ILA educare

ILA educare **"We have been providing Language and computer training since 1991, with nearly 35 years of dedicated service in this field. "**

We remain committed to continuing these efforts in the years to come. ILA earned a good name among the students and become a popular organization to reach the best possible academic heights based on their academic merit. We are rendering our services from a well-equipped office, located in Sylhet, a North Eastern City of Bangladesh, famous as a district of Expatriate Bangladeshi leaving in Europe.

We floated a tailor-made program of English Language and Computer Training, and software development side by side, and we started facilitating the best educational opportunities in the prestigious universities abroad for aspiring students. Committed to the objectives of integrity and excellence, ILA Educare is now a recognized leader in English Language, Computer Training, Software Development, and Overseas Educational consultancy. We look forward to answering your queries and ensuring effective assistance.

27/05/2026
এআইকে প্রম্পট কোন ভাষায় দেবেন, বাংলা না ইংরেজি?এআই এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার টুল নয়। চ্যাটজিপিটির মত মডেল দিয়ে ...
21/05/2026

এআইকে প্রম্পট কোন ভাষায় দেবেন, বাংলা না ইংরেজি?
এআই এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার টুল নয়। চ্যাটজিপিটির মত মডেল দিয়ে লেখা তৈরি হচ্ছে, মিডজার্নি দিয়ে ছবি, সুনো দিয়ে গান। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারী এআইকে নির্দেশনা পাঠান ভিন্ন ভিন্ন ভাষায়, যাকে বলে প্রম্পট।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা এখানে এসেই থেমে যান। বাংলায় লিখব, না ইংরেজিতে? বাংলায় লিখলে চিন্তাটা স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু ফলাফল ভাল হবে কি? ইংরেজিতে লিখলে হয়ত ফল ভাল আসবে, কিন্তু ভাষাটা যথেষ্ট দখলে না থাকলে নির্দেশনাই অস্পষ্ট হয়ে যায়। দ্বিধায় পড়ে অনেকেই এআইয়ের পরিপূর্ণ সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন না।
দ্বন্দ্বটা কতটা বাস্তব, একটা উদাহরণে দেখা যাক। দুজন মানুষ একই ছবি চাইছেন, একজন বাংলাদেশী কৃষকের পোর্ট্রেট। প্রথমজন বাংলায় লিখলেন “একজন বাংলাদেশী বৃদ্ধ কৃষকের ছবি, মুখে বলিরেখা।” আরেকজন ইংরেজিতে লিখলেন “Photorealistic portrait of an elderly Bangladeshi farmer, weathered face, 85mm lens, golden hour lighting.”
ছবি দুটি এলো। বিষয়বস্তু একই, মান আলাদা। দ্বিতীয়টায় আলো পড়েছে নিখুঁতভাবে, চামড়ার টেক্সচার বোঝা যাচ্ছে, ব্যাকগ্রাউন্ড স্বাভাবিকভাবে ঝাপসা। প্রথমটা মাঝারি; বিষয়বস্তু ঠিক, কিন্তু পেশাদার মানের নয়।
এই পার্থক্য বাংলার দুর্বলতা নয়। মডেলগুলিকে যে ডেটা দিয়ে শেখানো হয়েছে, সেখানে ইংরেজির পাল্লাই ভারি। বিশাল সেই ডেটাভাণ্ডারে বাংলার অনুপাত তুলনামূলকভাবে অনেক কম। অর্থাৎ সমস্যাটা ভাষাগত নয়, ডেটাসেটের পক্ষপাত। সুতরাং এর সমাধান কেবল ইংরেজি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীলতা নয়। বরং কোন কাজে কোন ভাষা ভালো চলে, সেটা চিনে নিতে হবে।
কিছু কাজে বাংলা এগিয়ে, কিছুতে ইংরেজি, আর বেশিরভাগ বাস্তব কাজে দুটির মিশ্রণ, যাকে বলে হাইব্রিড প্রম্পট, সবচেয়ে ভাল ফল দেয়। কোথায় কোনটা কাজ করে এবং বাস্তবে দুই ভাষাকে কীভাবে কাজে লাগাবেন, এই লেখায় সেটাই দেখানো হবে।
টেক্সট মডেল বনাম ইমেজ মডেল
সব এআই একইভাবে বাংলা বোঝে না। টেক্সট-ভিত্তিক বড় ভাষা মডেল, যেমন ChatGPT, Claude, Gemini, আজকাল বাংলায় বেশ ভালই পারফর্ম করে। পুরো বাংলায় লিখেও মানসম্মত উত্তর, অনুবাদ, বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। কিন্তু ইমেজ ও ভিডিও জেনারেশন মডেল, যেমন Stable Diffusion, Midjourney, Flux বাংলায় অনেক সীমাবদ্ধ।
কারণটা ট্রেনিং ডেটায়। স্টেবল ডিফিউশন তৈরি হয়েছে LAION-5B ডেটাসেটে, যেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ছবি-ক্যাপশন জোড়া আছে। কিন্তু এই বিশাল তালিকায় বাংলা ক্যাপশন আছে মাত্র কয়েক হাজার, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। বাকি প্রায় পুরোটাই ইংরেজি ও অন্যান্য বহুল-প্রচলিত ভাষা।
বাংলা ভাষার মাধ্যমে ছবির খুঁটিনাটি চেনার মত সক্ষমতা এই মডেলের ভেতরে সেভাবে গড়ে ওঠেনি। টেক্সট মডেলে ইংরেজির প্রাধান্য থাকলেও বাংলা কনটেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি এবং মডেলের ভেতরকার গঠনও ভাষা-স্থানান্তরে (Language Transfer) ভাল কাজ করে।
যেখানে বাংলা এগিয়ে
অনেকে ধরেই নেন এআইয়ের সাথে কাজ মানেই ইংরেজিতে কাজ। ভুল ধারণা। আইডিয়া বের করা, গল্প লেখা, কবিতার খসড়া তৈরি, লোকাল কনটেক্সট বোঝানো, বাংলাদেশী বাস্তবতা তুলে ধরা—এসব কাজে বাংলা ব্যবহার করলে ভাবনাটা স্বাভাবিক থাকে, ইনপুটও ভাল হয়। এখানে টেকনিক্যাল নিখুঁততা নয় বরং অর্থ, সুর ও প্রসঙ্গ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ধরুন, কোনো গ্রামীণ চরিত্রের সংলাপ লিখতে চান। কিংবা ঈদের স্মৃতি নিয়ে একটা ছোটগল্পের প্লট। বাংলায় প্রম্পট দিলে মডেল সাংস্কৃতিক সূত্রগুলি ভালো ধরে। ইংরেজিতে একই জিনিস চাইলে অনুবাদ-গন্ধযুক্ত, অস্বাভাবিক ও কৃত্রিম একটা আউটপুট আসে।
ChatGPT বা Claude-এ সাধারণ আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, সারাংশ তৈরি, ইমেইলের খসড়া—এসব কাজে বাংলা চালাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ছবি বানাতে বসলেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
ইমেজ তৈরিতে ইংরেজি কেন এগিয়ে
শুরুতে দেখানো সেই দুই কৃষকের ছবিতে ফিরে যাই। ইংরেজি প্রম্পটে যে শব্দগুলি জাদু দেখায়, যেমন “Photorealistic”, “HDR”, “skin pores”, “sharp focus”, “bokeh”, এগুলি শুধু বর্ণনা নয়। প্রতিটা শব্দ মডেলের ভেতরে নির্দিষ্ট ভিজ্যুয়াল প্যাটার্নের সাথে শক্তিশালী যোগসূত্র তৈরি করে।
প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিভাষায় এদের বলা হয় উচ্চ-ওজনের টোকেন (High-weight Token), যেগুলি আউটপুটে জোরালো প্রভাব ফেলে।
এর সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ ছিল “trending on artstation” শব্দবন্ধটি। ২০২২-২৩ সালে যে কেউ মিডজার্নি বা স্টেবল ডিফিউশনে কোনো প্রম্পটের শেষে এই পাঁচটি শব্দ যোগ করলেই ছবির মান হঠাৎ বদলে যেত। একই বিষয়বস্তু, কিন্তু এই শব্দ যোগ করলে আউটপুট হঠাৎ অভিজ্ঞ ডিজিটাল আর্টিস্টের তৈরি আর্টওয়ার্কের মত দেখাত।
কারণ ArtStation নামের ওয়েবসাইটটি পেশাদার ডিজিটাল শিল্পীদের প্ল্যাটফর্ম এবং সেখান থেকে আসা ছবিগুলি ট্রেনিং ডেটায় এই ক্যাপশনের সাথে যুক্ত ছিল। এই একটা শব্দবন্ধ ইংরেজি প্রম্পটের শক্তি আর ট্রেনিং ডেটার পক্ষপাত, দুটিই একসাথে দেখিয়ে দেয়।
এই শব্দগুলি বাংলায় অনুবাদ করলে অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু প্রভাব কমে যায়। মডেল আংশিকভাবে বোঝে। কিছু বাদ দেয়। কম নির্ভুলভাবে তৈরি করে। আউটপুটের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়।
লাইটিং, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, ফোকাস, টেক্সচার, যেখানে সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ দরকার, সেখানে আজকের বাস্তবতায় ইংরেজি ছাড়া উপায় নেই। ইমেজ মডেলে ইংরেজির প্রয়োজনীয়তা অবশ্য এখানেই শেষ নয়। আরেকটা বড় জায়গা আছে যেখানে বাংলা কাজই করে না।
নেগেটিভ প্রম্পট
সেই জায়গাটার নাম নেগেটিভ প্রম্পট, অর্থাৎ কী চান না, সেটা বলা। ইমেজ জেনারেশনে শুধু কী চান বললেই হয় না। কী এড়াতে চান, সেটাও বলতে হয়। যেমন “blurry, low quality, extra fingers, watermark, deformed hands, bad anatomy”; এই শব্দগুলি আলাদা ফিল্ডে দিলে মডেল ত্রুটিগুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।
এটা প্রায় পুরাটাই ইংরেজিতে কাজ করে। কারণ ক্যাপশন ডেটায় এই গুণগত দুর্বলতা বোঝানো শব্দগুলি ইংরেজিতেই ট্যাগ করা ছিল। বাংলায় “ঝাপসা” বা “খারাপ হাত” লিখলে মডেল কার্যকরভাবে ফিল্টার করতে পারে না।
প্রম্পটের কাঠামো—কিওয়ার্ড বনাম বাক্য
ভাষা ছাড়াও প্রম্পটের গঠন গুরুত্বপূর্ণ। এখানেও টেক্সট ও ইমেজ মডেলের মধ্যে পার্থক্য আছে। ইমেজ মডেল সাধারণত কমা দিয়ে আলাদা করা কিওয়ার্ড লিস্ট (Comma-separated Keywords) ভাল বোঝে। যেমন “young woman, red saree, monsoon rain, cinematic lighting, shallow depth of field”।
টেক্সট মডেল চায় পূর্ণ বাক্য আর প্রাকৃতিক ভাষায় লেখা নির্দেশনা। যেমন: “একজন তরুণীর ছবি বর্ণনা করুন যিনি বর্ষার মধ্যে লাল শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছেন।” বিষয়বস্তু এক, কিন্তু কাঠামো দুই রকম।
মিডজার্নির মত টুলে আবার কিছু ভাষা-নিরপেক্ষ কমান্ড-প্যারামিটার আছে, যেমন --ar 16:9 (Aspect Ratio), --s 750 (Stylize Value), --c 50 (Chaos)। বাংলা বা ইংরেজি যেকোনো প্রম্পটের শেষে যোগ করা যায়। সম্পূর্ণ সিনট্যাক্সভিত্তিক।
এই কমান্ড দেওয়ার পদ্ধতির পেছনে মিডজার্নির শুরুর ইতিহাস কাজ করছে; ২০২২ সালে এটি চালু হয়েছিল একটি Discord সার্ভার হিসাবে, কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইট-ইন্টারফেস ছিল না। ব্যবহারকারীরা চ্যাট রুমে কমান্ড টাইপ করে ছবি আঁকাতেন এবং সেই সিনট্যাক্স আজও টুলটির স্বাক্ষর হয়ে আছে।
ভাষা নির্বাচনের পাশে আরেকটা হিসাব আছে, যেটা অনেকের চোখ এড়িয়ে যায়—খরচ।
টোকেন: খরচের একটা লুকানো দিক
যারা এপিআই (API) দিয়ে কাজ করেন, কিংবা সীমিত ক্রেডিটে চলেন, তাদের জন্য এটা মাথায় রাখা জরুরি। এআই মডেল টেক্সটকে টোকেন নামক ছোট ছোট অংশে ভেঙে প্রসেস করে। খরচ ও সীমা, সব হিসাব এই টোকেন সংখ্যার উপর। বাংলার মত অ-ল্যাটিন লিপি টোকেনাইজেশনে অনেক বেশি জায়গা নেয়।
ইংরেজিতে “The weather is nice today” বাক্যটি প্রায় ৬ টোকেন। বাংলায় এর সমার্থক “আজকের আবহাওয়া চমৎকার” বাক্যে লাগে প্রায় ২০-২৫ টোকেন। অর্থাৎ একই কাজ বাংলায় করলে খরচ তিন থেকে চার গুণ বেশি, আর কনটেক্সট উইন্ডোও দ্রুত ভরে যায়।
অক্সফোর্ডের গবেষক আলেকজান্দার পেট্রভ ও তার সহকর্মীরা ২০২৩ সালে এই সমস্যাটিকে নাম দিয়েছেন “language tax” বা ভাষা-কর। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, একই অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজির তুলনায় কিছু ভাষায় ১৫ গুণ পর্যন্ত বেশি টোকেন লাগে। মিয়ানমারের ভাষায় এই অনুপাত সর্বাধিক। বাংলার অবস্থা মাঝামাঝি, কিন্তু পার্থক্যটা তবু যথেষ্ট বড়।
এর অর্থ পরিষ্কার: যে ভাষায় কথা বলেন, প্রযুক্তির খরচও সে অনুপাতে দিতে হয়। চ্যাট ইন্টারফেসে সাবস্ক্রিপশন দিয়ে কাজ করলে এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। কিন্তু ডেভেলপার বা বাল্ক প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য বড় প্রভাব ফেলে। এত হিসাবের পর প্রশ্ন ওঠে: তাহলে বাস্তবে কী করবেন?
হাইব্রিড প্রম্পট: সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি
উত্তর সরাসরি বলি। দুই ভাষার মিশ্র ব্যবহারই সবচেয়ে যৌক্তিক। অনেকে আগে বাংলায় ভাবেন, তারপর ইংরেজিতে প্রম্পট লেখেন। আবার কেউ সরাসরি হাইব্রিড প্রম্পটে যান—বিষয়বস্তু বাংলায়, টেকনিক্যাল নির্দেশনা ইংরেজিতে।
শুরুর সেই কৃষকের উদাহরণে ফিরি। শুধু বাংলায় বললে যে মাঝারি ফলাফল আসে, হাইব্রিড করলে সেটা পাল্টে যায়:
“একজন বাংলাদেশি বৃদ্ধ কৃষকের মুখ, মাথায় গামছা, পেছনে ধানের ক্ষেত—photorealistic portrait, soft natural light, golden hour, shallow depth of field, 85mm lens, ultra-detailed skin texture, cinematic composition --ar 3:4 --s 250”
বিষয়বস্তু ও সাংস্কৃতিক বিবরণ বাংলায়, ভিজ্যুয়াল কন্ট্রোল ইংরেজিতে, কমান্ড-প্যারামিটার সিনট্যাক্সে। মডেল তিন স্তরে আলাদাভাবে প্রসেস করে। কী আঁকতে হবে, কীভাবে আঁকতে হবে, কোন আকারে দিতে হবে, তিনটাই স্পষ্ট। ফলাফল হয় অত্যন্ত উচ্চমানের।
টেক্সট মডেলেও একই কৌশল কাজ করে। যেমন: “নিচের প্যারাগ্রাফটি academic tone-এ rewrite করুন, avoid passive voice”। কাজের নির্দেশনা বাংলায়, স্টাইলের প্যারামিটার ইংরেজিতে।
ট্রান্সলেশন-ব্রিজ
হাইব্রিড কঠিন মনে হলে আরেকটা সহজ পথ আছে, যাকে বলা যায় ট্রান্সলেশন-ব্রিজ। প্রথমে বাংলায় পুরা প্রম্পট লিখুন বিস্তারিতভাবে। তারপর সেটাই এআইকে দিয়ে ইংরেজিতে অনুবাদ করান। অনূদিত প্রম্পট ইমেজ মডেলে পেস্ট করেন। বাংলায় ভাবার সুবিধা আর ইংরেজি প্রম্পটের নির্ভুলতা, দুটিই একসাথে পাওয়া যায়।
যারা ইংরেজি প্রম্পটিং এখনও শিখছেন, তাদের জন্য এটা ভাল সেতু। তবে একটা সতর্কতা আছে: এআইয়ের অনুবাদ সবসময় সঠিক টেকনিক্যাল পরিভাষা ব্যবহার করে না। অনূদিত প্রম্পটটা একবার চোখ বুলিয়ে ঠিক করে নেওয়া দরকার।
ভয়েস ও অডিও মডেল
এতক্ষণ কথা হল টেক্সট আর ইমেজ নিয়ে। কিন্তু ভয়েস ও মিউজিক জেনারেশন টুলের ব্যবহারও বাড়ছে এবং এখানে ভাষার সমস্যা আরও তীব্র। ElevenLabs দিয়ে ভয়েসওভার, Suno বা Udio দিয়ে গান, এসব এখন সহজলভ্য। কিন্তু বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে এই টুলগুলির কার্যকারিতা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে।
ইলেভেন ল্যাবস বাংলা টেক্সট উচ্চারণ করতে পারে, কিন্তু উচ্চারণ অস্বাভাবিক। আবেগের সঠিক বহিঃপ্রকাশের দিক থেকে এটি ইংরেজির মানের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। সুনোতে বাংলা গানের লিরিক্স দিলে মডেল চেষ্টা করে, কিন্তু উচ্চারণ-সুরের মিল প্রায়ই দুর্বল।
এটা শুধু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়, এটি মূলত বিশ্ববাজারে কোন ভাষার চাহিদা কত বেশি, তার ওপর নির্ভর করে। কোম্পানিগুলি যে ভাষা থেকে বেশি ব্যবহারকারী আসে, সেদিকেই আগে মনোযোগ দেয়। বাংলাভাষীরা এই টুলগুলি যত বেশি ব্যবহার করবেন, ফিডব্যাক যত বেশি যাবে, বাংলা সাপোর্ট তত দ্রুত উন্নত হবে। এই কারণেই বাংলার বর্তমান অবস্থা স্থায়ী নয়, বরং পরিবর্তনশীল।
ভবিষ্যৎ
মডেলগুলি প্রতি কয়েক মাসে উন্নত হচ্ছে। বহুভাষিক ট্রেনিং বাড়ছে। বাংলার সাপোর্টও ধীরে ধীরে ভাল হচ্ছে। Google, Meta, OpenAI দক্ষিণ এশীয় ভাষার উপর আলাদা মনোযোগ দিচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারতের গবেষকরাও ওপেন-সোর্স বাংলা মডেল বানাচ্ছেন।
আগামী কয়েক বছরে বাংলা প্রম্পটের কার্যকারিতা আজকের চেয়ে অনেক ভাল হবে, বিশেষ করে টেক্সট মডেলে। ইমেজ মডেলে পরিবর্তন আসবে, তবে বাংলা ও ইংরেজি ক্যাপশন ডেটার ভারসাম্য ঠিক হতে সময় লাগবে।
তবে এই উন্নতি আপনাআপনি ঘটবে না। বাংলাভাষীরা এআই টুল যত বেশি ব্যবহার করবেন, যত বেশি ফিডব্যাক দেবেন, বাংলা কনটেন্ট যত বেশি অনলাইনে আসবে, ট্রেনিং ডেটায় বাংলার প্রতিনিধিত্ব তত বাড়বে। প্রযুক্তি বাজারের চাহিদায় এগোয়। আজকের এই কৌশলগুলিই শেষ কথা নয়, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে এগুলিও বদলে যাবে।
শুরুর সেই দুজন মানুষের গল্পে ফিরি। তাদের চাওয়া এক, ভাষা আলাদা, ফলাফলও আলাদা। দ্বিতীয়জন কোনো জাদু জানে না। সে শুধু জানে কোন ভাষা কখন কাজে লাগে।
একটা সহজ থাম্ব রুল মনে রাখা যায়: যেখানে অর্থ ও প্রসঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে বাংলা। যেখানে টেকনিক্যাল নিয়ন্ত্রণ দরকার, সেখানে ইংরেজি—দুটিই লাগলে হাইব্রিড।

সংগ্রহ
আইএলএ এডুকেয়ার
সিলেট

প্রকৃতি কেন পুনরাবৃত্তি পছন্দ করে না মানুষের মস্তিষ্ক প্যাটার্ন খুঁজতে ভালোবাসে। কোথাও একই ঘটনা বারবার ঘটলে আমরা দ্রুত স...
21/05/2026

প্রকৃতি কেন পুনরাবৃত্তি পছন্দ করে না
মানুষের মস্তিষ্ক প্যাটার্ন খুঁজতে ভালোবাসে। কোথাও একই ঘটনা বারবার ঘটলে আমরা দ্রুত সেটাকে "নিয়ম" বা "শৃঙ্খলা" বলে চিনে ফেলি। সূর্য ওঠে রোজ, ঋতু বদলায়, হৃদপিণ্ড স্পন্দিত হয়, ঢেউ আসে আর যায়। এই পুনরাবৃত্তিগুলি মনে স্থিরতা তৈরি করে। মনে হয় মহাবিশ্ব একটা ছন্দ মেনে চলছে।
এ কারণেই বিজ্ঞান ও দর্শনে অনেক দিন একটা ধারণা বদ্ধমূল হয়ে ছিল: শৃঙ্খলা মানেই পুনরাবৃত্তি।
একটা ইটের দেয়াল, টাইলসের মেঝে কিংবা স্ফটিকের ভেতরের পরমাণু সবখানেই একই গঠন বারবার ফিরে আসে। যেন প্রকৃতি নিজেই কপি-পেস্ট করতে ভালবাসে।
কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এসে বিজ্ঞানীরা দেখলেন, শৃঙ্খলা সবসময় পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে প্রকাশ পায় না। এমন গঠনও আছে যেখানে গভীর নিয়ম আছে, অথচ সেই নিয়ম কখনও হুবহু একইভাবে ফিরে আসে না।
এটা শুধু গণিত বা পদার্থবিজ্ঞানের আবিষ্কার নয়। মানুষের চিন্তার ইতিহাসেও এটা একটা দার্শনিক ধাক্কা।
প্রকৃতির ভাষা: পুনরাবৃত্তি নয়, সম্পর্ক
একটা বন কখনও পুরোপুরি সমান নয়। প্রতিটি গাছ আলাদা, প্রতিটা পাতার শিরা আলাদা, মাটির আর্দ্রতাও জায়গায় জায়গায় বদলায়। তবু বনকে বিশৃঙ্খল মনে হয় না।
কারণ সেখানে সম্পর্ক আছে।
একই ব্যাপার দেখা যায় নদীর শাখা-প্রশাখায়, মেঘের আকারে, ফুসফুসের ভেতরের বায়ুনালিতে। কোথাও হুবহু পুনরাবৃত্তি নেই। তবু একটা গাণিতিক বা জৈবিক সংগতি কাজ করছে।
মানে, কোনো কাঠামো কখনও হুবহু পুনরাবৃত্ত না হয়েও গভীরভাবে সংগঠিত হতে পারে।
প্রকৃতি প্রায়ই কপি-পেস্ট করে না। সে একটা মৌলিক নিয়মকে বারবার নতুন করে প্রকাশ করে। অনেক বিজ্ঞানী এটাকে বলেন self-similarity বা স্ব-সাদৃশ্য।
এর বিখ্যাত উদাহরণ ফ্র্যাক্টাল (Fractal)। ফ্র্যাক্টাল হল এমন এক ধরনের জ্যামিতিক গঠন, যেখানে ছোট অংশের ভেতরেও পুরো কাঠামোর ছাপ দেখা যায়। আপনি যত জুম করবেন, ততই মনে হবে বড় আকৃতিটারই ছোট সংস্করণ দেখছেন।
তবে এগুলি কখনও পুরোপুরি এক নয়—প্রতিবারই সামান্য পরিবর্তন থাকে। প্রকৃতির অনেক গঠনে এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়—বজ্রপাত, তুষারকণা, উপকূলরেখা। তবে সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ রোমানেস্কো ব্রকোলি। এই সবজির পৃষ্ঠে সর্পিলের পর সর্পিল সাজানো, প্রতিটি ছোট সর্পিল নিজেই পুরো কাঠামোর প্রতিচ্ছবি।
ফিবোনাচ্চি: পুনরাবৃত্তিহীন ছন্দ
এই ধারণার সবচেয়ে চেনা উদাহরণ ফিবোনাচ্চি ধারা।
১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪ …
এখানে প্রতিটা সংখ্যা আগের দুটির যোগফল। দেখতে খুব সাধারণ নিয়ম। অথচ প্রকৃতির অসংখ্য জায়গায় এটা ফিরে ফিরে আসে।
সূর্যমুখীর বীজ এমনভাবে সাজানো থাকে যেন কম জায়গায় বেশি বীজ ধরে। গাছের পাতাও অনেক সময় এমন কোণে জন্মায় যাতে প্রতিটা পাতা সর্বোচ্চ আলো পায়। এই দক্ষ বিন্যাসের ভেতরেই ফিবোনাচ্চির অনুপাত লুকিয়ে থাকে। শামুকের খোলসেও একই অনুপাত ফিরে আসে।
মজার ব্যাপার, এখানে পুনরাবৃত্তি নেই। ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩ সংখ্যাগুলি একইভাবে ঘুরে আসে না। তবু একটা গভীর সম্পর্ক পুরো ধারাটাকে বেঁধে রাখে।
মানে, শৃঙ্খলা এখানে "একই হওয়া" থেকে আসছে না। আসছে "সম্পর্কিত হওয়া" থেকে।
ইসলামি স্থাপত্যের ভুলে যাওয়া অধ্যায়
পুনরাবৃত্তিহীন প্যাটার্নের ধারণা পশ্চিমা গণিতে এসেছে ১৯৭০-এর দশকে, যখন রজার পেনরোজ তার বিখ্যাত টাইলিং নকশা তৈরি করেন। তবে কাছাকাছি ধরনের জ্যামিতিক চিন্তার ছাপ পাওয়া যায় মধ্যযুগীয় ইসলামি স্থাপত্যেও।
ইরানের ইসপাহান, উজবেকিস্তানের সমরকন্দ, বুখারা—এসব শহরের মসজিদ আর মাদ্রাসার দেয়ালে যে জ্যামিতিক নকশা আছে, তার নাম "গিরিহ" টাইলিং। বেশিরভাগ গিরিহ আসলে পর্যাবৃত্ত, অর্থাৎ একই গঠন বারবার ফিরে আসে।
কিন্তু ২০০৭ সালে পিটার লু ও পল স্টাইনহার্ট নামের দুই পদার্থবিজ্ঞানী একটা গবেষণায় দেখান, ইসপাহানের দারব-ই ইমাম মাজারের (১৪৫৩) নকশায় পেনরোজ টাইলিং-এর কাছাকাছি বৈশিষ্ট্য আছে।
পেনরোজ টাইলিং ও কোয়াসিক্রিস্টাল: তত্ত্ব মিলল বাস্তবে
একটা তাত্ত্বিক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে পেনরোজ এমন এক জ্যামিতিক নকশা তৈরি করেন, যা পরে গণিত ও স্ফটিকবিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।
শুরুতে এটা ছিল নিছক একটা বিমূর্ত গাণিতিক ধারণা—কয়েক ধরনের নির্দিষ্ট আকারের টাইল দিয়ে পুরো সমতল ভরাট করার পদ্ধতি। আশ্চর্যের বিষয়, নকশায় স্পষ্ট শৃঙ্খলা থাকলেও সেটা কখনও পুরোপুরি পুনরাবৃত্ত হয় না।
এক দশক পরে এই বিমূর্ত ধারণা হঠাৎ বাস্তব রূপ পেল। ১৯৮২ সালে ইসরায়েলি বিজ্ঞানী ড্যান শেচ্টম্যান একটা ধাতব মিশ্রণ পরীক্ষা করতে গিয়ে এমন এক পরমাণু-গঠন দেখতে পান, যেটা ঠিক প্রচলিত ক্রিস্টালের মত নয়।
সাধারণ ক্রিস্টালে পরমাণু এমনভাবে সাজানো থাকে যে একই গঠন বারবার ফিরে আসে। তার গঠনে শৃঙ্খলা ছিল, নির্দিষ্ট কোণ ছিল, কিন্তু একই গঠন বারবার ফিরে আসত না।
বিজ্ঞানীরা বুঝলেন, পেনরোজের পুনরাবৃত্তিহীন নকশা এই নতুন পদার্থের জন্য গাণিতিক মডেল হিসাবে কাজ করতে পারে।
সঙ্গীত ও ভাষা: নিয়মের ভেতরে স্বাধীনতা
এই ধারণা শুধু গণিত বা পদার্থবিজ্ঞানে আটকে নেই। একটা মহান সিম্ফনিতে কিছু থিম বারবার ফিরে আসে, কিন্তু হুবহু একইভাবে নয়। প্রতিবার সামান্য বদলায়, নতুন যন্ত্র যোগ হয়, গতি পাল্টায়। সবকিছু পুরোপুরি পুনরাবৃত্ত হলে সঙ্গীত যান্ত্রিক হয়ে যেত।
মানুষের ভাষাও একই রকম। আমরা প্রতিদিন নতুন বাক্য তৈরি করি, যা আগে কেউ বলেনি। ভাষা পুরোপুরি পুনরাবৃত্তিমূলক হলে সাহিত্য তৈরি যেমন অসম্ভব হত, আবার কোনো নিয়ম না থাকলে কোনো যোগাযোগই অসম্ভব হয়ে যেত।
একই বৈশিষ্ট্য আমাদের শরীরের ভেতরেও। সুস্থ মস্তিষ্কের তরঙ্গ পুরোপুরি নিয়মিত হয় না—হলেও বিপদ। মৃগী রোগের কিছু ধরনের খিঁচুনিতে মস্তিষ্কের একটা অংশ হঠাৎ অতিরিক্ত নিয়মিত, পুনরাবৃত্ত বিদ্যুৎ ছাড়তে শুরু করে।
আবার পুরোপুরি এলোমেলো হলে সেটা কোমার দিকে চলে যায়। সুস্থ মস্তিষ্ক ঠিক মাঝখানে—এমন এক জটিল ছন্দে, যেটা পুরোপুরি নিয়মিতও নয়, পুরোপুরি বিশৃঙ্খলও নয়।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার: সময়ের ভেতর ছন্দ
সম্প্রতি কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে একটা গবেষণা এই ধারণাকে নতুনভাবে সামনে এনেছে। কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কিউবিট খুব দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। তাপ, কম্পন, এমনকি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক ব্যাঘাতও তাদের সূক্ষ্ম কোয়ান্টাম অবস্থা নষ্ট করে দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরে চেষ্টা করছেন, কীভাবে এই ভঙ্গুর সিস্টেমকে আরেকটু বেশি সময় স্থিতিশীল রাখা যায়।
২০২২ সালে ফিলিপ দুমিত্রেস্কুর নেতৃত্বে একদল পদার্থবিজ্ঞানী Nature জার্নালে একটি গবেষণা প্রকাশ করেন। তারা কোয়ান্টিনুয়াম কোম্পানির কোয়ান্টাম কম্পিউটারে দশটি ইটারবিয়াম পরমাণুর ওপর দু'ভাবে লেজার পালস ছোঁড়েন। একবার সম্পূর্ণ নিয়মিত ছন্দে, আরেকবার ফিবোনাচ্চি ধারার ভিত্তিতে এক ধরনের পুনরাবৃত্তিহীন প্যাটার্নে।
নিয়মিত পালসে কিউবিট মাত্র ১.৫ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থিতিশীল ছিল, কিন্তু ফিবোনাচ্চি-ভিত্তিক পালসে সেই সময় বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫ সেকেন্ডে। কারণ পুনরাবৃত্তিহীন এই বিন্যাস কিউবিটকে একটা বাড়তি প্রতিসাম্য দেয়, যা বাহ্যিক ব্যাঘাত থেকে কোয়ান্টাম অবস্থাকে কিছুটা বেশি সুরক্ষা দিতে পারে।
সভ্যতার সামনে নতুন প্রশ্ন
১৯৩০-এর দশকে আমেরিকার মাঝখানে যে "Dust Bowl" বিপর্যয় হয়েছিল, সেটার একটা বড় কারণ ছিল কৃষির অতি-একঘেয়েমি। সমস্যার মূল কারণ শুধু খরা ছিল না। তার আগের দশকগুলিতে কৃষকরা বিপুল পরিমাণ প্রেইরি ঘাস কেটে ফেলে একই ধরনের ফসল—বিশেষ করে গম—চাষ করছিলেন। প্রাকৃতিক ঘাসের গভীর শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখত। কিন্তু অতিরিক্ত চাষের ফলে মাটি আলগা ও শুকনা হয়ে যায়।
তারপর যখন খরা এল, বাতাস সেই শুকনা মাটিকে তুলে নিয়ে বিশাল ধূলিঝড় তৈরি করল। দিনের বেলাতেও আকাশ অন্ধকার হয়ে যেত। অনেক সময় ধুলার মেঘ শহরের ওপর দিয়ে এমনভাবে বয়ে যেত যে মানুষ কয়েক ফুট দূরের বস্তুও দেখতে পেত না।
Dust Bowl-এর শিক্ষা হল—অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তি ভঙ্গুরতা ডেকে আনে। কিন্তু এর উল্টা প্রান্ত, পুরোপুরি এলোমেলোতাও ভাল কিছু না।
এই পর্যন্ত পড়ে কারও মনে হতে পারে, যা কিছু হুবহু পুনরাবৃত্ত হয় না, তার ভেতরেই কোনো না কোনো গভীর নিয়ম লুকানো আছে। কথাটা ঠিক নয়।
একটা পুরোপুরি এলোমেলো সংখ্যা-তালিকা—যেমন র‍্যান্ডম নয়েজ—সেটাও কখনও পুনরাবৃত্ত হয় না। কিন্তু সেখানে কোনো সংগতি নেই। ফিবোনাচ্চি ধারা আর র‍্যান্ডম সংখ্যা—দুটিই পুনরাবৃত্তিহীন, কিন্তু এক জিনিস নয়।
পার্থক্যটা সম্পর্কের। ফিবোনাচ্চিতে একটা সংখ্যা পরবর্তী সংখ্যাকে নির্ধারণ করে। র‍্যান্ডম তালিকায় কেউ কারও সাথে যুক্ত নয়।
কেন প্রকৃতি এমন?
এর একটা সম্ভাব্য উত্তর—হুবহু পুনরাবৃত্তি স্থিতিশীলতা দেয় বটে, কিন্তু নমনীয়তা কেড়ে নেয়। একই গঠন বারবার করলে একটা ছোট ব্যাঘাতই পুরো ব্যবস্থা ভেঙে দিতে পারে। বৈচিত্র্যময় কিন্তু সম্পর্কিত গঠন বরং পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। বিবর্তন তাই হুবহু কপির বদলে সম্পর্কিত বৈচিত্র্যকেই বেশি বেছে নিয়েছে।
বিজ্ঞান যত আগাচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—মহাবিশ্ব কোনো স্থির যন্ত্র নয়। বরং এক গতিশীল সংগঠন, যেখানে নিয়ম আছে, কিন্তু সেই নিয়ম সবসময় সরল নয়।
হয়ত এই কারণেই প্রকৃতি কখনও পুরোপুরি একঘেয়ে নয়। সে শুধু নিয়ম মেনে চলে না, সে নতুনত্বও তৈরি করে।

সংগ্রহ:
আইএলএ এডুকেয়ার
অলডেস্ট ইংলিশ এন্ড কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট
উপশহর, সিলেট।

Address

Sylhet: Block B, Upashahar, Main Road. Dhaka: House 45, Road 08, Sector-12, Uttrara, Dhaka
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ILA educare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ILA educare:

Share