ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য
সরবরাহ করে থাকে।
হাব কী?
উত্তরঃ- হাব হলো এমন একটি
নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা
অনেকগুলো পোর্ট নিয়ে গঠিত
এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে
একত্রে সংযুক্ত করার জন্য অনেকগুলো
টুইস্টেড পেয়ার বা ফাইবার
অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়।
এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ
ডিভাইসের মতো কাজ করে।
কানো একটি পোর্টে তথ্য আসার
সাথে সাথে কপি করা যায় এবং
ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য
সরবরাহ করে থাকে।
রাউটার কী?
রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক
ডিভাইস।রাউটার কম্পিউটার
নেটওয়ার্কেও মধ্যে ইন্টার
নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে তথ্য সঞ্চালন
করে থাকে।
গেটওয়ে কী?
গেটওয়ে হলো ইন্টারনেটের
প্রবেশপথ।কয়েকটি কম্পিউটারের
সাথে এক বা একাধিক
নেটওয়ার্কের সংযোগকারী
ডিভাইসকে গেটওয়ে বলা হয়।
নেটওয়ার্ক টপোলজি কাকে বলে?
একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য
একটি কম্পিউটারের সংযোগ
ব্যবস্থাকেই নেটওয়ার্ক টপোলজি
বলে।
বাস টপোলজি কাকে বলে?
একটি সংযোগ লাইনে কয়েকটি
কম্পিউটার নোড বা সংযোজক যুক্ত
হয়ে যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে
তাকে বাস টপোলজি বলে।
মেশ টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
সিস্টেমে প্রত্যেকটি কম্পিউটার
একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত
থাকে সে নেটওয়ার্ক সিস্টেম ই
মেশ টপোলজি।
রিং টপোলজি
যে নেটওয়ার্কে কম্পিউটার
বৃত্তাকাওে সজ্জিত থাকে তাকে
রিং টপোলজি বলে।
স্টার টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে নেটওয়ার্কে
কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয়
ডিভাইসের মাধ্যমে পরস্পর
সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে স্টার
টপোলজি বলে।
ডাটা ট্রান্সমিশনের স্পিড
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
করো।ডাটা বা উপাত্ত এক
কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে অথবা এক স্থান থেকে
অন্য স্থানে স্থানান্তর করাকে
ট্রান্সমিশন বলে।বিভিন্ন সময়
বিভিন্ন প্রয়োজনে ডাটা
ট্রান্সমিশন করা হয়ে থাকে।
ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড : এক
কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে অথবা এক স্থান থেকে
অন্য স্থানে স্থানান্তর করাকে
ট্রান্সমিশন বলে; আর যে হারে
ডাটা ট্রান্সমিশন বা স্থানান্তর
করা হয়, তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন
স্পিড বলে। অন্যভাবে বলা যায়,
প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ
ডাটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য
কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয়,
তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড
বলা হয়। এই ডাটা ট্রান্সমিশন
স্পিডকে ব্যান্ড উইডথ বা ব্যান্ড
স্পিডও বলা যেতে পারে।
প্রকারভেদ : ডাটা ট্রন্সফার
স্পিডের (গতি) ওপর ভিত্তি করে
কমিউনিকেশন গতিকে তিন ভাগে
ভাগ করা যায়:
১। ন্যারো ব্যান্ড
২। ভয়েস ব্যান্ড
৩। ব্রডব্যান্ড
এগুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত
আলোচনা করা হলো।ন্যারো
ব্যান্ড : এ ব্যান্ডে ডাটা
চলাচলের গতি সাধারণত ৪৫ থেকে
৩০০ বিপিএস হয়ে থাকে। ধীরগতি
ডাটা স্থানান্তরে ন্যারো
ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। সাধারণত
টেলিগ্রাফির ক্ষেত্রে এই
ব্যান্ডটির ব্যবহার বেশি লক্ষ করা
যায়। টেলিগ্রাফির ক্ষেত্রে
ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৩০০
থেকে ৩৪০০ হার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি
প্রদান করে থাকে।
টেলিগ্রাফিতে তারের ব্যবহার
বেশি হওয়ায় ডাটা স্থানান্তর
গতি কম, তাই এ ক্ষেত্রে ন্যারো
ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
ভয়েস ব্যান্ড : এ ব্যান্ডে ডাটা
চলাচল গতি ৯৬০০ বিপিএস পর্যন্ত
হয়ে থাকে। ভয়েস ব্যান্ড
সাধারণত টেলিফোন লাইনে
বেশি ব্যবহূত হয় টেলিফোন
লাইনে এই ব্যান্ডে সাধারণত ২০০
থেকে ৩৬০০ হার্টজ
ফ্রিকুয়েন্সিতে তথ্য স্থানান্তর
করা যায়। তবে কম্পিউটার
কমিউনিকেশন কিংবা কম্পিউটার
থেকে প্রিন্টারে ডাটা
স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা
কার্ডরিডার থেকে কম্পিউটারে
ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও
ভয়েস ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
ব্রডব্যান্ড : ব্রডব্যান্ড উচ্চ
গতিসম্পন্ন স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ,
যার গতি কমপক্ষে ১ মেগাবিট
প্রতি সেকেন্ড হতে অত্যন্ত উচ্চগতি
পর্যন্ত হয়ে থাকে। কো-এক্সিয়াল
কেব্ল, অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল,
স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন,
মাইক্রো -ওয়েভ কমিউনিকেশন
কিংবা নেটওয়ার্কিং
প্রক্রিয়ায় ডাটা স্থানান্তরে
সাধারণত ব্রডব্যান্ড ব্যবহূত হয়।
ডাটা কমিউনিকেশন স্পিডের
তারতম্যের ফলে বিভিন্ন
ব্যান্ডের উদ্ভব হয়। আর এসব ব্যান্ড
আবার বিভিন্ন গতিসম্পন্ন বিভিন্ন
প্রযুক্তিতে ডাটা স্থানান্তরে
ব্যবহার হয়ে থাকে।নেটওয়ার্কের
প্রকারভেদঃবর্তমানে বিশ্বের
বিভিন্ন দেশে অসংখ্য কম্পিউটার
নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।এ সকল
নেটওায়ার্কে অসংখ্য
কম্পিউটারসহ অন্যান্য অনেক দামী
যন্ত্রপাতি বিভিন্নভাবে ব্যবহার
করা হয়ে থাকে।কাজেই এ সকল
নেটওয়ার্ককে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ
থেকে শ্রেণীবিভাগ করা যায়।
যেমন- নেটওয়ার্কের মালিকানা,
নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ ও সেবা
প্রদানের ধরন,নেটওয়ার্কের
বিস্তৃতি ইত্যাদি।
মালিকানা অনুসারে
নেটওয়ার্কের
শ্রেণীবিভাগঃমালিকানার
উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার
নেটওয়ার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা
যায়।যেমন-
প্রাইভেট নেটওয়ার্কঃপ্রাইভেট
নেটওয়ার্ক সাধারণত কোন
প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার
মালিকানাধীন থাকে।এটি
একটি নিয়ন্ত্রিত নেটওয়ার্ক ফলে
যে কেউ চাইলেই এই নেটওয়ার্ক
ব্যবহার করতে পারে না।এ
সিকিউরিটি সিস্টেম অত্যন্ত মজবুত
এবং ট্রাফিক নেই বললেই চলে।
ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে
সাধারণত ডিলেও কম হয়।
পাবলিক নেটওয়ার্কঃপাবলিক
নেটওয়ার্ক সাধারণত কোন
প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার
মালিকানাধীন থাকে না।তবে
এটি কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা
দ্বারা পরিচালিত হয়।যে কেউ
চাইলেই এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার
করতে পারে।হবে এ জন্য
ব্যবহারকারীকে সাধারণত কিছু
ফিস বা মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো অনুসারে
নেটওয়ার্কের শ্রেণী
বিভাগঃনেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ
কাঠামো এবং সার্ভিস
প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে
কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত
তিন ভাগে ভাগ করা যায়।যথা-
সেন্ট্রালাইজ
নেটওয়ার্কঃসেন্ট্রালাইজ
নেটওয়ার্ক একটি প্রধান
কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটার
এবং টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
প্রধান কম্পিউটার বা হোস্ট
কম্পিউটারই সকল প্রসেসিংয়ের
কাজ এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের
কাজ করে থাকে।হোস্ট হিসাবে
সাধারণত মেইনফ্রেম বা অন্য কোন
শক্তিশালী সার্ভার কম্পিউটার
ব্যবহৃত হয়।টার্মিনাল হল এক ধরনের
হার্ডওয়্যার যা কীবোর্ড ও মনিটর
নিয়ে গঠিত।টার্মিনালের
মাধ্যমে ব্যবহারকারী হোস্ট
কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়ে সার্ভিস
গ্রহণ করে।
ডিস্ট্রিবিউটেড
নেটওয়ার্কঃডিস্ট্রিবিউটেড
নেটওয়ার্ক পরস্পর সংযুক্ত কিছু
ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ার্ড
স্টোরেজ ডিভাইস এবং
প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস
নিয়ে গঠিত।ওয়ার্কস্টেশনগুলোর
নিজস্ব মেমরি, স্টোরেজ ও
প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো
লোকাল কাজ করতে পারে।
লোকাল কাজ বলতে ঐ
ওয়ার্কস্টেশনের নিজস্ব সফটওয়্যার,
ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার
করে কোন কাজ করা বুঝায় যে
ওয়ার্কস্টেশনের মধ্যে এগুলো
অবস্থান করে।তাছাড়া এই
ওয়ার্কস্টেশনের সাহায্যে এর
সাথে সংযুক্ত সার্ভার
কম্পিউটারের সার্ভিস গ্রহন করতে
পারা যায়।কিছু কিছু
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কে
গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া
থাকে যার মধ্যে গ্লোবাল
ইনফরমেশন ও সফটওয়্যার সংরক্ষিত
থাকে।এগুলো প্রয়োজনে
ওয়ার্কস্টেশন ব্যবহার করতে
পারে।
হাইব্রিড
নেটওয়ার্কঃসেন্ট্রা