06/09/2025
কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ও কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব ?
কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ?
জীবিকা নির্বাহ করে বেঁচে থাকতে হলে, আজকের দিনে কম্পিউটার শিখতেই হবে। শুধু যে কম্পিউটার সংক্রান্ত কাজ করতে হলেই কম্পিউটার ব্যবহার প্রয়োজন, তা নয়। যে কাজ কম্পিউটার-নির্ভর নয়, সেখানেও কম্পিউটার জানা একটা অতিরিক্ত যোগ্যতা বলে বিবেচিত হয়। এক জন কর্মীর যদি কি-বোর্ড কী করে চালাতে হয় জানা না থাকে তা হলে সামান্য ই-মেল চেক করা বা তার জবাব দেওয়াই ঝকমারির পর্যায়ে চলে যায়। কম্পিউটারের ব্যবহার এক জন কর্মীর উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। আসলে কম্পিউটার শিক্ষা হল এটা একটা প্ল্যাটফর্ম, জীবন গড়ে নেওয়ার জন্য যে ট্রেনেই তুমি উঠতে চাও না কেন, এই প্ল্যাটফর্মে তোমায় পৌঁছতেই হবে।
কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব ?
বর্তমানে বিদেশ ভ্রমণে কথোপকথনের অন্যতম মাধ্যম ইংরেজি ভাষা। এটি আন্তর্জাতিক ভাষা। আর কম্পিউটারকে বলা হয় আধুনিক সভ্যতার চাবিকাঠি। এর ভাষাও ইংরেজি। এ জন্য ইংরেজি ও কম্পিউটারের মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। চাকরির বাজারেও রয়েছে এ দুটোর ব্যাপক চহিদা। সুতরাং ইংরেজি ও কম্পিউটার শিক্ষায় রয়েছে আপনার ক্যারিয়ারে সফলতার উজ্জ্বল হাতছানি। কম্পিউটারে রয়েছে শেখার একাদিক বিষয় যেমন, এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, সিমুলেশন ও এনিমেশনসহ শেখার আছে অনেক কিছু। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রায় সবকয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সবকয়টি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের প্রায় অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়টি কম্পিউটার সাইন্স অথবা কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলোজি হিসেবে পড়ানো হয়। আর এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনার্স কোর্সের মেয়াদ চার বছর। দেশের বাইরে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এটি পড়ানো হয়। এছাড়া আমাদের দেশে একাদিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটারের ওপর সল্প মেয়াদি (৬ মাস ও ৩ মাস) প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও প্রস্তুত আপনার অপেক্ষায়। কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহারের জন্য আপনাকে অবাশ্যই ইংরেজিতে ভালো দক্ষ হতে হবে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটারের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে ।এমন কোনো কর্পোরেট হাউস নেই যেখনে কম্পিউটার ম্যানের প্রয়োজন নেই। চাকরির সুবিধা দেশের প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং দেশী ও বিদেশী ব্যাংকে উচ্চ বেতনে চাকরির সুব্যবস্থা আছে। কম্পিউটার জানা লোকদের তো রয়েছে বহুমুখী কাজের অফুরন্ত সুযোগ। এই সেক্টরে দুই ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। একটি সরকারি অন্যটি বেসরকারি। সরকারি খাতগুলো বিশেষ করে পরমাণু শক্তি কমিশন, ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম, ই-গর্ভরনেন্স, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন, রেল যোগাযোগ, বিটিসিএল, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, একাদিক মোবাইল কোম্পানি, টেলিভিশনের নেটওয়ার্কিং সেক্টর, বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠান, অনলাইন মিডিয়াতে নিউজ পোস্ট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ডেক্সটপ পাবলিশিংয়ে বিভিন্ন বই লেখা, ছাপানো, সফটওয়ার ফার্ম, বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের আইটি সেক্টরসহ অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে আপনি চাকরির সুযোগ পেতে পারেন।আয়-রোজগার বর্তমানে কম্পিউটার খাত একটি শিল্প। এ শিল্প বিকাশে প্রতিষ্ঠানগুলো মেধাবী ও দক্ষদের নিয়োগ দিয়ে আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করে থাকে। এখানে আপনি স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে শুরুতেই মাসে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা, প্রতিষ্ঠান ভেদে এর পরিমাণ ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকাও হতে পারে। আর পরে মাসে ১ লাখ থেকে ৪/৫ লাখ টাকাও আয় করা সম্ভব। এছাড়া পার্টটাইমে কাজ করে আপনি মাসে অন্তত দশ হাজারের মতো টাকা আয় করতে পারবেন। সবকিছু মিলে এখানে রয়েছে পদোন্নতির পাশাপাশি বেতন বৃদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ। সফলতা পেতে হলে সব পেশাতেই সফল হতে অতিরিক্ত কিছু গুণ থাকা চাই। আপনাকে হতে হবে উদ্যমী, সাহসী ও কঠোর পরিশ্রমী। আমাদের দেশে চাকরির চেয়ে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। এ জন্য ভালো মানের আকর্ষণীয় বেতনের একটি চাকরির জন্য আপনি ফেসবুকে বিভিন্ন পত্রিকার জব লিংকের সঙ্গে আ্যড হতে পারেন। বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই অনলাইনে তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।বিশেষজ্ঞের অভিমতদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক ডিন ও আইএসটির বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর শাহিদা রফিক বলেন, কম্পিউটারকে বলা হয় কী অফ সিভিলাইজেশন, মানে কম্পিউটার হল সভ্যতার চাবিকাঠি। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আপনি কম্পিউটার ছাড়া কিছুই কল্পনা করতে পারবেন না। কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেক কঠিন কাজকে অতি সহজে করতে পারছি। যে জাতি যোগাযোগ ব্যবস্থা তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে সে জাতি তত উন্নত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে কম্পিউটার শিক্ষা আজ মৌলিক অধিকারে পরিণত হয়েছে।
পিছিয়ে না থেকে সরকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি পাশাপাশি কম্পিউটার শিখে আপনিও আত্মনির্ভরশীল হোন।
যে কোন কোর্স সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুনঃ ✅0️⃣1️⃣5️⃣5️⃣4️⃣4️⃣0️⃣4️⃣1️⃣9️⃣1️⃣
+8801554404191/+8801745534345।