02/11/2026
ধরুন আপনি ৬০,০০০ দিয়ে একটি ব্রান্ড নিউ ফোন কিনলেন। দশ দিন ব্যবহার করার পর মনে হলো, এইটা আপনার ভালো লাগছে না। এবার অন্য ব্রান্ডে শিফট হবেন। বিক্রি করে দিবেন অথবা অন্য কোনো ফোনের সাথে এক্সচেঞ্জ করবেন।
এমতাবস্থায় দশ দিনের মাথায় আপনি কত টাকা লস দিয়ে এটা বিক্রি করবেন? ১০ হাজার, ১৫ হাজার? কত?
আই বিলিভ, আপনি ৫-৭ হাজারের কমে জীবনেও ঢিল করবেন না। বলবেন, ১০-১২ দিন ব্যবহার করে দশ হাজার টাকা লস দিয়ে দিব?!
আপনি হলে ৬০,০০০ টাকার ফোন ১০ দিন পর কত হলে সেল করতেন? উত্তর দিয়ে যাবেন।
যাইহোক, আপনি যখন ৬০ হাজার টাকার ফোন ৭,০০০ টাকা লসে বিক্রি করবেন। তখন এই ফোন আমাদের কেনা পড়বে ৫৩,০০০ টাকা। একটা নতুন ফোন ৫৩ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এটার সেল পোষ্ট আমাদের কততে দেয়া উচিত? ৫০,০০০ এ?
আপনারা তো এটাই প্রত্যাশা করেন। কোনো নতুন ফোনের সেলপোস্ট দিলে আপনারা বলেন, নতুনই তো ৬০ দিয়ে পাওয়া যায়, আপনার থেকে কেন ৫৪ দিয়ে কিনব? কথা সত্য। এখন আমাদের কি করা উচিত? লস দিয়ে সেলপোস্ট দিব? নাকি ফোন কেনাবেচা বন্ধ করে দেব?
আমরা বন্ধ করে দিল ফোন কেনাবেচা বন্ধ হবে না। যে ভাই ফোনটি বিক্রি করবে, সে ইজিলি যেকোনো শোরুমে এটা সেল করে দিতে পারবে। ইভেন আমাদের থেকেও বেশি পাইতে পারে। কারণ শোরুম-এর হিসাব আলাদা। কিছু প্রতারক ব্যবসায়ী, কাস্টমার থেকে ফোনটা কিনে আবার সিল প্যাক করে নতুন বলে চালায় দিবে। এই ফোনটা আবার আপনারাই ধোঁকা খেয়ে কিনে ফেলবেন। তো, এরা দাম দিয়ে কিনলে এদের লস কোথায়? আর কাস্টমার যেহেতু সেল করতে পারতেছে, আমাদের কাছে কমে কেন সেল করবে? আর আমরা যেহেতু কমে কিনতে পারতেছি না, আমরা কীভাবে কমে সেল পোস্ট দিব? উত্তরগুলো দিয়ে যাবেন।
নতুন ফোন আর এক্সট্রিম ইউজ ফোনের মধ্যে পার্থক্য অনেক। আমরা শুধু এক্সট্রিম ইউজ ফোন নিয়ে কাজ করি না। জাস্ট একটিভ, কয়েকদিন ইউজ, এরকম ফোন নিয়েও কাজ করি। তো একটা এক বছর ব্যবহৃত ফোন, আর ১০ দিন ব্যবহৃত ফোনের প্রাইস তারতম্য সমান থাকবে? আপনারা কীভাবে দুইটা ফোনের মধ্যে কম্পেয়ার করেন? নতুন ফোনের দাম একটু বেশি হবে, এটা তো খুবই স্বাভাবিক! এগুলো আপনারা কেন স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেন না?
একটা মন্তব্য করার আগে সেখানে নিজেকে বসাবেন। চিন্তা করে দেখবেন, ফোনটা আপনার হলে আপনি ফোনটা দশ দিন ব্যবহার করার পর কত টাকা লস দিয়ে সেল করতেন?